Connect with us

অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য

দাম কমছে ক্রিম, লিপস্টিক, লোশন, ফেসওয়াশসহ ৭ প্রসাধনীর

Published

on

অন্তর্বর্তী সরকার গত বছর প্রসাধনী পণ্যে শুল্ক-করের চাপ বাড়িয়েছিল। এবার সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে বিএনপি সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে লিপস্টিক, ত্বকের ক্রিম, ময়েশ্চার লোশন, ফেসওয়াশসহ সাত শ্রেণির পণ্যে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রস্তাবিত বাজেটে শুল্কহার অপরিবর্তিত রেখে শুধু ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য কমানোর মাধ্যমে এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এতে আমদানিকারকদের খরচ কমবে।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় স্কিন কেয়ার ও বিউটি প্রোডাক্টস উৎপাদনকারীদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে এবং দেশীয় শিল্পের বিকাশে কাঁচামাল আমদানির ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর ফলে লিপস্টিক, লোশন ও ক্রিমসহ বিভিন্ন প্রসাধনী পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানিতে খরচ কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে এই সুবিধা শেষ পর্যন্ত বাজারে পৌঁছালে ভোক্তারাও কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। তবে এর বিপরীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আয়ও কমতে পারে।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে গত বুধবার পর্যন্ত এই সাত শ্রেণির পণ্য আমদানিতে শুল্কায়ন মূল্য ছিল ৪০৫ কোটি টাকা। তার বিপরীতে সরকারের মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় ৬৪২ কোটি টাকা।

কোথায় কত কমছে

লিপস্টিকের ক্ষেত্রে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য প্রতি কেজি ৪০ ডলার থেকে কমিয়ে ৩০ ডলার করা হয়েছে। এতে কেজিপ্রতি প্রায় দুই হাজার টাকা শুল্ক-কর কমতে পারে। নতুন বাজেটে শুল্কায়ন মূল্য কমানোয় এ পণ্য আমদানিতে সরকারের রাজস্ব আয় প্রায় এক কোটি টাকা কমতে পারে।

ত্বকের ক্রিমের ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ২০ ডলার থেকে কমিয়ে ১৪ ডলার করা হয়েছে। এতে কেজিপ্রতি প্রায় ১ হাজার ২২৬ টাকা শুল্ক-কর কমতে পারে। সম্ভাব্য রাজস্ব আয় কমতে পারে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা।

রেল ও মেট্রোরেলে প্রবীণরা পাচ্ছেন যে সুবিধা

ময়েশ্চার লোশন ও চার ধরনের ফেসওয়াশের ক্ষেত্রে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ১০ ডলার থেকে কমিয়ে ৭ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে কেজিপ্রতি প্রায় ৬১৩ টাকা শুল্ক-কর কমতে পারে। আর তাতে এসব পণ্য আমদানি খাতে রাজস্ব আয় কমতে পারে প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

তবে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য কমানো হলেও সব চালান ওই মূল্যে শুল্কায়ন হবে না। পণ্যের মান, ব্র্যান্ড ও ঘোষিত মূল্যের ভিত্তিতে এর চেয়ে বেশি মূল্যে শুল্কায়ন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সম্ভাব্য রাজস্ব ঘাটতিও কমে আসবে।

যে সুবিধা পাবেন ভোক্তা

আমদানি পর্যায়ে শুল্ক-কর প্রথমে পরিশোধ করেন আমদানিকারকরা। পরে সেই ব্যয় যুক্ত হয় খুচরা বিক্রয়মূল্যে। ফলে আমদানিতে খরচ কমলে বাজারেও দাম কমার সুযোগ তৈরি হয়। তবে বাস্তবে ভোক্তারা কতটা সুবিধা পাবেন, তা নির্ভর করবে আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারা কতটা মূল্য সমন্বয় করেন, তার ওপর।

সৌন্দর্যচর্চার সব ধরনের পণ্যে ছাড় দেয়নি সরকার। লিপস্টিক, ফেসওয়াশ, ত্বকের ক্রিম ও ময়েশ্চার লোশনে শুল্কায়ন মূল্য কমানো হলেও ভ্রু সাজানোর পণ্য এবং হাত-পায়ের সৌন্দর্যচর্চায় ব্যবহৃত কয়েকটি পণ্যে আগের হারই বহাল রাখা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের এসব পণ্যে বাড়ানো ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য অপরিবর্তিত রেখেছে বর্তমান সরকার। ফলে এ খাতের আমদানিকারকরা নতুন কোনো সুবিধা পাবেন না। তবে লিপ লাইনার, লিপ গ্লস ও লিপ জেল জাতীয় পণ্যে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য কেজিপ্রতি ২০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৩০ ডলার করা হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে।

