Connect with us

top1

সাংবাদিকদের ওপর হামলায় বহিষ্কার, এরপর ছাত্রদল নেতার পোস্ট: ‘রাবি ছাত্রদল হিজরা ইউনিটে পরিণত হলো’

Published

on

রাবি প্রতিবেদক:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় বহিষ্কৃত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এম আহসান হাবীব কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তি শেয়ার করে আহসান হাবীব লেখেন, ‘বহিষ্কারের হ্যাট্রিক ট্রফি দিলেন? শিবিরের ক্যান্টনমেন্টে আজ থেকে রাবি ছাত্রদল হিজরা ইউনিটে পরিণত হলো।’

সোমবার রাতে আহসান হাবীবসহ রাবি শাখা ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার এবং আরও ছয় নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার পর তিনি ওই পোস্ট দেন।

পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘গুপ্তদের মিডিয়া ট্রায়ালের চাপ সামলাতে না পারলে ছাত্রদল বিলুপ্ত করে দেন। সুশীল রাজনীতি দিয়ে কোনোদিন রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্রদলকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন না। আরো ১০-১ জনের বহিষ্কারের প্রেস রিলিজ রেডি করে রাখেন।’

পোস্টের শেষদিকে আহসান হাবীব লেখেন, ‘রাবি ছাত্রদল এখন ল্যাংটা হবে। লজ্জায় মুখ দেখাতে পারবে না কেউ?’

এর আগে রোববার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিক হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়। ঘটনার পর ছাত্রদলও দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

সোমবার রাত ৯টার দিকে ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে আহসান হাবীব, রাবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিব হাসান ও ছাত্রনেতা বিশাল চক্রবর্তীকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাঁদের সাংগঠনিক পদ ও ছাত্রদলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একই ঘটনায় রাবি শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি তাকবীর আহমেদ ইমন, বুলবুল রহমান, শরিফুল ইসলাম ও ফারুক হোসেন, সহদপ্তর সম্পাদক শাহারিয়ার আলম এবং ছাত্রনেতা সাজুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে তাদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

রাবির সাংবাদিকদের ওপর হামলা, জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি শাবি প্রেসক্লাবের

Published

on

By

শাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব (শাবি প্রেসক্লাব)। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে প্রচলিত আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (৫ অক্টোবর) শাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি নোমান ফয়সল ও সাধারণ সম্পাদক নুর আলম এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার (৪ অক্টোবর) রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা এম আহসান হাবীবের একটি ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে জড়ো হন। এ সময় কয়েকজনের হাতে রামদা, চাপাতি, হকি স্টিক, পাইপ ও ব্যাটসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়।

অস্ত্রধারীদের ভিডিও ধারণ করতে এগিয়ে গেলে দৈনিক সমকালের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজুকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এ সময় আজকের পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধির মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবানকেও মারধর করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার খবর পেয়ে অন্য সাংবাদিকেরা ঘটনাস্থলে গেলে দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল ও আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলামও হামলার শিকার হন। এতে জাহিদুল ইসলামের মাথা ফেটে যায়। এ সময় সাংবাদিকদের ‘পুঁতে ফেলার’ হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করা হয়।

ঘটনায় চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। আহত সাংবাদিকেরা হলেন দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান এবং আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম।

শাবি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। একটি গণতান্ত্রিক দেশে এবং স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল শাহবাগ থানার ভেতরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির অন্তত ১০ সদস্য ছাত্রদলের হামলার শিকার হন। ওই ঘটনার পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো বিচার হয়নি। ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা উদ্বেগজনক। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত না হলে বিচারহীনতার সংস্কৃতি উৎসাহিত হতে পারে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বশীলতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করছে। এ ধরনের ঘটনায় কাউকে প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিতে রাবির সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি আহত সাংবাদিকদের সুচিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

Continue Reading

top1

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় রাবি শাখা ছাত্রদল। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ভবনের সামনে মানববন্ধন করে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ-আল মামুন, অধ্যাপক মোজ্জাম্মেল হোসেন বকুল, অধ্যাপক মশিহুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার রানা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি ইরফান তামিম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আশিকুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টাস ইউনিটির অর্থ সম্পাদক দীন ইসলাম, বিভাগটির মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ফারজানা তন্বি ও মাহমুদুল হাসান, তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তাসিন সিদ্দিকা রূপা। মানববন্ধনটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবু সালেহ শোয়েব।

অধ্যাপক আল-আল মামুন বলেন, ‘জুলাইয়ের পরে এ রকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি হতে হবে, এ রকম দৃশ্য দেখতে হবে—আমরা এটা আশা করিনি। এই ঘটনায় দুইটি পক্ষ ফেসবুকে একে অপরকে মারার হুমকি দিয়ে আসছিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গত দুই দিনে প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে আছে এবং এই সুযোগে সহিংস ঘটনা ঘটেছে। আমাদের দাবি পরিষ্কার—যারা সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত শাস্তির উপযুক্ত প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। সাংবাদিকরা জুলাই অভ্যুত্থানের সময় জনগণের চোখ ও কান হিসেবে কাজ করেছে। এই সাংবাদিকরা আমাদের রক্ষাকবচ। আমরা যদি সঠিক সাংবাদিকতার সুযোগ না রাখতে পারি, তাহলে দেশ আবার অন্ধকারে ঢুকবে।’

শিক্ষকতার তিন দশকে সাংবাদিকদের ওপর কখনো এমন আঘাত দেখেননি বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক মশিহুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা করে ফৌজদারি আইনের আওতায় শাস্তির ব্যবস্থা করুক। একই সঙ্গে অপরাধ প্রমাণিত হলে ছাত্রত্ব বাতিলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যে শাস্তির সুযোগ রয়েছে, সেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যাতে একজন শিক্ষার্থী নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে এবং গণমাধ্যমকর্মীরা নির্ভয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।’

সহযোগী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে সকল গণমাধ্যম সংস্কার না হয়ে রাতারাতি দখলের চেষ্টা করল। সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি হামলা হয়েছে। যখন এই হামলা হচ্ছে ঢাকাতে, তখন রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতিরা এই হামলার মদদ দিচ্ছে। অসাধারণ ব্যাপার! যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংস্কারের কথা বলতে চেয়েছিলাম, তার বদলে আরও ধ্বংশ হয়েছে। সবশেষ গতকাল এখানে খেয়াল করলে দেখা যাবে, নির্দিষ্ট করে করে সাংবাদিকদের মারা হয়েছে।’

বিভাগের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা যখন রক্তাক্ত, ব্যথায় কাতর, তখন আমাদের মানববন্ধনে দাঁড়াতে হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আমরা বিভাগের আজকে ক্লাস বর্জন করেছি। দুপুরে একাডেমিক কমিটির সভাও আহ্বান করা হয়েছে। সেখানে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।’

শিক্ষার্থী ফারজানা তন্বি বলেন, ‘সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় সব ধরনের স্পষ্ট ফুটেজ আছে। আজকের মধ্যে প্রশাসন যদি দৃষ্টান্তমূলক কোনো শাস্তির ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আজকেই পদত্যাগ করা উচিত। যে প্রশাসনের সামনে শিক্ষার্থীদের মারে, সেখানে প্রশাসনের অস্তিত্ব নেই।’

সম্মেলনে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top1

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) নতুন দাম ঘোষণা করে বিইআরসি।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তার আগে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।

নতুন দাম কার্যকর হওয়ার ফলে সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবর মাসে ভোক্তাদের ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে ২৫২ টাকা বেশি গুনতে হবে।

Continue Reading

Trending