Connect with us

top1

মন্ত্রিপরিষদের সম্ভাব্য তালিকা

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে স্পিকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রিপরিষদের একটি তালিকা হাতে এসে পৌঁছেছে। 

তালিকায় দেখা গেছে: 

সংসদের স্পিকার- অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন অথবা নিতাই রায় চৌধুরী

প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী- তারেক রহমান

স্থানীয় সরকার ও পল্লি উন্নয়ন মন্ত্রী- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- সালাহউদ্দিন আহমদ

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী- শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী- আমীর খসরু

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী- ড. হুমায়ুন কবীর

অর্থমন্ত্রী- ড. রেজা কিবরিয়া

শিক্ষামন্ত্রী- আ ন ম এহসানুল হক মিলন

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী- সায়েদ আল নোমান

পরিকল্পনা মন্ত্রী- ড. আব্দুল মঈন খান

বাণিজ্যমন্ত্রী- আব্দুল মুখতাদীর

শিল্পমন্ত্রী- আব্দুল আউয়াল মিন্টু

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী- মেজর হাফিজ

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী- নজরুল ইসলাম খান

পানিসম্পদ মন্ত্রী- আসাদুল্লাহ হাবিব দুলু

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী- ফজলুর রহমান

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী- আমানউল্লাহ আমান

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী- জোনায়েদ সাকি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী- ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী- আলী আজগর লবি

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী- অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী- শামীম কায়সার লিংকন

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী- আলতাফ হোসেন চৌধুরী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী- ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

কৃষিমন্ত্রী- শামসুজ্জামান দুদু

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী- মির্জা আব্বাস

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী- নুরুল হক নুর

রেলপথ মন্ত্রী- গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

জনপ্রশাসন মন্ত্রী- ড. ইসমাইল জবিউল্লাহ

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী- রুহুল কবির রিজভী

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী- দীপেন দেওয়ান

কালকেই (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এই বর্ণিল অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ২০০ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা দিল্লির প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

এ ছাড়া বিদেশি অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন: ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা এবং শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নলিন্দা জয়তিসা। যুক্তরাজ্যের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রারও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এবারের শপথ অনুষ্ঠানে একটি বিশেষত্ব থাকছে বলে জানা গেছে। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সাধারণ শপথ গ্রহণের পাশাপাশি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের’ সদস্য হিসেবেও একটি পৃথক শপথ গ্রহণ করবেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বিনা জামানতে নতুন উদ্যোক্তাদের ঋণ ১০ লাখ টাকা

Published

on

By

নতুন উদ্যোক্তাদের বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য দেন।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক তরুণদের জন্য বিনা সুদে কোনো ঋণ প্রকল্প চলমান নেই। তবে সহজ শর্তে এবং স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব তহবিল থেকে বিভিন্ন পুনরর্থায়ন স্কিম পরিচালনা করে আসছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে ‘নতুন উদ্যোক্তা পুনরর্থায়ন স্কিম’-এর তহবিলের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

এই তহবিল থেকে নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। এ ছাড়া জামানত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

স্টার্টআপদের জন্য ৪ শতাংশ সুদে ঋণ ও ইক্যুইটি সহায়তা স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার লক্ষ্যে ‘স্টার্ট আপ ফান্ড’ নামে ৫০০ কোটি টাকার আরো একটি পুনরর্থায়ন তহবিল গঠন করার কথা জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন।

Continue Reading

top1

ইরানের সঙ্গে ‘চুক্তি হচ্ছে’, দুই মাসে অন্তত ৩৭ বার দাবি ট্রাম্পের

Published

on

By

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই মাসেরও বেশি সময় আগে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়ে বলেছিলেন, উভয় পক্ষ চুক্তির খুব কাছাকাছি। তবে সেই প্রতিশ্রুত চুক্তি আজও বাস্তবায়ন হয়নি। দুই মাসে অন্তত ৩৭ বার চুক্তি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত ৭ এপ্রিল ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘অনেক দূর এগিয়েছে’ এবং চুক্তি চূড়ান্ত করতে মাত্র দুই সপ্তাহ সময় লাগবে। 

কিন্তু দুই সপ্তাহ পেরিয়ে দুই মাসেরও বেশি সময় কেটে গেলেও কোনো সমঝোতা হয়নি। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প বিভিন্ন জনসভা, সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকার, ফোনালাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্তত ৩৭ বার দাবি করেছেন যে ইরানের সঙ্গে চুক্তি খুব শিগগিরই হতে যাচ্ছে অথবা তেহরান চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।

ঘটনার সূত্রপাত ২৩ মার্চ। যুদ্ধ শুরুর এক মাসও পূর্ণ না হতেই ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “শান্তি আলোচনায় ‘প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমঝোতা’ হয়ে গেছে”।

যদিও সে সময় ইরান আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছিল। পরবর্তী দিনগুলোতে ট্রাম্পের বক্তব্য আরও জোরালো হতে থাকে।

তিনি কখনো বলেন, “ইরান খুবই আগ্রহী চুক্তি করতে”, আবার কখনো দাবি করেন, “তারা চুক্তির জন্য অনুনয়-বিনয় করছে”।

