Connect with us

Promotiekalenders en hun echte waarde

Voordelen van promotiekalenders

Promotiekalenders bieden spelers een overzicht van beschikbare bonussen en acties gedurende het jaar. Ze maken het eenvoudig om speciale aanbiedingen niet te missen. Door een kalender te volgen, weten spelers precies wanneer ze extra free spins, cashback of andere beloningen kunnen verwachten.

Een goed gestructureerde promotiekalender helpt bij het plannen van stortingen en inzetten. Spelers kunnen hun speelbudget optimaliseren en hun kansen vergroten om van de beste aanbiedingen te profiteren. Het geeft een gevoel van controle en transparantie in een vaak dynamische online casino-omgeving.

Bij LuckyCapone toont de promotiekalender bijvoorbeeld het welcome package tot €1.500 en wekelijkse cashback acties. Dit maakt het makkelijker voor nieuwe en terugkerende spelers om hun strategie aan te passen en optimaal van bonussen te genieten.

Hoe promotiekalenders strategie beïnvloeden

Het volgen van een promotiekalender kan de manier waarop spelers inzetten drastisch veranderen. Door te weten wanneer specifieke acties lopen, kunnen spelers hun speelsessies plannen rond de meest lucratieve periodes. Dit vergroot niet alleen het plezier, maar kan ook financieel voordelig zijn.

Strategisch gebruik van een kalender betekent dat spelers hun inzetpatronen kunnen aanpassen op basis van beschikbare bonussen. Bijvoorbeeld, inzetten op populaire slots of live spellen wanneer er extra free spins beschikbaar zijn, kan het rendement verhogen. Het vereist enige planning, maar de beloning kan significant zijn.

Promotiekalenders zorgen ook voor een beter overzicht van het totaalplaatje van alle aanbiedingen. Spelers zien welke acties elkaar overlappen en kunnen zo dubbel voordeel behalen. Hierdoor worden keuzes bewust gemaakt en risico’s beperkt.

De regels en voorwaarden van bonussen

Elke promotie komt met specifieke voorwaarden die strikt gevolgd moeten worden. Wagering requirements, maximale inzetten per spin en geldigheidstermijnen bepalen hoe en wanneer een bonus gebruikt kan worden. Het negeren van deze regels kan leiden tot verlies van de promotie.

Bij LuckyCapone bijvoorbeeld, gelden standaard 40x wagering requirements en maximale inzetlimieten van €5 tijdens het rondspelen van bonussen. Ook is de geldigheid vaak beperkt tot 14 dagen. Deze regels zijn bedoeld om eerlijk spel te garanderen en misbruik van promoties te voorkomen.

Het is essentieel dat spelers deze voorwaarden begrijpen voordat ze beginnen met inzetten. Door duidelijk inzicht in de regels kunnen onverwachte verrassingen worden vermeden. Hierdoor blijft de ervaring positief en winstgevend.

Praktische tips voor optimaal gebruik

Spelers kunnen hun voordeel maximaliseren door de promotiekalender regelmatig te controleren. Het plannen van stortingen rond belangrijke acties kan extra winst opleveren. Ook het combineren van verschillende aanbiedingen is mogelijk, mits de voorwaarden dit toelaten.

Een andere tip is om aandacht te besteden aan de soorten bonussen. Cashback biedt een tweede kans bij verlies, terwijl free spins de mogelijkheid geven om nieuwe spellen zonder risico uit te proberen. Slim gebruik van deze aanbiedingen verhoogt zowel het speelplezier als de kans op succes.

Tot slot helpt consistentie bij het gebruik van promotiekalenders. Door regelmatig deel te nemen aan acties en rekening te houden met de voorwaarden, kunnen spelers hun strategie verfijnen en optimaal profiteren van alle voordelen die online casino’s bieden.

