Connect with us

top3

জবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে উত্তপ্ত ক্যাম্পাস, আহত কয়েকজন

Published

on

জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠান চলাকালে শুরু হওয়া এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের সময় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী চলাকালে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান ও মিছিল শুরু করলে অনুষ্ঠানস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা দ্রুত ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে শিবিরের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন।

এ ঘটনায় ছাত্রশিবিরের কয়েকজন নেতাকর্মীর পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) মো. রিয়াজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ক্যাম্পাসজুড়ে উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

বেরোবিতে সংঘর্ষের পর বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের সংঘর্ষের পর সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকসংলগ্ন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারির জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসে বহিরাগত, অতিথি-দর্শনার্থী, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, গত ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে পাঁচজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। এছাড়া আরও প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে একই স্থানে রংপুর মহানগর ছাত্রশিবির ও রংপুর মহানগর ছাত্রদল পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ কারণে ক্যাম্পাসে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৪৪ ধারা জারিসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসে অতিথি-দর্শনার্থী, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। তবে এ নিষেধাজ্ঞা ক্লাস ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে চলবে।

এদিকে ছাত্রশিবির জানিয়েছে, হামলার প্রতিবাদ, গণভোটের রায় এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের লালবাগ চত্বর থেকে আবু সাঈদ চত্বর পর্যন্ত ‘অদম্য জুলাই’ শীর্ষক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে শিবিরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে রংপুর মহানগর ছাত্রদল বিকেল ৪টায় শহীদ আবু সাঈদ চত্বর পার্কের মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে।

মহানগর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের কর্মসূচিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় শিবিরের নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ঘটনার রাতেই হামলার প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। তবে তারা কোনো ধরনের সংঘাত চান না বলেও জানান।

রংপুর মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রবি বলেন, শিবিরের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। কেউ কর্মসূচি পণ্ড করার চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করা হবে বলেও তিনি জানান।

রংপুর মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও উপকমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারির আবেদন পাওয়া গেছে। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সোমবার (৩ আগস্ট) জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের আয়োজিত দিনব্যাপী প্রদর্শনীতে একটি ব্যানারকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।

Continue Reading

top3

জুলাই যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছে নজরুল: নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

Published

on

By

বিদ্রোহী কবিতা, রণসংগীত অথবা উপন্যাস প্রত্যেক জুলাই যোদ্ধাদের মনে সাহস যুগিয়ে অনুপ্রাণিত করেছে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলে উল্লেখ করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

গত (৩ আগস্ট)সোমবার বিকাল ০৪:০০ ঘটিকায় ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতিকেন্দ্র বিচুতিয়া বেপারিবাড়িতে অনুষ্ঠিত ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে আমাদের নজরুল’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেব বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন,আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। তিনি সময়, কাল ও স্থানকে অতিক্রম করেছেন। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর, দিকনির্দেশক। সকল অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে কবি নজরুল আমাদের প্রেরণার উৎস। ২৪-এর আন্দোলনে একেক জনের অন্তরে একেক জন কবি নজরুলের আবির্ভাব হয়। তবে কবি নজরুল তাঁর জীবদ্দশায় নিষ্পেষিত, নিগৃহীত ও অবহেলিত ছিলেন। তাঁকে আমরা যথাযথ মর্যাদা দিতে পারি নি। নজরুলের সৃষ্টিকর্মগুলো আরও ছড়িয়ে দিয়ে তাঁর চেতনা ধারণ করতে পারলেই আমরা সংস্কৃতিমনা সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে পারবো। নজরুলের স্মৃতিকেন্দ্রগুলো আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন করতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের প্রতি দৃষ্টিআকর্ষণ করে কবির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মাননীয় উপাচার্য তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

মুখ্য আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নজরুল গবেষক প্রফেসর ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা প্রিন্স)। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে কোন নেতা ছিল না, ছিল কবি নজরুলের চেতনা ও প্রেরণা। তাঁর কবিতা, গান ও সৃষ্টিকর্মগুলোই ছিল জুলাই যোদ্ধাদের শক্তি ও সাহস।’

অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) মো. লতিফুল ইসলাম শিবলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত সিদ্দিকী। এসময় কবি, শিল্পী ও নজরুলভক্ত দর্শক শ্রোতা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য নজরুল বর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের যৌথ আয়োজনে এই আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে গান, কবিতা ও কবি নজরুলের সাহিত্যপাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

Continue Reading

top3

বেরোবিতে শিবিরের আলোকচিত্র প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে, ছাত্রদল শিবিরের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

Published

on

By

আনাস মাহমুদ, বেরোবি প্রতিনিধি:

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থান উপলক্ষে ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে শিবিরের নেতাকর্মীদের উপর ছাত্রদলের নেতাদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও শিবিরের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন কয়েকজন।

সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বেরোবির স্বাধীনতা স্মারক মাঠে আয়োজিত প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বেরোবি শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গিয়ে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াত নেতাসহ সাকা চৌধুরীর বিচারিক হত্যাকাণ্ডের শিকার নামক একটি ব্যানারটি সরাতে বলে। পরবর্তীতে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নীরবসহ কয়েকজন শিবিরের এক কর্মীকে লাথি মারে এবং পরে গাছের ডাল ভেঙে এবং চেয়ার নিয়ে ছাত্রদল নেতারা হামলা করলে মুখোমুখি অবস্থানে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় শিবির।

এ সময় শাখা শিবিরের নেতা মেহেদী হাসানকে স্টাম দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মারক মাঠে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিলে মূল ফটকের দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আগানো শুরু করেন এবং তারা পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ডক্টর ফেরদৌস রহমান ঘটনাস্থলে এসে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করলেও উত্তেজনা বিন্দুমাত্র কমেনি।

এ সময় বস্তায় করে ভাঙা ইট নিয়ে আসতে দেখা যায় শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মাসুদ রানাকে। এরপর শুরু হয় লাঠি সোটা এবং ইট পাটকেল নিক্ষেপ। এক পর্যায়ে মাসুদ রানাসহ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইট নিক্ষেপ করলে শিবির নেতাকর্মীদের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এরপর শিবিরের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে পাল্টা ধাওয়া দিলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রভঙ্গ হয়ে চলে যায়।

উভয় দল থেকে বহিরাগত দ্বারা আক্রমণের অভিযোগ করা হয়েছে। ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া শেষে শিবির নেতাদের ক্যাম্পাসে মিছিল এবং মহড়া করতে দেখা গেছে। ৩ আগষ্ট বিকাল থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে এই উত্তেজনা বিরাজ করে। পরবর্তীতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে গেলে ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণে নেয় শিবির।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বলেন, যারা এই মারামারির পিছনে জড়িত তাদের আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে সনাক্ত করে অতি শ্রীগই বিচার করব। এজন্য তদন্ত কমিটি গঠন করব।

Continue Reading

Trending