Connect with us

top1

মির্জা ফখরুলের বাসায় যুবদলের পদবঞ্চিতরা, সাক্ষাৎ চান প্রধানমন্ত্রীর

Published

on

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেছেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা। এ সময় তারা তাকে দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি দেওয়ার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৮টা ৪০ থেকে ৯টা পর্যন্ত হেয়ার রোডের নিজ বাসায় পদবঞ্চিতদের সঙ্গে বৈঠক করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। যুবদলের পদবঞ্চিত ৩০ থেকে ৩৫ জন নেতা এতে অংশ নেন।

এর আগে গত ৪ জুন যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তবে এ ঘোষণায় ক্ষুব্ধ হন পদবঞ্চিতরা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) তারা হাজির হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, পদবঞ্চিত নেতারা মূল দলের মহাসচিবের কাছে তাদের ক্ষোভের বিষয়টি তুলে ধরেন। বিশেষ করে দলের অভিভাবক তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে একটি স্মারকলিপি দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধৈর্য সহকারে তাদের কথা শোনেন এবং বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যারা

যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক এবং সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুবদলের সদ্য সাবেক কমিটির গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম রিয়ন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান অলি উদ্দিন সুমন ও গোলাম ফারুক, সাবেক সহ-শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুল আলম টিটু, সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক বি এম আমান উল্লাহ বিপুল, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বাছেদুর রহমান সোহেল, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহিম, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম হিমেল প্রমুখ।

সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সরকার মামুন, শাহিনুজ্জামান মিন্টু, সেলিম হোসাইন মুন্না আকন্দ, মিজান খান ও দুলাল হোসেনও বৈঠকে অংশ নেন।

স্থানীয় নির্বাচনে যেসব যোগ্যতায় মিলবে বিএনপির সবুজ সংকেত

সাবেক ছাত্রদল নেতারা

ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক ও জাকির হোসেন খান; সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন উজ্জ্বল, আবুল হাসান, মাহফুজুর রহমান, মিজানুর রহমান সোহাগ; সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল আলম, ইসমাইল হোসেন খান শাহীন, মুজাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আরিফ, আনোয়ার জাহিদ, সুমন চৌধুরী, ফজলুল হক নিরব; সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ সরকার, গোলাম আজম সৈকত, সবুর খান সাগর, জাহাঙ্গীর আলম, শফিউল আজম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও অংশ নেন ছাত্রদলের সাবেক ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক মিরাজ আজিম, সাবেক জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক স্বপন মন্ডল, সাবেক সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম মাসুম, সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক রবিউল হাসান আরিফ, সাবেক বেসরকারি বিষয়ক সম্পাদক ইয়াকুব রাজু এবং সাবেক সদস্য মহিবুল্লাহ জয়, খলিলুর রহমান জনি ও এম কামরুল হাসান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম নাহিদ, সাবেক সহ-সভাপতি ফরিদ খান, শরিফ আল ফরহাদ দীপু ও বিশ্বজিৎ ভদ্র; জহুরুল হক হলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি খসরু আহমেদ হিরন এবং সাবেক ছাত্রনেতা কবির আহমেদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

যুবদল মহানগর উত্তর ও অন্যান্য ইউনিট

যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ ও মাহমুদ খান; ছাত্রদল পূর্বের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দুলাল মাতব্বর; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাবেক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার আমিনুল হক কাকন, সাবেক ছাত্রনেতা এমদাদুল হক পারভেজ, ইমদাদুল হক, জাহিদ হাসান হিরন, নজরুল ইসলাম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সাবেক ছাত্রনেতাদের মধ্যে মো. হুমায়ুন কবির, শাহীন আকন্দ, সেলিম রেজা, মাসুদ রানা, মানিক হোসেন, মহিউদ্দিন বেগ সুজন, আমির হোসেন বাদশা এবং হাসান জাহিদ হিরনসহ যুবদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পদবঞ্চিত নেতাদের দাবি, দলের ক্রান্তিলগ্নে দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা সত্ত্বেও তাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। তাই তারা সরাসরি দলীয় হাইকমান্ডের কাছে তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে চান।

জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিবের এপিএস ইউনুস আলী এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘যুবদলের পদবঞ্চিতরা মহাসচিব স্যারের কাছে এসেছিলেন। তাদের কাছে স্যার আবেদনপত্র চেয়েছেন। সেটি পেলে যাছাই বাছাই করে চেয়ারম্যান।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: যুবলীগ নেতা অনিক গ্রেপ্তার

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

জনপ্রিয় ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শাহ আলম অনিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ভাষানটেক থানা যুবলীগের সহসভাপতি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডিবি সূত্রের দাবি, মিরপুরের সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত শাহাদাতের সঙ্গে অনিকের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। শাহাদাত ও ইব্রাহিমের হয়ে অনিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন বলেও তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে সূত্রটি।

অনিককে গ্রেপ্তারের বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুর রহমান বলেন, তাকে কিছুক্ষণ আগে আটক করে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ডিবি সূত্রের দাবি, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ইসিবি চত্বরের কাছে নিউ গিনি কনডোমিনিয়াম সিটিতে সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় অনিক সরাসরি জড়িত ছিলেন। তবে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনিককে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিল ও মিরপুরের সাবেক স্থানীয় সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় পরিচিত করা হতো। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিরপুর, ভাষানটেক, কাফরুল, পল্লবী ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার কথাও জানিয়েছে সূত্র।

এ ছাড়া ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে অনিক সামনের সারিতে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল এবং আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও সংগঠিত করার সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে সূত্রের দাবি।

