Connect with us

top1

রোহিঙ্গাদের দেখতে কার্ডিনাল চেরনি, সবাইকে পাশে দাঁড়ানোর আহবান

Published

on

ঢাকা- ভ্যাটিকানের Dicastery for Promoting Integral Human Development-এর প্রিফেক্ট এবং অভিবাসী ও শরণার্থীদের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত কার্ডিনাল মাইকেল চেরনি বাংলাদেশের পাঁচ দিনের পাস্তোরাল সফর শেষে বাস্তুচ্যুত ক্যাথলিক সম্প্রদায় এবং কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি বৈশ্বিক সংহতির আহ্বান জানান এবং তহবিল সংকটের মধ্যেও অভিবাসী ও শরণার্থীদের পাশে থাকার জন্য ক্যাথলিক চার্চের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
কার্ডিনাল চেরনি তাঁর সফরে ঢাকার নিকটবর্তী এলাকায় অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ক্যাথলিক পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন,
“আমাদের মানবিক দায়িত্ব হলো যারা সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এই সংকট শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি বৈশ্বিক মানবতার পরীক্ষা।”
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের শিবির পরিদর্শনকালে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান, যাতে তারা তহবিল সংকট কাটিয়ে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখে। বর্তমানে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যা শরণার্থীদের জীবনযাত্রায় মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।
এই সফরটি বাংলাদেশে ন্যায়বিচার ও শান্তি কমিশনের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কমিশনটি দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে।
কার্ডিনাল চেরনি তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন,
“আমরা সবাইকে আহ্বান জানাই—ধর্ম, জাতি বা দেশের সীমা পেরিয়ে—মানবতার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে।”

কার্ডিনাল মাইকেল চেরনি কে?

জন্ম: ১৮ জুলাই ১৯৪৬, ব্রনো, তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়া
জাতীয়তা: কানাডিয়ান
ধর্মীয় পরিচয়: ক্যাথলিক, জেসুইট (Society of Jesus)
বর্তমান পদ:

প্রিফেক্ট, Dicastery for Promoting Integral Human Development (এপ্রিল ২০২২ থেকে)

কার্ডিনাল পদে উন্নীত: অক্টোবর ২০১৯, পোপ ফ্রান্সিস কর্তৃক
পূর্ববর্তী দায়িত্ব:

Migrants and Refugees Section-এর আন্ডার-সেক্রেটারি (২০১৬–২০২২)

শিক্ষা:

Gonzaga University (ক্লাসিক্স ও দর্শন)
University of Chicago (ডক্টরেট, Interdisciplinary Studies)

বিশেষ অবদান:

সামাজিক ন্যায়বিচার, অভিবাসী ও শরণার্থীদের অধিকার রক্ষা
পরিবেশ ও মানব উন্নয়ন সংক্রান্ত কাজ
আফ্রিকায় HIV/AIDS মোকাবিলায় African Jesuit AIDS Network প্রতিষ্ঠা

ব্যক্তিগত ইতিহাস:

পরিবারে ইহুদি শিকড় ছিল; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি নিপীড়নের শিকার
১৯৪৮ সালে পরিবার কানাডায় অভিবাসন করে

মটো: Suscipe (গ্রহণ করো

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে উদ্‌যাপিত হচ্ছে ঈদ

Published

on

By

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আজ শুক্রবার উদ্‌যাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন ও ইরাকে ঈদ উদ্‌যাপন করা হচ্ছে।

শুক্রবার ভোরে সংযুক্ত আরব আমিরাতজুড়ে বাসিন্দারা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে মসজিদে সমবেত হন। যুদ্ধের কারণে এবার খোলা ময়দানে ঈদের জামাত হচ্ছে না।

দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্ট এবং শারজাহর ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশব্যাপী শুধু মসজিদগুলোতে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও তুরস্ক, মালদ্বীপ এবং আফ্রিকার সুদান, জিবুতি, সোমালিয়া, উগান্ডা, নাইজেরিয়া, চাদ, গাম্বিয়া, গিনি, বেনিন, সেনেগাল ও ক্যামেরুন শুক্রবারে ঈদ উদ্‌যাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