সাধারণত বাজেটে শুল্ক-করসংক্রান্ত প্রস্তাব তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। সে হিসাবে নতুন ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য বাজেট ঘোষণার দিন থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে।

সম্পাদক: পলাশ মাহমুদফোন: +৮৮০১৩১২৫৫৯৯৬৬ই-মেইল: info@asia-post.com

ঠিকানা: লেভেল ১০, বেঙ্গল সেন্টার, ২৮ তোপখানা রোড, শাহবাগ, ঢাকা- ১০০০।

অন্তর্বর্তী সরকার গত বছর প্রসাধনী পণ্যে শুল্ক-করের চাপ বাড়িয়েছিল। এবার সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে বিএনপি সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে লিপস্টিক, ত্বকের ক্রিম, ময়েশ্চার লোশন, ফেসওয়াশসহ সাত শ্রেণির পণ্যে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রস্তাবিত বাজেটে শুল্কহার অপরিবর্তিত রেখে শুধু ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য কমানোর মাধ্যমে এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এতে আমদানিকারকদের খরচ কমবে।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় স্কিন কেয়ার ও বিউটি প্রোডাক্টস উৎপাদনকারীদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে এবং দেশীয় শিল্পের বিকাশে কাঁচামাল আমদানির ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর ফলে লিপস্টিক, লোশন ও ক্রিমসহ বিভিন্ন প্রসাধনী পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানিতে খরচ কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে এই সুবিধা শেষ পর্যন্ত বাজারে পৌঁছালে ভোক্তারাও কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। তবে এর বিপরীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আয়ও কমতে পারে।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে গত বুধবার পর্যন্ত এই সাত শ্রেণির পণ্য আমদানিতে শুল্কায়ন মূল্য ছিল ৪০৫ কোটি টাকা। তার বিপরীতে সরকারের মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় ৬৪২ কোটি টাকা।

কোথায় কত কমছে

লিপস্টিকের ক্ষেত্রে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য প্রতি কেজি ৪০ ডলার থেকে কমিয়ে ৩০ ডলার করা হয়েছে। এতে কেজিপ্রতি প্রায় দুই হাজার টাকা শুল্ক-কর কমতে পারে। নতুন বাজেটে শুল্কায়ন মূল্য কমানোয় এ পণ্য আমদানিতে সরকারের রাজস্ব আয় প্রায় এক কোটি টাকা কমতে পারে।

ত্বকের ক্রিমের ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ২০ ডলার থেকে কমিয়ে ১৪ ডলার করা হয়েছে। এতে কেজিপ্রতি প্রায় ১ হাজার ২২৬ টাকা শুল্ক-কর কমতে পারে। সম্ভাব্য রাজস্ব আয় কমতে পারে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা।

রেল ও মেট্রোরেলে প্রবীণরা পাচ্ছেন যে সুবিধা

ময়েশ্চার লোশন ও চার ধরনের ফেসওয়াশের ক্ষেত্রে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ১০ ডলার থেকে কমিয়ে ৭ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে কেজিপ্রতি প্রায় ৬১৩ টাকা শুল্ক-কর কমতে পারে। আর তাতে এসব পণ্য আমদানি খাতে রাজস্ব আয় কমতে পারে প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

তবে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য কমানো হলেও সব চালান ওই মূল্যে শুল্কায়ন হবে না। পণ্যের মান, ব্র্যান্ড ও ঘোষিত মূল্যের ভিত্তিতে এর চেয়ে বেশি মূল্যে শুল্কায়ন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সম্ভাব্য রাজস্ব ঘাটতিও কমে আসবে।

যে সুবিধা পাবেন ভোক্তা

আমদানি পর্যায়ে শুল্ক-কর প্রথমে পরিশোধ করেন আমদানিকারকরা। পরে সেই ব্যয় যুক্ত হয় খুচরা বিক্রয়মূল্যে। ফলে আমদানিতে খরচ কমলে বাজারেও দাম কমার সুযোগ তৈরি হয়। তবে বাস্তবে ভোক্তারা কতটা সুবিধা পাবেন, তা নির্ভর করবে আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারা কতটা মূল্য সমন্বয় করেন, তার ওপর।

সৌন্দর্যচর্চার সব ধরনের পণ্যে ছাড় দেয়নি সরকার। লিপস্টিক, ফেসওয়াশ, ত্বকের ক্রিম ও ময়েশ্চার লোশনে শুল্কায়ন মূল্য কমানো হলেও ভ্রু সাজানোর পণ্য এবং হাত-পায়ের সৌন্দর্যচর্চায় ব্যবহৃত কয়েকটি পণ্যে আগের হারই বহাল রাখা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের এসব পণ্যে বাড়ানো ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য অপরিবর্তিত রেখেছে বর্তমান সরকার। ফলে এ খাতের আমদানিকারকরা নতুন কোনো সুবিধা পাবেন না। তবে লিপ লাইনার, লিপ গ্লস ও লিপ জেল জাতীয় পণ্যে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য কেজিপ্রতি ২০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৩০ ডলার করা হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে।

