Connect with us

Jackpotspellen en realistische verwachtingen

Jackpots zonder illusies

Jackpots zonder illusies begint bij één simpele gedachte: een grote prijs is mogelijk, maar nooit normaal. Jackpotspellen trekken aandacht door hoge bedragen, felle banners en verhalen over spelers met uitzonderlijk geluk. Dat maakt ze spannend. Het maakt ze ook gevaarlijk voor spelers met verkeerde verwachtingen. Een jackpotspel is geen plan om geld te verdienen. Het is een kansspel met entertainment als basis.

Bij Slotoro Casino ziet u een lobby met slots, live spellen, crashgames en bekende titels zoals Mega Moolah, Starburst, Gates of Olympus, Sweet Bonanza, Book of Dead en Gonzo’s Quest. De site noemt ook providers zoals Pragmatic Play, NetEnt, Play’n GO, Evolution, Yggdrasil, Betsoft en Evoplay. Dat aanbod helpt spelers kiezen, maar het verandert niets aan de kern: elk spel heeft eigen regels, eigen volatiliteit en eigen uitbetalingspatroon.

Een jackpot voelt vaak dichtbij, omdat de teller zichtbaar oploopt. Dat gevoel zegt weinig over uw echte kans. Een progressieve jackpot groeit door inzetten van veel spelers. De prijs kan enorm worden, maar de kans per spin blijft klein. Daarom is het verstandiger om jackpotspellen te zien als extra spanning bovenop gewone gameplay. U speelt dan rustiger, omdat u niet elke ronde behandelt als de ronde met de grote klap.

Kansen en ritme

Kansen en ritme bepalen hoe een sessie voelt. Sommige slots geven vaak kleine prijzen. Andere slots betalen lang niets en kunnen daarna groter uitpakken. Jackpotspellen vallen vaak in die tweede groep. Het spel kan veel dode spins tonen. Dat hoort bij het model. Het betekent niet dat het spel “bijna moet vallen”. Een gokkast heeft geen geheugen en geen schuld aan de speler.

Een realistische speler kijkt daarom eerst naar speltype, inzetniveau en eigen geduld. Een jackpotspel met hoge volatiliteit past niet goed bij iemand met een klein budget en weinig tijd. Zo’n speler raakt sneller gefrustreerd. Een rustiger slot kan langer vermaak geven met dezelfde storting. Op de website van Slotoro worden filters en categorieën genoemd voor speltype, studio en features. Die aanpak helpt om niet blind door honderden spellen te klikken.

Het ritme van jackpotspellen vraagt ook om emotionele afstand. Een bijna-bonus, een tease of een net gemiste jackpotlijn voelt krachtig. Toch is dat geen signaal. Het is onderdeel van de presentatie. Wie dat begrijpt, speelt minder impulsief. U hoeft niet na elke misser uw inzet te verhogen. U hoeft ook niet langer door te gaan omdat de jackpot “warm” lijkt. Een goed ritme komt uit uw plan, niet uit het scherm.

Budget aan tafel

Budget aan tafel is belangrijker dan de jackpot zelf. Een groot prijsbedrag kan spelers verleiden tot hogere inzetten. Dat lijkt logisch, omdat sommige jackpots pas vanaf een bepaald inzetniveau beschikbaar zijn. Toch moet de inzet altijd passen bij het bedrag dat u vooraf kunt missen. Een jackpotspel met een te hoge inzet maakt de sessie kort, gespannen en vaak onnodig duur.

Een praktische aanpak werkt beter. Kies vooraf een vast bedrag voor de sessie. Deel dat bedrag door het aantal spins of minuten dat u wilt spelen. Zo ziet u meteen welke inzet haalbaar is. Met €20 speelt u heel anders dan met €100. Een lage inzet geeft meer rondes en meer tijd om het spel te ervaren. Een hoge inzet geeft meer druk en sneller verlies. Dat verschil is belangrijker dan de grootte van de jackpot.

Slotoro noemt een minimale storting van €10 en betaalmethoden zoals Visa, Mastercard, Skrill, Neteller en Bitcoin. Zulke betaalopties maken storten makkelijk, maar gemak mag geen reden zijn om zonder limiet door te gaan. De beste budgetregel blijft eenvoudig: stort voor vermaak, niet voor herstel. Stop na verlies. Neem winst niet meteen opnieuw mee naar een hogere inzet. Bewaar controle op het moment waarop het nog makkelijk voelt.

