Connect with us

top3

জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ইবি ছাত্রশিবিরের ‘অদম্য জুলাই’ মিছিল

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

‘জুলাইয়ের অঙ্গীকার ইনসাফের বাংলাদেশ বিনির্মাণ’–স্লোগানকে সামনে রেখে জুলাই বিপ্লবের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘অদম্য জুলাই মিছিল’ ও সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।

বুধবার (৫ আগষ্ট) বিকেল ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে মিছিল শুরু করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে এসে মিলিত সমাবেশে মিলিত হয়।
এ সময় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি সহ শাখা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অদম্য জুলাই মিছিলে নেতাকর্মীদের “দিয়েছি তো রক্ত, আরও দিব রক্ত; রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়; কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপ দাদার; বুকের ভেতর অনেক ঝর, বুক পেতেছি গুলি কর; আজকের এই দিনে, সাইদ তোমায় পরে মনে; আজকের এই দিনে, আনাস তোমায় পরে মনে; ওসমান হাদি মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ, লীগ ধর, জেলে ভর; জুলাইয়ের হাতিয়ার, গরজে ওঠো আরেকবার; ২৪ এর হাতিয়ার, গরজে ওঠো আরেকবার; এই দেশ আমার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ, মুজিব বাদ মুরদাবাদ, ইনকিলাব জিন্দাবদা”–ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশ শেষে শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন,মানুষ পদে পদে বৈষম্যের ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মানুষ আইনের যে অধিকার, সে অধিকার পাচ্ছে না। যারা গত বছরে বলেছিল ‘আর নয় হেলাফেলা, এবার হবে ফাইনাল খেলা’। তাদের বিচারের কতটুকু আইন-প্রশাসনের কাছে জানতে চাই। এ দেশের জনগণ জানতে চায়।

শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, আজ থেকে ঠিক দুই বছর আগে ২০২৪ সালের ৩৬ এ জুলাই অর্থাৎ ৫ই আগস্ট আজকের এই দিনে খুনি হাসিনা এদেশ থেকে সবকিছু গুটিয়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। খুনি হাসিনা দীর্ঘদিন যাবত এদেশের মানুষের উপর জুলুম করেছে। তিনি একটি জুলুমতন্ত্র কায়েম করেছিল। কিন্তু এদেশের জনগণ সেই জুলুমতন্ত্রকে স্থায়ী হতে দেয় নাই। তারা খুনি হাসিনাকে এদেশ থেকে চিরতরে বিতাড়িত করেছে। আমাদের জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নতুন ইনসাফের বাংলাদেশের কিন্তু আমরা বাস্তবে এখন পর্যন্ত ইনসাফ কায়েম হতে দেখতে পারি নাই।

তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিল জুলাই পরবর্তী নতুন নির্বাচিত সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করবে। এই সরকার দুর্নীতিকে আরও প্রশ্রয় দিচ্ছে ও দুর্নীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে । জুলাইয়ের পরে যত দিন গেছে, ইসলামবিরোধী শক্তি, জুলাইবিরোধী শক্তি, আধিপত্যবাদী শক্তি, র-এর এজেন্টরা আমাদের জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে, জুলাইয়ের শক্তিদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য তারা বিভিন্ন কুপরিকল্পনা করে যাচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

নতুন শিক্ষকদের তিন-চার মাসের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে: ইবি উপাচার্য

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেছেন, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে তিনটি বিষয়ের সমন্বয় প্রয়োজন, পাঠদানকারী শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের লজিস্টিক সাপোর্ট এবং শিক্ষার পরিবেশ। এ তিনটির সঠিক সমন্বয় ঘটলেই মানসম্মত গ্র্যাজুয়েট তৈরি করা সম্ভব। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য তিন থেকে চার মাসের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে লেকচারার ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পর্যায়ের শিক্ষকদের এ প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে উপাচার্য কনফারেন্স কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান আরও বলেন, বর্তমান সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষকরা প্রশিক্ষিত না হলে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তাই শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের জন্য ‘ফ্যাকাল্টি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’ চালু করা হয়েছে।