কুবিতে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে ৪২ প্রতিষ্ঠানের শিল্প-একাডেমিয়া বৈঠক

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি :

শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন, ইন্টার্নশিপ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘রাউন্ডটেবিল অন ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবোরেশন ইনিশিয়েটিভস’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। এ ছাড়া বৈঠকে ৪২টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বৈঠকে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি চাকরিতে কুবি শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ল্যাব সুবিধা বিনিময়েরও প্রতিশ্রুতি দেন তারা। এছাড়া, শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী করতে কারিকুলাম পুনর্বিন্যাসের পাশাপাশি বাস্তবমুখী ও কর্মসংস্থান উপযোগী বিষয় চালুর পরামর্শ দেন তারা।

বৈঠক শেষে ছয়টি প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে এমওইউ স্বাক্ষরে সম্মতি জানায়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম বলেন, ‘আমাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা শুরু থেকেই ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করার কথা বলে আসছি। বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির উৎসাহেই আজকের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ ৪২টি প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমরা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছি। এসব এমওইউর মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও চাকরির সুযোগ তৈরি করা, ফ্যাকাল্টি এক্সচেঞ্জ, পারস্পরিক চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কাজ করা এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের ল্যাব পারস্পরিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমওইউ হয়েছে, সামনে আরও হবে। আজ ইউজিসির সদস্য জানিয়েছেন, দুই মাস পর এ উদ্যোগের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। আমরা কতটুকু করতে পেরেছি, তা দেখা হবে। আমরা অবশ্যই আমাদের মূল লক্ষ্য, অর্থাৎ দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কর্মযোগ্যতা ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে কাজ করে যাব।’

ইউজিসির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন। এর অন্যতম অনুষঙ্গ হলো একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করা। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে যেসব সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হচ্ছে, সেগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং এমওইউর উদ্দেশ্যের কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না, তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে আমরা যে জব লার্নিং পিরিয়ড নির্ধারণ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয় ও একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির সম্পর্কের মাধ্যমে সেটিও যেন ফলপ্রসূ হয়, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।’

তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের আয়োজন এবারই প্রথম। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এটি এ ধরনের ১২তম আয়োজন।’

উল্লেখ্য, ৪২টি প্রতিষ্ঠান বৈঠকে অংশ নিলেও এমওইউ স্বাক্ষর করেছে ছয়টি প্রতিষ্ঠান। স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো স্মার্ট সলিউশন, বাংলাদেশ স্মল অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিক), ড্যাপকো ভেঞ্চারস লিমিটেড, সুপ্রিম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, উইডেভস অ্যান্ড উইল্যাব এবং ফ্লোরিনা কসমেটিকস।

Click to comment

বেরোবিতে পাঁচ দফা দাবিতে শিবির নেতাকর্মীদের স্মারকলিপি

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি:

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) আবাসিক হলের সিট বণ্টন, হল ডাইনিংয়ের খাবারে ভর্তুকি, আবাসন সংকট নিরসন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিতসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও হল প্রভোস্ট কাছে তারা এ স্মারকলিপি জমা দেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি আবাসিক পরিবেশও তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ও পড়াশোনার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। তবে আবাসিক হলের সিট বণ্টন, ডাইনিংয়ের খাবারের দাম ও মান, হলের পরিবেশ এবং পড়াশোনার উপযোগী সুযোগ-সুবিধা নিয়ে শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

এ সময় শিবিরের নেতাকর্মীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে সিট সংকট রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীকে একটি সিটে একাধিকজন থাকতে হচ্ছে। এতে পড়াশোনা ও বিশ্রামের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। তাই মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টনের পাশাপাশি এক সিটে একজনের আবাসন নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে হল ডাইনিংয়ের খাবারের খরচ শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে ডাইনিংয়ের খাবারে ভর্তুকি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

হলের ওয়াশরুমসহ বিভিন্ন স্থানের পরিচ্ছন্নতা নিয়েও অভিযোগ তুলে তারা বলেন, আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি পড়াশোনার জন্য নিরিবিলি পরিবেশ তৈরিতে হলে রিডিং রুমের ব্যবস্থা করার দাবিও জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান নিয়েও অসন্তোষের কথা স্মারকলিপিতে তুলে ধরা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান উন্নয়নের দাবি জানান তারা।

