Connect with us

top1

মন্ত্রিসভায় শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

Published

on

সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে ডাক পেয়েছেন বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-নেত্রী।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে সংসদ সদস্য বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চট্টগ্রাম-১১ আসনের আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা-১০ আসনের মির্জা আব্বাস, কক্সবাজার-১ আসনের সালাহউদ্দিন আহমদ, ঢাকা-৩ আসনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নরসিংদী-২ আসনে আবদুল মঈন খান, ফেনী-৩ আসনের আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কুমিল্লা-৩ আসনের কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, চাঁদপুর-১ আসনের আ ন ম এহসানুল হক মিলন, কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের মো. শরীফুল আলম।

সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরী। লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। টাঙ্গাইল-৫ আসনের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বগুড়া-২ আসনের মীর শাহে আলম, পটুয়াখালী-৩ আসনের নুরুল হক নুর, বরিশাল-১ আসনের এমপি জহির উদ্দিন স্বপন, পঞ্চগড়-২ আসনের ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঢাকা-১৩ আসনের এমপি ববি হাজ্জাজ, জামালপুর-১ আসনের রশিদুজ্জামান মিল্লাত, রাজশাহী-২ আসনের মিজানুর রহমান মিনু, মাগুরা-২ আসনে বিএনপির নিতাই রায় চৌধুরী, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, কুমিল্লা-৮ আসনে জাকারিয়া তাহের সুমন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিজয়ী জোনায়েদ সাকি, নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য ফারজানা শারমিন, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম রিতা, নেত্রকোনা -১ আসনের কায়সার কামাল।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

তারেক রহমানের নেতৃত্বে শপথ নিলেন বিএনপির এমপিরা, বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর শপথ

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর শপথ নিয়েছেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। মঙ্গলবার সকালে সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

এদিন বিকেলেই সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির ঐতিহাসিক বিজয়ের পর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ শুরু হয়। গেজেটভুক্ত ২৯৬ জন এমপির মধ্যে বিএনপির অধিকাংশ সদস্যই এদিন শপথ নেন। তবে বিএনপির এমপিরা আজ গণপরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদা শপথ নাও নিতে পারেন বলে দলীয় একটি সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, বিদায়ী সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করায় এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু কারাগারে থাকায় শপথ পড়ানোর আইনি বাধ্যবাধকতা থেকে সিইসি এই দায়িত্ব পালন করেন।

দুই দশক পর ক্ষমতায় বিএনপি

২০০৬ সালে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব ছাড়ার ঠিক ২০ বছর পর তার ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয় পায় দলটি।

নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে জয়ী হলেও তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি ঢাকা-১৭ আসনের এমপি হিসেবে আজ শপথ নেন। বিকেলে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। একই অনুষ্ঠানে প্রায় ৩০ সদস্যের একটি প্রাথমিক মন্ত্রিসভাও শপথ নিতে পারে বলে জানা গেছে।

সংসদীয় নেতা ও মন্ত্রিসভা

শপথ গ্রহণ শেষে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলোর এমপিরা বৈঠকে বসে তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবেন। দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে, তারেক রহমানকেই সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হচ্ছে। এরপরই রাষ্ট্রপতি তাকে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানাবেন।

সংসদ উপনেতা হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমেদের নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া জোটের শরিক আন্দালিব রহমান পার্থ (বিজেপি), জোনায়েদ সাকি (গণসংহতি আন্দোলন) এবং নুরুল হক নুরকে (গণঅধিকার পরিষদ) মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রাখা হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।

ঝুলে আছে তিন আসন

৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন হলেও আইনি জটিলতায় চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের গেজেট স্থগিত রয়েছে। এছাড়া প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে শেরপুর-৩ আসনে ভোট গ্রহণ হয়নি। গেজেটভুক্ত ২৯৬ জনের মধ্যে বিএনপির ২০৯ জন এমপি রয়েছেন।

অন্যদিকে, নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া জামায়াত জোট বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে। তাদের সংসদীয় দলের সভা থেকে বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা নির্বাচন করা হবে।

Continue Reading

top1

মন্ত্রিপরিষদের সম্ভাব্য তালিকা

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতারা। এমন পরিস্থিতিতে স্পিকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রিপরিষদের একটি তালিকা হাতে এসে পৌঁছেছে। 

তালিকায় দেখা গেছে: 

সংসদের স্পিকার- অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন অথবা নিতাই রায় চৌধুরী

প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী- তারেক রহমান

স্থানীয় সরকার ও পল্লি উন্নয়ন মন্ত্রী- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- সালাহউদ্দিন আহমদ

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী- শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী- আমীর খসরু

