Connect with us

জাতীয়

নির্বাচনে প্রায় পৌনে ১৩ কোটি ভোটার: প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন

Published

on

একদিন পরই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দেবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন। এছাড়া, তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন।

৩০০ আসনের মধ্যে সবচেয়ে কম ভোটার ঝালকাঠি-১ আসনে (২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন) এবং সর্বোচ্চ ভোটার গাজীপুর-২ আসনে (৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন)।

নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) এবং নির্বাচনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব মো: সাইফুল ইসলাম বাসসকে জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন ২৭৫ জন।

ইসি সূত্রে আরও জানা যায়, দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি; ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন ২৯১ জন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ জন প্রার্থী দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা)। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির ১৯৮ জন (লাঙ্গল) এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র ৩২ জন (শাপলা কলি) প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, জোর আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এ প্রশ্নে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলীয় ও রাজনৈতিক বিভিন্ন সূত্রের দাবি, অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাকে রাষ্ট্রপতি পদে বিবেচনা করা হচ্ছে।

গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন মহলে বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় এলেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, ভারসাম্যপূর্ণ নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে মির্জা ফখরুল সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন। তবে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের বিষয়ে এখনো বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি এমন একজনকে রাষ্ট্রপতি করতে চাইবে, যিনি জাতীয় সংকট মোকাবিলায় অভিজ্ঞ এবং সর্বজনগ্রহণযোগ্য। সে বিবেচনায় মির্জা ফখরুলের নাম গুরুত্ব পাচ্ছে।

২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি কৃষি মন্ত্রণালয় এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণাসহ পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। নির্বাচন কমিশন সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করবে।

Continue Reading

top1

শাপলা চত্বর হত্যাকান্ডটি ছিল ‘গণহত্যা’: চিফ প্রসিকিউটর

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে জেনোসাইড বা গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

সোমবার (২৭ জুলাই) ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, হেফাজতে ইসলামকে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড চালায়। তবে ঘটনার পর দায়ের করা মামলার কোনো কার্যকর তদন্ত হয়নি এবং দীর্ঘ সময়েও বিচার প্রক্রিয়া এগোয়নি। পরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর শাপলা চত্বরের ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। তার দাবি, ওই ঘটনায় শিশুসহ আলেম-ওলামাদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়, যা গণহত্যার শামিল। দেশের ইতিহাসে এমন বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের নজির বিরল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আমিনুল ইসলাম জানান, তদন্তে মোট ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে দুটি পৃথক ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর একটি ৫ মে মধ্যরাতে শাপলা চত্বরে ৩২ জন নিহত হওয়ার ঘটনা এবং অন্যটি ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জনকে হত্যার অভিযোগ। এই দুই ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করে ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে আদালতে শুনানির সময়ও চিফ প্রসিকিউটর দাবি করেন, শাপলা চত্বরের অভিযান ছিল তৎকালীন সরকারের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানের আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রশাসনের এক বৈঠকে গ্রেনেড ও মারণাস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। তিনি হেফাজতের নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে অভিযোগটি জমা দেন। প্রাথমিক অভিযোগে ২১ জনকে আসামি করা হলেও তদন্ত শেষে প্রসিকিউশন ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে।

শুনানি শেষে আদালত শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক ৩১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার থাকা ১০ আসামিকে পরবর্তী শুনানিতে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।

Continue Reading

জাতীয়

বিদায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবন ছেড়েছেন 

Published

on

By

পদত্যাগের দুদিন পর রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবন ছেড়ে গেলেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে তিনি বঙ্গভবন ছেড়ে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবন গ্রিন ভিলার উদ্দেশে যাত্রা করেন।

এর আগে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন।

সংবিধান অনুযায়ী পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হলেও তিনি মাত্র ৩ বছর তিন মাস দায়িত্ব পালন করেন।

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে মো. সাহাবুদ্দিন বিভিন্ন সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন ছাড়াও রাষ্ট্রীয় নানা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। পদত্যাগের মাধ্যমে তার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

রোববার বঙ্গভবন ছাড়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয় তার এই সরকারি বাসভবনে অবস্থানও।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ছিলেন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি। তিনি ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন।

পরবর্তীকালে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

Continue Reading

Trending