Connect with us

ক্যাম্পাস

একুশের প্রথম প্রহরে শহিদ মিনারে ইবি প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

একুশের প্রথম প্রহর রাত ১২ টা এক মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এই শ্রদ্ধা জানান কর্তৃপক্ষ। এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে ভাষা শহিদদের রুহের মাগফিরাতের কামনায় পবিত্র কুরআন খতম এবং বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

একই দিন রাত পৌনে বারোটা কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রশাসন ভবন চত্বর হতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম.এয়াকুব আলী, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকের উপস্থিতিতে সব অনুষদের ডিন, হল, বিভাগ, সব পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রী, সমিতি, পরিষদ ও ফোরাম, বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের উদ্দেশে শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

২১ ফেব্রুয়ারি রাত বারোটা এক মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও এক মিনিট নিরবতা পালনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল দশটায় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে বলে জানান কর্তৃপক্ষ।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘একুশের দিকে আমরা বার বার ফিরে তাকালে আমরা অস্তিত্ব খুঁজে পাই। যে সকল শহিদ ভাষার জন্য আত্মত্যাগ করেছে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। ভাষা যেমন আমাদের অধিকার, আমাদের অস্তিত্বও। পাশাপাশি ৫২ থেকে শুরু করে ৭১, ২৪ এর চেতনা ধারণ করে আমাদেরকে আগাতে হবে। তাহলে একটি সুন্দর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

রমজানকে স্বাগত জানিয়ে ইবিতে ‘বরকতের বারিধারা’: চাইলেন হাদির বিচার

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মাহে রমাদানকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোট’-এর উদ্যোগে ‘বরকতের বারিধারা’ নামক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ মাগরিব বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। এতে অভিনব কৌশলে শহিদ ওসমান হাদির বিচার চেয়ে ফেস্টুন টাঙিয়েছে আয়োজকরা। যেখানে লেখা—“অন্তত বিচারটা কইরেন।”

অনুষ্ঠানটি শুরু হওয়ার পূর্বে বাদ মাগরিব বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালি শুরু করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন রাস্তায় প্রদক্ষিণ করে বটতলায় সমবেত হয়। সেখানে বরকতের বারিধারা কর্মসূচি সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানে হামদ, নাত ও রমজানকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন ইসলামী নাশিদ পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানটির পরিচালক আবু সুফিয়ান বলেন, ‘পবিত্র মাহে রমজান আগমন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘রহমতের বারিধারা’ আমরা ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোট আজকের এই আয়োজনের মাধ্যমে সবাইকে জানাতে চাই— রমজানের এই সুধা ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সকল ধরনের পাপাচার অশ্লীলতা থেকে মানুষ দূরে থাকুক কোরআনের আলোয় মানুষ জীবন গড়ুক। সুস্থ সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে এই প্রত্যাশায়।’

হাদির ফেস্টুন বিষয়ে আয়োজকরা জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হাদির বিচার সম্পন্ন করতে পারেনি। তাদের প্রত্যাশা এই নতুন সরকার যাতে হাদিকে ভুলে না যায় এবং হাদি হত্যার বিচারটা অন্তত করেন। মূলত আনন্দ দুঃখে যেকোনো সময় হাদিকে স্মরণে রাখতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ঢাবি ক্যাম্পাসে তারকা জার্মান ফুটবলার মেসুত ওজিল

Published

on

By

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শহীদ মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী তারকা মেসুত ওজিল। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে এই অনুষ্ঠান শুরু হয়।

জানা গেছে, নতুন সরকারের শপথ ও মন্ত্রীসভা নিয়ে যখন আলোচনায় সরগরম দেশ, সে সময় অনেকটা চুপিসারেই বাংলাদেশে পা রেখেছেন ২০১৪ বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। আসন্ন রমজানে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখতে যাবেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তুর্কি সরকারের আওতাধীন ‘টিকা’ নামের একটি প্রজেক্ট শহীদ মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারের বেশকিছু উন্নয়নমূলক কাজে ঢাবি প্রশাসনকে সাহায্য করছে। এই প্রজেক্টের উদ্বোধনেই মূলত ঢাবিতে এসেছেন ওজিল। ইতোমধ্যে এই প্রজেক্ট ঢাবি মেডিকেল সেন্টারকে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মতো সহায়তা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাকসু সম্পাদক মিনহাজ।