তাদের দাবি সমূহ হলো মেধার ভিত্তিতে হলে সিট বণ্টন করতে হবে,হল ডাইনিংয়ের খাবারে ভর্তুকি দিতে হবে,এক সিটে একজনের আবাসন নিশ্চিত করতে হবে,হলের ওয়াশরুমসহ সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে,বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারের মান উন্নত করতে হবে।

অর্থনৈতিক বিভাগের মেহেদী হাসান বলেন, দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা হলে আবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে এবং পড়াশোনার জন্য আরও সুন্দর পরিবেশ তৈরি হবে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত এসব দাবি বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানায়।

Click to comment

শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন গোবিপ্রবি উপাচার্য

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় সংসদ ভবনসংলগ্ন তাঁদের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এ সময় তিনি ফাতিহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্যের শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় নবনিযুক্ত চার সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান উপাচার্য।

পৃথক পৃথক অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত বলেন, দলের ত্যাগী, পরীক্ষিত, অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতাদের জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার এ সিদ্ধান্ত বিএনপিকে আরো সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও গতিশীল করবে। নবনিযুক্ত চার সদস্য তাদের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতা কাজে লাগিয়ে দেশের গণতন্ত্রকে আরো সুসংহত করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উপাচার্য আরো বলেন, জাতীয় স্থায়ী কমিটি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম। নতুন চার সদস্যকে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে রাজনীতি, চিকিৎসা, পেশাজীবী অঙ্গন ও প্রশাসনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সমন্বয় ঘটেছে। একই সঙ্গে তিনি এ সিদ্ধান্তের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

Click to comment

১৫৬ দিনে হাম ও উপসর্গে ৯১৮ শিশুর মৃত্যু

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নিশ্চিত হামে মারা যায়নি কোনো শিশু।

একই সময়ে নতুন করে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২ জন। নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৯ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৯৮৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৩ জনের মধ্যে ১ জন ঢাকার এবং ২ জন সিলেটের বাসিন্দা।

এ নিয়ে গত ১৫৬ দিনে (৫ মাস ৩ দিন) হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯১৮ শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮১৯ শিশুর। নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৮০ জন। তাদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টা ভর্তি হওয়া ৯০৩ জনসহ এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ২৮৯ জন।

নতুন সুস্থ হওয়া ৯৬৭ জনসহ এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ ছেড়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ১৮০ জন। 

Click to comment

রাজধানীতে চালু হলো ‘মহিলা বাস’ সার্ভিস

নারী যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে ঢাকায় চালু হয়েছে বিশেষ মহিলা বাস সার্ভিস। বিআরটিসির উদ্যোগে চালু হওয়া ‘মহিলা বাস সার্ভিস (পিংক বাস)’ প্রাথমিকভাবে রাজধানীর ১০টি রুটে চলাচল করবে। 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিআরটিসি জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়া শহরে ১৩টি রুটে মোট ১৪টি বাস দিয়ে মহিলা বাস সার্ভিস চালু হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি, চট্টগ্রামে দুটি এবং বগুড়ায় দুটি বাস চলবে। ঢাকার বাসগুলো ১৬০টি স্টপেজে যাত্রীসেবা দেবে। চট্টগ্রামে ১২টি এবং বগুড়ায় ১৬টি স্টপেজ রাখা হয়েছে।

এই বাসগুলো মহিলা চালক ও মহিলা কন্ডাক্টরদের মাধ্যমে পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নারী যাত্রীদের পাশাপাশি বাসে কর্মরত নারী চালক ও সহকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাসগুলোতে সিসি ক্যামেরা ও জিপিএস সংযোজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ বলেন, ‘মহিলা বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে নারী যাত্রীরা বাসে ওঠার আগেই সহজে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এই সেবা শুধু উদ্বোধনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিয়মিতভাবে এর মান উন্নত করতে হবে।’

