Connect with us

top3

নবীন বিতার্কিক তৈরির লক্ষ্যে কুবি ডিবেটিং সোসাইটির ‘ক্রাউন অব আর্গুমেন্টস’

Published

on

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির (সিওইউডিস) উদ্যোগে নবীন শিক্ষার্থীদের বিতর্কচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে ‘ক্রাউন অব আর্গুমেন্টস’ ফ্রেশার্স ডিবেট চ্যাম্পিয়ানশিপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষ ও ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন বিতার্কিকরা অংশ নেন। প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে সেমিফাইনাল পর্ব পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, পরবর্তী সময়ে ফাইনালের তারিখ জানানো হবে।

আজকের আয়োজন নিয়ে ২০২৪-২৫ সেশনের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের জারিন আনান বলেন, “প্রথমবারের মতো এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছে। আমার দলে ১৯ ও ২০ ব্যাচের সদস্যরা থাকায় সিনিয়র ও জুনিয়রদের সঙ্গে নিয়ে একসাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি, যা ছিল দারুণ অভিজ্ঞতা।”

তিনি বলেন, “অনেক সময় সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে দূরত্ব দেখা যায়, কিন্তু এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক সম্পর্ক ও বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। আজকের আয়োজনটি সত্যিই অনেক সুন্দর ও উপভোগ্য ছিল। আশা করি, ভবিষ্যতে কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি আরও বড় ও চমৎকার আয়োজন উপহার দেবে।”

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক চর্চা নবীনদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে সব সময় কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি বদ্ধপরিকর। সেই উপলক্ষ্যে প্রতিবছর ‘ডিবেটার্স সার্চ’ আয়োজন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এই আয়োজন।”

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আবদুর রহমান আস-সাদী বলেন, “ডিবেটার্স সার্চের মাধ্যমে আমরা যুক্তিবাদী, চিন্তাশীল ও দক্ষ বিতার্কিক তৈরি করতে চাই। এবার প্রথমবারের মতো ট্যাব রাউন্ডের আয়োজন করা হয়েছে, যাতে অংশগ্রহণকারীরা একাধিক বিতর্কের সুযোগ পেয়ে নিজেদের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আশা করি, নতুন বিতার্কিকরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও বৃদ্ধি করবে।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

গণভোটের অধিকার চুরি করেছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

রাষ্ট্রসংস্কারের জন্য অনুষ্ঠিত গণভোটের অধিকার সরকার জনগণের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রসংস্কারের জন্য হওয়া গণভোটের অধিকার সরকার জনগণের কাছ থেকে চুরি করেছে। দুটি ভোটে অংশ নিলেও তারা একটি ভোট মেনে নেয়নি।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে কোনো সার্বজনীন কর্মসূচি নেই। আওয়ামী লীগ যেমন মুক্তিযুদ্ধকে দলীয়করণ করেছিল, বর্তমান সরকারও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে দলীয়করণের পথে এগোচ্ছে।

বিদেশে অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের যথাযথ কূটনৈতিক উদ্যোগের অভাবেই বিদেশে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার অভিযোগ, দিল্লির সরকার এ সম্মেলনে সহায়তা করেছে। এ ঘটনায় ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করা প্রয়োজন ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বর্তমান সরকার ‘ফ্যাসিবাদী শক্তিকে ফিরিয়ে আনতে আপসকামী’—এমন অভিযোগ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটি ইতোমধ্যে তাদের বৈধতা হারিয়েছে এবং সরকার একটি সাংবিধানিক সংকট তৈরি করেছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, জুলাইয়ের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে পরিচিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে এবং ক্যাম্পাস দখলের চেষ্টা করছে।

কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে বর্তমান সরকারও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের মতো হয়ে উঠবে বলেও মন্তব্য করেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

Continue Reading

top3

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন তৎপরতার অভিযোগে বেরোবির ৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফ্যাক্ট -ফাইন্ডিং কমিটি গঠন

Published

on

By

বেরোবি প্রতিবেদক :

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর গোপন তৎপরতায়’ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ৭ জন শিক্ষকের যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এতে তাদের বিষয়ে তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ৫ সদস্যের তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সূত্রের খবরে জানা যায় যে, দেশের ২২ (বাইশ) টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ (চারশত চার) জন শিক্ষক পলাতক ও মানবতাবিরোধী অপরাধে পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিবাদের দোসর সংগঠন আওয়ামী লীগের সাথে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। এর মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর- এ কর্মরত বা সাময়িক বরখাস্তকৃত কয়েকজন শিক্ষকের নামও রয়েছে। উক্ত গোপন অপতৎপরতায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এর কোন কোন শিক্ষক জড়িত রয়েছেন কিনা-তা সুষ্ঠু অনুসন্ধানের লক্ষ্যে কমিটি তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হল।

