Connect with us

top1

ফ্যাসিবাদীরা বিদায় নিলেও দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি: জামায়াত আমির

Published

on

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদীরা বিদায় নিলেও ফ্যাসিবাদ এখনো বিদায় নেয়নি। কালো বা লাল- কোনো ফ্যাসিবাদকে আর বাংলার জমিনে বরদাশত করা হবে না।

শুক্রবার বিকালে নগরীর লালদীঘি ময়দানে আট দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, কেউ যদি ফ্যাসিবাদের ভাষায় আবার কথা বলেন, ফ্যাসিবাদীদের মতো আচরণ করেন, তারা কোন পথ খুঁজে পাবেন আমরা জানি না। তাদেরকে পরিষ্কার ভাষায় বলে দিতে চাই, এদেশের মানুষ আর ফ্যাসিবাদকে বরদাশত করবে না। আমরা অল্লাহর ওপর ভরসা করে অতীতেও রুখে দিয়েছি (ফ্যাসিবাদ), ভবিষ্যতেও কেউ মাথা তুললে তাকেও রুখে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।

নির্বাচন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো বিশেষ দলের বিজয় চাচ্ছি না। আট দলেরও বিজয় চাচ্ছি না। আমরা দেশের ১৮ কোটি মানুষের আকাঙ্খার বিজয় চাই। সেই আকাঙ্খার বিজয় হবে কোরআনের আইনের মাধ্যমে। এটা প্রমাণ হয়ে গেছে, এর বাইরে কোনো কিছু দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়া ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বিজয়ের এই হুইসেল ইসলামের প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম থেকে আপনারা বাজাবেন। আগামীর বাংলাদেশ হবে কোরআনের বাংলাদেশ।

তিনি আট দলের পাঁচ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে বলেন, আমরা কোনো লাল চক্ষুকে পরোয়া করব না। কোনো দাদা বাবু মানি না। কোনো বড় ভাই মানি না। সকলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক হবে সমতা ও পারস্পরিক সন্মানের ভিত্তিতে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মামুনুল হক আট দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে বলেন,  বনেদিদের বাংলাদেশ আর থাকবে না। অনেক দল থেকে আসন সমঝোতার অফার দেওয়া হয়েছিল। ইসলামী শাসন ব্যবস্থা ও ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে আমরা সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলব। এবারের বাংলাদেশ হবে ইসলামের বাংলাদেশ, আল কোরআনের বাংলাদেশ। আমরা টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত আধিপত্যবাদ ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ইস্পাত-কঠিন ঐক্য গড়ে তুলেছি। জনতার বিজয়ের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয়ে পৌঁছানো সম্ভব হবে। আজকের এই সমাবেশ জনসুমুদ্রে পরিণত হয়েছে।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। নির্বাচনকে পিছু হটাবার চক্রান্ত হচ্ছে। যথাসময়ে নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র দেশের জনগণ মানবে না। নির্বাচন হতে হবে গ্রহণযোগ্য, কোনো গুন্ডা-মাস্তান থাকবে না।  ভোট কেন্দ্র দখল, কাউকে হুমকি ধমকি দেওয়া চলবে না। সবাই যার যার নীতি আদর্শ বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে -সেই সুযোগ দিতে হবে। সরকারকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। যদি ব্যর্থ হন তাহলে দেশের জনগণ ক্ষমা করবে না। তিনি বৈষম্য দূর ও ইসলামী হুকুমত কায়েমের আহবান জানিয়ে বলেন, আগামী নির্বাচনে ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বাড়ল বাসভাড়া

Published

on

By

অলটাইম ডেস্ক

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির জেরে দূরপাল্লার বাস ও মহানগর এলাকায় চলাচলকারী বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার সড়ক পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

এর আগে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে বৈঠকে বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

সোমবার বিকালে বিআরটিএর বনানী কার্যালয়ে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে বাস মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বৈঠকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে কিলোমিটার প্রতি ২০ পয়সা বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

অর্থাৎ, দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৪৩ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়। পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৭৩ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব দেও য়া হয়েছে।

এ ছাড়া ডিটিসি এলাকায় মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৩২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব করে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

এর আগে, গত রবিবার দেশের সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। নতুন দাম অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। যা দেশের ইতিহাসে প্রতি লিটার জ্বালানির সর্বোচ্চ দর।

Continue Reading

top1

‘দুই-একটা ককটেল ফুটিয়ে সরকারের কিছু করা যাবে না’

