Connect with us

ক্যাম্পাস

জকসু নির্বাচন: শিক্ষার্থী সংসদে ৬৫ ও হলে ৭৭ শতাংশ ভোট, গণনা শুরু

Published

on

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ভোটে শিক্ষার্থী সংসদে ৬৫ ও হল সংসদে ৭৭ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানা গেছে। আজ (মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। বর্তমানে ভোট গণনা শুরু হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়। সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১৬ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার কথা ছিল।৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি একটি হল সংসদে ১ হাজার ২৪২ জন শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পান। নির্ধারিত সময় বিকেল ৩টার মধ্যে কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়ানো শিক্ষার্থীদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জকসুর বিভিন্ন পদে মোট ৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক পদে ৪ জন, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে ৯ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৫ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ৫ জন, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে ৪ জন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ৮ জন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৭ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৭ জন, পরিবহন সম্পাদক পদে ৪ জন, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক পদে ১০ জন, পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে ৭ জন এবং ৭টি সদস্য পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন প্রার্থীরা।

অন্যদিকে ছাত্রী হল সংসদের ১৩টি পদের বিপরীতে মোট ৮ জন সদস্য পদের প্রার্থীসহ বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন প্রার্থীরা। এর মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৩ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৩ জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২ জন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ২ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৪ জন, পাঠাগার সম্পাদক পদে ২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ২ জন, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক পদে ৩ জন এবং স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবিতে তরুণ কলামের ‘বার্ষিক লেখক সম্মাননা অনুষ্ঠান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আয়োজনে ‘বার্ষিক লেখক সম্মাননা অনুষ্ঠান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইইআর ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নূর সানজিদা স্মৃতির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রোখসানা খাতুন ইতি, শহীদ জিয়াউর রহমান হল ডিবেটং সোসাইটির সভাপতি শুয়াইব হোসেন, তারুণ্য সংগঠনের সভাপতি ইমন হোসেন, আবৃত্তি আবৃত্তি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজেদ সাগর, ক্যাপ সংগঠনের সভাপতি জান্নাতুল মাওয়া। এছাড়াও তরুণ কলাম লেখক ফোরাম ইবি শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ফোরামের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় লেখকদের নানাবিধ সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেষ্ট প্রদান করা হয় এবং সকল বিদায়ী লেখকদের বিদায়ী ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

ইবি শাখা সাধারণ সম্পাদক রবিউস সানি জোহা বলেন, “আজকের এই আয়োজন তরুণ লেখকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা, মনন ও লেখনীকে আরও বিকশিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমাদের সংগঠন সবসময় জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও দায়িত্বশীল লেখক তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সেইসাথে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা- লেখালেখি, সাহিত্যচর্চা, সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে সামনে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে এই আশা রাখি।

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইবি শাখার সভাপতি মো. রুহুল আমিন বলেন, আমাদের তরুণ লেখকেরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা জটিল ইস্যু, সমাধান এবং সমাজের নানা অনিয়ম, অসংগতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিয়মিত পত্রিকায় কলাম লিখে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন। তরুণদের এই লেখনী-স্পৃহাকে আরও শাণিত ও উজ্জীবিত করতেই আমাদের এই ‘বার্ষিক লেখক সম্মাননা অনুষ্ঠান ২০২৬’-এর আয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের আয়োজন তরুণদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং বস্তুনিষ্ঠ ও সমাজ-সংস্কারমূলক লেখালিখিতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে।

উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা পরপর ৬ বার বর্ষসেরা শাখা হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

Continue Reading

top3

ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষার্থীর বাবার পাশে দাঁড়ালেন বেরোবি ছাত্রদল নেতা রাফি

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি:

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী কফিল হোসেনের ক্যান্সার আক্রান্ত বাবার চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার হাত (আর্থিক) বাড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: রিফাত হোসেন রাফি।

মঙ্গলবার (২৮শে জুলাই) তিনি চিকিৎসার প্রাথমিক খরচ মেটাতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ ১৫ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান দেন।