পাঁচ সদস্যের কমিটিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ তানজিউল ইসলাম জীবনকে আহ্বায়ক ও বেরোবির লিগাল সেলের সহকারী রেজিস্ট্রার মোছা: রেহেনা আক্তার মনিকে সদস্য সচিব করে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মনিরুজ্জামান, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ হারুন-আল-রশীদ, ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আতাউর রহমান।

বেরোবি যে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর জড়িত অভিযুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদ মন্ডল ও গণিত বিভাগের ড. মশিউর রহমান যারা জুলাইয়ে আবু সাঈদ হত্যা মামলা আসামি হওয়ায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে৷ এছাড়া অন্য শিক্ষকরা হলেন, প্রফেসর ড. আয়েশা আকতার আঁখি, প্রফেসর ড. মো. জাকির হোসেন, জেড উদ্দিন, দেবু পিকে (সাংকেতিক নাম), এসকে বি (সাংকেতিক নাম)।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান বলেন,এখন তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। তথ্য অনুসন্ধান কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী শৃঙ্খলা কমিটি এবং সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ফেরদৌস রহমান ফ্যাট ফাইন্ডিং কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট কোন সময় উল্লেখ করেননি।

Continue Reading

top3

প্রবাসী প্রেমিককে ছবি পাচারের অভিযোগে ইবি শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জুলাই-৩৬ আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ছবি না জানিয়ে প্রবাসী প্রেমিকের কাছে পাঠানোর অভিযোগে তুবাউল জান্নাত ঐশী নামে এক ছাত্রীকে হল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন এবং অভিযুক্ত ছাত্রীর দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করেছে হল প্রশাসন।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত জুলাই-৩৬ হলের ৯ম জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. শামছুল হক ছিদ্দিকী।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী তুবাউল জান্নাত ঐশী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী। তাঁর বাড়ি যশোর জেলায়।

ভুক্তভোগী ও রুমমেট শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলে অবস্থানরত একাধিক ছাত্রীর (১৫ থেকে ২০ জন) ব্যক্তিগত ছবি তাঁদের অজান্তে সংগ্রহ করে যুক্তরাজ্যের প্রবাসী প্রেমিক আবিদের কাছে পাঠাতেন ঐশী। সম্প্রতি প্রেমিকের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হলে ওই প্রবাসী ব্যক্তি ছবিগুলো সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছে পাঠিয়ে দেন। এতে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বিষয়টি জানাজানি হলে হলের ছাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগকারীদের দাবি, এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থীর ছবি শনাক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণাদি তাঁদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে, যা তদন্ত কমিটির কাছে হস্তান্তর করছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আরও শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে একাধিক সূত্র বলেন, ঐশী তাঁর প্রবাসী প্রেমিকের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে বিয়ে ও অন্যান্য প্রলোভনে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গেও প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই প্রবাসী প্রেমিক ছবিগুলো ফাঁস করে দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান এবং সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে হল প্রশাসন বহিষ্কারাদেশ জারি করে। গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটিকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

তদন্ত কমিটিতে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. আরিফা আক্তারকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহা. খাইরুল ইসলাম এবং সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মুহা. কামরুজ্জামান।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আরিফা আক্তার জানান, তাঁর উপস্থিতিতেই কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তের দুটি মোবাইল ফোন তদন্ত কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

তদন্ত কমিটির আহবায়ক জুলাই-৩৬ হলের হাউজ টিউটর অধ্যাপক ড. আরিফা আক্তার বলেন, আমার উপস্থিতিতেই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে । এবং আমার কাছে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর দুইটি মোবাইল ফোন জমা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে দ্রুতই নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিব।

এ বিষয়ে জুলাই ৩৬ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. শামছুল হক ছিদ্দিকী বলেন, আমি মাঝরাতে এই অভিযোগ পাই । এবং বিষয়টি উপাচার্য মহোদয় কেউ জানাই সেই সাথে আজকে আপনাদের উপস্থিতিতেই তদন্তি কমিটি গঠন করেছি এবং তাকে প্রাথমিক প্রমাণ ওদের ভিত্তিতে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির বিস্তারিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নিবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে হল প্রশাসন অভিযুক্তকে বহিষ্কার করেছে। উপাচার্য মহোদয়কে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা ও জড়িতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তুবাউল জান্নাত ঐশী বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে। অভিযোগের বিষয়টি আমি মাথা পেতে নিচ্ছি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, আমাকে হল থেকে বহিষ্কার করা হলেও যেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে আমার ছাত্রত্ব ও ক্যারিয়ার ধ্বংস করা না হয়।

Continue Reading

Trending