Connect with us

top1

পত্রিকা অফিসে হামলা জাতির জন্য লজ্জার : সালাউদ্দিন

Published

on

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পত্রিকা অফিসে হামলা জাতির জন্য লজ্জার। প্রথম আলো, ডেইলি স্টার জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে, পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ দৃশ্য সারাবিশ্ব দেখেছে। সেটা আমাদের জন্য লজ্জার।

রোববার রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক রেডিও, টেলিভিশনের বার্তা প্রধান এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভা করে বিএনপি।

তিনি বলেন, এটা কোনোভাবে আমরা শুধুমাত্র দুঃখ প্রকাশ করে, ক্ষমা প্রার্থনা করে সমাপ্ত করতে পারবো না। এখানে সরকারের দায়িত্ব ছিল সবচাইতে বেশি। আমরা জেনেছি হামলার বিষয়ে ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট ছিল। কিন্তু সেটা আমলে নেয়া হলো না কেন- এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি।

সালাহউদ্দিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলার পরেও শুনেছি এক দুই ঘন্টা পরে তারা সাড়া দিয়েছে। সেটা কেন? কাদের হাতে আমরা এই রাষ্ট্রব্যবস্থা দেব? নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যারা দায়িত্ব নিয়েছেন তাদের ভূমিকাটা প্রশ্নবিদ্ধ।

তিনি বলেন, কিছুদিন যাবত গণমাধ্যমকে চিহ্নিত করে, টার্গেট করে হামলা করতে দেখেছি। নতুন নয়। কিছু স্থাপনায়, ঠিকানায় মমোক্রেসিকে এলাও করা হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম ডেমোক্রেসি কিন্তু কেন হয়ে যাবে মমক্রেসি। তাকে কেন লালন করতে দেওয়া হবে। এগুলো আমি সরকারের দুর্বলতাকেই ইঙ্গিত করছি এগুলো আরো কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।

বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, দেশ নিয়ে গণপ্রত্যাশা, গণ আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি। পূর্ণগণতন্ত্রণ চায় বাংলাদেশের সব মানুষ। গণতন্ত্রকে সর্বক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানিকীকরণ করতে চায়। গণতন্ত্র বিনির্মাণের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমনভাবে দাঁড় করাতে হবে- যাতে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো গণতন্ত্রের রক্ষাকবজ হিসেবে কাজ করে।

গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, অনেকে গণমাধ্যমকে চতুর্থ স্তম্ভ বলে। সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকেরই রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট থাকবে, আছে কিন্তু বাংলাদেশের স্বার্থের বিবেচনায় সবসময় আমরা যেন দেশের পক্ষেই থাকি। নিরপেক্ষ না থাকি। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব যদি জনগণ দেয় তাহলে আমাদের সহযোগিতা থাকবে সর্বোচ্চ। আমরা অতীত ভুলে যেতে চাই তবে ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী কি করেছে সেটা স্মরণে রাখতে চাই।

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন বলেন, জনগণ আশা করছে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের খুটি শক্তিশালী হয়। তিনি বাধ্য হয়ে দীর্ঘ ১৮ বছর কষ্টকর নির্বাসিত জীবন যাপন করেছেন। তার এই প্রত্যাবর্তনকে আমরা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য কাজে লাগাতে চাই। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

একই অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, শফিক রেহমানের মতো বর্ষীয়ান সাংবাদিকদের যেভাবে জেলে নিয়ে যে আচরণ করা হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে ফ্যাসিবাদের আমলে একটা ঘন কালো অন্ধকারের সময় পার করেছি। প্রত্যেকেই কমবেশি আক্রান্ত হয়েছি। এখনো যে সমস্ত বিষয়গুলো আমাদের সামনে আসছে তা আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। একজন তরুণ নেতার এমন মৃত্যুর আমরা প্রতিবাদ জানাই। তার কথার কারণে জীবন দিতে হবে, এটা মেনে নেয়ার মতো না।

