Connect with us

আন্তর্জাতিক

ইরানে হামলায় নিহত ২০১, আহত ৭৪৭: রেড ক্রিসেন্ট

Published

on

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ২০১ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট।

ইরানের মেহের নিউজকে ইরানের রেড ক্রিসেন্টের মুখপাত্র বলেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ৩২টি প্রদেশের মধ্যে ২৪টি প্রদেশে হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ২০১ জন নিহত ও ৭৪৭ জন আহত হয়েছে।

রেড ক্রিসেন্টের ওই মুখপাত্র আরও বলেন, রেড ক্রিসেন্টের ২২০টিরও বেশি দল হামলার স্থানগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

খামেনি বেঁচে আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন

Published

on

By

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্র। তাদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ খামেনির মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছে।

তবে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ ও মেহের নিউজ জানিয়েছে, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখনো বেঁচে আছেন এবং তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলেছে, রয়টার্স ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের সঙ্গে ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর সম্পূর্ণ বিপরীত।

চ্যানেল-১২ এর আগে তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে খামেনির মরদেহের ছবি দেখানো হয়েছে। তিনি তার প্রাসাদের কমাউন্ডে প্রাণ হারিয়েছেন। সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে ইরানি উদ্ধারকারীরা।

এদিকে শনিবার সকালের দিকে খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য বড় হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস পরবর্তীতে স্যাটেলাইটের একটি ছবি প্রকাশ করে। এতে দেখা গেছে খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

Continue Reading

top3

ইরানের ৩২ প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টিতে হামলা: রেড ক্রিসেন্ট

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের ৩২টি প্রদেশের মধ্যে ২০টিরও বেশি প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানি রেড ক্রিসেন্টের মুখপাত্র মুজতবা খালেদি জানিয়েছেন যে- ইরানের ৩২টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টি প্রদেশকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। নাগরিকদের হামলাস্থলগুলো থেকে দূরে থাকার জন্য জরুরি আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা শুরু করে। ইরানের হরমোজগান প্রদেশেই পৃথক দুটি হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলের হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্র ও একটি আঞ্চলিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন- এমন জল্পনার মধ্যেই দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মন্তব্য করেছেন, ‘আমরা হয়তো কয়েকজন কমান্ডারকে হারিয়েছি, কিন্তু এটি খুব বড় সমস্যা নয়।’

এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদকের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় তেহরানসহ বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এতে ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

এর আগে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। একই দিনে রাজধানী তেহরানের পূর্বদিকে আরেকটি স্কুলেও হামলার ঘটনা ঘটে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়, মিনাবের স্কুলটিতে হামলার পর নিহতের সংখ্যা ৪০ ছাড়িয়ে যায়, পরে তা ৫০–এর বেশি বলে নিশ্চিত করা হয়। ঘটনাস্থলের ভিডিও ও ছবি ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয়েছে।

অন্যদিকে রাজধানী তেহরানের পূর্বাঞ্চলে আরেকটি স্কুলে হামলায় অন্তত দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন বলে মেহর বার্তা সংস্থা জানিয়েছে।

Continue Reading

top2

হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলো ইরান

Published

on

By

তেল পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেভাল মিশন এসপাইডেসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড জানিয়ে দিয়েছে ‘হরমুজ দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করতে দেওয়া হবে না।’

বিশ্ব তেল রপ্তানির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোর একটি হলো হরমুজ প্রণালী। উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর রপ্তানির বড় অংশ এই প্রণালী দিয়ে সম্পন্ন হয়। সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ এখান দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তেল পাঠায়।

সরু এ সামুদ্রিক পথটি ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরকে যুক্ত করেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ কর্মকর্তা বলেছে, ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধের ব্যাপারে কোনো নির্দেশ দেয়নি।

ইরান দীর্ঘ সময় ধরে বলে আসছে যদি তাদের ওপর কোনো ধরনের হামলা হয় তাহলে তারা হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে।

সূত্র: রয়টার্স

Continue Reading

Trending