২৯ মার্চ ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “আমি ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি দেখতে পাচ্ছি”।

এরপর ৭ এপ্রিল ঘোষিত যুদ্ধবিরতিকে তিনি দুই সপ্তাহের একটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেন, যার মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

১৫ এপ্রিল তিনি বলেন, “আমি মনে করি বিষয়টি শেষ হওয়ার খুব কাছাকাছি”। একদিন পর সাংবাদিকদের জানান, “চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই ভালো”।

১৭ এপ্রিল ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেন, ইরান “সব বিষয়ে রাজি হয়েছে” এবং “এক-দুই দিনের মধ্যেই চুক্তি হবে”। এমনকি ২০ এপ্রিল ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন, “সবকিছু খুব দ্রুতই হয়ে যাবে”।

সেই পূর্বাভাসও সত্যি হয়নি

এপ্রিলের শেষ দিকে তিনি আবার বলেন, “ইরান চুক্তির জন্য মরিয়া”। ১ মে তিনি মন্তব্য করেন, “যুদ্ধ শেষ হতে খুব বেশি সময় লাগবে না”।

মে মাসেও একই ধরনের বক্তব্য অব্যাহত রাখেন ট্রাম্প। ১৮ মে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অনুরোধে সামরিক হামলা দুই-তিন দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে, কারণ তারা মনে করছে চুক্তি “খুব কাছাকাছি”।

এ সময় ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেন, অতীতেও একাধিকবার মনে হয়েছিল চুক্তি হতে যাচ্ছে, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। তবে তিনি দাবি করেন, এবার পরিস্থিতি “ভিন্ন”।

এরপরও হয়নি সমঝোতা

২৩ মে ট্রাম্প আবার বলেন, “আলোচনা ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ রয়েছে এবং চুক্তি ‘খুব শিগগিরই’ ঘোষণা করা হবে”।

২৮ মে তিনি এক সাক্ষাৎকারে জানান, উভয় পক্ষ “একটি খুব ভালো চুক্তির কাছাকাছি”।

গত রবিবারও তিনি বলেন, “আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত চুক্তির খুব কাছাকাছি”।

তবে একই সঙ্গে অভিযোগ করেন, ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত সেই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।

সোমবারও তিনি একই সুরে কথা বলেন। সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহামের একটি টেলি-র‍্যালিতে ট্রাম্প দাবি করেন, “আমরা এখন আলোচনা করছি, তারা একটি ভালো চুক্তি করতে চায়”।

এমনকি তিনি আরও বলেন, “তারা আমাদের সবকিছু দিতে প্রস্তুত”।

তবে এতবার আশ্বাস দেওয়ার পরও বাস্তবে কোনো চুক্তির অগ্রগতি দৃশ্যমান হচ্ছে না। ফলে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ট্রাম্পের এসব বক্তব্যকে এখন আর গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত ভিত্তি নেই।

সোর্স: সিএনএন

Continue Reading

top1

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

Published

on

By

তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় করার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য আগামী ১৬ জুন নির্ধারণ করেছেন আদালত। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত থাকবে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অপরপক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে সকালে তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় করার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু হয়।

গত ২১ মে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

গত ৭ এপ্রিল ১৮৫ পৃষ্ঠার হাইকোর্টের রায় প্রকাশ করা হয়। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ এই রায় দেন।

রায়ে অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির-সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের এমন বিধান বাতিল করেন হাইকোর্ট। ফলে অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত হলো। একইসঙ্গে অধস্তন আদালতের জন্য ২০১৭ সালে করা শৃঙ্খলাবিধি বাতিল করা হয়েছে।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। অ্যামিকাস কিউরি ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট শরীফ ভূঁইয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ, ২০১৭ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচার বিভাগীয় পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী রিটটি করেন। পরে একই বছরের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট ‍রুল জারি করেন।

সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার-কর্ম বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল-নির্ধারণ, পদোন্নতি ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃঙ্খলা বিধান রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি তা প্রয়োগ করে থাকেন।

রিটকারীদের আইনজীবীর মতে, ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত রয়েছে।

একই অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতি এ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করবেন বলে উল্লেখ রয়েছে। মূলত রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত এ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের সরাসরি হস্তক্ষেপ দেখা যায়, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে খর্ব করে।

১৯৭২ সালের সংবিধানে অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলা বিধানের এ দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত ছিল।

১৯৭৪ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত করা হয়। পরে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে এবং ‘সুপ্রিমকোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে’ শব্দগুলো সন্নিবেশিত করা হয়।

এরপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ পঞ্চম সংশোধনী আইন অসাংবিধানিক মর্মে ঘোষণা করলে পঞ্চদশ সংশোধন আইন, ২০১১ এর মাধ্যমে ১১৬ অনুচ্ছেদের বর্তমান একই বিধানটি প্রতিস্থাপন করা হয়। বর্তমানে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে এ বিধানটিই বিদ্যমান রয়েছে।

Continue Reading

Trending