Connect with us

top1

হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে ইসিতে বিএনপির প্রার্থীর আবেদন

Published

on

কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) তার মনোনয়নপত্র বাতিল চেয়ে ইসিতে আবেদন করেন বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম ঋণখেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। এর ফলে ঋণখেলাপি থাকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।

তারও আগে বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ঋণখেলাপির তালিকা থেকে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম বাদ দেয়ার আদেশ দিয়েছিলেন। তবে এ আদেশ স্থগিত চেয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেম্বার আদালতে আবেদন করলে বৃহস্পতিবার চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন।

গত ৩ জানুয়ারি কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মোট ৩১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান। সেই সঙ্গে ওইদিন ৭৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এরমধ্যে হাসনাত আবদুল্লাহ ও মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্রও সেদিন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

ওইদিন মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান জানান, কুমিল্লা-১ আসনে ৫ জন, কুমিল্লা-২ আসনে ৪ জন, কুমিল্লা-৩ আসনে ২ জন, কুমিল্লা-৪ আসনে ২ জন, কুমিল্লা-৫ আসনে ১ জন এবং কুমিল্লা-৬ আসনে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর সংক্রান্ত ত্রুটি, প্রয়োজনীয় এক শতাংশ ভোটার সমর্থন তালিকায় অসামঞ্জস্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি এবং ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত নথিপত্র যথাযথভাবে দাখিল না করায় এসব মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তবে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন বলেও জানিয়েছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

জামায়াতের জোট থেকে দলগুলোকে বেরিয়ে আসতে চরমোনাই পীরের আহ্বান

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট থেকে অন্যান্য ইসলামী দলগুলোকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের জোটে না যাওয়ার ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। এ সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, জামায়াত শরিয়াহ আইনে রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি থেকে সরে এসেছে। তাই ১১ দলীয় জোট থেকে অন্যান্য ইসলামী দলগুলোকেও বেরিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

ইসলামপন্থী দলগুলোর জন্য আলোচনার দরজা খোলা আছে, বলেও জানান তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের আমির বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলছেন, যার অর্থ দাঁড়ায়, সমঝোতার নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে জামায়াত।

দীর্ঘ সময় পর দেশের মানুষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের আশায় ছিলেন, এর ফলে সেই প্রত্যাশা পূরণ পূরণ হওয়া নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়।

ইসলামের নীতি থেকে জামায়াত সরে এসেছে দাবি করে একলা পথে গিয়ে ২৬৮টি আসনে লড়ার কথা জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন।
বাকি আসনগুলোতে বিএনপি কিংবা জাতীয় পার্টির সাথে আসন সমঝোতার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন চরমোনাই পীরের দল।

Continue Reading

top1

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সব নথি জব্দের দাবি চিকিৎসকদলের প্রধানের

Published

on

By

বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা-সংক্রান্ত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সব নথিপত্র জব্দ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তার বর্তমান চিকিৎসকদলের প্রধান অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এ দাবি তুলে ধরেন।

ডা. সিদ্দিকী বলেন, ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল কোভিড-১৯–এর জটিলতা নিয়ে খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বর্তমান মেডিকেল বোর্ড চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। 

পরীক্ষা-নিরীক্ষার শুরুতেই তারা দেখতে পান, খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত, অথচ বিএমইউর ছাড়পত্রে তাকে রিউমাটয়েড আর্থাইটিসের জন্য ‘মেথোট্রেক্সেট’ নামের ওষুধ নিয়মিত সেবনের নির্দেশ দেওয়া ছিল এবং ভর্তি অবস্থাতেও সেটি খাওয়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “মেথোট্রেক্সেট সেবনের ক্ষেত্রে নিয়মিত লিভার ফাংশন পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে ওষুধ বন্ধ করে ন্যূনতম একটি আলট্রাসনোগ্রাম করানো প্রয়োজন। কিন্তু সরকার গঠিত মেডিকেল টিম ম্যাডামের লিভার ফাংশন খারাপ দেখার পরও কোনো আলট্রাসনোগ্রাম করেনি এবং ওষুধটিও বন্ধ করেনি।”

তিনি দাবি করেন, এই অবহেলার কারণেই ফ্যাটি লিভার দ্রুত সিরোসিসে রূপ নেয়। “মেথোট্রেক্সেট তার লিভারের জন্য কার্যত ‘স্লো পয়জন’ হিসেবে কাজ করেছে”—বলেন তিনি।