Continue Reading

top1

ঈদের বাজারে অস্থিরতা, বে‌ড়ে‌ছে মাছ-মাংস-মসলার দাম

Published

on

By

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মাছ, মাংস ও মসলার দাম বেড়েছে। তবে সবজির দাম কম র‌য়ে‌ছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বেশি অস্থিরতা দেখা গেছে মসলার বাজারে। কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের মসলার দাম কেজিতে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে এলাচের। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার টাকায়, যা কয়েকদিন আগেও ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কম ছিল।

এছাড়া দারুচিনি ৫৮০-৬০০ টাকা, জয়ত্রি ৪ হাজার টাকা, জায়ফল ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লবঙ্গের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা কেজি। এছাড়া জিরা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, ধনিয়া ৩০০ থেকে ৩৬০ টাকা, তেজপাতাও ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এদি‌কে শুকনো ফলের বাজারেও দাম বেড়েছে। কিশমিশ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, আলুবোখারা ১ হাজার ৪০০ টাকা, কাজুবাদাম ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, কাঠবাদাম ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং পেস্তা বাদাম ৪ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপর‌দি‌কে ঈদ উপলক্ষে চাহিদা বাড়ায় মাংস ও মাছের দামও বেড়েছে। বর্তমানে গরুর মাংস ৮৫০ টাকা কেজি, যা কেজিতে বেড়েছে প্রায় ৮০ টাকা। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়, যা কেজিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি।

মুরগির বাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগি ২১০ থেকে ২২০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে।

মাছের বাজারেও একই চিত্র। পোয়া মাছ ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাস ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গলদা চিংড়ি ছোট ১ হাজার টাকা এবং বড়টা ১ হাজার ২০০ টাকা, টেংরা ৭০০ টাকা ও পাবদা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বিক্রেতারা দ্রুত পণ্য বিক্রি করে গ্রামে যাওয়ার তাড়ায় তুলনামূলক কম দামে সবজি বিক্রি করছেন। রাজধানীর এক বিক্রেতা বোরহান বলেন, “আজ রাতেই গ্রামে যাবো। অনেক পণ্য পড়ে আছে, তাই কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছি।”

বর্তমানে পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা, আলু ১৮ থেকে ২০ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা ৩৫ থেকে ৫০ টাকা এবং বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে কাঁচামরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি এবং লেবু প্রতি হালি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহে ঘাটতি থাকায় খোলা তেলের দাম বেড়ে ২১৫ থেকে ২২০ টাকা লিটারে উঠেছে। চিনির দামও কিছুটা বেড়েছে। বিদেশি চিনি ১০০ থেকে ১০৫ টাকা এবং দেশি চিনি ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ঈদের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ সেমাইয়ের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল। ২০০ গ্রাম প্যাকেট সেমাই ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, ৮০০ গ্রাম বোম্বাই সেমাই ২৮০ টাকা এবং খোলা লাচ্ছা সেমাই ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সুগন্ধি চালের দামও বেড়েছে। চিনিগুঁড়া চালের প্যাকেট ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা এবং খোলা চাল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েকদিন আগের তুলনায় ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি।

Continue Reading

top1

চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন

Published

on

By

সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরিফ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।

সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আরেকটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এ জামাতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী।

আগাম ঈদ উদ্‌যাপন করা গ্রামগুলো হচ্ছে- হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উপজেলার দশানি, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামের আংশিক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯২৮ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনের প্রথা চালু করেন। এ ছাড়া তার অনুসারীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একই সঙ্গে দুই ঈদ উদ্‌যাপন ও রোজা করে আসছেন।

সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী বলেন, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা এবং পবিত্র রমজানের রোজা রেখে আসছেন। প্রথমে এসব ঈদের জামাতে লোকজন কম হলেও এখন সারা বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ঈদ উদ্‌যাপন হচ্ছে।

Continue Reading

Trending