মিরপুর, পল্লবী, ভাষানটেক ও কাফরুল এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনাতেও অনিকের সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছে সূত্র। বিদেশ থেকে আসা বিভিন্ন নির্দেশনা দেশে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তিনি ভূমিকা রাখতেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের ছোট ভাই মোতাহার হোসেন খান সুফলকে গ্রেপ্তার করা হয়। সূত্রের দাবি, সুফল ও অনিক একসঙ্গে ঢাকায় অস্থিরতা তৈরির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।

Continue Reading

top1

ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা, পুলিশকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

By

পুলিশের মধ্যে কেউ কেউ এখনো ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, তাদের নানা ধরনের সংবাদ দিচ্ছে। এমন কার্যক্রমে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬-এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের মধ্যে কেউ কেউ এখনো ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে, তাদের নানা ধরনের সংবাদ দিচ্ছে। পুলিশের কোন সদস্য শৃঙ্খলা না মানলে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকার পিছপা হবে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পানিশমেন্ট-রিওয়ার্ড’ চালু থাকবে। যারা ভালো কাজ করবেন এবং প্রত্যাশা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। আর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা, শৃঙ্খলাভঙ্গ কিংবা কোনো ধরনের অপরাধে জড়িত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার ও অপব্যবহারের অতীত অভিজ্ঞতা রয়েছে। অনেক পুলিশ সদস্যকে অবৈধ নির্দেশ পালনেও বাধ্য করা হয়েছিল। তবে এখন তাদের সামনে নিজেদের সংশোধন ও নতুনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ রয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনগণ এখন রাজা-বাদশাহ নয়, ‘জনগণের পুলিশ’ দেখতে চায়। কোনো সিনিয়র কর্মকর্তা এমন কর্মকাণ্ড করবেন না, যা জনগণের কাছে অস্বাভাবিক বা অগণতান্ত্রিক মনে হয়। একইভাবে অধস্তন কোনো সদস্যের এমন কর্মকাণ্ডেও অনুমতি বা আশ্রয় দেওয়া যাবে না, যা সমাজে অশান্তি বা অস্বস্তি তৈরি করে।

তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনে ভুলত্রুটি থাকলেও কেউ যদি সৎভাবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেন, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থতা কিংবা অপরাধ সংঘটিত হলে তার পরিণতি ভালো হবে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে পুলিশকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। এজন্য পুলিশ বাহিনীর জনবল, সরঞ্জাম ও লজিস্টিক সুবিধা বাড়ানো হবে।

পুলিশের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট গঠনের কথাও জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে আলাদা সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন করা হবে। এর সদর দপ্তরের পাশাপাশি মেট্রো, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে শাখা থাকবে। আধুনিক প্রযুক্তি, ফরেনসিক ল্যাবসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অপরাধের বড় একটি অংশ সাইবার স্পেসকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হচ্ছে। তাই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ও অপরাধ দমনের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিটকে নতুন কাঠামোর আওতায় এনে আরও কার্যকর করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী মেট্রো ও অন্যান্য এলাকায় বিশেষ ইউনিটের সক্ষমতা বাড়ানো হবে এবং অবকাঠামো ও লজিস্টিক সুবিধা দেওয়া হবে।

পুলিশের দায়িত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশের সবচেয়ে বেশি। সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়ণতা ও দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করলে পুলিশই সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে পারে।

তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর আসার আগেই আপনাদের পরিবর্তনটা দেখাতে হবে’।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার পুলিশকে স্বাধীনভাবে ও আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিচ্ছে। কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না। আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশকে আহ্বান জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যারা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের বিষয়ে পুলিশের গোয়েন্দা সক্ষমতা কাজে লাগাতে হবে। দেশের জনগণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

Continue Reading

top1

ইবিতে প্রেমিক যুগল ধরা, বিয়ের সিদ্ধান্ত

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের (প্রেমিক যুগল) হাতেনাতে ধরেছে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানীয়রা। প্রক্টরিয়াল বডির সিদ্ধান্তে আগামীকাল (২৬ সেপ্টেম্বর) বিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি মেসের পাশে এই ঘটনা ঘটে। প্রেমিক যুগল শিক্ষার্থীরা হলেন- মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ বর্ষের এক ছাত্র এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২৪-২৫ বর্ষের এক ছাত্রী।

জানা গেছে, ওই মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন মল্লিক মেসে থাকেন। রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে হস্তান্তর করেন। পরে প্রক্টর অফিসে আনা হলে স্বীকারোক্তি দিয়ে বিয়ের সম্মতি দেয় প্রেমিক যুগল। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সিদ্ধান্তে কাল (২৬ সেপ্টেম্বর) উভয় পক্ষের পিতামাতার উপস্থিতিতে বিয়ে পড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারা কয়েকমাস ধরে নিয়মিত নির্জন জায়গায় বসে। তাদের গতিবিধি লক্ষ্য রেখে এবার হাতেনাতে ধরে তারা। পরে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে তুলে দেয়। তবে ওই সময় ছাত্রকে চড় থাপ্পড় মারছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের বিরুদ্ধে।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, দুই শিক্ষার্থকে প্রক্টর অফিসে এনে জিজ্ঞেসাবাদ করলে তারা স্বীকারোক্তি দেয়। পরে বিয়ের সম্মতি জানান তারা। বাবা-মাকে আহ্বান করবো। তারপর বিয়ে দিয়ে দিব। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এছাড়া মেয়েটি যে মেসে থাকে ওই মেস মালিককে তলব করবো, যেহেতু সাড়ে ৮টার মধ্যে মেসগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

Continue Reading

Trending