Connect with us

ফিচার

পেটের মেদ কমাবে ৫ ফল

Published

on

শরীরকে পরিচালনা করতে ও দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে যেতে প্রয়োজন এনার্জির। আর তার জন্য আমাদের শরীরে বিপাকের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। খাওয়াদাওয়ার পরে শরীরে যে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়, তাকেই বিপাক বলা যেতে পারে। কোনও কাজ না করেও যে ক্যালরি ক্ষয় হয়, তাকে বলা হয় ‘বেসাল মেটাবলিক রেট’। যদি বিপাকক্রিয়ার হারে গোলমাল হয়, তখনই মেদ জমতে শুরু করে শরীরে। একে বলে ‘মেটাবলিক সিনড্রোম’। এর থেকে রেহাই পেতে স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া করারই পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। পুষ্টিকর খাওয়া ও পরিমাণ মেপে খাওয়াই নিয়ম। তবে এমন কিছু ফল আছে যা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলে পেটের মেদ কমতে পারে। কোন কোন ফল খাবেন ও কখন তা জেনে নিন।

আঙুর

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে আঙুর বেশ উপকারী একটি ফল। এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম। তবে এতে রয়েছে ভরপুর ভিটামিন সি। আঙুরের গ্লাইসেমিক সূচকও অনেক কম। তাই এর স্বাদ মিষ্টি হলেও রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা নেই। গবেষণায় দেখা গিয়েছে আঙুরের রস পান করার ফলে শরীরে ক্যালোরির পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। ওজনও কমেছে। কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকছে।

আপেল

ক্যালোরির মাত্রা কম অথচ উচ্চ ফাইবার-যুক্ত আপেল ওজন কমাতে সাহায্য করে। একটি মাঝারি মাপের একটি আপেল থেকে ১১৬ ক্যালোরি মেলে ও ৪.৪ গ্রাম ফাইবার পাওয়া যায়। ওজন ঝরিয়ে ছিপছিপে শরীর পেতে ডায়েটে যত ফাইবার রাখা যায় ততই ভাল।

পেঁপে

পেঁপেতে ফ্যাট অনেক কম। প্রায় থাকে না বললেই চলে। পেঁপেতে থাকা এনজাইম হজমে সাহায্য করে। ওজন কমানোর জন্য সঠিক ভাবে হজম হওয়াটা জরুরি। রোজ পেঁপে খেলে শরীর সুস্থ থাকবে। সঙ্গে ওজন কমবেদ্রুত।

তরমুজ

তরমুজে প্রচুর পরিমাণে জল থাকে। এ ছাড়াও রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন সি ও এ। যা ওজন কমাতে খুব কার্যকর। প্রতি দিন তরমুজ খেলে মেদ ঝরবে দ্রুত। ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

পেয়ারা

এই ফলে উচ্চ মাত্রায় ফাইবার রয়েছে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে পেয়ারা যেমন কাজে আসে, এর গ্লাইসেমিক রেট কম হওয়ায় ওজন কমাতেও সাহায্য করে। একটি মাঝারি মাপের পেয়ারায় থাকে ৩৭ ক্যালোরি। এই ফল থেকে একটুও কোলেস্টেরল পাওয়া যায় না। তাই ওজন কমানোর ডায়েটে নিশ্চিন্তে এই ফল রাখা যায়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফিচার

আজ প্রিয়জনকে মনের কথা জানানোর দিন

Published

on

By

ভালোবাসা কখনও হঠাৎ করে আসে না। ধীরে ধীরে অজান্তেই মানুষের হৃদয়ের ভেতরে জায়গা করে নেয়। একদিন দেখা হয়, আরেকদিন কথা হয়, তারপর অদ্ভুত এক টান তৈরি হয়, যার নামই ভালোবাসা। কিন্তু ভালোবাসা মনে জন্মালেই কি তা সম্পূর্ণ হয়?

ভালোবাসা পূর্ণতা পায় তখনই, যখন মনের গভীর অনুভূতিগুলো প্রিয় মানুষটির কাছে পৌঁছে যায়। আর সেই অনুভূতিগুলো প্রকাশ করার জন্যই যেন ভালোবাসা সপ্তাহের সবচেয়ে সাহসী দিনটি প্রপোজ ডে।

আজ ৮ ফেব্রুয়ারি, প্রপোজ ডে। ৭ ফেব্রুয়ারি রোজ ডে দিয়ে শুরু হয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে পর্যন্ত প্রতিটি দিনের আলাদা আলাদা অর্থ রয়েছে। ধারণা করা হয়, ভালোবাসা প্রকাশের একটি নির্দিষ্ট দিন রাখার ভাবনাটি আধুনিক যুগের তরুণ সমাজের মধ্য থেকেই জনপ্রিয়তা পায়। যদিও ভালোবাসা জানানোর ইতিহাস মানব সভ্যতার মতোই প্রাচীন, তবে প্রপোজ ডে নামক নির্দিষ্ট দিনের প্রচলন মূলত বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে পশ্চিমা বিশ্বে শুরু হয়। ধীরে ধীরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সিনেমা ও জনপ্রিয় সংস্কৃতির মাধ্যমে এটি বিশ্বের নানা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। আজ বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের তরুণদের মধ্যেও দিনটি আবেগ আর রোমান্টিকতায় উদযাপিত হচ্ছে।