Spelen met controle

Spelen met controle maakt jackpotspellen leuker en veiliger. Controle begint vóór de eerste spin. Lees de spelregels, bekijk de inzetvereisten en controleer of de jackpot vast of progressief is. Kijk ook of een bonus actief is en welke spellen meetellen. Slotoro noemt een welkomstbonus tot €2.500 plus 250 free spins, met promoties en bonusinformatie in het account. Bonuswaarde kan nuttig zijn, maar alleen bij duidelijke voorwaarden.

Controle betekent ook dat u signalen serieus neemt. Irritatie, haast en de drang om verlies terug te winnen zijn slechte startpunten. Een pauze werkt dan beter dan een nieuwe storting. De website benadrukt ook limieten, pauzes en zelfuitsluiting als accounttools. Dat past bij verantwoord spelen, omdat zulke functies niet alleen voor probleemmomenten bestaan. Ze helpen ook bij normale sessies met een vooraf gekozen grens.

Een realistische verwachting klinkt misschien minder spannend dan een jackpotbelofte, maar ze maakt de ervaring beter. U weet dan waarom u speelt. U speelt voor spanning, thema’s, bonusrondes en de kleine kans op iets groots. Niet voor zekerheid. Jackpotspellen kunnen mooie momenten geven, maar alleen wanneer het verlies binnen uw plan past. De beste winst is soms geen prijs op het scherm, maar het vermogen om op tijd te stoppen.

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা

ডিজিটাল ডেস্ক

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) নতুন দাম ঘোষণা করে বিইআরসি।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তার আগে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।

নতুন দাম কার্যকর হওয়ার ফলে সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবর মাসে ভোক্তাদের ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে ২৫২ টাকা বেশি গুনতে হবে।

Click to comment

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ইবিতে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও অভিযান

ইবি প্রতিনিধি

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সরকারের ঘোষিত তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে ফেলা হয়।

কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মামুন আল রশীদ, জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. সরফরাজ নেওয়াজ, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি আব্দুল মঈদ বাবুলসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টরা।

অভিযানের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে জমে থাকা পানি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাইকে সচেতন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “আজকের এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র একদিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়। ইতোমধ্যে ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করেছে। এটি এখন আর শুধু ঢাকা শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; দেশের প্রান্তিক অঞ্চলগুলোতেও ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিয়েছে। আমরা যদি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন না হই, তাহলে আমাদেরও এর ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বাংলাদেশের অন্যতম একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই, যা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় অনুসরণ করবে। একাডেমিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম ও শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও প্রাণবন্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা এই ক্যাম্পাসকে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, ক্লিন ও গ্রিন ক্যাম্পাসে রূপান্তর করতে চাই।”

উপাচার্য আরও বলেন, “এ জন্য আপনাদের সবার সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। আপনারা নিজ নিজ অবস্থান ও আঙিনায় উদ্যোগ নিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করবেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা আশা করি, এক মাসের মধ্যেই ক্যাম্পাসের পরিবেশে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে পাব।”

Click to comment

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে সরকারের ঘোষিত তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম।

উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই শ্রেয়। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা শাবিপ্রবিতে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য একটি পরিচ্ছন্ন, সুস্থ ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, যাতে ডেঙ্গুসহ সার্বিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে আমরা সবাই মুক্ত থাকতে পারি।”

ক্যাম্পাসের বিশাল আয়তনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রাথমিক ধাপে পরিচ্ছন্নতা কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ৭০ জনেরও বেশি বহিরাগত শ্রমিক এনে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ক্যাম্পাসকে ছয়টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ভবন ও বিভাগ নিয়মিত পরিচ্ছন্ন রাখতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজেদের উদ্যোগী হতে হবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে প্রত্যেকে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্র ও ভবন পরিচ্ছন্ন রাখার চর্চা বজায় রাখলে সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর রূপ নেবে।”

অনুষ্ঠানে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং প্রাথমিক পর্যায়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়া শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল, শিক্ষায়তনিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, আবাসিক এলাকা ও আশপাশের উন্মু্ক্ত স্থানে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Click to comment

‘প্রধানমন্ত্রী গাছ লাগাবেন’ বলে রোপণ করা গাছ তুলে ফেলতে বাধ্য হলেন ইবি শিক্ষার্থী

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নবনির্মিত শহীদ আবরার ফাহাদ হল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চলতি মাসের ১২-১৫ তারিখের দিকে কুষ্টিয়া শহরের সিডিউল রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। একই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে হল উদ্বোধনের কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে এখনও নির্ধারিত সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