তিনি জানান, ঢাকার গণপরিবহনকে পরিবেশবান্ধব করতে ২০০টি বৈদ্যুতিক বাস (ইভি) কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১০০টি বাস নারীদের জন্য বিভিন্ন রুটে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। 

অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং বিআরটিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Click to comment

বেরোবি শাখা তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নেতৃত্বে শুভ-রুশাইদ

বেরোবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৬-২৭ কার্যকালের নেতৃত্বে এসেছেন শুভ কর্মকার ও রুশাইদ আহমেদ। সভাপতি শুভ কর্মকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম এবং সাধারণ সম্পাদক রুশাইদ আহমেদ গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক সাইশা সুলতানা সাদিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২৬-২৭ কার্যকালের জন্য শুভ কর্মকার ও রুশাইদ আহমেদকে মনোনীত করা হলো। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রণয়ন করে কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক বরাবর প্রেরণের জন্য নবনিযুক্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তরুণ লেখকদের মধ্যে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। নতুন কমিটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের লেখালেখিতে উৎসাহিত করা, তরুণ লেখকদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং বিভিন্ন লেখালেখি ও সাহিত্যভিত্তিক কার্যক্রম জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম বেরোবি শাখার সাধারণ সম্পাদক রুশাইদ আহমেদ নতুন দায়িত্ব পেয়ে বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম তরুণ শিক্ষার্থীদের লেখালেখি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার যে সংস্কৃতি দেশের শিক্ষাঙ্গনে সৃষ্টি করেছে, সেটিকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎসাহী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে আমরা সচেষ্ট। আমি আশা করি সকলে সম্মিলিতভাবে কাজ করে সংগঠনকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে।

সভাপতি শুভ কর্মকার বলেন, তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সভাপতি হিসেবে আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, এটি আমার জন্য আনন্দের পাশাপাশি একটি বড় দায়িত্বও। আমি একা নই, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ফোরামকে আরও সুন্দর ও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে নিতে চাই।

তিনি বলেন, তরুণদের লেখনী, চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে আরও এগিয়ে নিতে আমরা একসঙ্গে করব। আপনাদের সহযোগিতা ও পরামর্শ সবসময় প্রত্যাশা করি।

Click to comment

শাবিতে পর্দা উঠল ‘আশরাফুলের সহায়তায়’ চ্যারিটি ফুটবল টুর্নামেন্টের

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আশরাফুলের চিকিৎসায় সহায়তার লক্ষ্যে শুরু হয়েছে ‘আশরাফুলের সহায়তায়’ পাঁচ-এ-সাইড চ্যারিটি ফুটবল টুর্নামেন্ট।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া সংগঠন স্পোর্টস শাবিপ্রবির উদ্যোগে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক  মো. মোখলেসুর রহমান, স্পোর্টস ক্লাব শাবিপ্রবির সভাপতি হুসাইন ইমাম, সাধারণ সম্পাদক দুর্জয় বণিকসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য।

অনুষ্ঠানে প্রক্টর, সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যৌথভাবে টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন করেন। এ সময় তাঁরা টুর্নামেন্টের সফল আয়োজন ও সমাপ্তি কামনা করেন। 

একই সঙ্গে অসুস্থ আশরাফুলের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাঁর চিকিৎসায় সহায়তার উদ্যোগ নেওয়ায় স্পোর্টস শাবিপ্রবিকে সাধুবাদ জানান প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মোখলেসুর রহমান।

পরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ল্যাব রিপোর্ট এফসি ও ম্যাক্রোভার্সের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক খেলা শুরু হয়।

আয়োজকরা জানান, অসুস্থ আশরাফুলের চিকিৎসা ও সুস্থতার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানই এ চ্যারিটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। টুর্নামেন্টের মাধ্যমে খেলাধুলার পাশাপাশি মানবিক সহায়তার একটি উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