সাধারণত বাজেটে শুল্ক-করসংক্রান্ত প্রস্তাব তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। সে হিসাবে নতুন ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য বাজেট ঘোষণার দিন থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

চাল আমদানির গুজবে আশুগঞ্জে ধান-চালের বাজারে ধস

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

ভারত থেকে চাল আমদানির গুজব এবং সরকারি ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের ধীরগতির প্রভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ মোকামে ধান ও চালের বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। এতে লোকসানের মুখে পড়েছেন হাওরাঞ্চলের কৃষক ও ধান-চাল ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের দাবি, গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন ধরনের ধানের দাম প্রতি মণে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে চালের বাজারেও। প্রতি মণ চালের দাম কমেছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। দাম আরও কমতে পারে—এমন আশঙ্কায় অনেক চাতালকল মালিক ধান কেনা কমিয়ে দিয়েছেন।

সরেজমিনে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাড়াও কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চল থেকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা নৌপথে ধান নিয়ে আশুগঞ্জ মোকামে বিক্রি করতে আসেন। আশুগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৫০টি অটো ডায়ার ও দেড় শতাধিক চাতালকল রয়েছে। এসব মিলের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ হাজার মণ ধান বেচাকেনা হয়। এখানকার ধান থেকে উৎপাদিত চাল সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, চাল আমদানির গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর অনেক মিল মালিক ধান কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। ফলে মোকামে ধানের বেচাকেনা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে এবং বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম থেকে ধান নিয়ে আসা কৃষক মিলন চন্দ্র দাস জানান, তিনি প্রতি মণ ধান ১ হাজার ১৫০ টাকা দরে কিনেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে বাজারে দাম ৭০০ টাকা বলা হচ্ছে। তিন দিন ধরেও তিনি ধান বিক্রি করতে পারেননি।

মিঠামইনের ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া বলেন, হাওর থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা মণ দরে ধান কিনে এনে এখন ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতিদিন নৌকা বসিয়ে রাখতে প্রায় ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় বাধ্য হয়ে লোকসানে ধান বিক্রি করছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা চাতালকল মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান ইমরান বলেন, বর্তমানে ধান থেকে চাল উৎপাদন করেও লোকসান গুনতে হচ্ছে। মিলগুলোতে পর্যাপ্ত চাল মজুত থাকলেও প্রতি মণ চাল ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি করেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না।

আশুগঞ্জ উপজেলা চাতালকল সমিতির সভাপতি ও ধান ব্যবসায়ী হাজী মো. শাহজাহান সিরাজ বলেন, চাল আমদানির গুজবের কারণে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অবিক্রিত চালের মজুত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেক মিল মালিক ধান কেনা কমিয়ে দিয়েছেন, যার প্রভাব পড়েছে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের ওপর।

তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক নূর আলী বলেন, এলসির মাধ্যমে ভারত থেকে চাল আমদানি করা হচ্ছে—এমন তথ্য সঠিক নয়, এটি সম্পূর্ণ গুজব। বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে খাদ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

Continue Reading

top3

মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ, তিন কোম্পানির জ্যাম ও কেক বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

Published

on

By

বাণিজ্য ডেস্ক

মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি কোম্পানির নির্দিষ্ট জ্যাম ও কেকজাতীয় খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএফএসএ জানায়, ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইষ্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইষ্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং আরবোটিং ফুড কোম্পানি লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ বাজার থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।

সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এসব পণ্যের বিপণনও বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে ভোক্তাদের এসব খাদ্যপণ্য ক্রয় বা গ্রহণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ জুলাই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ইস্ট বেকারিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছিল।

Continue Reading

অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য

দেশে স্বর্ণের দামে পতন, ভরি কত

Published

on

By

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ মূল্য সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালাই বহাল থাকবে।

এর আগে, গত ১০ জুলাই স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা। ওই মূল্যও কার্যকর হয়েছিল ১০ জুলাই সকাল ১০টা থেকে।

সবশেষ এই সমন্বয়ের মাধ্যমে চলতি বছরে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৯০ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৫ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল; এর মধ্যে ৬৪ বার বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমিয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম মোট ৫৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ বার দাম বেড়েছে এবং ২৮ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল; এর মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।

Continue Reading

Trending