এদিকে অনুষ্ঠিতব্য উদ্বোধন কর্মসূচির অংশ হিসেবে হলটির আশেপাশে সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ রোপণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এজন্য শিক্ষার্থীর রোপণ করা সৌন্দর্যবর্ধনকারী রক্তকাঞ্চন গাছ হলের সামনে থেকে তুলে ফেলার নির্দেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বাধ্য হয়ে ইতোমধ্যে রোপণ করা ২০টির মতো গাছ তুলে ফেলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থী।

এনিয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের স্ট্যাটাসে প্রতিক্রিয়া জানান হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম) বিভাগের শিক্ষার্থী মানিক রহমান।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, চলতি বছরের জুলাই মাসে শহীদ আবরার হলের সামনে রক্তকাঞ্চনের গাছ লাগান তিনি। গাছগুলো লাগানোর পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস, এস্টেট অফিস, ছাত্র উপদেষ্টা অফিস, প্রক্টর অফিস ও ইঞ্জিনিয়ারিং অফিস থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়েছিলেন। যেসব জায়গায় স্থায়ী কোনো স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা নেই এবং সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ লাগানো যেতে পারে— সেসব জায়গায় সৌন্দর্যবর্ধনকারী এসব গাছ লাগিয়েছিলেন তিনি।

তিনি জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর তাকে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের প্রভোস্ট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অফিস থেকে ফোন করে গাছগুলো তুলে ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হয়। কারণ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে শহীদ আবরার ফাহাদ হল উদ্বোধন করে হলের সামনে সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ লাগাবেন।

এবিষয়ে মানিক বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় রোপণ করা গাছগুলো তুলে ফেলছি। ওইগুলো সরিয়ে ৩ জনকে দিয়েছি। ৩টা চাপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে গেছে, ৮টা কুড়িগ্রাম যাবে, আর ৬টা ত্রিবেণীর (ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী) এক মাদ্রাসার জন্য এক আপু নিয়েছে। গাছ ছিল ২২ টা। দুইটা মরে গেছে। দুইটা ওখান ইট ফেলানোর কারণে দুইটা চাপা পড়ছে হয়তো। গাছ তুলার সময় একটা নষ্ট হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. হাফিজুর রহমান বলেন, হলের সামনে মাটি দ্বারা সমান করা হবে এবং ওখানে গার্ডেন করা হবে এজন্য তাকে গাছ সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সরানোর বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেননি।

গাছগুলো সরানোর বিষয়ে জানতে চাইলে এস্টেট অফিস প্রধান মো. আলাউদ্দিন বলেন, উপাচার্য স্যারের নির্দেশে এটা করা হয়েছে। এ বিষয়টা উপাচার্য স্যার দেখছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুলকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, প্রভোস্ট তাকে যা বলেছেন, এ ব্যাপারে আমার বক্তব্য নেই। আমি এর সাথে জড়িত নই। তবে আমরা তাকে যেভাবে গাছ রোপণ করতে অনুমতি দিয়েছিলাম, সেভাবে সে রোপণ করেনি।

Click to comment

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির অষ্টম বর্ষে পদার্পণ

ববি প্রতিনিধি

‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তারুণ্যের মূল প্রবাদ’—এই স্লোগানকে ধারণ করে ২০১৯ সালের ৩ অক্টোবর যাত্রা শুরু করা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ববিসাস) গৌরব ও সাফল্যের সঙ্গে অষ্টম বর্ষে পদার্পণ করেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সমস্যা, শিক্ষার্থীদের সাফল্য ও সম্ভাবনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরে আসছে।

আট বছরের পথচলায় ববিসাস বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ঘটনা ও কার্যক্রমের সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, সংকট ও সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরছে সংগঠনটির সদস্যরা। ক্যাম্পাসের ইতিবাচক উদ্যোগ, শিক্ষার্থীদের অর্জন, গবেষণা ও উদ্ভাবন, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যা ও অনিয়মের বিষয়ও গণমাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করে আসছেন তারা।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা ও সাংবাদিকতার নৈতিকতাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে আসছে ববিসাস। সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে দায়িত্বশীল ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে সংগঠনটি।

ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের অধিকার, শিক্ষা ও গবেষণার অগ্রগতি এবং সম্ভাবনাকে সমাজের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই ববিসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা বিষয় জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে তুলে ধরে আসছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ও বৃহত্তর সমাজের মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদানের ক্ষেত্রেও সংগঠনটির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরছে। বস্তুনিষ্ঠতার যে ভিশন নিয়ে ববিসাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, আজ অষ্টম বছরে এসে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় থাকবে বলে বিশ্বাস করি।”