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

দুই-একটা ককটেল ফুটিয়ে সরকারের কিছু করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণকে কষ্ট দিয়ে সংকটে ফেলতে চায় না সরকার। ডিজেলে ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হতো, সেই লোকসান কমানোর চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও দেশে কেন দাম বেড়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, জ্বালানি তেলের বাজার এখন খুবই অস্থির। সামনে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। এ অবস্থায় সরকার কতটা ভর্তুকি দিতে পারবে, সেটিও বিবেচনার বিষয়।

তিনি বলেন, আগের সরকারের সময়ে এমন পরিস্থিতি হলে তিনি পদত্যাগ দাবি করতেন, কারণ সেটি নির্বাচিত সরকার ছিল না। তবে বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত। জনগণের ওপর চাপ তৈরি হবে—এ বিষয়টি সরকার বিবেচনায় রাখছে এবং একই সঙ্গে পরিস্থিতির ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে সরকার রয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা জানান, ২২ সেপ্টেম্বর থেকে সফরের কর্মসূচি শুরু হবে। ২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা এবং কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ২৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন এবং ২৫ সেপ্টেম্বর দেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, সানফ্রান্সিসকোতে দলীয় একটি অনুষ্ঠান হতে পারত। তবে ব্যয় সাশ্রয় এবং দেশের চলমান সংকট বিবেচনায় সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ বোয়িং উড়োজাহাজ কিনছে—এমন তথ্যের বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিষয়টি প্রকাশিত তথ্য। ফলে এ ধরনের চুক্তি হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে যতটুকু জানা গেছে, তথ্য সেই পর্যায়েই রয়েছে।

সানফ্রান্সিসকোতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কোনো অনুষ্ঠান ছিল না বলেও জানান তিনি। সেখানে দলীয় বা অন্য কোনো কর্মসূচি থাকার কথা ছিল। পরবর্তী সময়ে কম সময়ের সফরকে ব্যয় সাশ্রয়ী বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সফর সংক্ষিপ্ত করেছেন।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশ বিভিন্ন ধরনের সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে থেকে কাজ করাকে এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Continue Reading

top1

‘ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়’: এমপি নজরুলের স্ত্রীর চিরকুট

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া একাধিক হাতে লেখা চিঠি ও নোটে সম্পর্কের টানাপোড়েন, বিশ্বাসভঙ্গ, ক্ষোভ এবং আত্মমর্যাদার বিষয় উঠে এসেছে। এসব লেখায় নিজেকে ‘দাবার ঘুঁটি’ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার আক্ষেপের পাশাপাশি সম্পর্কের পরিণতি নিয়েও সতর্কবার্তা রয়েছে।

জাতীয় সংসদের অফিশিয়াল প্যাডে কালো কালিতে লেখা একটি নোটে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ তুলে বলা হয়েছে, লেখক একসময় বিশ্বাস নিয়ে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, যাকে বিশ্বাস করেছিলেন তিনিই ছিলেন ‘বিপক্ষ দলের সেনাপতি’।

আরেকটি সাদা পাতায় সম্পর্কের অধিকার ও অপূর্ণতা নিয়ে লেখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, অন্য কারও স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর চেয়ে তাকে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের। একই লেখায় বলা হয়েছে, ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়—এটি হয় সম্পূর্ণ, নয়তো অপূর্ণ।

অন্য একটি নোটে ‘বন্ধুত্ব’ ও ‘গেমস’-এর প্রসঙ্গ তুলে নিজের অবস্থানকে দাবার ঘুঁটির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। লেখায় আস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগও করা হয়।

সংসদের প্যাডে লেখা আরেকটি অংশে ক্ষোভের পাশাপাশি সতর্কবার্তা রয়েছে। সেখানে বিশ্বাসের কারণে প্রতারিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে ভবিষ্যৎ পরিণতি সম্পর্কে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। লাল কালিতে লেখা আরেকটি সংক্ষিপ্ত নোটে নিজের আত্মমর্যাদার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া নথিগুলোর মধ্যে ‘১২-০৭-২০২৬’ তারিখ লেখা একটি আলাদা পাতাও রয়েছে। সেখানে ঘুমানোর আগে পাঠের জন্য কয়েকটি ধর্মীয় আমল ও দোয়ার তালিকা রয়েছে। এতে কালেমা, বিভিন্ন দোয়া, আয়াতুল কুরসি এবং নির্দিষ্ট সংখ্যায় দরুদ শরিফ ও ইস্তিগফারের উল্লেখ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া এসব নথির হাতের লেখা ও বিষয়বস্তু গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Continue Reading

Trending