প্রপোজ ডে মানে শুধু হাঁটু গেড়ে বসে গোলাপ হাতে প্রস্তাব দেওয়া নয়। প্রপোজ ডে মানে নিজের বুকের ভেতরে জমে থাকা অনুচ্চারিত অনুভূতিগুলোকে সাহস করে শব্দে রূপ দেওয়া।

“আমি তোমাকে ভালোবাসি” এই তিনটি শব্দ উচ্চারণ করতে অনেকের বুক কেঁপে ওঠে। ভয় হয়, যদি প্রত্যাখ্যাত হই? যদি সম্পর্ক বদলে যায়? যদি প্রিয় মানুষটি দূরে সরে যায়? অথচ না বলা অনুভূতিগুলোই অনেক সময় সারাজীবনের আফসোস হয়ে থেকে যায়।

ভালোবাসা প্রকাশের জন্য কোনো নিখুঁত সময় আসে না। সময়কে নিখুঁত বানাতে হয় আমাদেরই। প্রপোজ ডে সেই সুযোগ এনে দেয়, যেদিন নিজের মনের কথা বলা যেন সামাজিকভাবেই স্বীকৃত। যারা অনেক দিন ধরে কাউকে ভালোবাসছেন, অথচ সাহস করে বলতে পারছেন না, তাদের জন্য আজকের দিনটি হতে পারে জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো। হয়তো একটুখানি সাহসেই বদলে যেতে পারে দুটি মানুষের ভবিষ্যৎ।

প্রপোজের জন্য দামি উপহার, বড় রেস্টুরেন্ট বা আলোক-ঝলমলে আয়োজনের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল অনুভূতির সত্যতা। কখনও নিরিবিলি কোনো বিকেলে, কখনও আকাশভরা তারার নিচে, কখনও আবার খুব সাধারণ একটি মুহূর্তেই বলা যায় মনের কথা। একটা চিঠি, একটা ছোট্ট নোট, কিংবা ফোনের পর্দায় লেখা কয়েকটি আন্তরিক লাইন, এসবই হতে পারে ভালোবাসা প্রকাশের সবচেয়ে সুন্দর মাধ্যম। শব্দ যদি হৃদয় থেকে আসে, তাহলে তা প্রিয়জনের হৃদয় স্পর্শ করবেই।

যারা ইতোমধ্যেই সম্পর্কে আছেন, তাদের জন্যও প্রপোজ ডে নতুন করে ভালোবাসা প্রকাশের সুযোগ। সম্পর্কের ভিড়ে অনেক সময় অনুভূতিগুলো বলা হয়ে ওঠে না। অভিমান, ব্যস্ততা আর দৈনন্দিন জীবনের ক্লান্তিতে ভালোবাসার কথাগুলো চাপা পড়ে যায়। আজকের দিনে আবারও প্রিয় মানুষটির চোখের দিকে তাকিয়ে বলা যায়, “তোমাকে পেয়ে আমার জীবনটা সুন্দর।” এমন ছোট্ট স্বীকারোক্তিই সম্পর্কে নতুন উষ্ণতা এনে দেয়।

যদি কাউকে ভালোবাসেন, তবে নিজের অনুভূতিগুলো আর আটকে রাখবেন না। হয়তো প্রিয় মানুষটিও অপেক্ষা করছে আপনার কথার। আজকের প্রপোজ ডে হোক আপনার জীবনের সেই দিন যেদিন সাহস করে মনের কথা বলে ফেলা যায়।

Continue Reading

জাতীয়

ভিন্ন আবহে শুরু ভাষা আন্দোলনের মাস, নেই বইমেলার আমেজ

Published

on

By

শুরু হয়েছে বাঙালির ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারি। তবে এবার ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুটা ব্যতিক্রম। দীর্ঘদিনের ধারাবাহিকতা ভেঙে ভাষার মাসের প্রথম দিনে শুরু হচ্ছে না “অমর একুশে বইমেলা”। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে এবার নির্ধারিত সময়ে শুরু হচ্ছে না বইমেলা।

প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকেই ভাষা আন্দোলনের স্মরণে নানা কর্মসূচির পাশাপাশি বইমেলার আয়োজন বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা আর বইমেলার মিলিত আবহেই সাধারণত শুরু হয় ভাষার মাস। এবার সেই পরিচিত চিত্র অনুপস্থিত।

ফেব্রুয়ারি বাঙালির কাছে শুধুই একটি মাস নয়। এটি আত্মত্যাগ, প্রতিবাদ ও ভাষাভিত্তিক পরিচয় অর্জনের মাস। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকার রাজপথে জীবন উৎসর্গের মধ্য দিয়ে বাঙালির জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয় মাতৃভাষার অধিকার। যারা সেদিন শহীদ হয়েছিলেন, তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই পুরো মাসজুড়ে নানা কর্মসূচি পালিত হয়।

ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক তাৎপর্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় ১৯৯৯ সালে। ওই বছর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার প্রতীক হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরপরই। ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক জনসভায় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল, গণপরিষদের সভাপতি ও মুসলিম লিগের সভাপতি মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ঘোষণা দেন, ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু, অন্য কোনও ভাষা নয়।’ একই বক্তব্য তিনি কার্জন হলেও দেন। সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ছাত্র ‘না’ ‘না’ বলে প্রতিবাদ জানান। পরে একদল ছাত্র জিন্নাহর কাছে স্মারকলিপি দিয়ে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান। এর মধ্য দিয়েই রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সূচনা ঘটে।

এর আগে ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র ও অধ্যাপক গড়ে তোলেন তমদ্দুন মজলিস। রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নে সভা-সমাবেশ ও আলোচনার মাধ্যমে সংগঠনটি আন্দোলনকে সংগঠিত করে তোলে। পাশাপাশি গঠিত হয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ, যা আন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করে।

১৯৪৮ সালের ২ মার্চ তমদ্দুন মজলিস, গণআজাদী লীগ, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে ফজলুল হক হলে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ওই দিনই ১১ মার্চ সারা পূর্ব বাংলায় সাধারণ ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ধর্মঘট চলাকালে শেখ মুজিবুর রহমান, শামসুল হক, অলি আহাদসহ ৬৯ জনকে গ্রেফতার করা হলে ঢাকায় ১৩ থেকে ১৫ মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

ভাষা আন্দোলনের ধারায় নতুন উত্তেজনা তৈরি হয় ১৯৪৮ সালের শেষ দিকে। করাচিতে অনুষ্ঠিত নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমান বাংলা ভাষা আরবি হরফে লেখার প্রস্তাব দেন। পরের বছর ১২ ফেব্রুয়ারি পেশোয়ারে অনুষ্ঠিত শিক্ষা উপদেষ্টা বোর্ডের সভায় তিনি বাংলা হরফ বাতিল করে আরবি হরফ প্রবর্তনের ঘোষণা দেন। এর প্রতিবাদে ১৯৪৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা প্রতিবাদ সভা করেন এবং বাংলা হরফ রক্ষার আন্দোলন জোরদার করেন।

ক্রমেই বাংলাভাষার সমমর্যাদার দাবিতে পূর্ব বাংলায় আন্দোলন দানা বাঁধে। আন্দোলন দমনে সরকার ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে মিছিল ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করে।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এলাকায় পুলিশের গুলিতে সালাম, জব্বার, রফিক, বরকত, শফিকসহ আরও অনেকে শহীদ হন।

রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ভাষার অধিকার বাঙালিকে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে নতুন পথ দেখায়। সেই পথ ধরেই এগিয়ে যায় স্বাধিকার আন্দোলন, যার পরিণতিতে ১৯৭১ সালে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।

i

Continue Reading

ফিচার

সকালের নাশতা বাদ দিলে যা হতে পারে

Published

on

By

ব্যস্ত জীবনে অনেকেই সকালে তাড়াহুড়োর কারণে না খেয়েই বাইরে বেরিয়ে পড়েন। কেউ কেউ আবার ওজন কমানোর আশায় ইচ্ছাকৃতভাবে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবারটি এড়িয়ে চলেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

শক্তির ঘাটতি হয়

সকালে নাশতা না করলে শরীরে প্রয়োজনীয় জ্বালানি মেলে না, ফলে দ্রুত ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দেয়। পুষ্টিবিদরা বলছেন, তিন বেলার মধ্যে সকালের খাবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দিনের শুরুতেই কর্মক্ষমতা এবং মনোযোগ বাড়ায়।

মেজাজ খারাপ হয়

খালি পেটে কাজ শুরু করলে অনেক সময় রাগ, অস্থিরতা ও মনোযোগে ঘাটতি দেখা যায়। ক্ষুধা মস্তিষ্কে চাপ সৃষ্টি করে। বিপরীতে, নিয়মিত নাশতা মন ভালো রাখতে সহায়ক ‘সেরোটোনিন’ হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে।

দিনভর অতিরিক্ত ক্ষুধা

সকালের খাবার বাদ দিলে সারা দিনে ক্ষুধা বাড়ে এবং অনেক সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া হয় বেশি পরিমাণে, যা ওজন কমানোর বদলে বাড়িয়ে দেয়।

হরমোনে অসামঞ্জস্য

নাশতা না করলে কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়। এর ফলে মানসিক চাপ ও বিপাকজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রোটিনসমৃদ্ধ নাশতা হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে।

রোগপ্রতিরোধ কমে

পুষ্টিকর নাশতা শরীরকে ভাইরাস ও জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। নিয়মিত নাশতা না করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

সমাধান কী?

সময় স্বল্পতায় পুরো নাশতা না পারলেও ডিম, ওটস, দই, ফল বা বাদাম খাওয়া যেতে পারে- যা দ্রুত তৈরি হয় এবং শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়। সকালের নাশতা শুধু পেট ভরায় না, এটি শরীর ও মনকে চাঙা রাখে। তাই যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন, এই অভ্যাসটি গড়ুন।

সূত্র : ইটিংওয়েল

Continue Reading

Trending