Connect with us

top1

সৌদির রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ভয়াবহ হামলা

Published

on

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ইরানের ছোড়া ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বিস্তারের মধ্যে মঙ্গলবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুটি ড্রোন মার্কিন দূতাবাসে আঘাত করে। প্রাথমিক মূল্যায়নে সীমিত অগ্নিকাণ্ড ও কিছু স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির কথা বলা হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে অবগত তিন ব্যক্তি জানিয়েছেন, ভোরের দিকে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং দূতাবাস ভবনে আগুনের শিখা দেখা যায়। রিয়াদের কূটনৈতিক এলাকায় কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন অবস্থিত। তাদের মধ্যে দুজন জানান, ভোরের সময় ভবনটি খালি ছিল এবং আগুন তুলনামূলকভাবে ছোট ছিল।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রিয়াদ, জেদ্দা ও ধাহরানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ‘শেল্টার ইন প্লেস’ নির্দেশনা জারি করেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দূতাবাস এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ঘটনাটির পরিস্থিতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল

Published

on

By

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ কেন অবৈধ হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। রিটের বিরোধিতা করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। তাদের সহযোগিতা করেন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা, আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন, আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

এর আগে গত সোমবার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে পৃথক রিট দায়ের করা হয়।

রিটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিল চাওয়া হয়। এছাড়া সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম রিট দুটি দায়ের করেন।

এদিকে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাতিল ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে আরেকটি রিট দায়ের করা হয়। রিটে জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

Continue Reading

top1

ইরান কোনোভাবেই মাথা নত করবে না

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে স্কুল ও হাসপাতালে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সোমবার (২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হামলার কঠোর সমালোচনা করেন।

ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘হাসপাতালে হামলা মানে জীবনের ওপর আঘাত। আর স্কুলে হামলা মানে একটি জাতির ভবিষ্যতের ওপর আঘাত।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অসুস্থ রোগী এবং শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করা মানবিক নীতিমালার চরম লঙ্ঘন।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বিশ্ববাসীকে এই অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘পুরো বিশ্বের উচিত এই বর্বরোচিত কাজের নিন্দা জানানো। ইরান এই ধরনের অপরাধের মুখে চুপ থাকবে না এবং কোনোভাবেই মাথা নত করবে না।’

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবাকেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করায় ইরানের পক্ষ থেকে এই কড়া হুঁশিয়ারি এলো।

Continue Reading

top1

৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে ৪০ লাখ ডলার খরচ করছে যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

By

ইরানের সস্তা ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার, অথচ সেটি ধ্বংস করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। মূলত এই বিশাল ব্যয়বৈষম্যই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে ইরান একযোগে ইসরায়েলসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ও মিত্রদের ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে। তেহরান প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি ড্রোন ছুড়ে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করে ফেলছে। ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ‘শাহেদ’ ড্রোন মজুত আছে। এছাড়া প্রতি মাসে অন্তত ৫০০ ড্রোন তৈরির সক্ষমতা থাকায় তারা দীর্ঘ সময় এই হামলা চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে।

২০২৫ সালের জুন মাসের লড়াইয়েই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ব্যাপকভাবে কমে গিয়েছিল। সে সময় মাত্র ১২ দিনে ইসরায়েলকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্র ১৫০টি ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছিল, যা তাদের মোট মজুতের এক-চতুর্থাংশ। প্রতিটি থাড ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং এগুলো পুনরায় তৈরি করতে তিন থেকে আট বছর সময় লাগে। স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকো ব্লুমবার্গকে বলেন, ‘আমরা ইন্টারসেপ্টর তৈরির চেয়ে দ্রুত হারে তা ব্যবহার করে ফেলছি, যা মজুতকে দ্রুত শূন্য করে দিতে পারে।’

প্যাসিফিক ফোরামের উইলিয়াম আলবার্ক জানান, অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ইন্টারসেপ্টরের মজুত আগে থেকেই কম ছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যেতে পারে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে এই যুদ্ধ আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে ইরান যদি ড্রোন হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ট্রাম্পের দেওয়া সময়ের আগেই ইন্টারসেপ্টরের মজুত শেষ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিপুল খরচ কমাতে পশ্চিমারা এখন ‘এপিকেডব্লিউএস’ গাইডেড রকেট এবং ইসরায়েলের ‘আয়রন বিম’ লেজার সিস্টেম ব্যবহারের কথা ভাবছে। লেজার সিস্টেমে প্রতি শটে খরচ মাত্র কয়েক ডলার হলেও বর্তমানে এর মাত্র এক-দুটি ইউনিট সচল আছে এবং তা কেবল ইসরায়েলে সীমাবদ্ধ। সাবেক ইসরায়েলি নৌ কমান্ডার ইয়াল পিনকো সতর্ক করে বলেন, ইরানের কাছে হাজার হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল মজুত রয়েছে এবং নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় তারা এখন সর্বাত্মক যুদ্ধে লিপ্ত।

Continue Reading

Trending