তিনি আরো বলেন, “ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের কথা তুলে ধরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার অগ্রগতি ও সম্ভাবনাকে মানুষের সামনে নিয়ে আসা। একই সঙ্গে কোনো সমস্যা থাকলে তা সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টিতে আনা। ববিসাস ভবিষ্যতেও সাংবাদিকতার নীতি ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাবে।”

ববিসাসের আট বছরের পথচলায় সংগঠনটির বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করা সদস্যদের অবদানও গুরুত্বপূর্ণ। তাদের অভিজ্ঞতা ও বর্তমান সদস্যদের কর্মচাঞ্চল্যের সমন্বয়ে সংগঠনটি সামনে আরও শক্তিশালী ও পেশাদার ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করতে চায়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই সময়ে সংগঠনটির সদস্যদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে ববিসাস আরও বেশি শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক ও তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতার চর্চা করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা ও সম্ভাবনা সমান গুরুত্বে তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অধিকার, শিক্ষা, গবেষণা ও অর্জনের খবর আরও বিস্তৃত পরিসরে গণমাধ্যমে পৌঁছে দেবে।

সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রত্যয় নিয়ে শুরু হওয়া ববিসাসের আট বছরের পথচলা তাই কেবল একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপনের বিষয় নয়; বরং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্বশীল ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার চর্চাকে আরও এগিয়ে নেওয়ারও একটি প্রত্যয়।

Click to comment

ইবিতে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ইবি প্রতিনিধি

দেশের ২২টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) প্রথমবারের মতো ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন-২০২৬’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সঙ্গে শিল্প খাতের সমন্বয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে ‘শিক্ষা-শিল্পের ঐকতান: কর্মসংস্থানের সমাধান’ প্রতিপাদ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান।

সভায় বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভাবনা তুলে ধরেন। এ জন্য পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিল্প খাতের চাহিদার সমন্বয় এবং গবেষণা ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দেশের শিক্ষা ও গবেষণাব্যবস্থায় উদ্ভাবন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে স্টার্টআপ খাতে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষকদের একটি করে ট্যাব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে শিক্ষাকে আরও আনন্দময় ও প্রযুক্তিনির্ভর করা যায়।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা অর্জন, সংস্কৃতিচর্চা ও খেলাধুলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য শিক্ষাক্রমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প খাতের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কার্যকর সংযোগ গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালি সফরে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও প্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের মেধাবীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকের পর কয়েকজন বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে চিন্তা-চেতনা ও ধ্যানধারণায় মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। শিক্ষাক্রমে এসব পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটাতে না পারলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশিত অবস্থান তৈরি করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, গবেষণা, একাডেমিক কার্যক্রম ও পারস্পরিক সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তুত। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বার সব সময় উন্মুক্ত থাকবে।

উপাচার্য আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ একাডেমিক কর্তৃপক্ষ একাডেমিক কাউন্সিল প্রতিটি ডিসিপ্লিনের পাঠ্যক্রমে তিন ক্রেডিটের ১০০ নম্বরের একটি করে শিল্পসংশ্লিষ্ট কোর্স অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ, গবেষণা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ ও সহযোগিতা গড়ে উঠবে।

উল্লেখ্য, সভায় স্কয়ার, প্রাণ-আরএফএল, নেসলে, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, আনোয়ার ইস্পাত, শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক, বিআরবি ক্যাবলস, বাংলালিংক, টেলিটক, বিটোপিয়া লিমিটেড, বেনকিউ, টেকনোডেরা, এনসিংগা, টিপি-লিংক, সিটিও টেকনোলজি, এজি ফুড, রাজবাড়ী জুট মিলস, আকিজ রিসোর্স, আকিজ ভেঞ্চার, মাতাদোর, ওয়ালিদ লিফট, বিএটি বাংলাদেশ ও গোল্ডেন জুটসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও করপোরেট সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

Click to comment

বেরোবিতে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স-এর এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু

বেরোবি প্রতিনিধি,

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর -এর ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স-এর এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান আজ শনিবার (০৩ অক্টোবর, ২০২৬) একাডেমিক ভবন ০৩ এর মার্কেটিং বিভাগের ২০১ নং কক্ষে (গ্যালারি রুম) শুরু হয়েছে। এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত সেখানে গবেষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