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী- ড. হুমায়ুন কবীর

অর্থমন্ত্রী- ড. রেজা কিবরিয়া

শিক্ষামন্ত্রী- আ ন ম এহসানুল হক মিলন

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী- সায়েদ আল নোমান

পরিকল্পনা মন্ত্রী- ড. আব্দুল মঈন খান

বাণিজ্যমন্ত্রী- আব্দুল মুখতাদীর

শিল্পমন্ত্রী- আব্দুল আউয়াল মিন্টু

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী- মেজর হাফিজ

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী- নজরুল ইসলাম খান

পানিসম্পদ মন্ত্রী- আসাদুল্লাহ হাবিব দুলু

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী- ফজলুর রহমান

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী- আমানউল্লাহ আমান

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী- জোনায়েদ সাকি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী- ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী- আলী আজগর লবি

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী- অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী- শামীম কায়সার লিংকন

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী- আলতাফ হোসেন চৌধুরী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী- ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

কৃষিমন্ত্রী- শামসুজ্জামান দুদু

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী- মির্জা আব্বাস

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী- নুরুল হক নুর

রেলপথ মন্ত্রী- গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

জনপ্রশাসন মন্ত্রী- ড. ইসমাইল জবিউল্লাহ

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী- রুহুল কবির রিজভী

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী- দীপেন দেওয়ান

কালকেই (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এই বর্ণিল অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ২০০ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা দিল্লির প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

এ ছাড়া বিদেশি অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন: ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা এবং শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নলিন্দা জয়তিসা। যুক্তরাজ্যের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রারও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এবারের শপথ অনুষ্ঠানে একটি বিশেষত্ব থাকছে বলে জানা গেছে। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সাধারণ শপথ গ্রহণের পাশাপাশি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের’ সদস্য হিসেবেও একটি পৃথক শপথ গ্রহণ করবেন।

Continue Reading

top1

এখন আমার বিদায়ের পালা: প্রধান উপদেষ্টা

Published

on

By

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আজ আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্র-জনতার অনুরোধে ১৮ মাস আগে আমি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেই। এখন আমার যাওয়ার পালা।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৯টার দিকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বিদায়ের দিনে ৫ আগস্টের কথা স্মরণ করে আপনাদের কিছু কথা বলবো। কি মহা মুক্তির দিন ছিল সেদিনটি। সে কি আনন্দের দিন। বাংলাদেশিরা দেশে-বিদেশে যে যেখানে ছিল আনন্দে চোখের পানি ফেলেছিলো। দৈত্যের গ্রাস থেকে তরুণ ছাত্রছাত্রীরা দেশকে বের করে এনেছিলো। দেশ মুক্ত হয়েছে। কিন্তু, দেশ সম্পূর্ণ অচল। অচল এই দেশটিকে কীভাবে সচল করা যাবে সেটা ছিল সবার মনে।

অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতারা ঠিক করলো দেশকে সচল করার জন্য একটি সরকার লাগবে। সরকার গঠন ও চালাবার জন্য তারা আমাকে খবর দিলো। আমি তখন বিদেশে। আমি দায়িত্ব নিতে রাজি না। তারা জাতির প্রতি কর্তব্য পালনের কথা বলে আমাকে রাজি করালো।”

তিনি বলেন, “যারা দেশকে লুটেপুটে খেতো তারাই দেশের এ যন্ত্র চালাতো। তাদের একান্ত অনুগত লোক নিয়ে অভ্যুত্থানের সঙ্গে সঙ্গে সবাই পালিয়েছে। বড় কর্তা পালিয়েছে। মাঝারি কর্তা পালিয়েছে। অন্যরা ভোল পাল্টিয়েছে অথবা আত্মগোপনে চলে গেছে। কেউ নানাজনের সুপারিশ নিয়ে আসছে, তারা অভ্যুত্থানের গোপন সৈনিক ইত্যাদি। সরকারের ভেতরে যারা পালিয়ে যায়নি তাদের মধ্যে কাকে বিশ্বাস করবো, কাকে করবো না, এটি মহাসংকট হয়ে দাঁড়ালো।”

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “সেই থেকে ১৮ মাস চলে গেছে। অবশেষে ১২ ফেব্রুয়ারি আসলো। দেড় যুগ পর দেশে একটি জাতীয় নির্বাচন এবং ব্যাপক সাংবিধানিক পরিবর্তনের জন্য সর্বসম্মত জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হলো। এই নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ, দেশের সর্বত্র একটা ঈদের পরিবেশ ছিল যা আমাদের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে যারা জয়ী হয়েছেন তাদের আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি জানিয়ে তিনি বলেন, “যারা পরাজিত হয়েছেন তাদেরকেও আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি। হার-জিতই হলো গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। যারা জয়ী হয়েছেন তারা মোট ভোটের প্রায় অর্ধেক পেয়েছেন। যারা জয়ী হতে পারেননি তারাও মোট ভোটের অর্ধেক পেয়েছেন। যারা জয়ী হতে পারেননি তারা এ জেনে আশ্বস্ত হবেন যে প্রায় অর্ধেক ভোটার আপনাদের ওপর আস্থা রেখেছে। আগামী দিন নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে, এর মাধ্যমে আমাদের ১৮ মাসের দায়িত্বের সমাপ্তি হবে।”

Continue Reading

Trending