Connect with us

জাতীয়

বেগম জিয়ার জানাজা পড়ালেন বায়তুল মোকাররমের খতিব, কফিন কাঁধে তুলে নিলেন আজহারী

Published

on

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেন। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।

জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে তুলে নিতে দেখা যায় জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীকে। খালেদা জিয়ার মরদেহ এখন সংসদ ভবন সংলগ্ন জিয়া উদ্যানে নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জানাজায় অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিভিন্ন দলের রাজনীতিবিদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন-ফিটনেস

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস স্থাপন ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। নতুন নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ প্রদান কিংবা নবায়নের ক্ষেত্রে জিপিএস সংযুক্ত না থাকলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ২৮ জুলাই প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনার কথা জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিরাপদ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে আগামী ১ আগস্ট থেকে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন নিবন্ধন বা ফিটনেস সনদ পেতে হলে যানবাহনে নির্ধারিত মানের জিপিএস ডিভাইস সংযুক্ত থাকতে হবে। পাশাপাশি ডিভাইসটি সচল রয়েছে—এমন প্রমাণও বিআরটিএকে দেখাতে হবে। এজন্য জিপিএস সংযুক্তির প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ডিভাইসটির কার্যকারিতা প্রদর্শন করতে হবে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি মান ও স্পেসিফিকেশন সংস্থাটির ওয়েবসাইট এবং স্থানীয় কার্যালয় থেকে জানা যাবে। নির্ধারিত মান অনুযায়ী ডিভাইস স্থাপনের পরই নিবন্ধন ও ফিটনেস-সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী জিপিএস সংযুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পরই গণপরিবহনের নিবন্ধন ও ফিটনেস সনদ দেওয়া বা নবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।

সরকারের মতে, জিপিএস বাধ্যতামূলক করার ফলে গণপরিবহনের অবস্থান, গতি ও নির্ধারিত রুট প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। এতে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বাসের রেষারেষি, অনিয়ন্ত্রিত লেন পরিবর্তন এবং যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামার মতো অনিয়ম কমানো সহজ হবে।

তবে পরিবহন মালিকদের একটি অংশ মনে করছেন, প্রথম দিন থেকেই দেশের সব গণপরিবহনে শতভাগ জিপিএস ব্যবস্থা কার্যকর করা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছুটা চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

অন্যদিকে, পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিপিএস সংযোজন একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও কেবল প্রযুক্তি ব্যবহারে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। এর পাশাপাশি ফিটনেসবিহীন যানবাহন অপসারণ, দক্ষ চালক নিশ্চিত করা, কার্যকর তদারকি, জবাবদিহি এবং আইন প্রয়োগে কঠোরতা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

Continue Reading

top1

আগস্টের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ

Published

on

By

ভোক্তাপর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগস্ট মাসের জন্য প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা, পেট্রোলের দাম ১৪০ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৩৫ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। এ দাম ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে জুলাই মাসের জন্য প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা, পেট্রোলের দাম ১৪০ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম কমানো হয়েছে। আগস্ট মাসের জন্য প্রতি লিটার তেলের দাম ১০০ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। যা আজ রাত থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে জুলাই মাসের জন্য প্রতি লিটার তেলের দাম ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা থেকে কমিয়ে ১০৯ টাকা ১০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

Continue Reading

top1

ঝুঁকির কথাও স্বীকার করেও ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ইচ্ছা শেখ হাসিনার

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গ্রেপ্তার, কারাবন্দি হওয়া কিংবা প্রাণনাশের আশঙ্কা সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ সচেতন। তবুও আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি। বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক ই-মেইল সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

সাক্ষাৎকারে ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা বলেন, “আমাকে হত্যা করা হতে পারে। আমাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। আমাকে কারাগারেও পাঠানো হতে পারে। আমি আমার পরিণতি সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন। তারপরও দেশে ফিরতে চাই, কারণ আমার দেশের মানুষ আমাকে ডাকছে।”

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে তিনি ভারত চলে যান। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ের সহিংসতায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪০০ জন পর্যন্ত নিহত হতে পারেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত নভেম্বরে ঢাকার একটি আদালত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। তবে তিনি এই রায়কে “আইনের পোশাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ” বলে মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনা জানান, বর্তমানে তিনি ভারতের একটি গোপন স্থানে অবস্থান করছেন এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি। তার ভাষ্য, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত এবং এটি প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান

তার সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমন, বিচারব্যবস্থায় প্রভাব বিস্তার এবং একতরফা নির্বাচন আয়োজনের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহল থেকে উঠলেও শেখ হাসিনা সেসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, অভিযোগগুলোর অনেকটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অভিযোগ উঠলেই তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ছাত্র আন্দোলন নিয়ে নিজের অবস্থান

২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও নাকচ করেছেন শেখ হাসিনা। তার দাবি, সরকার সর্বোচ্চ ধৈর্য দেখিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

তিনি আরও বলেন, এটি কেবল একটি ছাত্র আন্দোলন ছিল না; বরং পরিকল্পিত সহিংসতা, অপপ্রচার এবং সরকার উৎখাতের উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি সংগঠিত অভিযান ছিল।

রাজনীতিতে ফেরা নিয়ে স্পষ্ট নন

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম কার্যত নিষিদ্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে দেশে ফিরে সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবেন কি না—এ প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেননি শেখ হাসিনা। তবে তিনি বলেন, “ক্ষমতা আমার লক্ষ্য নয়। মানুষের সেবা করাই আমার উদ্দেশ্য।”

সমবেদনা জানালেও ক্ষমা চাননি

আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাননি শেখ হাসিনা। সংকটকালীন সিদ্ধান্ত নিয়ে অনুশোচনা আছে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার সিদ্ধান্ত কোনো একক ব্যক্তির নয়; পুরো পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই তা মূল্যায়ন করা উচিত।

Continue Reading

Trending