Connect with us

top1

ভোটের আগেই ভোট: ‘হা না’ পোস্টারে বিভক্ত রাজনীতি

Published

on

বিএনপি ও ছাত্রদলের প্রোফাইলে ‘না’ পোস্টার এবং জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের ‘হা’ পোস্টার ব্যবহারের পেছনে রয়েছে ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান ও কৌশলগত উদ্দেশ্য। বিএনপি ও ছাত্রদল জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো গণভোট চায় না, তারা মনে করে নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হতে হবে, অন্যথায় তা হবে একটি ষড়যন্ত্রের অংশ, তাই তারা ‘না’ পোস্টার দিয়ে এই প্রস্তাবিত গণভোটকে প্রত্যাখ্যান করছে এবং জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটকে ‘না’ বলতে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে এবং তারা মনে করছে এই গণভোটের মাধ্যমে তারা রাজনৈতিকভাবে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পাবে, তাই তারা ‘হা’ পোস্টার দিয়ে গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। এই পোস্টার যুদ্ধ মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনৈতিক অবস্থান জানানোর প্রতীকী মাধ্যম হয়ে উঠেছে, যেখানে ‘না’ মানে গণভোটের বিরোধিতা এবং ‘হা’ মানে সমর্থন, যা দেশের রাজনৈতিক বিভাজন ও কৌশলগত অবস্থানকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে ‘হা’ বনাম ‘না’ পোস্টার যুদ্ধ, যেখানে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ফেসবুক প্রোফাইলে ‘না’ লেখা ফটোকার্ড শেয়ার করছেন, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকরা ‘হা’ পোস্টার দিয়ে গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন, এই ট্রেন্ডটি মূলত রাজনৈতিক অবস্থান জানানোর প্রতীকী মাধ্যম হয়ে উঠেছে, বিএনপি ও ছাত্রদলের দাবি, জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো গণভোট নয়, বরং নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হতে হবে, অন্যথায় তা ষড়যন্ত্র হিসেবে বিবেচিত হবে, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরসহ অনেক নেতাকর্মী এই বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন, তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় নির্বাচনের আগে বাংলার মাটিতে কোনো গণভোট হতে দেওয়া হবে না, এটি হবে আন্দোলনের নতুন স্লোগান, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে, তাদের মতে, এই গণভোটের মাধ্যমে তারা রাজনৈতিকভাবে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পাবে, দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, আদেশটি আওয়ামী লীগ মনোনীত রাষ্ট্রপতির নয়, বরং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে জারি করতে হবে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচনের আগেই গণভোট চায়, তবে নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করেনি, তারা মনে করে নির্বাচনের আগে গণভোট হলে তা দলীয় প্রভাবমুক্ত থেকে জনগণের মতামত প্রতিফলিত করবে, এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেছেন, ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের মাধ্যমে গণভোটের প্রস্তাব তারা ইতিবাচকভাবে দেখছেন, সব মিলিয়ে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থানে স্পষ্ট বিভাজন তৈরি হয়েছে, বিএনপি চাইছে একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট, জামায়াত চাইছে নভেম্বরে গণভোট, আর এনসিপি চাইছে নির্বাচনের আগেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গণভোট, এই অবস্থানগত পার্থক্যই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘হা না কেন’ ট্রেন্ডের মাধ্যমে প্রতিফলিত হচ্ছে, যা একদিকে রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে বিভ্রান্তি ও মেরুকরণও তৈরি করছে।

top1

গণভোটের রায় না মানলে দেশ সংকটে পড়বে: শিশির মনির

Published

on

By

জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে দেশ সাংবিধানিক ও অনাস্থার সংকটে পড়বে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইডিবি) মিলনায়তনে এক জাতীয় সেমিনারে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শিশির মনির বলেন, সুইজারল্যান্ড থেকে শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত ২৬টি দেশের নজির সংগ্রহ করেছি। দুনিয়ার ইতিহাসে এমন একটা উদাহরণ নেই, যেখানে মানুষ গণভোটের রায় দিয়েছে আর সরকার তা মানেনি।

গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবিধান মেনে তো অভ্যুত্থান হয় না, এটি হয় সংবিধানের বাইরে থেকে। এখন এই রাজনৈতিক বিষয়টিকে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটারে পরিণত করা হয়েছে।

জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবীতি বলেন, আমরা আশা করছি আদালত খোলার পর সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশের প্রশ্নটি উত্থাপিত হবে। যদি বাংলাদেশের আদালত তার মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারে, তবে এই ক্ষেত্রে তাদের উচিত হবে সরকারের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া।

শিশির মনির আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমরা রাজনৈতিকভাবে প্রবর্তন করেছিলাম। সেটাকে কোর্টে নিয়ে গিয়ে ‘অসাংবিধানিক’ বলা হলো। ফলে ১৭ বছর দেশে আগুন জ্বলল। এখন আবার কোর্ট বলছেন, সেটা সাংবিধানিক। রাজনৈতিক প্রশ্নের সমাধান যখন কোর্টে খোঁজা হয়, তখন সংকট আরও বাড়ে।

Continue Reading

top1

‘আপনি ভাই দেশের ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন’: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে বুলবুল

Published

on

By

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির পদ খুইয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তার বোর্ডকে অপসারণ করে সেখানে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটিকে দায়িত্ব দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তবে নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দিয়ে যেভাবে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে, এই প্রক্রিয়াকে স্রেফ ‘ষড়যন্ত্র’ বলে মনে করছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক বুলবুল।

দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপে তিনি নিজেকে এখনও ক্রিকেট বোর্ডের বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন। বলেছেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আমিই এখনো বিসিবি সভাপতি। যারা বোর্ড ভেঙেছে, তারা তা করতে পারে না, এখতিয়ারে নেই।’

বোর্ড ভেঙে দেয়ার দিনের ঘটনাক্রম উল্লেখ করে সাবেক বিসিবি সভাপতি যোগ করেন, ‘আমি আর খালেদ মাসুদ পাইলট মাঠ দেখতে পূর্বাচলে গিয়েছিলাম। বিসিবিতে ফিরে শুনলাম বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। তখন হঠাৎ করে মনে হলো, আমাদের অফিসটা একটা রাজনৈতিক অফিস হয়ে গেছে। শত শত লোক আসা-যাওয়া শুরু করল। একপর্যায়ে পাইলট আমাকে অনুরোধ করে বলল, ভাই, চলেন চলে যাই। তখন ফাহিম ভাই, আমি আর পাইলট বোর্ডে ছিলাম। আমরা চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলাম।’

‘আমাদের মানসম্মান আছে। মানসম্মান নিয়ে জিনিসপত্র ফেলেই চলে এসেছি। কিন্তু আমি দাবি করি ও বিশ্বাস করি, এখনো আমরা বৈধ ক্রিকেট বোর্ড এবং আমি বৈধ সভাপতি’-যোগ করেন বুলবুল।

বোর্ড ভেঙে দেয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা কোনও প্রক্রিয়া না, এটা একটা ষড়যন্ত্র। কেন বললাম? এনএসসির কোনো এখতিয়ার নেই বোর্ড ভেঙে দেওয়ার।তাদের যেটুকু এখতিয়ার আছে, ডেকে জিজ্ঞেস করা। যদি কোনো অনৈতিক কাজ করি, ক্রিকেট ঠিকমতো চালাতে না পারি, আমাদের বোর্ড যদি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়— সে ক্ষেত্রে তারা আমাদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করতে পারত; সুপারিশ করতে পারত।’

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুক হকের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। তবে এই তদন্ত কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রেখে বুলবুল বলেন, ‘তদন্ত কমিটিকেও আমি অবৈধ ভাবি। কিসের তদন্ত করা হয়েছে? তদন্ত কমিটির রিপোর্টে কী লেখা আছে, আমরা জানিও না এবং সেটা দেখিওনি। এই কমিটি কিসের ওপর ভিত্তি করে হয়েছে?’

Continue Reading

top1

মেডিকেল ও ব্যবসায়ী ভিসা সহজ করতে সম্মত ভারত

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির শেখ বলেছেন, আগামী সপ্তাহে মেডিকেল ও ব্যবসায়ী ভিসা সহজ করতে সম্মত হয়েছে ভারত। সোমবার দুপুরে সংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। হাদির হত্যাকারীদের দেশে আসান বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের দেশের আনার প্রক্রিয়া চলছে।

Continue Reading

Trending