Connect with us

আন্তর্জাতিক

সৌদি আরবে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

Published

on

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সৌদি আরবের মাটিতে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। গত প্রায় চার মাসের মধ্যে সৌদি ভূখণ্ডে তেহরানের এটিই প্রথম সরাসরি সামরিক হামলা বলে দাবি করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিংবা সৌদি আরবের কোন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে গত এপ্রিল মাসের শুরুতে সৌদি আরবের জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে সর্বশেষ সরাসরি সামরিক হামলা চালিয়েছিল ইরান। প্রায় চার মাস পর আবারও সৌদি আরবের ভেতরে কোনো লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল তেহরান।

এদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি সামরিক তৎপরতা বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সর্বশেষ এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অন্তঃসত্ত্বা নারী নিহত, স্বামী-সন্তানসহ প্রাণহানি

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

গাজা শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় এক অন্তঃসত্ত্বা নারী, তার স্বামী এবং গর্ভের সন্তান নিহত হয়েছেন। হামলার তীব্র বিস্ফোরণে মায়ের গর্ভ থেকে শিশুটি বাইরে ছিটকে পড়ে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি ও শান্তি উদ্যোগের আশা ভেঙে নতুন করে প্রাণহানির এ ঘটনায় গাজায় মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত চুক্তির পর সাধারণ মানুষ আশা করেছিলেন ইসরায়েলি হামলা ও ড্রোন উড্ডয়ন বন্ধ হবে। একই সঙ্গে চিকিৎসা সেবা, ত্রাণ সরবরাহ এবং নিরাপদ চলাচলের সুযোগ বাড়বে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে এসব প্রত্যাশার কোনোটি পূরণ হয়নি। বরং প্রতিদিনই হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় গাজার বাসিন্দাদের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) সকালে গাজা শহরের একটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলায় একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হন। এছাড়া যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোর ওপরও হামলা অব্যাহত রয়েছে। অনেকেই নিজ এলাকায় ফিরে গিয়ে দেখছেন, তাদের বসতঘর ও জীবিকার সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে নতুন করে জীবন শুরু করার কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন তারা।

এদিকে উত্তর গাজা, গাজা শহর, মধ্যাঞ্চল, দেইর আল-বালাহ এবং দক্ষিণের খান ইউনিসসহ উপত্যকার প্রায় সব এলাকাতেই হামলা অব্যাহত রয়েছে। মানবিক সংস্থাগুলোর মতে, বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য কার্যত কোনো নিরাপদ আশ্রয় অবশিষ্ট নেই। কোথায় গেলে নিরাপদে থাকা যাবে, সেই প্রশ্নেরও কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না তারা।

সূত্র: আল জাজিরা

Continue Reading

top2

নদীর পানি কমতেই দৃশ্যমান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নাৎসি যুদ্ধজাহাজ

Published

on

By

অলটাইম ডেস্ক রিপোর্ট

ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী ড্যানিউবের পানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সার্বিয়ার প্রাহোভো অঞ্চলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ডুবিয়ে রাখা নাৎসি জার্মানির একাধিক যুদ্ধজাহাজের ধ্বংসাবশেষ আবারও দৃশ্যমান হয়েছে। শুষ্ক আবহাওয়া ও তাপপ্রবাহের কারণে নদীর পানির স্তর নেমে যাওয়ায় ইতিহাসের এই নিদর্শনগুলো নতুন করে নজরে এসেছে। এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে ড্যানিউব নদীর পানি কমলে এসব ডুবে থাকা যুদ্ধজাহাজের কিছু অংশ দেখা যায়। ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি জাহাজগুলোও পর্যায়ক্রমে উদ্ধারের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আকারে বড় কয়েকটি জাহাজ নদীতলেই আরও গভীরে চাপা দিয়ে রাখা হবে, যাতে নৌযান চলাচলে কোনো সমস্যা না হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডুবুরি দল, বালু ও পলি অপসারণের জন্য আধুনিক পাম্প এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে।

এসব যুদ্ধজাহাজের ইতিহাস জড়িয়ে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ের সঙ্গে। ১৯৪৪ সালের শরৎকালে সোভিয়েত রেড আর্মির অগ্রযাত্রার মুখে জার্মান বাহিনী স্থল ও নৌপথে পিছু হটতে শুরু করে। সে সময় অ্যাডলফ হিটলারের নির্দেশ ছিল, ব্যবহারযোগ্য কোনো সামরিক সরঞ্জাম যেন শত্রুপক্ষের হাতে না পড়ে। সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে ড্যানিউব নদীতে অবস্থানরত জার্মান নৌবাহিনীর সদস্যরা নিজেদের যুদ্ধজাহাজ নিজেরাই ডুবিয়ে দেন।

বহু বছর পর নদীর পানি কমে যাওয়ায় সেই ডুবে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলোর ধ্বংসাবশেষ আবারও দৃশ্যমান হয়েছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী হিসেবে নতুন করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

Continue Reading

top2

ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রস্তুতি নিয়ে জোর আলোচনা

Published

on

By

অলটাইম ডিজিটাল ডেস্ক

ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চলতি সপ্তাহান্তেই বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন না দিলেও আন্তর্জাতিক অর্থবাজার সোমবার খোলার আগেই সম্ভাব্য অভিযান শেষ করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

ক্যাম্প ডেভিডে আয়োজিত এক মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন আঘাত হানবে যাতে একপর্যায়ে ইরান তা সহ্য করতে না পারার কথা জানাবে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য স্পষ্ট এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সময় ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে পেন্টাগনের মুখপাত্র শিন পারনেল জানান, মার্কিন বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তবে প্রেসিডেন্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাম্প ডেভিড বৈঠক থেকেই সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে অনুমোদন এসেছে। তবে কূটনৈতিক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারেন।

অন্যদিকে, সিবিএস নিউজকে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর বিষয়ে তারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত নন।

এদিকে সম্ভাব্য হামলার খবর প্রকাশের পর ইরানও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। দেশটির তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালালে তার জবাবে বিস্তারিত সামরিক পরিকল্পনা প্রস্তুত রয়েছে।

ইরানের ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, হামলা হলে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোও পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

Continue Reading

Trending