Connect with us

ক্যাম্পাস

রাবি সায়েন্স ক্লাবের ১২তম কার্যনির্বাহী পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

Published

on

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের (আরইউএসসি) ১২তম কার্যনির্বাহী পূর্ণাঙ্গ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত ‘আরইউএসসি ইফতার মাহফিল ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এই নতুন কমিটি প্রকাশ করা হয়।

কমিটি ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. আমিরুল ইসলাম এবং পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক সরকার।

এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর নেতৃবৃন্দের মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) মো. মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) এস. এম. সালমান সাব্বির,

তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বি. এম. নাজমুছ সাকিব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: তোফায়েল আহমদ তোফা (যিনি ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি) উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের ১২তম কার্যনির্বাহী কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা:

১. খালিদ মাহমুদ – সভাপতি

২. মো. আবু জুবায়ের – সহ-সভাপতি

৩. সোহরাব উদ্দিন – সহ-সভাপতি

৪. দিগন্ত দে – সহ-সভাপতি

৫. ইফতিয়ান আহমেদ – সাধারণ সম্পাদক

৬. আহসানুল হক দিনার – যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

৭. মাইশা খানম – যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

৮. মো. ইয়াসিন খন্দকার ইমন – যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

৯. সুলাইমান – কোষাধ্যক্ষ

১০. সাদিয়া জামিল দিয়া – সাংগঠনিক সম্পাদক

১১. মাশরাফি জামান চৌধুরী – সাংগঠনিক সম্পাদক

১২. মো. শাফিন সানিয়ান সাদ – সাংগঠনিক সম্পাদক

১৩. মহজাবিন সুলতানা অন্তে – যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক

১৪. মো. সাব্বির আহমেদ – যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক

১৫. মো. সাইদুর রহমান রেমন – যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক

১৬. আবদুল্লাহ আল মাসুদ নাবিল – দপ্তর সম্পাদক

১৭. নূরজাহান আরা মৌ – শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

১৮. দেব চন্দ্র শীল – শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

১৯. মোছা. মনিরা খাতুন – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২০. মো. সাগর সরকার – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২১. মোসাম্মৎ সুমাইয়া আক্তার – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২২. সুপ্তিকা আচার্য – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২৩. শম্ম ঘোষ – প্রকাশনা সম্পাদক

২৪. মো. আসাদুজ্জামান – প্রকাশনা সম্পাদক

২৫. মো. জহির রহিম – আইটি সম্পাদক

২৬. মো. তাসরিফুল ইসলাম – আইটি সম্পাদক

২৭. শোহান আহমেদ – মিডিয়া সম্পাদক

২৮. ফাহমিদা আক্তার – মিডিয়া সম্পাদক

২৯. মো. নয়ন উদ্দিন – যোগাযোগ সম্পাদক

৩০. রাহাতুন নেসা – যোগাযোগ সম্পাদক

৩১. শেখ রায়হান – প্রচার সম্পাদক

৩২. মো. শোহান তানভীর – প্রচার সম্পাদক

৩৩. আবদুল্লাহ আল মামুন অন্তু – সমাজকল্যাণ সম্পাদক

৩৪. আলিম মিয়া – সমাজকল্যাণ সম্পাদক

৩৫. নুসরাত জাহান নূপুর – সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৬. কাজী মো. ওজায়ের – সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৭. মোছা. নাবিলা নুসরাত – যুগ্ম-সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৮. মোছা. সুমাইয়া জাহান সিনথি – যুগ্ম-সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৯. মিম আক্তার – সায়েন্স ফ্যান সম্পাদক

৪০. তামান্না তালুকদার – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪১. ইমরান হাসান জুয়েল – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪২. জান্নাতুল ফেরদৌস হিমা – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৩. ইবনাত আমিন রিদিতা – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৪. এইচ. এম. ফজলুল কবির রায়হান – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৫. মো. মাহফুজুর রহমান রেদওয়ান – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৬. শাহরিয়ার মাহমুদ – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৭. মো. হাবিবুল বাশার – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৮. থাসিন ইশরাক – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৯. আরিফ আকরাম – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫০. মোছা. হুমায়রা কবির – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫১. আশিকা আক্তার রিয়া – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫২. মোছা. আলহেরা বৃষ্টি – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৩. সাইমন আহমেদ শিহাব – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৪. ইয়াসির আরাফাত শিকদার – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৫. মুকুল লাল রায় – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৬. মো. রায়হান খান – সাধারণ সদস্য

৫৭. নিশাত তাসনিম – সাধারণ সদস্য

৫৮. প্রিয়া মন্ডল – সাধারণ সদস্য

অনুষ্ঠানে ক্লাবের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সভাপতি মো: আশরাফুল আলম ও মো: আব্দুল লতিফসহ সাবেক সহ-সভাপতি মো: আব্দুর রহিম, কারিমা খাতুন ও নাজনীন আরা নিশু উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সাবেক বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে দায়িত্ব পালন করা নেতৃবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

ক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ইফতিয়ান আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি খালিদ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে নতুন কমিটির সাংগঠনিক কাঠামো, দায়িত্ব বণ্টন এবং আগামীর কর্মপরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

পরিশেষে, দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ, জাতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। নতুন এই কমিটির হাত ধরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাব তাদের বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গড়ার লক্ষ্য ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবির চার হলের নতুন প্রভোস্টের দায়িত্বে যারা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চারটি আবাসিক হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন—শহীদ আনাস হলের প্রভোস্ট দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম, জুলাই ৩৬ হলের প্রভোস্ট আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের অধ্যাপক ড. হামিদা খাতুন, উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের প্রভোস্ট বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান এবং খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম আয়নুল হক আকন্দ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

