Connect with us

top3

ঝিনাইদহে দফায় দফায় সংঘর্ষ

Published

on

ঝিনাইদহে ৩টি আসনে নির্বাচন পরবর্তী হামলা-ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঝিনাইদহ-৪ আসনের কালীগঞ্জে হামলায় স্বতন্ত্র (বিএনপি বিদ্রোহী) প্রতীকের প্রায় ২৮ জন সমর্থক ও ধানের শীষ প্রতীকের ২ জন সমর্থক আহতসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঝিনাইদহ-৪ নির্বাচনী বিভিন্ন এলাকায় ওইসব হামলার ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, এবারের নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ আসন থেকে জামায়াত প্রার্থী আবু তালিব বিজয়ী হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী কাপ পিরিচ প্রতীকের সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও ধানের শীষের রাশেদ খান সমর্থকেরা গভীর রাত থেকেই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়াতে থাকে।

এরপর শুক্রবার সকাল থেকে কোলা, জামাল, নিয়ামতপুর, নলডাঙ্গা ইউনিয়ন ও কালীগঞ্জ শহরে দফায় দফায় হামলা শুরু হয়। বেলা ১১টার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজের অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও ৩ জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়।

দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত একইভাবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় সংঘর্ষে প্রায় ২৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক ও ২ জন ধানের শীষের সমর্থক আহত হন। আহতদের মধ্যে সাবেক বহিষ্কৃত পৌর বিএনপির নেতা জবেদ আলী, ছাত্রদল নেতা ইভন, খোকন ও মোশারেফ শেখসহ একাধিক ব্যক্তিকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ বলেন, অন্যায়ভাবে আমার নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও কর্মী সমর্থকদের কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থানা পুলিশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যে কারণে এ আসনের বিভিন্ন এলাকার আমার কর্মী সমর্থকদের ওপর একের পর এক হামলা চালাচ্ছে তারা।

এসব অভিযোগের বিষয়ে ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, কে বা কারা স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করেছে আমার জানা নেই। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাই হোসেন জানান, বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পেয়েই পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

এ ছাড়া ঝিনাইদহ-২ আসনে দোকানে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। ‍মারধরে একজন আহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

ঝিনাইদহ-৩ আসনের মহেশপুর উপজেলা শহরে অবস্থিত প্রেস ক্লাবে ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে।

মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, আমরা বিষয়টি শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

তেলের ২ জাহাজ আসছে পরশু, উদ্বেগের কারণ নেই: জ্বালানি মন্ত্রী

Published

on

By

আগামী ৯ মার্চ আরও ২টি ভেসেল আসছে জানিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ মোবাইল কোর্ট কাজ শুরু করবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে যে প্যানিক কাজ করছে তার কোনো যুক্তি নেই। তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছে সরকার।

শনিবার (৭ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ৪ নম্বর গেটে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, আজকে এই সমস্যাটা সৃষ্টি হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জন্য এবং স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি উদ্বিগ্নতা মানুষের মধ্যে বেড়েছে। তবে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আমরা রেশরিংটা করেছি এই জন্যই যে, একটা অনিশ্চয়তা আছে। যুদ্ধটা কতদিন চলবে? সেই জন্য আমরা একটা রেশন করেছি।

কিন্তু মানুষ এই রেশনটাকে ভয় পেয়ে স্টক করা শুরু করেছে। আসলে আমাদের তেলের কোনো অভাব নেই। শুধু তাই না, আগামী ৯ মার্চে আরও ২টা ভ্যাসেল আসছে সুতরাং তেলের কোনো সমস্যা নেই। আমি সবার কাছে অনুরোধ করব, বিশেষ করে মিডিয়ার কাছে অনুরোধ করব জনগণকে এই মেসেজটা দেওয়া যে, তাড়াহুড়া করে তেল কেনার দরকার নেই। আমাদের কাছে মজুদ আছে। আমরা পেট্রোল পাম্পে তেল দিচ্ছি এবং চলবে। এটা এটার জন্য লাইন দিয়ে সারারাত জেগে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। মানুষ গেলে তেল পাবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পাম্প ম্যানেজমেন্ট আছে, আমরা নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল দিচ্ছি। এখন কোনো পাম্প যদি জলদি বিক্রি করে ফেলে তারপরে তো আর ওই দিন তেল পাবে না। তার পরের দিন ওয়েট করতে হবে। সেটার জন্য আমরা মনিটর করছি। আমরা দেখব যাতে এরকম কম হয়, সে বিষয়টা দেখব। আমরা কালকে থেকে আমরা মোবাইল কোড নামায়ে দেব। সব রকমের ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি।

