Connect with us

top1

শপথ নিলেন রাকসুর নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা

Published

on

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা শপথ গ্রহণ করেছেন। রোববার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে রাকসুর সভাপতি ও উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

এদিন হল সংসদে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাও শপথ গ্রহণ করেন। হল সংসদের প্রতিনিধিদের নিজ নিজ হল প্রাধ্যক্ষ শপথ বাক্য পাঠ করান। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন রাকসুর সভাপতি ও উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মাঈন উদ্দীন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান। 

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে পাঠ করা হয়। এরপর অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন রাকসু নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক আব্দুল হামিদ। তিনি নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, বহুল প্রতিক্ষিত রাকসু নির্বাচন দীর্ঘ ৩৫ বছর পরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। সফলভাবে সকলের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্বাচন আয়োজন করে কমিশন একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আমি আশাবাদী নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি দায়বদ্ধ থাকবেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্য অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

শপথ পাঠ শেষে উপাচার্য নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।  

গত ১৬ অক্টোবর এই রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের মোস্তাকুর রহমান জাহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হন সাবেক সমন্বয়ক ও ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের সালাউদ্দিন আম্মার। এ ছাড়া রাকসুর ২৩টি পদের মধ্যে ২০টি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ এর প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাকসু প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক সেতাউর রহমান। এসময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলামসহ নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইরানে হামলায় অংশ নিচ্ছে ৫০ হাজারের বেশি সেনা: যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

By

ইরানে চলমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ হাজারের বেশি সেনা অংশ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। তিনি জানান, অভিযানে প্রায় ২০০ যুদ্ধবিমান, দুটি বিমানবাহী রণতরী এবং কয়েকটি কৌশলগত বোমারু বিমান মোতায়েন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ড ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান হিসেবে ব্র্যাড কুপার বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দশকের মধ্যে এটিই যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ সামরিক প্রস্তুতি। তিনি আরও জানান, অতিরিক্ত সামরিক সহায়তাও পাঠানো হচ্ছে।

নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে কুপারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, “সহজভাবে বলতে গেলে, আমরা সেসব লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার দিকে মনোযোগ দিয়েছি, যেগুলো থেকে আমাদের ওপর হামলার আশঙ্কা রয়েছে।”

তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌ সক্ষমতাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যার মধ্যে তাদের কার্যকর সাবমেরিনও রয়েছে।

অ্যাডমিরাল কুপার ১৭টি ইরানি জাহাজ ধ্বংস করার দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, সমুদ্রতল, আকাশপথ ও সাইবারস্পেস—সব ক্ষেত্রেই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Continue Reading

top1

ইরানে ভয়াবহ হামলা চলছে, সহস্রাধিক নাগরিক নিহত

Published

on

By

ইরানে হামলার মাত্রা ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে গেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক স্থাপনায় চলছে ব্যাপক হামলা। এতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে ১ হাজার ৯৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি জানায়, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যা ১৮১।

এইচআরএএনএ আরও জানিয়েছে, বেসামরিক মানুষ আহত হওয়ার সংখ্যা ৫ হাজার ৪০২ এ পৌঁছেছে। এর মধ্যে ১০০ শিশু। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানে অন্তত ১০৪টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলা সামরিক ঘাঁটি, চিকিৎসাকেন্দ্র এবং আবাসিক এলাকায় আঘাত হেনেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, আরও কয়েকশ মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশের প্রায় সব স্থানে বিপর্যয় পরিস্থিতি দেখা দেওয়ায় তথ্য সংগ্রহে বেগ পাচ্ছেন অধিকারকর্মীরা।

এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে পরিদর্শকদের পূর্ণ প্রবেশাধিকার না দেওয়াকে ‘গভীর উদ্বেগের বিষয়’ বলে অভিহিত করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে গ্রোসি বলেন, ‘ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আমার প্রতিবেদনে আমি সবসময়ই স্পষ্ট থেকেছি। দেশটিতে পারমাণবিক বোমা তৈরির কোনো প্রমাণ না মিললেও, অস্ত্র তৈরির উপযোগী প্রচুর পরিমাণ ইউরেনিয়াম মজুত রাখা এবং আমাদের পরিদর্শকদের বাধা দেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’

Continue Reading

top1

বিদায়ের আগে বিশেষ গেজেট: এক বছরের জন্য নিজেকে ‘ভিভিআইপি’ ঘোষণা করে গেছেন ইউনূস

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে এক বিশেষ সরকারি গেজেটের মাধ্যমে বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘ভিভিআইপি’ (ভেরি ভেরি ইম্পর্ট্যান্ট পারসন) মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছর তিনি স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সুবিধা পাবেন।

গেজেট ও আইনি ভিত্তি

গত ১০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না স্বাক্ষরিত এই গেজেটটি জারি করা হয়। এতে ‘বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১’-এর ধারা ২(ক) প্রয়োগ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই আইনে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের পাশাপাশি সরকার ঘোষিত যেকোনো ব্যক্তিকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। সাধারণত বিদায়ী সরকারপ্রধানরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসএসএফ নিরাপত্তা পান না; এর জন্য পৃথক গেজেট জারির প্রয়োজন হয়।

ওয়েবসাইট থেকে আড়াল ও গোপনীয়তা

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বাংলাদেশ গভার্নমেন্ট প্রেসের (বিজি প্রেস) ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারির অনলাইন আর্কাইভে এই গেজেটটির তালিকা নেই। সাধারণত সরকারি সব গেজেট স্বচ্ছতার স্বার্থে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

এ বিষয়ে বিজি প্রেসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবু ইউসুফ জানান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের রিকোয়ারমেন্ট বা নির্দেশনার কারণেই এটি ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়নি। তবে তিনি দাবি করেন, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই এটি মুদ্রিত হয়েছে এবং গোপনীয়তার স্বার্থে কোনো গেজেট অনলাইনে না রাখার সুযোগ রয়েছে।

ভিভিআইপি হিসেবে যে সুবিধা পাবেন

‘রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী, এই মর্যাদাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য রয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়:

বাসভবন ও কর্মস্থল: স্থায়ীভাবে এসএসএফ নিরাপত্তা মোতায়েন থাকবে।

ভ্রমণ: দেশ-বিদেশে ভ্রমণের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের সমন্বয়ে বিশেষ প্রোটোকল।

যাচাই: ভিভিআইপির সংস্পর্শে আসা যেকোনো ব্যক্তির ব্যাকগ্রাউন্ড এসএসএফ কর্তৃক কঠোরভাবে যাচাই করা হবে।

তল্লাশি: তার উপস্থিতিতে আয়োজিত যেকোনো অনুষ্ঠানের স্থান নিরাপত্তা তল্লাশির আওতায় থাকবে।

প্রেক্ষাপট

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালনের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ত্যাগ করেন। বর্তমানে সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত থাকলেও এই গেজেট বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

Continue Reading

Trending