মতবিনিময় সভায় মানবজমিন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, অস্থির সময়ে আমরা সবাই অস্থির। মিডিয়া পলিসি যেটা বলা হয়েছে সেটা বাস্তবায়ন হলেই মিডিয়া এগিয়ে যাবে। তারেক রহমান এমন এক সময়ে দেশে আসছেন যখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে নিরাপত্তা। দিল্লিতে আমাদের হাইকমিশনারের বাসভবনে হামলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ডেইলি স্টার প্রথম আলোর উওরে হামলা হয়েছে। এরপরে কি হবে আমরা জানি না। আমরা সবাই নিরাপদ থাকতে চাই, লিখতে চাই। আপনারা আমাদের কথা বলতে দিলে সাধুবাদ জানাবো, নয়তো সমালোচনা করবো। তবে আগামী দিনে যে চ্যালেঞ্জ আসছে তা মোকাবিলা করতে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- নয়া দিগন্তের সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান, আমার দেশ নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, দৈনিক খবরের কাগজ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, নির্বাহী সম্পাদক এনাম আবেদীন, আজকের পত্রিকা সম্পাদক কামরুল হাসান, ইনকিলাব পত্রিকার সম্পাদক আ ক ম বাহাউদ্দীন, বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আহমেদ পাভেল প্রমুখ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

আমরা কারো লাল চোখকে ভয় করি না: জামায়াত আমির

Published

on

By

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা কারো লাল চোখকে ভয় করি না। আমরা কারো ওপর খবরদারি করতে চাই না। আবার আমাদের দেশের ওপর কেউ খবরদারি করুক, সেটাও সহ্য করব না।’

শনিবার সকালে গাইবান্ধার পলাবাড়ী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১০ দলীয় নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো মেরে ফেলা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের সমর্থনে আল্লাহর রহমতে সুযোগ পেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা আমরা বাস্তবায়ন করে যাব। নদীর জীবন ফিরে এলে উত্তরাঞ্চলের মানুষেরও জীবন ফিরবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজদের রুখে দেব। আমরা কাউকে ভাতা নয়, কাজ দেব। আপনাদেরও কাজ দেব। আমরা আপনাদের সম্পদে পরিণত করতে চাই।’

‘মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা এবং কাজ দিতে চাই’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই মাটিকে আমরা ভালোবাসি। এ কারণে শত জুলুমের পরও আমরা কোথাও চলে যাইনি। আল্লাহ সুযোগ দিলে আমরা আপনাদের সাথে নিয়ে চলতে চাই। মায়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই।’

বক্তব্য শেষে ডা. শফিকুর রহমান গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। তবে এই আসনে সব কটি আসনেই জামায়াত মনোনীত প্রার্থী। জোটভুক্ত অন্য কোনো দলের প্রার্থী নেই।

প্রতীক তুলে দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই পাঁচজনকে আপনাদের কাছে আমনাত হিসেবে রেখে গেলাম। এই আমানত আপনারা আমাদরে উপহার দিবেন।’

Continue Reading

top1

তারেক রহমানের বরিশাল সফরের নতুন তারিখ

Published

on

By


বরিশালে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভার তারিখ একদিন পিছিয়ে আগামী ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।

ওইদিন বরিশাল নগরীর ঐতিহাসিক বেলস পার্ক মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তিনি।

জনসভার স্থান বেলস পার্ক মাঠ পরিদর্শনকালে এ তথ্য জানান বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।

তিনি বলেন, দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আমাদের নেতা তারেক রহমান বরিশালে আসছেন। তার আগমনকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। জনসভা সফল করতে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।

সরোয়ার আরও বলেন, তারেক রহমানের বরিশালে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখা আমাদের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা এবং ধানের শীষের পক্ষে জনসমর্থন জোরদার করতে তার এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত ২৬ জানুয়ারির পরিবর্তে ২৭ জানুয়ারি জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। তাকে বরণ করে নিতে যুবক, ছাত্র ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে মিছিল, সভা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

মাঠ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৬ সালে বরিশাল সফর করেন তারেক রহমান। সে সময় তিনি দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর এবার বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে বরিশাল সফরকে কেন্দ্র করে অঞ্চলটির রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে বলে মনে করছেন দলীয় নেতারা।

Continue Reading

top1

সুযোগ পেলে যুবকদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ব : জামায়াত আমির

Published

on

By

রংপুরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে যুবকদের উদ্দেশ্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান বলেছেন, কথা দিচ্ছি আমরা সুযোগ পেলে তোমাদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ব। আমরা সমাজের চাবি ও নেতৃত্ব তোমাদের হাতে তুলে দিয়ে পিছন থেকে তোমাদেরকে শক্তি ও সমর্থন দিয়ে যাব।