ডা. সিদ্দিকী আরও বলেন, তৎকালীন চিকিৎসকদের প্রতি আস্থাহীনতার কারণে খালেদা জিয়া সেখানে আলট্রাসনোগ্রাফিতে রাজি হননি, তবে বেডসাইড ‘পয়েন্ট-অব-কেয়ার’ আলট্রাসনোগ্রাম সহজেই করা যেতো।

তিনি অভিযোগ করেন, “চিকিৎসায় এমন অবহেলা খালেদা জিয়ার অবস্থাকে দ্রুত অবনতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। এটি ইচ্ছাকৃত অবহেলা কি না বা পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টার অংশ কি না—তা বিশদভাবে তদন্ত করা জরুরি।”

তার ভাষ্য, মেডিকেল বোর্ডের কাছে ডায়াবেটিস ও আর্থাইটিসের চিকিৎসায় অবহেলারও সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এজন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটির মাধ্যমে তিনটি বিষয়ে তদন্ত প্রয়োজন— সরকার গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা কারা ছিলেন, কোন দক্ষতার ভিত্তিতে তারা দায়িত্ব পান, এবং ব্যর্থতার দায় তাদের ওপর বর্তায় কি না; ভর্তিকালে কারা চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায় কি না; বিএমইউতে চিকিৎসার সময় খালেদা জিয়া তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করতে আইনজীবীর মাধ্যমে যে অনুরোধ করেছিলেন, তা কেন গ্রহণ করা হয়নি এবং কারা বাধা দিয়েছিল।

ডা. সিদ্দিকী আরও বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বিএমইউয়ের সব চিকিৎসা-নথি জব্দ এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।

Continue Reading

top1

২৬৮ আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে চরমোনাইয়ের দল

Published

on

By

জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের যে নির্বাচনি ঐক্য হয়েছে তা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটি ২৬৮টি আসনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এই ঘোষণা দেন।

গাজী আতাউর রহমান জানান, তাদের প্রার্থীরা ২৭০টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তবে দুটি আসনে প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। বাকি ২৬৮ জন প্রার্থী এখনো কাজ করছেন। তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে তাদের একজনও প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা এ দেশের ইসলামপন্থি জনতার আবেগের সঙ্গে কিছুতেই প্রতারণা করতে পারি না। আমরা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য, ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য, ইসলামের আলোকে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্যে দীর্ঘদিন যাবৎ এখানে কাজ করে আসছি। আমরা এ থেকে বিচ্যুত হতে পারি না। এজন্য আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে, গতকালকে ১১ দলীয় জোটের ব্যানারে যেখানে আমরাও ছিলাম, সেখানে একটি সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। সেখানে আসন বণ্টন হয়েছে। সেখানে আমাদের দীর্ঘদিনের পথ চলা, ৫ আগস্ট পরবর্তী সারা দেশে আমরা ইসলামপন্থি শক্তি একসঙ্গে করার জন্য যে চেষ্টা-সাধনা করেছিলাম। আমরা দেখেছি শেষ পর্যায়ে এসে আমাদের যে লক্ষ্য ছিল, সেই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ার একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই শঙ্কা থেকে আমরা চিন্তা করলাম, আমাদের ইসলামের পক্ষের একটি বাক্সকে আমাদের হেফাজত করতে হবে।

ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, এখানে জামায়াতে ইসলামী একটি বড় শক্তি ছিল। অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাদের শক্তি-সামর্থ্য অনেক বেশি। কিন্তু আমরা আদর্শিকভাবে, নৈতিকভাবে কারো চেয়ে দুর্বল নই।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তারা ক্ষমতায় গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন, সেই খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের একজন সম্মানিত নারী, তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে আমরা আশ্বস্ত হয়েছি, জামায়াতের আমির শরিয়া প্রতিষ্ঠা, শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করবেন না। এই ওয়াদা তিনি করেছেন। এজন্য আমরা আশ্বস্ত হয়েছি। এই বিষয়টা যখন আমরা জানতে পারলাম তখন আমরা স্পষ্ট হয়ে গেলাম, আমরা যে লক্ষ্য নিয়ে চলছি সেই লক্ষ্য অর্জিত হবে না। কারণ, আজ যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার মতো একটা পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, এখন যারা প্রধান শক্তি তারাই যদি ইসলামের সমান আদর্শ থেকে ভিন্ন দিকে চলে যায়, যদি ইসলামী আইনের প্রতি তাদের আস্থা না থাকে… তাহলে আমরা যে কর্মী, সমর্থক সারা দেশে ইসলামের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। এই স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে।

Continue Reading

Trending