Connect with us

ক্যাম্পাস

ক্যান্সারে আক্রান্ত ‘শিক্ষক’ বাবাকে বাঁচাতে ইবি ছাত্রীর মানবিক আবেদন

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ক্যান্সারে আক্রান্ত বাবাকে বাঁচাতে আর্থিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তরে অধ্যায়নরত এক ছাত্রী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী ফারিয়া (ছদ্মনাম) বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান-প্রাক্তন শিক্ষার্থী সহ সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের কাছে মানবিক ও আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ক্যান্সারে আক্রান্ত শিক্ষকের নাম মো. আব্দুল ওহাব। তিনি ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর মুরুটিয়া বলরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। রোগীর Biopsy করেছেন ডা. শাহাবুব আলম এবং Hematologist এর দায়িত্বে ছিলেন ডা. এম. এ. খান। আর্থিক সংকটের কারণে প্রায় ৫ মাস ধরে তাঁর মূল চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয়নি, ফলে রোগটি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। চিকিৎসক PET-CT Scan, প্রয়োজনীয় আরও কিছু পরীক্ষা, IHC Report ও Slide Review ভারতে করার পরামর্শ দিয়েছেন এবং যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা শুরু করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

ইবি ছাত্রী বলেন, “আমার বাবা একজন শিক্ষক। তিনি ব্লাড ক্যান্সারে (Non-Hodgkin Lymphoma) আক্রান্ত। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর চিকিৎসা চলমান রয়েছে। চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে ইতোমধ্যে আমাদের পরিবারের সঞ্চিত অর্থ ও সম্পদ সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন এবং চিকিৎসক উন্নত দেশে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। উন্নত চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে বিপুল অর্থের প্রোয়োজন। এই কঠিন সময়ে আপনাদের সামান্য সহযোগিতাও আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান হতে পারে। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী যে কোনো পরিমাণ অর্থ দিয়ে পাশে দাঁড়ালে আমরা চিরকৃতজ্ঞ থাকব। আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন—আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেন তাঁকে দ্রুত আরোগ্য দান করেন, নেক হায়াত দান করেন এবং এই কঠিন সময় সহজ করে দেন।”

ডোনেশন পাঠানোর মাধ্যম:
বিকাশ/নগদ (Personal): 01856886445

Bank Account: Sonali Bank PLC
Branch: Kotchandpur, Jhenaidah
Account Name: MD Abdul Wahab
Account No: 2411002080467

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

বাধ্যতামূলক ইসলামিক স্টাডিজ কোর্স পুনর্বিবেচনার দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সকল শিক্ষার্থীর জন্য ‘ইসলাম শিক্ষা’ ও ‘বাংলাদেশ স্টাডিজ’ কোর্স বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতনী শিক্ষার্থীরা।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে ‘একাডেমিক স্বাধীনতা চাই, বাধ্যতামূলক কোর্স নয়’ শীর্ষক ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।

সনাতনী শিক্ষার্থীরা জানান, সকল শিক্ষার্থীর জন্য ‘ইসলাম শিক্ষা’ ও ‘বাংলাদেশ স্টাডিজ’ কোর্স বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্তে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ম, বর্ণ ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল শিক্ষার্থীর জন্য সমান অধিকার, মর্যাদা ও সুযোগ নিশ্চিত হওয়া উচিত। সেই প্রত্যাশা থেকেই তারা এ দাবিগুলো উত্থাপন করেছেন।

তারা আরও জানান, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও পরিচয়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ। এর আগে একই ইস্যুতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও পূজা উদযাপন পরিষদ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো সমাধান না হওয়ায় সাধারণ সনাতনী শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

মানববন্ধনে ব্যানারের মাধ্যমে তিনটি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো— ‘ইসলাম শিক্ষা’ ও ‘বাংলাদেশ স্টাডিজ’ কোর্স দুটিকে ঐচ্ছিক করা, শিক্ষার্থীদের নিজস্ব পছন্দ ও একাডেমিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করা।

তারা আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে একটি ন্যায়সঙ্গত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের লক্ষ্যে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। একই সঙ্গে তারা বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে উপাচার্যের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান জানান, এর আগেও তারা আমার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে। এটি একাডেমিক বিষয় হওয়ায় সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত ছাড়া কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি আলোচনা করা হবে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবিতে ‘মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্ট’ এর উদ্যেগে বৃক্ষরোপণ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্ট’ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ইউনিট কর্তৃক বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে সংগঠনটির ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির ক্যাম্পাস গার্ডিয়ান ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ কুমার অধিকারী, ফোকলোর অ্যান্ড সোস্যাল স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক মো.ফয়সাল হোসেন ও ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক মোল্লা এবং ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মিশুক শাহরিয়ার-সহ সংগঠনের অন্যান্য দায়িত্বশীল সদস্যরা।

জানা যায়, শিক্ষার্থীদের মাঝে তাল, আম, কাঁঠাল, আমড়া, নিম, ডায়োফল ও কাঠ-বাদাম গাছ বিতরণ করা হয়। ৫০ জন মোরাল সাইল্ড সহ ১০০ জনের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

প্ল্যাটফর্মটির ক্যাম্পাস প্রতিনিধি মিশুক শাহরিয়ার বলেন, “মোরাল প্যারেন্টিং পরিবারের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট কর্তৃক সচেতনতামূলক কার্যক্রম হিসেবে আজকে আমরা বৃক্ষরোপনের আয়োজন করেছি। বৃক্ষ আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর প্রভাব কমানোর ক্ষেত্রে। মোরাল প্যারেন্টিং একটি অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন। বাংলাদেশের প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল-কলেজে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি বিতরণ ও আত্ম-উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কোর্স চালুর মাধ্যমে সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য হলো— একটি নৈতিক সমাজ গঠন করা।

সংগঠনের ক্যাম্পাস গার্ডিয়ান প্রদীপ কুমার অধিকারী বলেন, “এই প্ল্যাটফর্ম থেকে দেশের মেধাবী ও দুস্থ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বৃত্তি দেওয়া হয়ে থাকে। শুধু বৃত্তিই না এর পাশাপাশি এ সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য কম্পিউটার লার্নিং, রিসার্চ মেথডোলজি- সহ বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত নানারকম প্রোগ্রাম অফার করে থাকে। আজকে সংগঠনটির দশম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের উদ্দেশ্যে আমরা এখানে সমবেত হয়েছি। বৃক্ষ হচ্ছে মানুষের পরম বন্ধু।”

Continue Reading

top3

‘শিক্ষার্থীদের দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক গুণাবলীসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে’

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান বলেছেন, শুধু পেশাগত দক্ষতা অর্জনই যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. জাহেদুর রহমান বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা একদিকে দক্ষ পেশাজীবী হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করবে, অন্যদিকে মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা নবীন শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি যুগোপযোগী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

Trending