Connect with us

জাতীয়

যমুনা ছাড়ছেন ইউনূস, তারেক ওঠার আগে সংস্কারে যাবে ১ মাস

Published

on

প্রায় দেড় বছর বসবাসের পর শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন— যমুনা ছাড়তে পারেন সদ্য বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর মাসখানেকের সংস্কার শেষে ভবনটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওঠার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী।

২০২৪ সালের ৮ অগাস্ট প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর যমুনায় ওঠেন ইউনূস। এরপর সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার দায়িত্বে এলেও তিনি এখনও যমুনা ছাড়েননি। এরমধ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও যমুনায় থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকালে যমুনা ছাড়ার কথা রয়েছে ইউনূসের।

তবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নতুন সরকার গঠন করার পর থেকেই প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে কয়েকবার যমুনা ছাড়ার কথা বলা হয়েছে। সবশেষ বৃহস্পতিবার ছাড়বেন বলে আমাদের জানিয়েছেন। তারপরের কথা জানি না।”

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “উনার বাসা ছাড়ার বিষয়টা অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী দেখছেন, আজকে ছাড়ার বিষটি আমার জানা নেই, তবে শনিবার বিকালে যমুনা ছেড়ে দেওয়ার কথা।”

খালেকুজ্জামান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যমুনায় থাকবেন বলে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। মাসখানেক সময় লাগবে প্রধানমন্ত্রী বাসবভবনের কিছু কাজ আছে, তা করতে।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে গুলশানে থাকছেন। তিনি সেখান থেকে আবদুল গণি রোডের সচিবালয় ও তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাতায়াত করছেন।

১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান এবং ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমান তাদের দায়িত্বের দিনগুলো রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যুমনাতেই ছিলেন।

২০০৮ সালে এক-এগারোর পট পরিবর্তনের পর সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমেদও এ ভবনে থেকেছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

স্পিকার-সিইসির বৈঠক, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনে ‘প্রস্তুত’ ইসি

Published

on

By

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

জাতীয় সংসদে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি। 

সিইসি জানান, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রাথমিক ও প্রক্রিয়াগত আলোচনা হয়েছে। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

তফসিল প্রসঙ্গে নাসির উদ্দিন বলেন, “বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। যথাসময়ে নির্বাচন কমিশনের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করে তফসিল ঘোষণা করা হবে। দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি”।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে জমা হবে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারই রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনাতেই পুরো নির্বাচন সম্পন্ন হবে। প্রয়োজন হলে প্রক্রিয়াগত কারণে ভোটগ্রহণের ভেন্যু পরিবর্তনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হতে পারে। এ-সংক্রান্ত সব তথ্য গেজেটের মাধ্যমে জানানো হবে।

সিইসি আরও বলেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি প্রস্তুত। একই সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কমিশনের প্রস্তুতি চললেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করতে কমিশন সক্ষম”।

ভোটার তালিকার বিষয়ে তিনি জানান, সম্ভাব্য ভোটারদের তালিকা চেয়ে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। তালিকা পাওয়ার পর ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশসহ পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

সংসদ অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, “সংসদ অধিবেশন থাকুক বা না থাকুক, আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই”।

সাতক্ষীরা-৪ আসন নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। বৈঠকের পুরো আলোচনাই ছিল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে”।

বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমদ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top1

মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, জোর আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এ প্রশ্নে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলীয় ও রাজনৈতিক বিভিন্ন সূত্রের দাবি, অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাকে রাষ্ট্রপতি পদে বিবেচনা করা হচ্ছে।

গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন মহলে বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় এলেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, ভারসাম্যপূর্ণ নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে মির্জা ফখরুল সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন। তবে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের বিষয়ে এখনো বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি এমন একজনকে রাষ্ট্রপতি করতে চাইবে, যিনি জাতীয় সংকট মোকাবিলায় অভিজ্ঞ এবং সর্বজনগ্রহণযোগ্য। সে বিবেচনায় মির্জা ফখরুলের নাম গুরুত্ব পাচ্ছে।

২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি কৃষি মন্ত্রণালয় এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণাসহ পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। নির্বাচন কমিশন সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করবে।

Continue Reading

top1

শাপলা চত্বর হত্যাকান্ডটি ছিল ‘গণহত্যা’: চিফ প্রসিকিউটর

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে জেনোসাইড বা গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

সোমবার (২৭ জুলাই) ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, হেফাজতে ইসলামকে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড চালায়। তবে ঘটনার পর দায়ের করা মামলার কোনো কার্যকর তদন্ত হয়নি এবং দীর্ঘ সময়েও বিচার প্রক্রিয়া এগোয়নি। পরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর শাপলা চত্বরের ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। তার দাবি, ওই ঘটনায় শিশুসহ আলেম-ওলামাদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়, যা গণহত্যার শামিল। দেশের ইতিহাসে এমন বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের নজির বিরল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আমিনুল ইসলাম জানান, তদন্তে মোট ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে দুটি পৃথক ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর একটি ৫ মে মধ্যরাতে শাপলা চত্বরে ৩২ জন নিহত হওয়ার ঘটনা এবং অন্যটি ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জনকে হত্যার অভিযোগ। এই দুই ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করে ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে আদালতে শুনানির সময়ও চিফ প্রসিকিউটর দাবি করেন, শাপলা চত্বরের অভিযান ছিল তৎকালীন সরকারের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানের আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রশাসনের এক বৈঠকে গ্রেনেড ও মারণাস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। তিনি হেফাজতের নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে অভিযোগটি জমা দেন। প্রাথমিক অভিযোগে ২১ জনকে আসামি করা হলেও তদন্ত শেষে প্রসিকিউশন ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে।

শুনানি শেষে আদালত শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক ৩১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার থাকা ১০ আসামিকে পরবর্তী শুনানিতে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।

Continue Reading

Trending