পৃথক অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২৯ সেপ্টেম্বর পূর্ববর্তী প্রভোস্টদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে নবনিযুক্ত প্রভোস্টরা দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনের জন্য তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, দায়িত্ব পালন করায় পূর্ববর্তী প্রভোস্টদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।

দায়িত্ব পেয়ে শহীদ আনাস হলে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও মাননীয় উপাচার্য আমার প্রতি আস্থা রেখে শহীদ আনাস হলের প্রাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। এজন্য মাননীয় উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। হলটিতে বর্তমানে হলটির এক্সটেনশন ভবনের নির্মাণকাজ প্রায় সমাপ্তির পর্যায়ে রয়েছে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে হলটিকে একটি আধুনিক আবাসিক হল হিসেবে গড়ে তোলার এবং সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার সাধ্যমতো আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ কাজে সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’

খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এএসএম আয়নুল হক আকন্দ বলেন, ” আমি চিঠি হাতে পেয়েছি। হলে গিয়ে শিক্ষার্থী সমস্যাগুলো শুনবো এবং গুরুত্বের ভিত্তিতে সমাধানের চেষ্টা করবো। এজন্য আমি সকলের সহযোগিতা কামান করি।

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের প্রভোস্ট ড. মো. রশিদুজ্জামান বলেন, “আমি ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসেছি এবং হল ডিবেটিং সোসাইটি, কালচারাল সোসাইটি, স্পোর্টসসহ বিভিন্ন উইংয়ের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যাগুলো শুনেছি। এসব কার্যক্রম আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি নিজে সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। তাই হলে একটি পারিবারিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবাই মিলেমিশে বসবাস করতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যেসব যৌক্তিক ও নৈতিক বিষয় আমার নজরে আনবে, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সমাধানের চেষ্টা করব।”

এর আগে শহীদ আনাস হলে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাদের , খালেদা জিয়া হলে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলে আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. রাশেদুজ্জামান ও জুলাই ৩৬ হলে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম শামছুল হক ছিদ্দিকী দায়িত্ব পালন করেন।

Continue Reading

top3

জুলাই-৩৬ হলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) জুলাই-৩৬ হলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা এবং অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনকারী ৪৬ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে অনুভূতি জানিয়ে জুলাই-৩৬ হলের অ্যাগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাজনুর বর্ণ বলেন, ‘এত সুন্দর একটি আয়োজন করার জন্য হল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল হিসেবে এত সুন্দর একটি ফলাফল অর্জন করতে পেরেছি। এই ফলাফলের জন্য আমাদের যে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে, এতে ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা পেয়েছি।’

একই হলের ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নিশাত আনজুমান মিতা বলেন, ‘আমি হল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য। বিভাগে প্রথম হতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত ও গর্বিত। তবে এই অর্জন শুধু আমার একার নয়—আমার শিক্ষক, পরিবার এবং সহপাঠীদের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণারও ফল। এই স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘প্রতিটি বিভাগে নারী শিক্ষার্থীরা খুব ভালো করছে। বেশিরভাগ বিভাগে প্রথম দিকের সিরিয়ালে সব মেয়ে থাকে। এটা নারীদের জন্য খুবই ইতিবাচক একটি দিক। একসময় নারীদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হতো। এখন সেখানেই তারা খুব ভালো করছে। এটা খুবই গর্বের। আজকে যারা পুরস্কৃত হলেন, তাদের জন্য শুভকামনা রইল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি আপনারা জুলাই-৩৬ হলকে আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যাবেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের সামনে তুলে ধরবেন। এছাড়া সমাজের প্রতিটি কাজে সমানভাবে অবদান রেখে যাবেন।’

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা খুবই ভালো করছে। এটা আমাদের জন্য গর্বের। তারা বিভাগের নাম, হলের নাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। সবার জন্য শুভকামনা রইল।’

জুলাই-৩৬ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. লাভলী নাহার বলেন, “আমাদের কৃতি শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি হিসেবে আজকের এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে সাফল্য লাভে অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমরা আশা করি, তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জুলাই-৩৬ হলের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে এবং ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”

জুলাই-৩৬ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. লাভলী নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামারুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান।

Continue Reading

top3

ইবির নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা ড. মো. মামুন আল রশীদ

Published

on

By

ইবি সংবাদদাতা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান আগামী এক বছরের জন্য তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশ সূত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামের মেয়াদ ২৭ সেপ্টেম্বর (২০২৬) শেষ হওয়ায় তাঁর স্থলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এক বছরের জন্য ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। অফিস আদেশ অনুযায়ী, নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এদিকে, দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

নবনিযুক্ত ছাত্র উপদেষ্টা বলেন, আমি চিঠি পেয়েছি। কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা এবং বেশকিছু পরিকল্পনা নিয়ে সামনে আগাবো ইনশাআল্লাহ।
ইবি সংবাদদাতা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান আগামী এক বছরের জন্য তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশ সূত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামের মেয়াদ ২৭ সেপ্টেম্বর (২০২৬) শেষ হওয়ায় তাঁর স্থলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এক বছরের জন্য ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। অফিস আদেশ অনুযায়ী, নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এদিকে, দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

নবনিযুক্ত ছাত্র উপদেষ্টা বলেন, আমি চিঠি পেয়েছি। কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা এবং বেশকিছু পরিকল্পনা নিয়ে সামনে আগাবো ইনশাআল্লাহ।

Continue Reading

Trending