Connect with us

ক্যাম্পাস

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন রাবি অধ্যাপক শিব শংকর

Published

on

রাবি প্রতিনিধি 

সড়ক দুর্ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক শিব শংকর রায় নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় আরেক শিক্ষককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে পাঁচটার পর পবা উপজেলার নওহাটা আনসার–ভিডিপি ক্যাম্পের কাছে নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত অধ্যাপক শিব শংকর রায়সহ দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আসাদুজ্জামান বাদশা একই মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। ঘটনাস্থলে মারা যান শিব শংকর রায়। আর গুরুতর আহত অবস্থায় আসাদুজ্জামান বাদশাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, ওই দুই শিক্ষক মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁরা দুর্ঘটনার শিকার, নাকি অন্য গাড়ির ধাক্কা দিয়েছে, তা জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে কোনো প্রত্যক্ষদর্শী ছিল না। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে, দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে। ঘটনাস্থলে অধ্যাপক শিব শংকর রায় মারা গেছেন। আর গুরুতর আহত অবস্থায় আসাদুজ্জামান বাদশাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নওহাটা ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছ থেকে ফোন পেয়ে আমরা ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে একজনকে মৃত পাই; আরেকজন আহত ছিলেন। তাঁদের দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। স্থানীয়দের কাছে জানতে পেরেছি ট্রাকের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ শংকর কে বিশ্বাস বলেন, অধ্যাপক শিব শংকর রায়কে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। অধ্যাপক আসাদুজ্জামান বাদশাকে হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি পর্যবেক্ষণে আছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, তিনি হাসপাতালে এসেছেন। ওই দুই অধ্যাপক আজ ভোরে মাছ শিকারে যাচ্ছিলেন। পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, সেটা তাঁরাও বুঝতে পারছেন না। এটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য খুব বেদনার একটি দিন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ইবি জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার ‘তালিম ও তারবিয়াত’ অনুষ্ঠিত

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়া, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার উদ্যোগে ‘তালিম ও তারবিয়াত ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কুষ্টিয়া শহরের শহীদ আব্দুস সোবহান মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শাখা সভাপতি এস এম শামীমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আরিফের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবি তালাবার সাবেক সভাপতি মাওলানা সাইফুল ইসলাম সায়েম, সাবেক সভাপতি আবু তহা মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সাবেক জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা মোর্শেদ খান, সাবেক সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাতুল্লাহ শেখসহ সংগঠনটির সাবেক ও বর্তমান দায়িত্বশীলরা।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে শাখা সভাপতি এস এম শামীম। এসময় তিনি বলেন “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে তার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে ফিরে যেতেই হবে। এ বিশ্ববিদ্যালয় ছিল বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন ও আন্দোলনকে বাস্তব রূপ দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য ছিল ইসলামী শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ে একটি আদর্শ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। যেখানে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের পাশাপাশি ইসলামী মূল্যবোধ ও নৈতিকতার চর্চা থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “দুঃখজনকভাবে বর্তমানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও পরিবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রতিষ্ঠার মূল দর্শন ও উদ্দেশ্যের দিকে ফিরে যাক। কোনোভাবেই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে তার মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে ভিন্ন কোনো ধারায় প্রবাহিত হতে দেওয়া হবে না।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

শাবিপ্রবিতে ‘খোয়াই বন্ধন’-এর নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) অধ্যয়নরত হবিগঞ্জ জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘খোয়াই বন্ধন’র নবীনবরণ, বিদায় সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা ও মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে, কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একই মানের সুবিধা পেতে ১৬ থেকে ১৭ লাখ টাকা টিউশন ফি গুনতে হতো।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারের দেওয়া ভর্তুকির টাকা মূলত দেশের খেটে খাওয়া গরীব-মেহনতী মানুষের রক্তঘামে অর্জিত। তাই এখান থেকে অর্জিত শিক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।

হবিগঞ্জ জেলার সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে ড. জহিরুল হক বলেন, সিলেটকে হবিগঞ্জের ‘দ্বিতীয় ভূমি’ বলা যায়; এমনকি স্বাধীনতার পর সিলেটের প্রথম সংসদ সদস্যও ছিলেন হবিগঞ্জের সন্তান। কর প্রদানে হবিগঞ্জের অবস্থান দেশে দ্বিতীয় এবং প্রাকৃতিক সম্পদে পঞ্চম হলেও এখানকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থমকে আছে। বিশেষ করে ওলিপুর কেন্দ্রিক শিল্প কারখানায় প্রায় দুই লাখ শ্রমিক কাজ করলেও যোগ্যতা অর্জন ও সুযোগের অভাবে স্থানীয়রা ন্যায্য চাকরি পাচ্ছেন না।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দক্ষতা অর্জন করতে হবে। পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয় চলে আসায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিজেদের যোগ্য প্রমাণ করেই এগিয়ে যেতে হবে।

সংগঠনের সভাপতি মো. ত্বোহা মিয়ার সভাপতিত্বে এবং ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আদনান ফারহাদ ও সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী ত্রিবা ঘোষ তুষির যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমেদ জালাল ফরিদ উস সামাদ, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রিদোওয়ান, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম শামীম, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহবুব উল হাকিম, আইপিই বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. হাজেরা আক্তার, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাবিহা মেরিন, শাবিপ্রবি শারীরিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, সিকৃবির প্রকৌশলী শাহীদ আলি এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি নোমান ফয়সাল।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে খোয়াই বন্ধনের সাবেক সভাপতি মো. আরমান, শাকির আহমেদ, মোরশেদ আলম; সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাকিল হাসান এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সৌরভ গোপ শাওনসহ সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা পর্ব শেষে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

নবনিযুক্ত বাউরেস পরিচালককে বাকৃবি ছাত্রদলের একাংশের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

Published

on

By

বাকৃবি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস)-এর নবনিযুক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাসেমকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ছাত্রদলের একাংশের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নবনিযুক্ত পরিচালকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম রেজা, যুগ্ম আহ্বায়ক মিরাজ উদ্দিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুরনবী হোসেনসহ অন্যান্য পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সাক্ষাৎকালে নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত পরিচালকের সাফল্য কামনা করেন। একই সঙ্গে বাকৃবির গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

Continue Reading

Trending