আজ ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স ঝঃধঃরংঃরপং রহ জবংবধৎপয (ওজঊ ১০১) এর কোর্সশিক্ষক বেরোবি পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান সকালে উপর্যুক্ত বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন। অপরদিকে ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেকটি কোর্স জবংবধৎপয গবঃযড়ফড়ষড়মু (ওজঊ ১০২) এর কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান বিকেলে দ্বিতীয় সেশনে উপর্যুক্ত বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।

এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স এর পরিচালক (দায়িত্বে) এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এম ফিল ও পিএইচ ডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট কোর্সওয়ার্ক কার্যক্রম সম্পন্ন করে তাঁরা তাঁদের গবেষণা কার্যক্রম নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন। ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য যে, এম ফিল ও পিএইচ ডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী (শিক্ষাবর্ষ ২০২৫-২০২৬) গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।

Click to comment

জাতীয় পথশিশু দিবস ও ডেঙ্গু সচেতনতায় সিআরসির আলোচনা সভা

ইবি প্রতিনিধি

জাতীয় পথশিশু দিবস উপলক্ষে এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাম ফর রোড চাইল্ড (সিআরসি), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়(ইবি) শাখার স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় সিআরসি স্কুল, ইবি শাখায় এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সিআরসি, ইবি শাখার সভাপতি তানভীর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, স্কুল পরিচালক সাইফুদ্দীন সিদ্দীকসহ স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

আলোচনা সভায় সিআরসির সভাপতি তানভীর আহমেদ বলেন, “আমাদের উচিত নিজে শিক্ষার আলো গ্রহণ করে তা অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়া। শিক্ষার মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের এগিয়ে নিতে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং ব্যক্তিগতভাবে সতর্ক থাকার বিষয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরামর্শ দেন।
আলোচনা শেষে সিআরসি স্কুল পরিচালক সাইফুদ্দীন সিদ্দীক বলেন, “আজ আমরা যেসব বিষয় শুনলাম, সেগুলো নিজেদের জীবনে মেনে চলার পাশাপাশি আমাদের আশপাশের মানুষদেরও জানাতে হবে এবং তাদের সচেতন করতে হবে। সম্মিলিত সচেতনতাই একটি সুন্দর ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

উল্লেখ্য, আলোচনা সভায় জাতীয় পথশিশু দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি পথশিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

Click to comment

সিইসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল মুম্বাই, ১০ অক্টোবর ‘দিল্লি চলো’ ডাক

নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা রক্ষা এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে ভারতের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক শিবাজি পার্কে হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর বিশাল বিক্ষোভের পর আগামী ১০ অক্টোবর রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে নতুন করে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। খবর এনডিটিভি ডটকম। 

জ্ঞানেশের পদত্যাগ-সহ একাধিক দাবিতে শুক্রবার (২ অক্টোর) গান্ধীরজয়ন্তীতে মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে জড়ো হয়েছিলেন ককরোচেরা। তাদের ডাকে হাজার হাজার মানুষ জমায়েত করেন। ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) নামে গণহারে ভোটারদের নাম বাদ এবং অনিয়মের প্রতিবাদ জানান তারা। সেখান থেকেই রাতে ‘দিল্লি চলো’ ডাক দেন অভিজিৎ। 

সংগঠনের শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ ‘দিল্লি চলো’র ডাক দিয়ে বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে দেশের জেন জি (তরুণ প্রজন্ম) দিল্লি অভিমুখে মিছিল করবে। এবার আমরা গড়ে তুলব “যন্তর মন্তর ২.০”।’

তিনি সাফ জানান, পুলিশ বাধা দিলে যেখানে আটকানো হবে, সেখানেই প্রতিবাদের নতুন ক্ষেত্র প্রস্তুত হবে। এই অহিংস আন্দোলনে দেশের প্রতিটি অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচনকামী নাগরিককে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সিইসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল মুম্বাই, আটক পাঁচ শতাধিক

মুম্বাই পুলিশের অনুমতি না থাকা এবং তীব্র দাবদাহ সত্ত্বেও তরুণদের এই বিক্ষোভ সমাবেশ দাদর ও শিবাজি পার্ক এলাকায় জনস্রোতে পরিণত হয়। জাতীয় পতাকা, প্লে-কার্ড এবং অভিনব নানা ব্যানার হাতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। সমাবেশে সিজেপি নেতা অজিন্ক্য শিন্দে দাবি তোলেন, সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করতে হবে, ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা স্থগিত রাখতে হবে এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন বাতিল করতে হবে।

