Connect with us

top1

বাসে সিনিয়র-জুনিয়র মারামারির ঘটনায় ইবি ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ, আহত ৪

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাস থেকে ঝিনাইদহগামী বাসে (মধুমতি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীকে লোকপ্রশাসন বিভাগের এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর মারধরের ঘটনায় দুই বিভাগের মধ্যকার দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছে।

রবিবার (১৭ মে) রাত সাড়ে আটটার বাস ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সময় প্রধান ফটকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগে বাসে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সায়মন আহমেদ হৃদয় এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অন্তর বিশ্বাস।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বিকেলে মধুমতি বাস নিয়ে ঝিনাইদহের উদ্দেশে রওনা হন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা। এসময় হৃদয়সহ তাঁর কয়েকজন বন্ধু বাসে উচ্চস্বরে কথাবার্তা ও হইচই করছিলেন। এতে বিরক্ত হয়ে অন্তরের পাশের সিটে বসা এক শিক্ষার্থী তাঁদের থামতে বলেন। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে হৃদয় তেড়ে এসে অন্তরের গায়ে হাত তোলেন এবং উপর্যুপরি আঘাত করেন। বাসের এই ঘটনার জের ধরে অন্তর ও হৃদয়ের বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকে অবস্থান নেয় এবং রাত আটটার বাসে অভিযুক্ত হৃদয় ক্যাম্পাসে প্রবেশের পরপরই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামানের উপস্থিতিতেও ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ মোতায়েন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভিসি, ট্রেজারার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত হয়ে পরিবেশ শান্ত করে।

এদিকে ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদুল করিম, বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাগর, লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী রাসু প্রধান ফটকের সামনে সংঘটিত সংঘর্ষে আহত হন। পরে ইবি মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল চিকিৎসক তাদের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, “একজনের নাকে, আরেক শিক্ষার্থীর পায়ের আঙুলে, অন্যজনের ঘাড়ে সামান্য আঘাত ছিল। ট্রিটমেন্ট দেওয়ার পর ঠিক হয়ে গেছে। বড় ধরনের সমস্যা নেই।”

এবিষয়ে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, “ঘটনার পর রাত আড়াই পর্যন্ত উভয় পক্ষের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের উপস্থিতিতে মীমাংসা করা হয়েছে। অভিযুক্তরা ক্ষমা চাওয়ায় এবং ভুক্তভোগীরা ক্ষমা করে দেওয়ায় বিষয়টি সমাধান হয়েছে। উভয় পক্ষ মুচলেকা দিয়েছে।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বাংলাদেশে উগ্রবাদী শক্তির কোনো জায়গা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Published

on

By

বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের কোনো জায়গা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেছেন, এ ধরনের শক্তির বাংলাদেশে কোনো স্থান নেই। দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে তাদের কখনোই সুযোগ দেওয়া হবে না।

১০ বছর আগে রাজধানীর গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের স্মরণে বুধবার এক অনুষ্ঠানে এ একথা বলেন তিনি। ঢাকায় ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোর বাসভবনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক, ধর্মীয়, আদর্শিক বা অন্য কোনো কারণেই সন্ত্রাসবাদকে কখনো ন্যায্যতা দেওয়া যায় না। সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সর্বক্ষেত্রে মোকাবিলায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে কূটনৈতিক কোরের ডিন ও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদান, ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপপ্রধান আলবার্ট সিয়া এবং বাংলাদেশ পুলিশের একজন প্রতিনিধি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

বাংলাদেশে ইতালি দূতাবাসের কনস্যুলার শাখার প্রধান লরা স্কেলা অনুষ্ঠানের সূচনা করেন এবং নিহতদের নাম পাঠ করেন। পরে তাদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। নিহতদের স্মরণে উপস্থিত সবাই এক মিনিট নীরবতাও পালন করেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত প্রায় পৌনে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার হোলি আর্টিজান বেকারিতে আগ্নেয়াস্ত্র, চাপাতি ও গ্রেনেড নিয়ে ভয়াবহ হামলা চালায় পাঁচ জঙ্গি। হামলাকারীরা ছিলেন মীর সামেহ মোবাশ্বের, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, নিবরাস ইসলাম, খায়রুল ইসলাম পায়েল এবং শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল।

প্রায় ১২ ঘণ্টাব্যাপী জিম্মি সংকট চলাকালে হামলাকারীরা ২০ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে ছিলেন নয়জন ইতালীয় নাগরিক, সাতজন জাপানি নাগরিক, একজন ভারতীয় এবং তিনজন বাংলাদেশি।

জিম্মিদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতির সময় জঙ্গিদের ছোড়া বোমার বিস্ফোরণে নিহত হন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম এবং বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন খান।

পরদিন ভোরে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’-এর মাধ্যমে জিম্মি সংকটের অবসান ঘটে। অভিযানে পাঁচ হামলাকারী নিহত হয় এবং ১৩ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

এ জঙ্গি হামলায় নিহতদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘দশ বছর পেরিয়ে গেছে, কিন্তু সেই রাতের ক্ষত এখনো আমাদের জাতীয় চেতনা থেকে মুছে যায়নি। ২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজান বেকারিতে সংঘটিত মর্মান্তিক সন্ত্রাসী হামলার ছায়া আজও আমাদের স্মৃতিতে রয়ে গেছে। এটি আমাদের জাতির ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায়।’

নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হামলাটি ছিল আশা, মানবতা এবং বিভিন্ন দেশের মানুষের অভিন্ন মূল্যবোধকে স্তব্ধ করে দেওয়ার অপচেষ্টা। বাংলাদেশি নাগরিক এবং ভারত, ইতালি, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। আজ আমরা তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আমরা শুধু তাদের স্মৃতিকেই নয়, তাদের সাহস, দৃঢ়তা ও সংহতিকেও সম্মান জানাই।’

ওই হামলাকে মানবতার ওপর নির্মম আঘাত হিসেবে বর্ণনা করে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘এটি ছিল আমাদের প্রাণবন্ত, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজে ভয়, ঘৃণা ও বিভাজন সৃষ্টি করার পরিকল্পিত চেষ্টা। কিন্তু এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির মুখেও বাংলাদেশ অসাধারণ দৃঢ়তা প্রদর্শন করেছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনা জাতীয় ঐক্য, সামাজিক সংহতি এবং অভিন্ন মূল্যবোধ রক্ষায় সম্মিলিত সতর্কতার গুরুত্ব আজও স্মরণ করিয়ে দেয়। সেই দিনের বেদনাদায়ক ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমাদের অভিন্ন মূল্যবোধ রক্ষায় জাতীয় ঐক্য, সামাজিক সংহতি ও সম্মিলিত সতর্কতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, ‘নৃশংস ওই সন্ত্রাসবাদ বাংলাদেশে থাকা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ওপর বড় রকমের প্রভাব ফেলেছিল। ওই সন্ত্রাসী হামলা ২৪ জন নিরপরাধ মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে। যারা বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিলেন।’

তিনি এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন।

Continue Reading

top1

নতুন ৩ উপজেলা ও এক থানার অনুমোদন

Published

on

By

দেশে নতুন আরও তিন উপজেলা ও একটি থানার অনুমোদন দিয়েছে ‘প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)’। উপজেলা তিনটি হচ্ছে চট্টগ্রামের ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, কুমিল্লার ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনিসংহের ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’। এছাড়া নতুন অনুমোদন পাওয়া থানা হচ্ছে চট্টগ্রামের ‘হালদা’।

বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার ১২১তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) ‘র বৈঠকে এসব উপজেলা ও থানা অনুমোদন হয়।

এছাড়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীন পূর্বাঞ্চল নতুন শহর প্রকল্প এলাকার নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলা প্রকল্পের অংশগুলো ঢাকা জেলার অন্তুর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব।

নিকার প্রস্তাব অনুযায়ী চট্টগ্রাম জেলা ফটিকছড়ি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে ভাগ করে ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহ জেলার গফরাগাঁও উপজেলার পাগলা থানার ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা। চট্টগ্রামের হাটাজারি থানাকে বিভক্ত করে গঠন করা হয়েছে ‘হালদা থানা’।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার এই বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সড়ক যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, গৃহায়নমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top1

অবশেষে আলোর মুখ দেখল নবম পে-স্কেল, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর

Published

on

By

দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কার্যকর হলো নবম জাতীয় পে-স্কেল। তবে নতুন বেতন কাঠামো চালু হলেও বাড়তি বেতন কবে থেকে ব্যাংক হিসাবে জমা হবে, তা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এখনো রয়েছে নানা প্রশ্ন। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, গেজেট প্রকাশ এবং হিসাব সমন্বয়ের ওপরই নির্ভর করছে বর্ধিত বেতন পাওয়ার সময়।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে একই বেতন কাঠামোর অধীনে থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বাস্তবতায় নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নবম পে কমিশনের সুপারিশে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিশন ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বিভিন্ন পর্যায়ে মূল বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। তবে চূড়ান্ত বাস্তবায়নে সব সুপারিশ হুবহু থাকবে কিনা, তা নির্ভর করবে সরকারের অনুমোদিত গেজেট ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনার ওপর।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে মূল বেতন ও ভাতার বিষয়টি আলাদা ধাপে কার্যকর করার চিন্তা ছিল। তবে সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থায় কারিগরি জটিলতা এড়াতে মূল বেতন এক ধাপে সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। আর বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতার সংশোধন পরবর্তী ধাপে কার্যকর হতে পারে।

সরকার নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। এই অর্থ সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ে ব্যবহার হতে পারে। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগী রয়েছেন। তাদের বেতন ও পেনশন খাতে সরকারের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।

তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, পে-স্কেল কার্যকরের দিন শুরু হলেও প্রশাসনিক আদেশ, গেজেট প্রকাশ, সফটওয়্যারভিত্তিক হিসাব সমন্বয় এবং বেতন বিল প্রস্তুতের কারণে বর্ধিত অর্থ হাতে পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, গেজেট জারির পর বকেয়াসহ নতুন হারে বেতন দেওয়া সম্ভব হবে।

নতুন পে-স্কেল সরকারি চাকরিজীবীদের স্বস্তি দিলেও অর্থনীতিবিদদের নজর এখন আর্থিক প্রভাব কী পড়ে তার দিকে। তাদের মতে, বেতন বৃদ্ধি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াবে, তবে বাজার তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী না হলে বাড়তি চাহিদার প্রভাবে নিত্যপণ্যের দামে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও থাকবে।

Continue Reading

Trending