মোটরসাইকেলে বর্তমানে যে দুই লিটার করে তেলের রেশনিং করা হচ্ছে, তাতে চালকদের একদিন পরপরই পাম্পে যেতে হচ্ছে। রেশনিংয়ের এই পরিমাণ আরেকটু বাড়ানো যায় কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না, বাড়ানো সম্ভব নয়। আমি তো আগেই বলেছি যে আমাদের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। কিন্তু যুদ্ধ কবে থামবে, তা আমরা কেউ জানি না। তাই আগে থেকেই নিজেদের প্রস্তুতি নিতে হবে এবং সঞ্চয় রাখতে হবে। আমরা মূলত সেই সঞ্চয়টাই করছি। সুতরাং আমাদের ঘাটতি পড়ার কোনো সুযোগ নেই। তবুও যেহেতু যুদ্ধ চলছে, আমাদের খুব হিসাব করে চলতে হবে।

Continue Reading

top3

শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করছে ইন্দোনেশিয়া

Published

on

By

১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া সরকার। শিশুদের অনলাইন আসক্তি, সাইবার বুলিং ও ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে সুরক্ষা দিতে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে থাকা শিশুদের অ্যাকাউন্ট পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হবে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) এক ভিডিও বার্তায় ইন্দোনেশিয়ার যোগাযোগ ও ডিজিটাল মন্ত্রী মিউতিয়া হাফিদ এ তথ্য জানান।

এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে অস্ট্রেলিয়া, স্পেন ও মালয়েশিয়ার পর বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করবে ইন্দোনেশিয়া।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২৮ মার্চ থেকে ফেজবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক-এর মতো ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ প্ল্যাটফর্মে থাকা ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট ধাপে ধাপে নিষ্ক্রিয় করা শুরু হবে।

মন্ত্রী জানান, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো তাদের নির্ধারিত দায়িত্ব পূরণ না করা পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। তবে বয়স যাচাইয়ের প্রক্রিয়া কীভাবে কার্যকর করা হবে—সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানানো হয়নি।

সরকারের মতে, শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ বর্তমান সময়ে অনেক শিশু পর্নোগ্রাফি, সাইবার বুলিং, অনলাইন জালিয়াতি এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত আসক্তির মতো ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

যদিও মন্ত্রী স্বীকার করেছেন, নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর হলে শুরুতে শিশুদের অসন্তোষ দেখা দিতে পারে এবং অভিভাবকদেরও কিছুটা সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তবুও দীর্ঘমেয়াদে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করছে সরকার।

তবে এ বিষয়ে এখনো টিকটক বা মেটা কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Continue Reading

top3

খামেনির বাঙ্কার ধ্বংসে ৫০ যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল: ইসরায়েল

Published

on

By

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ধ্বংসের অভিযানে ৫০টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদরাই। খবর বিবিসির।

শুক্রবার (৬ মার্চ) দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানান তিনি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিমান বাহিনীর প্রায় ৫০টি যুদ্ধবিমান ওই বাঙ্কারে অভিযান চালায়, যা খুবই সুরক্ষিত জায়গা হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। এখান থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যুদ্ধ সংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিচালনা করতেন।

আভিচাই আদরাই আরও জানান, খামেনিকে হত্যার পরও, ইরানি শাসকগোষ্ঠীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই কমপ্লেক্সটি ব্যবহার অব্যাহত রেখেছিলেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, এই ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারটি তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি পুরো সড়ক জুড়ে বিস্তৃত ছিল ও এখানে ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকের জন্য নির্ধারিত কক্ষ ছিল যা অনেকগুলো প্রবেশপথ দ্বারা যুক্ত।

Continue Reading

Trending