আর্থিক সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে শিক্ষার্থী কপিল হোসেন বলেন, আমার বাবার ক্যান্সারে আক্রান্ত। অপারেশনের জন্য আড়াই লক্ষ টাকার দরকার।এই অবস্থায় চিকিৎসার খরচ চালানো আমাদের নিম্নবিত্ত পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই কঠিন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাই ও সহপাঠীরা যেভাবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, তা আমি কখনো ভুলব না।
বেরোবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাফি ভাই আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তার জন্য আমি এবং আমার পরিবার উনার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। সবার এই ছোট ছোট সহযোগিতা আমার বাবাকে সুস্থ করে তুলতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি আমার বাবার জীবন বাঁচাতে সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

অনুদান প্রদানের পর বেরোবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত হোসেন রাফি বলেন, শিক্ষার্থীবান্ধব ছাত্ররাজনীতি সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকে। আমাদের সহপাঠী বা কোনো শিক্ষার্থীর পরিবার যখন সংকটে পড়ে, তখন তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কপিল আমাদেরই ভাই। তার বাবার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের ছোট ছোট সাহায্যই পারে একটি জীবন বাঁচাতে।

জানা গেছে কপিল হোসেনের বাবার ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা আর্থিক সহায়তার জন্য তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেন। এরই ধারাবাহিকতায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে পাশে দাঁড়ালেন এই ছাত্রদল নেতা।

Continue Reading

top3

কুবিতে আদিবাসী ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে উচিং-মংক্যএ

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আদিবাসী ছাত্র
সংসদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি মনোনীত হয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উচিং মার্মা এবং সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মংক্যএ মার্মা।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ক্যামেলিয়ন চাকমা, ক্লোরিন চাকমা, অর্কিড চাকমা, উর্মি তঞ্চঙ্গ্যা, বৈশাখী চাকমা, কাস্পিয়ান দেওয়ান, অঞ্জনা ত্রিপুরা, সুকন্যা রুথড্রং এবং ময়ুরী ত্রিপুরা।

এ ছাড়া সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ত্রিলোচন ত্রিপুরা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অর্পিত তালুকদার, অর্থ সম্পাদক হিসেবে ডওয়াংনু মার্মা, সহ-অর্থ সম্পাদক হিসেবে কিকিউ মার্মা, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে শ্রাবন্তী সিনহা, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ক্যক্যসাইন মার্মা, সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মনিরাম ত্রিপুরা, প্রচার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে রেমি চাকমা, সহ-প্রচার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে অডিথ চাকমা, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে প্রিয়াঙ্কা ত্রিপুরা ও জুঁই চওলা বর্মন, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কল বিকাশ ত্রিপুরা ও দ্বীপ সাংমা, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দিখনজয় ত্রিপুরা ও বিশ্বজয় ত্রিপুরা এবং সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে জমেনজয় ত্রিপুরা ও চেংগ্যহ্লা মার্মাকে মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়াও কমিটিতে একাধিক কার্যনির্বাহী সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
 
সদ্য মনোনীত সাধারন সম্পাদক মংক্যএ মার্মা বলেন, ‘নবগঠিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমার ওপর আস্থা রেখে যারা এ দায়িত্ব দিয়েছেন, তাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাই। সকলের সহযোগিতায় আদিবাসী ছাত্র সংসদ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও কার্যকর, ঐক্যবদ্ধ ও শিক্ষার্থীকল্যাণমুখী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব। পাশাপাশি আদিবাসী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করব।’

সদ্য মনোনীত সভাপতি উচিং মার্মা বলেন, ‘নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি আনন্দিত। এই সংগঠন শুধু একটি শিক্ষার্থী সংগঠন নয়, বরং আদিবাসী শিক্ষার্থীদের ঐক্য, নেতৃত্ব ও সাংস্কৃতিক পরিচয় বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পারস্পরিক সম্প্রীতি, নেতৃত্বের বিকাশ এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে কাজ করব। সবার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণেই আমাদের এই পথচলা আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

Continue Reading

Trending