Connect with us

ক্যাম্পাস

রাকসুর উদ্যোগে মাসব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প শুরু ৩০ জানুয়ারি 

Published

on

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মানসিক স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে ৩০ জানুয়ারি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর উদ্যোগে এবং মেন্টাল হেলথ ক্লাব রাজশাহী ইউনিভার্সিটি (MHCRU)-এর সহযোগিতায় মাসব্যাপী এ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।

আজ রোববার (২৫ জানুয়ারী) বিকেল সাড়ে চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাকসুর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা হাফছা। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর উদ্যোগে এবং মেন্টাল হেলথ ক্লাব রাজশাহী ইউনিভার্সিটি (গঐঈজট)-এর সহযোগিতায় হলভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্পেইন শুরু হবে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যেহেতু আবাসিক ও অনাবাসিক উভয় শিক্ষার্থীই কোনো না কোনো হলের সাথে সংযুক্ত, অই ক্যাম্পেইনটি হলভিত্তিক পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যেভাবে পরিচালিত হবে ক্যাম্পেইনটি 

মানসিক স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইনটি পরিচালিত হবে দুইটি সেগমেন্টে। প্রথম সেগমেন্টে নির্ধারিত বুথে শিক্ষার্থীদের জন্য দুই ধাপে বিনামূল্যে মেন্টাল হেলথ চেক-আপ (যেমন ডিপ্রেশন লেভেল, এংজাইটি, স্ট্রেস, হোপলেসনেস, ইন্টারনেট এডিকশন, আত্মহত্যা ঝুঁকি ইত্যাদি) পরিচালিত হবে। এই চেক-আপ কার্যক্রম চলবে সকাল ৯.৩০টা থেকে বিকাল ৪.০০টা পর্যন্ত। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জানতে পারবেন তারা কোনো মানসিক সমস্যায় ভুগছেন কিনা অথবা মানসিক ঝুঁকিতে আছেন কিনা

দ্বিতীয় সেগমেন্টে সংশ্লিষ্ট হলের সকল শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি মেন্টাল হেলথ ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হবে। ওয়ার্কশপটি চলবে বিকাল ৪ টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা পর্যন্ত। এই সেশনে মানসিক স্বাস্থ্য কী, কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সহায়তা কোথায় পাওয়া যায়, কীভাবে আশেপাশের বস্তু বা শুভাকাঙ্ক্ষীদের মানসিকভাবে সহায়তা করা যায়, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমাজে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা ও ট্যাবু দুরীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাইকো-এডুকেশন প্রদান করা হবে। আবাসিক ও অনাবাসিক র্শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট হলে ক্যাম্পেইন শুরু হবার আগে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। ক্যাম্পেইনটি ১৭টি হল ও ১টি ডরমেটরি সহ মোট ১৮টি পয়েন্ট কে ৬ টি ক্লাস্টারে ভাগ করে পরিচালিত হবে।

ক্যাম্পেইনে যেসকল সুবিধাসমূহ পাবে শিক্ষার্থীরা 

নির্ধারিত বুথে দুই ধাপে বিনামূল্যে মেন্টাল হেলথ চেক-আপের সুবিধা; নিজের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে প্রাথমিক মূল্যায়নের সুযোগ; মানসিক ঝুঁকি বা সমস্যার ক্ষেত্রে প্রফেশনাল স্ক্রিনিং ও দিকনির্দেশনা; মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা ও জ্ঞান বৃদ্ধি; ইন্টারঅ্যাকটিভ মেন্টাল হেলথ ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণের সুযোগ; মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সাপোর্ট সার্ভিস ও রেফারাল সংক্রান্ত তথ্য; বন্ধু ও সহপাঠীদের মানসিকভাবে সহায়তা করার প্রয়োজনীয় স্কিল অর্জনের সুযোগ; মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রচলিত কুসংস্কার, ভ্রান্ত ধারণা ও ট্যাবু দূরীকরণে সহায়তা; একটি নিরাপদ, গোপনীয় ও জাজমেন্ট-ফ্রি পরিবেশে নিজের কথা প্রকাশের সুযোগ

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরোও বলেন, গত বছরের শেষ দিকে, মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। গত বছরের ১২ নভেম্বরে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সোনিয়া সুলতানা এবং ৩১ ডিসেম্বরে  ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নামিস নওরীন পুষ্পিতা আত্মহত্যা করে। এই ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের নাজুক মানসিক অবস্থার চরম বহিঃপ্রকাশ।

জাতীয় পর্যায়ের পরিসংখ্যানও আমাদের শল্পিত করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, দেশে প্রতি বছর ১০ থেকে ১১ হাজার মানুষ আত্মহননের পথ বেছে নেন। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ অনুযায়ী দেশের ৯২% প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৯৪% কিশোর-কিশোরী মানসিক সমস্যার চিকিৎসার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। পর্যাপ্ত সচেতনতা এবং ‘ট্রিটমেন্ট গ্যাপ’-এর কারণে অনেকেই জানেন না তাদের মানসিক সহায়তা প্রয়োজন।

ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য হলো-কাম্পাসে একটি জাজমেন্ট-ফ্রি বা বিচারহীন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে তাদের মানসিক কষ্টের। কথা বলতে পারবে। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক সময়ে সঠিক সচেতনতা এবং ইন্টারভেনশন সোনিয়া বা লামিসার মতো আর কোনো প্রাণ ঝরে যাওয়া রোধ করতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে রাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক এস এম সালমান সাব্বির, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা হাফছা, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সামিয়া জাহান, সহ পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাসুমা ইসরাত মুমু সহ মেন্টাল হেলথ ক্লাব রাজশাহী ইউনিভার্সিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবির চার হলের নতুন প্রভোস্টের দায়িত্বে যারা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চারটি আবাসিক হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন—শহীদ আনাস হলের প্রভোস্ট দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম, জুলাই ৩৬ হলের প্রভোস্ট আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের অধ্যাপক ড. হামিদা খাতুন, উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের প্রভোস্ট বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান এবং খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম আয়নুল হক আকন্দ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