জানা গেছে, গতকাল (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে এসেছেন ওজিল। আজ ঢাবিতে প্রজেক্ট উদ্বোধনের পর আগামীকাল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি ইফতারে অংশ নেওয়ার কথা আছে তার। এরপর রাতেই দেশ ছাড়বেন তিনি।

Continue Reading

top3

বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের দুই পক্ষের মারামারি, উপাচার্য-প্রক্টরসহ আহত ৭

Published

on

By

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) শিক্ষকদের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলাম ও প্রক্টর ড. জসিম উদ্দিনসহ উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। উপস্থিত শিক্ষকেরা এ কথা জানিয়েছেন। উভয় পক্ষই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী সাদা দলের শিক্ষক।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হচ্ছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষক রোববার দুপুরে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করতে যান। সে সময় উপাচার্য আলিমুল ইসলামের সঙ্গে শিক্ষকদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে ভিসিসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক আহত হন। তবে তাঁদের কারোরই অবস্থা গুরুতর নয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘নির্বাচন চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের অ্যাডহক নিয়োগ দেওয়া হয়। সেখানে কিছু ত্রুটি আছে। আমরা তাকে উপাচার্যকে এই নিয়োগ দিতে না করি। তবুও তিনি নিয়োগ দেন। মানুষ নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আর তিনি ১০ ফেব্রুয়ারি এই নিয়োগ দেন। আমরা এটার বিষয়ে উনার সঙ্গে গতকাল বসতে চাচ্ছিলাম। তিনি গতকাল সময় দেননি। আজ গেলে আমাদের সঙ্গে কথা বলেন। তখন সেখানে উপস্থিত প্রক্টর প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আমাদের একজন শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। তিনি মোজাম্মেল স্যারকে লাথি মেরে সরিয়ে দেন আর তখন মাহবুব স্যার ঝামেলা মেটাতে এলে তাকেও ঘুষি মারা হয়। তখন এই মারামারির ঘটনা ঘটে। তার কাছে কোনো কিছু নিয়ে গেলেই তিনি বলতেন আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভিসি, আমি কোনো কাজ করতে পারব না। এখন শেষ সময়ে তিনি এই নিয়োগ কীভাবে দেন। এই নিয়োগের মাধ্যমে ইউজিসি আমাদের বাজেট বন্ধ করিয়ে দেবে। তখন আমরা কীভাবে বাঁচব। আমরা সাবধান করতে গিয়েছিলাম। আর আমাদের ওপর হামলা করা হয়।’

ঘুষি ও লাথির বিষয়ে জানতে প্রক্টর প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে চারবার কল দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সিকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর আলিমুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়েন করার পরে একটি ব্যানার ছেঁড়া নিয়ে গন্ডগোল হয়। তখন ছাত্রদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার নিয়োগ দিই। টিচাররাই তাদের নির্ধারণ করে দেন। এখন সহযোগিতা করছে না। নয়া সরকার আসছে, এখন তারা আসছে এই সরকারের লোক বলে। ওরা যে সরকারের লোক, আমিও তো সেই সরকারের লোক। এনএসআই, ডিজিএফআই সব সরকারের কাছেই আমার ইনফরমেশন আছে। কিছু শিক্ষক ও কর্মচারী মিলে অযথা মব সৃষ্টি করছে। এটা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নিয়োগ। কোনো টাকা, কোনো সুপারিশ কাজ করেনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। লিখিত, ভাইভাসহ যোগ্য লোকদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যেখানের ম্যাক্সিমাম সিলেটেরই।’

উপাচার্য তাঁর কক্ষে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় ছয়জন আহতের কথা স্বীকার করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দিইনি।’

সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরান (রহ.) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। থানায় কেউ কোনো অভিযোগ নিয়েও আসেনি

Continue Reading

Trending