Connect with us

আইন-শৃঙ্খলা

ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার

Published

on

ময়মনসিংহে পোশাকশ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় মো. বাবলু মিয়া (২৪) নামের আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ভালুকা উপজেলা-র ডুবালিয়াপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া বাবলু মিয়া ডুবালিয়াপাড়ার বাসিন্দা এবং মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে। ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে কারখানার গেটে লোকজন জড়ো করতে প্রধান ভূমিকা রাখেন। প্রথমে স্লোগানের মাধ্যমে জনতাকে উত্তেজিত করে গেটে সমবেত করা হয়। পরে দীপু চন্দ্র দাসকে গেটের সামনে মারধর এবং তার মরদেহ মহাসড়কে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায়ও তিনি সক্রিয় সহযোগিতা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। উত্তেজিত জনতার নির্যাতনের ক্ষেত্রেও তার সম্পৃক্ততা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে ভালুকার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই অপু চন্দ্র দাস অজ্ঞাতপরিচয় ১৪০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত মামলায় মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

রামিসার ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে সিআইডি

Published

on

By

রাজধানীকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

শনিবার (২৩ মে) বিকেলে প্রতিবেদনটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মামলার চার্জশিট প্রস্তুতের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রোববার (২৪ মে) আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া সম্ভব হতে পারে।

Continue Reading

আইন-শৃঙ্খলা

রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী

Published

on

By

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া গেলে ঈদের আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

শনিবার (২৩ মে) রাজধানীতে লিগ্যাল এইড-সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে আলোচনায় উঠে আসে রামিসা হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ বিষয়টি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে ভবিষ্যতে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত চার্জশিট দেবে, এবং সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদের আগেই তা দাখিল করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, মামলার বিচার কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং ঈদের ছুটির পরপরই আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে।

উচ্চ আদালতে মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডের রায় হওয়ার পর হাইকোর্টে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলে পেপার বুক প্রস্তুতে অনেক সময় লাগে, যার ফলে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি বিলম্বিত হয়। এই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে শিশু রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

এ ঘটনায় প্রথমে প্রধান আসামির স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়, পরে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে সে হত্যার ঘটনায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছে বলে জানা গেছে।

Continue Reading

top1

বিস্ফোরক আইনের মামলায় দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যুব মহিলা লীগ নেত্রী

Published

on

By


রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তার দেড় মাস বয়সী শিশুসন্তান থাকা সত্ত্বেও মানবিক দিক বিবেচনা করে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। দুপুর ২টার দিকে শিল্পী বেগমকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক শেখ নজরুল ইসলাম আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয় আসামি মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।আসামি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বলে তদন্তে জানা যাচ্ছে। মামলাটির তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখা বিশেষ প্রয়োজন।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তিনি আদালতকে জানান, আসামির ১ মাস ১৬ দিনের একটি সন্তান রয়েছে এবং সম্প্রতি তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। মানবিক বিবেচনায় যেকোনো শর্তে জামিন প্রার্থনা করেন তিনি। তবে শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতের আদেশ ঘোষণার পর বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে তাকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় বারান্দায় কান্নায় ভেঙে পড়েন শিল্পী বেগম। এ সময় তার কোলে দেড় মাস বয়সী শিশুসন্তানকে তুলে দেওয়া হয়। আদালতের বারান্দার বেঞ্চে বসেই তিনি সন্তানকে দুধ খাওয়ান। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই শিশুসন্তানসহ তাকে কারাগারে যেতে হচ্ছে। পরে শিশুকে কোলে নিয়েই তাকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. তাহমিদ মুবিন রাতুলকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করা হয়।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে চানখাঁরপুল এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শিক্ষার্থী তাহমিদ মুবিন। চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পর সেখানেও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের আক্রমণের শিকার হন তিনি।মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২৩ জুলাই সন্ধ্যায় আসামি শিল্পীর নির্দেশে ১২০-১৩০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র, পিস্তল ও বোমা নিয়ে ভুক্তভোগীর বাসায় হামলা চালায়।

হামলায় পাঁচ লাখ টাকার আসবাব ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী ভাঙচুর করা হয় এবং তিন লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়। ভুক্তভোগীর বাসার সামনে রাস্তার ওপর বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এছাড়া হত্যার উদ্দেশ্যে ছাত্রের পিতা মো. সোহেল রানাকে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তেজগাঁও থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়

Continue Reading

Trending