পৃথক অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২৯ সেপ্টেম্বর পূর্ববর্তী প্রভোস্টদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে নবনিযুক্ত প্রভোস্টরা দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনের জন্য তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, দায়িত্ব পালন করায় পূর্ববর্তী প্রভোস্টদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।

দায়িত্ব পেয়ে শহীদ আনাস হলে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও মাননীয় উপাচার্য আমার প্রতি আস্থা রেখে শহীদ আনাস হলের প্রাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। এজন্য মাননীয় উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। হলটিতে বর্তমানে হলটির এক্সটেনশন ভবনের নির্মাণকাজ প্রায় সমাপ্তির পর্যায়ে রয়েছে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে হলটিকে একটি আধুনিক আবাসিক হল হিসেবে গড়ে তোলার এবং সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার সাধ্যমতো আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ কাজে সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’

খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এএসএম আয়নুল হক আকন্দ বলেন, ” আমি চিঠি হাতে পেয়েছি। হলে গিয়ে শিক্ষার্থী সমস্যাগুলো শুনবো এবং গুরুত্বের ভিত্তিতে সমাধানের চেষ্টা করবো। এজন্য আমি সকলের সহযোগিতা কামান করি।

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের প্রভোস্ট ড. মো. রশিদুজ্জামান বলেন, “আমি ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসেছি এবং হল ডিবেটিং সোসাইটি, কালচারাল সোসাইটি, স্পোর্টসসহ বিভিন্ন উইংয়ের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যাগুলো শুনেছি। এসব কার্যক্রম আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি নিজে সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। তাই হলে একটি পারিবারিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবাই মিলেমিশে বসবাস করতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যেসব যৌক্তিক ও নৈতিক বিষয় আমার নজরে আনবে, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সমাধানের চেষ্টা করব।”

এর আগে শহীদ আনাস হলে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাদের , খালেদা জিয়া হলে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলে আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. রাশেদুজ্জামান ও জুলাই ৩৬ হলে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম শামছুল হক ছিদ্দিকী দায়িত্ব পালন করেন।

Continue Reading

top3

জুলাই-৩৬ হলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) জুলাই-৩৬ হলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা এবং অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনকারী ৪৬ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে অনুভূতি জানিয়ে জুলাই-৩৬ হলের অ্যাগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাজনুর বর্ণ বলেন, ‘এত সুন্দর একটি আয়োজন করার জন্য হল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল হিসেবে এত সুন্দর একটি ফলাফল অর্জন করতে পেরেছি। এই ফলাফলের জন্য আমাদের যে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে, এতে ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা পেয়েছি।’

একই হলের ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নিশাত আনজুমান মিতা বলেন, ‘আমি হল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য। বিভাগে প্রথম হতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত ও গর্বিত। তবে এই অর্জন শুধু আমার একার নয়—আমার শিক্ষক, পরিবার এবং সহপাঠীদের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণারও ফল। এই স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘প্রতিটি বিভাগে নারী শিক্ষার্থীরা খুব ভালো করছে। বেশিরভাগ বিভাগে প্রথম দিকের সিরিয়ালে সব মেয়ে থাকে। এটা নারীদের জন্য খুবই ইতিবাচক একটি দিক। একসময় নারীদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হতো। এখন সেখানেই তারা খুব ভালো করছে। এটা খুবই গর্বের। আজকে যারা পুরস্কৃত হলেন, তাদের জন্য শুভকামনা রইল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি আপনারা জুলাই-৩৬ হলকে আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যাবেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের সামনে তুলে ধরবেন। এছাড়া সমাজের প্রতিটি কাজে সমানভাবে অবদান রেখে যাবেন।’

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা খুবই ভালো করছে। এটা আমাদের জন্য গর্বের। তারা বিভাগের নাম, হলের নাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। সবার জন্য শুভকামনা রইল।’

জুলাই-৩৬ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. লাভলী নাহার বলেন, “আমাদের কৃতি শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি হিসেবে আজকের এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে সাফল্য লাভে অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমরা আশা করি, তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জুলাই-৩৬ হলের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে এবং ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”

জুলাই-৩৬ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. লাভলী নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামারুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান।

Continue Reading

top3

ইবির নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা ড. মো. মামুন আল রশীদ

Published

on

By

ইবি সংবাদদাতা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান আগামী এক বছরের জন্য তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশ সূত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামের মেয়াদ ২৭ সেপ্টেম্বর (২০২৬) শেষ হওয়ায় তাঁর স্থলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এক বছরের জন্য ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। অফিস আদেশ অনুযায়ী, নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এদিকে, দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

নবনিযুক্ত ছাত্র উপদেষ্টা বলেন, আমি চিঠি পেয়েছি। কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা এবং বেশকিছু পরিকল্পনা নিয়ে সামনে আগাবো ইনশাআল্লাহ।
ইবি সংবাদদাতা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান আগামী এক বছরের জন্য তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশ সূত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামের মেয়াদ ২৭ সেপ্টেম্বর (২০২৬) শেষ হওয়ায় তাঁর স্থলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এক বছরের জন্য ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। অফিস আদেশ অনুযায়ী, নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এদিকে, দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

নবনিযুক্ত ছাত্র উপদেষ্টা বলেন, আমি চিঠি পেয়েছি। কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা এবং বেশকিছু পরিকল্পনা নিয়ে সামনে আগাবো ইনশাআল্লাহ।

Continue Reading

Trending