তিনি বলেন, তোমাদের ভোট নিয়ে যেন কেউ হেলাফেলা করতে না পারে এজন্য তোমাদের জুলাই যুদ্ধের মত আরেকবার লড়তে হবে এবং জনতার বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টার দিকে তিনি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের কবরস্থানে উপস্থিত হয়ে কবর জিয়ারত করেন এবং তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন। পরে তিনি শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শহীদ আবু সাঈদ ও তার সঙ্গীরা জীবন দিয়ে আমাদের রেডি করে গিয়েছেন। আমাদের ঘাড়ে তারা দায়িত্ব ও আমানত রেখে গিয়েছেন। আমরা তাদের মতো জীবন দিয়ে হলেও তাদের আমানত রক্ষা করার লড়াই করে যাব। তাদের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা ছিল যে একটি দুর্নীতি মুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, ফ্যাসিবাদ মুক্ত, দুঃশাসন আধিপত্যবাদ মুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার। যে বাংলাদেশের সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করবে এবং যার যার দক্ষতা অনুযায়ী জাতি গঠন উন্নয়নের অবদান রাখবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এমন একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে প্রত্যেকটি নাগরিক নিরাপদে বসবাস করবে। আমরা চরম বিপদের দিনে দেশে ছিলাম এখনো আছি এবং আগামী দিনে পরিস্থিতি যাই হোক আপনাদের সঙ্গে দেশেই থাকবো। আমরা দেশ ছেড়ে অন্য কোনো জায়গায় ঠিকানা খুঁজবো না।

জামায়াত আমির বলেন, আমাদের নিজস্ব কোনো এজেন্ডা নাই। আপনারা দেখেছেন পাঁচ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত আমরা কোনো চাঁদাবাজি করিনি। আমরা কোনো দুর্নীতি করি নাই, মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করিনি, আমরা কারো উপর ব্যক্তিগতভাবে প্রতিশোধ নেইনি বরং আমরা একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গঠন করার জন্য জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে চেয়েছি। আমরা আমাদের জাতিকে বিভক্ত করতে দেবো না এই বিভক্তির অবসান ঘটনার জন্যই আমরা ১০টি দল একত্রিত হয়েছি। আমরা বাংলাদেশের ৩০০ আসনের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে ১০ দল প্রার্থী দিয়েছি।

শহীদ আবু সাইদ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করে তিনি বলেন, শহীদ আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ডের বিচার চলছে। আমরা চাই অতি দ্রুত বিচারের কাজ শেষ করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। তার পরিবারকে আমরা মাথার তাজ করে রাখব। সেটা সেটা মুখের কথায় নয় বরং বাস্তবে দেখবেন।

যুবকদের উদ্দেশ্যে ড. শফিকুর রহমান বলেন, যুবকদের কথা দিচ্ছি আমরা সুযোগ পেলে তোমাদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ব। আমরা সমাজের চাবি ও নেতৃত্ব তোমাদের হাতে তুলে দিয়ে পিছন থেকে তোমাদেরকে শক্তি ও সমর্থন দিয়ে যাব। তোমাদের ভোট নিয়ে যেন কেউ হেলাফেলা করতে না পারে এজন্য তোমাদের জুলাই যুদ্ধের মত আরেকবার লড়তে হবে এবং জনতার বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।

কবর জিয়ারতকালে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, রংপুর-৬ আসনের জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা নুরুল আমিন, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগাসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, নেতাকর্মী এবং শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) উত্তরাঞ্চলে দুদিনের সফরে এসে পঞ্চগড়, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও এবং রংপুরে ৪টি নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতের আমির প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। এদিকে শনিবার সকালে তিনি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা শহরের এসএম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেবেন। পরে বিকেল সাড়ে ৩টায় সিরাজগঞ্জ শহরের ইসলামিয়া কলেজ মাঠে সমাবেশে অংশ নেবেন তিনি। একইদিনে উল্লাপাড়ার সরকারি এম আকবর আলী কলেজ মাঠে এক পথসভায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি পাবনায় অনুষ্ঠিত আরেকটি নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে জামায়াত আমিরের।

Continue Reading

Trending