Connect with us

জাতীয়

বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকবে ইনকিলাব মঞ্চ

Published

on

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। একই সঙ্গে হাদির হত্যার বিচার নিশ্চিত না হলে আগামী ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে বিক্ষোভ-মিছিল নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। পরে সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতার অংশগ্রহণে জমায়েতটি বড় আকার ধারণ করে। অবরোধের ফলে শাহবাগের একপাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে আশপাশের সংযোগ সড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। দুপুর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সংবাদ লেখা সময়েও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছিল।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ‘তুমি কে, আমি কে, হাদি-হাদি’, ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’, ‘বইলা গেছে হাদি ভাই, আমার খুনের বিচার চাই’, ‘বিচার বিচার বিচার চাই, হাদি হত্যার বিচার চাই’, ‘আপস না বিপ্লব, বিপ্লব বিপ্লব’, ‘শাহবাগ না ইনসাফ, ইনসাফ ইনসাফ’, ‘লীগ ধর, জেলে ভর’ এবং ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা-ঢাকা’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেন, শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরকারের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য আমরা বিশ্বাস করি না। হাদিকে হত্যা করা হয়েছে, কারণ তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভারতীয় সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছিলেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার ২১ দিন পার হলেও সরকার এখনো প্রকৃত খুনিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়েছে, যা সরকারের সদিচ্ছার অভাবের প্রমাণ। সরকার ৭ জানুয়ারির মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়ার কথা বললেও, কেবল একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে অভিযোগপত্র দিতে হবে। অন্যথায় ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচন পর্যন্ত রাজপথে থেকেই রাষ্ট্র পাহারা দেবে ইনকিলাব মঞ্চ। হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখাই সংগঠনের সুস্পষ্ট অবস্থান।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

Published

on

By

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হাম নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬১৬ জন।

শুক্রবার (২৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

Continue Reading

top2

পুশইন ও চামড়া পাচার ঠেকাতে সীমান্তে বাড়তি নজরদারিতে বিজিবি

Published

on

By

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যশোর ও খুলনার সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, পুশইন এবং কোরবানির পশুর চামড়া পাচার রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী সময়ে সীমান্তকেন্দ্রিক যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ মে) ইত্তেফাক ডিজিটালকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান।

তিনি জানান, ঈদুল আজহায় বিপুল পরিমাণ পশু কোরবানি হওয়ায় প্রতিবছরের মতো এবারও চামড়া পাচারের আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনোভাবেই পশুর চামড়া ভারতে পাচার না হতে পারে, সেজন্য বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিশেষ করে রাতের টহল আরও বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মাইকিং করে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে।

বিজিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, পুশইন, চামড়া পাচার, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। সীমান্তজুড়ে টহল কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে যশোরের বিভিন্ন সীমান্ত পথকে চামড়া পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ করে শার্শা উপজেলার ১০২ কিলোমিটার সীমান্তের কাশিপুর, শালকোনা, শিকারপুর, ধান্যখোলা, রঘুনাথপুর, বেনাপোলের পুটখালি, দৌলতপুর, সাদিপুর, ঘিবা, গোগা, রুদ্রপুর, অগ্রভুলোট, পাঁচভুলোট ও দাদখালি সীমান্ত এলাকায় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে

Continue Reading

top1

রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির মাংস

Published

on

By

দেশজুড়ে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের নামাজ ও কোরবানি শেষে যথানিয়মে গরিব-অসহায় মানুষের মাঝে মাংস বিলিয়ে দিচ্ছেন সামর্থ্যবানেরা। তবে ঈদের দিন দুপুরে সেই মাংসেরই একটি অংশ আবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়কের পাশে বিক্রি হতে দেখা গেছে। বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে মাংস কিনতে এসব অস্থায়ী দোকানে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাজধানীর বাংলামোটর, হাতিরপুল, কারওয়ান বাজার ও মিরপুর এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। কোথাও ফুটপাতের ওপর পলিথিন বিছিয়ে, আবার কোথাও ছোট টেবিল সাজিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল গরু ও খাসির মাংস, ভুঁড়ি, মাথা, পা ও হাড়।

প্রতি বছরই ঈদের দিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের অস্থায়ী মাংসের বাজার বসতে দেখা যায়। মূলত বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে দুস্থ মানুষেরা যে মাংস সাহায্য হিসেবে পান, তার একটি অংশ তারা নিজেদের অন্যান্য জরুরি প্রয়োজন মেটাতে এসব মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দেন। আবার অনেকে সরাসরি সংগ্রহ করে এনে বাজারের তুলনায় কিছুটা কম দামে বিক্রি করেন।

সরেজমিনে বাংলামোটর ও হাতিরপুল এলাকায় দেখা যায়, বিক্রেতারা সারিবদ্ধভাবে মাংসের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায়। কোথাও আবার মিশ্র মাংস ও হাড়সহ বিক্রি হচ্ছে আরও কম দামে।

রাজধানীর বাংলামোটর মোড়ে এক মাংস বিক্রেতা জানান, শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে কোরবানির পশুর মাংস, মাথা, পা ও হাড় সংগ্রহ করে এনে এখানে বিক্রি করছেন। কম দামে পাওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষ ও শ্রমজীবীরা বেশি কিনছেন।

হাতিরপুল এলাকার এক বিক্রেতা বলেন, দুপুর থেকেই ক্রেতার চাপ বেশি। অনেকেই এক কেজি বা আধা কেজি করে মাংস কিনছেন। বাজারে যে দামে মাংস বিক্রি হয়, তার চেয়ে এখানে দাম বেশ কম।

বাংলামোটরে মাংস কিনতে আসা জাকের আলী বলেন, বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস কিনতে গেলে ৮০০ টাকার ওপরে লাগে। কিন্তু এখানে ভালো মানের মাংস ৬০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। মাংসের পাশাপাশি গরুর ভুঁড়িও বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে। এতে আমাদের মতো নিম্নআয়ের পরিবারের মাংসের চাহিদা পূরণ হচ্ছে।

রাজধানীর মিরপুর এলাকার মৌসুমি মাংস ব্যবসায়ী রফিক বলেন, যাদের মাংস কেনার সামর্থ্য কম, তারা কম দামে ভুঁড়ি, কলিজা বা হাড় কিনছেন। মানভেদে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কেউ আধা কেজি চাইলে আমরা তাও দিচ্ছি।

এদিকে এসব অস্থায়ী বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। অনেকেই পরিবারের মুখে ঈদের দিন একটু মাংস তুলে দিতে এখানে ভিড় করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা বলেন, কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য নেই। বাজারে মাংসের দামও অনেক বেশি। তাই প্রতি বছর ঈদের দিন রাস্তার পাশ থেকে মাংস কিনি। এখানে একটু কম দামে পাওয়া যায়।

নাসিমা বেগম নামে এক গৃহকর্মী বলেন, যে বাসায় কাজ করি তারা ঈদে গ্রামের বাড়ি গেছে। তাই এবার কোরবানির মাংস পাইনি। বাচ্চারা মাংস খেতে চেয়েছিল, তাই রাস্তার পাশ থেকে ৭০০ টাকা দিয়ে এক কেজি মাংস কিনলাম।

Continue Reading

Trending