Connect with us

ক্যাম্পাস

কুবির ১৪ শিক্ষার্থীকে ‘স্পোর্টস স্কলারশিপ’ প্রদান

Published

on

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের ১৪ জন শিক্ষার্থীকে ‘স্পোর্টস স্কলারশিপ’ প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ৩এ টায় শারীরিক শিক্ষা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এ স্কলারশিপ প্রদান করা হয়।

‘স্পোর্টস স্কলারশিপ ২০২৫-২৬’ বর্ষে ৬ টি ইভেন্টে (ছেলে-মেয়ে) ১৪ জনকে মনোনীত করা হয়। প্রতি ইভেন্ট থেকে দুই জন করে স্কলারশিপের জন্য মনোনীত হলেও ফুটবল ও ভলিবল (ছেলে) ইভেন্ট থেকে ৩ জন করে মনোনীত করা হয়েছে।

শারীরিক শিক্ষা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মবিরুল আলমের সঞ্চালনায় এবং ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, “আজ যে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে; তা নিষ্ঠা, পরিশ্রম, দায়িত্ববোধ এবং কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি। কাজের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে যখন মূল্যায়ন করা হয়, তখন সেই স্বীকৃতি আরও বেশি অর্থবহ হয়ে ওঠে।
এই পুরস্কার প্রমাণ করে যে আপনারা ধারাবাহিক প্রচেষ্টা করেছেন।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, “খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়। এটি সুস্থ ও সুন্দর জীবনের অপরিহার্য অংশ। নিয়মিত খেলাধুলা মানুষের মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক শক্তি যোগায়। খেলাধুলা আমাদের আনন্দময় রাখে, মানসিক চাপ কমায় এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এটি পড়াশোনায় মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খেলাধুলায় পারদর্শী হলে জব সেক্টরে এগিয়ে থাকা সম্ভব।”

সভাপতির বক্তব্যে ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন বলেন, “খেলাধুলা শুধু নেতৃত্বই তৈরী করে না। তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তির মতো ভয়াবহ অভিশাপ থেকে দূরে রাখে। যারা নিয়মিত খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকে, তারা অবসর সময়কে ইতিবাচক কাজে ব্যয় করে। এতে খারাপ সঙ্গ, অপরাধ ও মাদকের প্রতি আকর্ষণ কমে যায়।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

কুবি শিক্ষকের ছেলের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন তরুণ আটক

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তুহিন (১৮) নামে সন্দেহভাজন এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম।

তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তদন্তের স্বার্থে একজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখনই তার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো সম্ভব নয়।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান অপ্রতিম। বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেনি সে। পরে অপ্রতিমের বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। নিখোঁজের পরদিন শনিবার দুপুর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটের পাশে লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা গ্রামের ঝোঁপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অপ্রতিম কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী

Continue Reading

top3

সিসিটিভি ফুটেজে কার সঙ্গে দেখা গিয়েছিল অপ্রতিমকে

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিখোঁজের একদিন পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হয় অপ্রতিম।

আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর সানন্দা গ্রামে লালমাই পাহাড়ের নির্জন স্থানে তার রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল টিম এটি অপ্রতিমের লাশ বলে নিশ্চিত করে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল টিম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সিসিটিভি ফুটেজে তুহিন নামের স্থানীয় এক ছেলেকে অপ্রতিমের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করতে দেখে। তার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। আমরা সেটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছি। তারা কাজ করছেন।

এ বিষয়ে মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল) বলেন, আমরা নিখোঁজ হওয়া শিক্ষার্থীর রক্তাক্ত লাশ পেয়েছি। ঘটনাটির সঙ্গে কারা জড়িত, সেই বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করছি।

প্রসঙ্গত, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার শুক্রবার রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল

Continue Reading

top1

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের নিখোঁজ সন্তান অপ্রতিমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ একমাত্র সন্তান অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের নির্জন এলাকা থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ থানার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে মায়ের আইফোন নিয়ে বের হয় সে। এরপর আর বাসায় ফেরেনি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, অপ্রতিমের খোঁজ না পেয়ে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার শুক্রবার রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি পুলিশও তাকে উদ্ধারে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান ও অনুসন্ধান চালায়। তার সর্বশেষ অবস্থান এবং আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হয়।

নিখোঁজের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের সন্ধান চেয়ে আকুতি জানান অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগম। এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার ছেলেকে আমি বিকেল ৩টা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। ওর নাম অপ্রতিম। বয়স ১৩, ক্লাস সেভেনে পড়ে। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসে নাই।’

ছেলেকে ফিরে পেতে সবার সহযোগিতা চেয়ে তিনি আরও লিখেছিলেন, ‘আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি, আমার ছেলেকে বাঁচান।’

শনিবার দুপুরে নিখোঁজ অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়। লালমাই পাহাড়ের নির্জন স্থানে তার রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। অপ্রতিমের মৃত্যুর কারণ এবং কীভাবে সেখানে তার মরদেহ পৌঁছেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Continue Reading

Trending