Connect with us

রাজনীতি

রাজনীতি নিষিদ্ধ বেরোবিতে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল, নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস

Published

on

‎বেরোবি প্রতিনিধি

‎রাজনীতি নিষিদ্ধ বেগম বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাতে নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ পেয়েছে।

‎১০ জুলাই শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের কৃষ্ণচুড়া ও দেবদারু সড়ক হয়ে আবু সাঈদ ঘুরে প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়।
‎এসময় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ইয়ামিন,সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান সহ অনেক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎এ সময় নেতাকর্মীরা যে জিয়া জনতার,সে জিয়া মরে নাই,জাতীতাবাদী ছাত্রদল জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ সহ নানা স্লোগান দেন।

‎ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল বলেন,”৫ ই আগস্টের পরে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে। সেই তদন্ত কমিটিগুলোর এখনো কোনো সুরাহা হয়নি।আমরা ছাত্রদল এখান থেকে জানিয়ে দিচ্ছি সেগুলো দ্রুত পেশ করে সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্হা গ্রহণ করতে হবে।তা যদি না হয় ছাত্রদল তা রাজপথের মাধ্যমে তা আদায় করে নিবে।”

‎এতে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান বলেন, আমরা চেষ্টা করবো আমাদের যারা ত্যাগী নেতাদের আমরা বাদ দিয়েছি কমিটিতে তাদের যেন মুল্যয়ন হয়।। এ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের আমাদের নতুন কমিটির পর থেকে সকল ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সবসময় সোচ্চার ভুমিকা পালন করবে।

‎বেরোবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ইয়ামিন ইসলাম বলেন,বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু রাজনীতি ছাত্রদলের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হবে।প্রতিটি নেতাকর্মী ছাত্রদের নিয়ে শিক্ষার্থীবান্ধব কাজ করবে।শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা থেকে শুরু করে অনন্য যেসব সুযোগ সুবিধা ছাত্রদল তা বাস্তবায়ন করবে।জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্রদলের সবসময় রাজপথে ভুমিকা ছিলো বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৮ তম সিন্ডিকেটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

গোলাপগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসের গাড়ি ভাঙচুর

Published

on

By

হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলা এবং মৌলভীবাজারে পুলিশের বাধার মুখোমুখি হওয়ার পর পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেটে পৌঁছেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতারা। এদিকে পৌঁছানোর পথে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।

এনসিপির দাবি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছেন। এ সময় তারা ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগানও দেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বিএনপির নেতাকর্মীরা এই হামলা করেছেন বলে দাবি এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্ট তিনি লিখেছেন, ‘সিলেটের গোলাপগঞ্জে আবার আমাদের গাড়িতে রক্তাক্ত হামলা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। গাড়ি ভাঙচুর করেছে।’

সারজিস আলম জানান, বিএনপির সন্ত্রাসীরা চাপাতি-রড-ইট দিয়ে একটি গাড়ির তিনটি গ্লাস ভেঙে পড়েছে।

অন্যদিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ফেরিভাইড ফেসবুক পেজ থেকে ভাঙচুর হওয়া একটি গাড়ির ভিডিও প্রকাশ করে লেখা হয়। ‘সিলেটের গোলাপগঞ্জে শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সিলেটে ফেরার পথে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িতে আবারও বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী।’

বিস্তারিত আসছে

Continue Reading

top1

বিধবা নারীকে ধর্ষণ-গর্ভপাতের অভিযোগে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা, অভিযুক্ত পলাতক

Published

on

By

স্টাফ রিপোর্টার

পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক বিধবা নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ এবং পরে জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সদর থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

গত ২২ জুলাই পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ভুক্তভোগী নারী মামলাটি দায়ের করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক শিরিন নিলা অভিযোগটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রায় সাত বছর আগে স্বামীর মৃত্যুর পর ওই নারী সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। সেই সময় থেকে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম তাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নিজের বোনের বাসায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে গত ২৪ মার্চ পটুয়াখালী শহরের শেরেবাংলা সড়কের একটি বাসায় নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ভয়ভীতি দেখিয়ে পরবর্তীতে একাধিকবার ধর্ষণের ফলে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এরপর গর্ভপাত করাতে চাপ দেওয়া হয়। রাজি না হলে গত ১৮ মে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে একটি ক্লিনিকে নিয়ে ওষুধ খাওয়ানো হয়। পরদিন জ্ঞান ফেরার পর তিনি জানতে পারেন, তার গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে শহরে এনে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে সদর থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি এবং পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের দপ্তর সম্পাদক।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির নাজমুল আহসান বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। আদালতের রায়ের আগে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

top3

হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা , সারজিস ও নাসীরুদ্দীন আহত

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। হামলায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও প্রধান সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ দলটির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় সাংবাদিকদের বহরে থাকা কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর এবং মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত দাবি করেন, জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এনসিপির মিডিয়া টিমের একটি মাইক্রোবাস হবিগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউসের ভেতরে নিয়ে ভাঙচুর করা হয়। হামলাকারীরা শুধু গাড়ি ভাঙচুরই করেনি, মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও নিয়ে গেছে। এ ঘটনার ভিডিও তাদের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এদিকে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলার ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, জেলা সার্কিট হাউসের মতো একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভেতরে গাড়ি ভাঙচুর ও সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক সহিংসতার উদ্বেগজনক দৃষ্টান্ত।

তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও তখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

Continue Reading

Trending