ডিজিটাল রূপান্তর প্রসঙ্গে অধ্যাপক মতিনুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য ‘EDU ID’ চালুর বিষয়টি সামনে এসেছে। এর মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর ভর্তি থেকে শুরু করে সার্টিফিকেট অর্জন পর্যন্ত সম্পূর্ণ তথ্য ও ডিজিটাল সেবা একটি ইউনিক আইডির মাধ্যমে এক জায়গায় সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা হবে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে ধীরে ধীরে ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের সেবা ডিজিটাল করার অংশ হিসেবে কুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ দল ইতোমধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে। বিশেষ করে ফলাফল প্রস্তুতের ক্ষেত্রে বর্তমানে কিছু কাজ ডিজিটাল এবং কিছু কাজ ম্যানুয়াল হওয়ায় একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

Continue Reading

top3

শিক্ষার্থীদের জন্য ‘EDU ID’ চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: ইবি উপাচার্য

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেছেন, শিক্ষার্থীদের ভর্তি থেকে শুরু করে সার্টিফিকেট অর্জন পর্যন্ত সব তথ্য ও ডিজিটাল সেবা একটি ইউনিক আইডির মাধ্যমে এক জায়গায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ‘EDU ID’-এর মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ একাডেমিক প্রোফাইল সংরক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে ধীরে ধীরে একটি ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে উপাচার্য কনফারেন্স কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, ‘EDU ID’ হবে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ইউনিক আইডি। এর মাধ্যমে ভর্তি থেকে শুরু করে সার্টিফিকেট অর্জন পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডিজিটাল সেবা একটি প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের সেবা ডিজিটাল করার লক্ষ্যে কুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ দল ইতোমধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে। বিশেষ করে ফলাফল প্রস্তুতের ক্ষেত্রে বর্তমানে কিছু কার্যক্রম ডিজিটাল এবং কিছু ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়াটিকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার কাজ চলছে।

Continue Reading

top3

ইবি সিআরসি’র নেতৃত্বে তানভীর-মাহবুব

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে গঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কাম ফর রোড চাইল্ড’ (সিআরসি) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে আল-হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আল অর্থনীতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহবুব আলম দায়িত্ব পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাসেল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাকিব মুন্সী স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ বিষয়ে জানা যায়। আগামী ১ বছরের জন্য এই কমিটিতে অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রেজাউল করিম, আল-গালিব ও রাদিফা মুমতাহিনা। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন আখি আলমগীর ও রুবাইয়া হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইমা খাতুন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইদী হোসেন, কোষাধ্যক্ষ আবুল হাসান মো. অলি উল্লাহ, উপ-কোষাধ্যক্ষ মারুফ হাসান, দপ্তর সম্পাদক মো. তানজিদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক শাহেদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক নাদির আহমেদ, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রেদোয়ানুল হাসান রায়হান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক সিফাত মিয়া, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক ফাহমিদা আজিম রিশা, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী ও ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. সবুজ হাসান।

এছাড়া সংগঠনের স্কুল পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত পৃথক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন স্কুল পরিচালক সাইফুদ্দীন সিদ্দীক, উপ-স্কুল পরিচালক খালেদ সাইফুল্লাহ, স্কুল ও শিক্ষা বৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. সিয়াম এবং শিক্ষা ও পাঠ্যক্রম বিষয়ক সম্পাদক রিফাত জাহান মিষ্টি।

দায়িত্ব পেয়ে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বলেন, “নতুন কমিটি আগামী এক বছর পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সকলের একতাবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা শুধু পথশিশু নয়, সমাজের সকল অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।”

শাখা সিআরসির নবনিযুক্ত সভাপতি তানভীর আহমেদ বলেন, “সিআরসি কেবল একটি সংগঠন নয়— এটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার, শিক্ষা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত একটি মানবিক উদ্যোগ। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও সম্মিলিত দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, সুন্দর ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব। আগামী দিনে সিআরসি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে পরিচালনার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে থাকতে বদ্ধপরিকর।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের স্বপ্ন এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে কোনো শিশু শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না এবং ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও অবহেলার মধ্যে বেড়ে উঠতে হবে না। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সিআরসির মানবিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানাই।”

প্রসঙ্গত, ‘কাম ফর রোড চাইল্ড’ (সিআরসি) একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এটি মূলত পথশিশুদের শিক্ষা, খাবার ও মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য কাজ করে। সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত এবং মানবকল্যাণে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করে। সিআরসি পথশিশুদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য সহায়তা ও সচেতনতা তৈরি করে থাকে।

Continue Reading

Trending