অভিজিৎ দীপকের মতে, বিগত লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনগুলোতে ব্যাপক ভোটার ছাঁটাই এবং নতুন নাম অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম ব্যবধান তৈরি করা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, গত দুই বছরে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। বিশেষ করে দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তামিলনাড়ুর এম কে স্টালিন এবং পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ বিরোধী নেতাদের কেন্দ্রে হাজার হাজার ভোটার বাদ পড়া ও তাঁদের পরাজয়ের বিষ্যে প্রশ্ন তোলেন তিনি। শাসকদলের ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নীতির তীব্র সমালোচনা করে একে ‘এক দেশ, এক দল’ ব্যবস্থা চালুর ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করেন বিক্ষোভকারীরা।

গান্ধী জয়ন্তীতে আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অহিংসা ও সংবিধান রক্ষার বার্তা দেওয়া হয়। বামপন্থী সংগঠন এসএফআই, এআইএসএফ ছাড়াও এতে যোগ দেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা। অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ, শাবানা আজমি, চলচ্চিত্র নির্মাতা বিশাল ভরদ্বাজ, হানসাল মেহতা, সংগীত পরিচালক বিশাল দাদলানি এবং মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী উপস্থিত থেকে তরুণদের আন্দোলনকে সংহতি জানান। এছাড়া শিবসেনা (উদ্ধভ বালাসাহেব ঠাকরে) দলও এতে পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করে।

শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সমাবেশস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে দেশাত্মবোধক গান ও প্রতিবাদী স্লোগানে। আইনি ও নৈতিক দিক থেকে নির্বাচন কমিশনের এই ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ করে আন্দোলনকারীরা জানান, ভোটাধিকার হরণ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এবং নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই দিল্লি রাজপথে অব্যাহত থাকবে।

Click to comment

দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে ‘ফেরা’য় বাকৃবি মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের নতুন যাত্রা 

বাকৃবি প্রতিনিধি

দীর্ঘ বিরতির পর নতুন কমিটির হাত ধরে আবারও সক্রিয় হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মিউজিক্যাল রেজিমেন্ট’। নতুন কমিটির প্রথম আয়োজন হিসেবে ‘ফেরা’ শিরোনামে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি নতুন যাত্রা শুরু করেছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। ‘পুরনো পথে নতুন পথ চলা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মোট ১৮টি গান পরিবেশিত হয়।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রিভু কুমার সাহা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের আয়োজনে মিউজিশিয়ানদের নিয়মিত অংশগ্রহণ ও গান পরিবেশনের সুযোগ সীমিত থাকায় ক্যাম্পাসের সংগীতপ্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বতন্ত্র প্ল্যাটফর্ম তৈরির প্রয়োজন থেকেই মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনটির মূল লক্ষ্য সংগীতপ্রেমী শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা।

তিনি জানান, প্রথম কমিটির অধীনে সংগঠনটি সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করলেও দ্বিতীয় কমিটির সময়ে বিভিন্ন কারণে কার্যক্রম থেমে যায়। একই সময়ে ক্যাম্পাসের অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যক্রমও অনেকটা স্তিমিত হয়ে পড়ে। পরে শিক্ষকদের অনুপ্রেরণায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক চাঁদ রাত উপলক্ষে ‘মুনলিট নাইট’ আয়োজন করা হলেও নতুন কমিটি না থাকায় পরবর্তী সময়ে সংগঠনটির কার্যক্রম আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।

রিভু কুমার সাহা আরও বলেন, ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নতুন করে সক্রিয় হতে শুরু করলে মিউজিক্যাল রেজিমেন্টকেও পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। শিক্ষক প্রতীক, ফরহাদ কাদির ও শহিদুলের অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় ‘ফেরা’ আয়োজন সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।

বাকৃবির পুরোনো সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর অন্যতম মিউজিক্যাল রেজিমেন্টের সঙ্গে বর্তমানে গান ও বাদ্যযন্ত্রচর্চায় আগ্রহী বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন। নতুন কমিটি তাদের প্রতিভা ও উদ্যমকে কাজে লাগিয়ে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

দীর্ঘ বিরতি ও নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে নতুন কমিটি গঠন এবং ‘ফেরা’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাকৃবির সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আবারও যাত্রা শুরু করল মিউজিক্যাল রেজিমেন্ট।

Click to comment