Click to comment

ববি তরুন কলাম লেখক ফোরামের নেতৃত্বে ইমা ও আবদুল কাদের

ববি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৬-২৭ কার্যবর্ষের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের (২০২১-২২সেশন) শিক্ষার্থী ইমা আক্তার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী (২০২৩–২৪ সেশন) শিক্ষার্থী আব্দুল কাদের জীবন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রণয়ন করে কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক বরাবর প্রেরণের জন্য নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অনুরোধ করা হয়েছে।

নবনির্বাচিত সভাপতি ইমা আক্তার বলেন, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম সবসময়ই তরুণদের মেধা ও লেখনীর বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। এই দায়িত্ব পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ এবং অনুপ্রাণিত। আমরা একসাথে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখাকে আরো সক্রিয় ও সৃজনশীল করে তুলব, যেন তরুণ লেখকরা তাদের ভাবনা ও সৃজনশীলতা আরো বিস্তৃত পরিসরে প্রকাশের সুযোগ পান।

অন্যদিকে নতুম দায়িত্বে পেয়ে সাধারণ সম্পাদক বলেন,”লেখালেখির মধ্য দিয়ে সমাজে পরিবর্তন নিয়ে আসার জন্য তরুন কলাম লেখক ফোরামের সৃষ্টি। তরুনদের রাজনীতি, অর্থীনীতি,জলবায়ু সচেতন করতে তুলতে সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে। বরিশাল
বিশ্ববিদ্যালয়কে লেখালেখিতে দেশের শীর্ষ অবস্থান নিয়ে যাওয়াই হলো এখন আমাদের প্রধান পরিকল্পনা। সকলের দোয়া কামনা করছি।

২০১৮ সালের ২৩ জুলাই ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ প্রতিপাদ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি তরুণ লেখকদের পরামর্শ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা-সংক্রান্ত কর্মশালা, সেমিনার ও আলোচনাসভা আয়োজনের মাধ্যমে এক নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনের দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

Click to comment

চলন্ত বাসে পরীক্ষামূলক স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সংযোগ দিল বিএসসিএল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াতের জন্য চালু হওয়া বিআরটিসির ‘মহিলা বাস সার্ভিসে’ পরীক্ষামূলকভাবে স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ উদ্বোধনের সময় একটি বাসে স্থাপিত এই স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সংযোগ প্রদর্শন করা হয়।

বিএসসিএলের উদ্যোগে বাসটিতে Starlink-এর হাই পারফরম্যান্স ডিভাইস স্থাপন করে পরীক্ষামূলকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হয়েছে।

চলন্ত অবস্থায় উচ্চগতির ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার সম্ভাবনা যাচাই এবং দেশের গণপরিবহনে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই এ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসসিএল।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য উন্নত ডিজিটাল সংযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাসসহ বিভিন্ন চলমান যানবাহনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক।

বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএসসিএল বলছে, দেশের গণপরিবহনে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে স্যাটেলাইটভিত্তিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে সরকারের প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে তারা কাজ করছে।

Click to comment

গত ৪ বছরে সড়ক দূর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে ববি’র ৪ প্রাণ

মাফিদুল হাসান, ববি

দক্ষিণাঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ খ্যাত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। জ্ঞান অর্জনের কেন্দ্রবিন্দু হলেও এই ক্যাম্পাসের সংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক এবং দপদপিয়া ব্রীজ যেন শিক্ষার্থীদের জন্য এক আতঙ্কের নাম।

গত চার বছরে পিচঢালা রাজপথে স্পিড ব্রেকারের অভাব, বেপরোয়া গণপরিবহন আর প্রশাসনিক উদাসীনতায় পিষ্ট হয়ে চিরতরে নিভে গেছে চার তরুণ প্রাণ। প্রতিটি দুর্ঘটনাই শুধু একটি নাম বা সংখ্যা নয়—একটি পরিবারের আজীবনের কান্নার গল্প।

মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ইসমাইল ইমন ২০২২ সালের নভেম্বরে মহাসড়কে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে প্রথম বড় ধাক্কা খায় পুরো ক্যাম্পাস।
ইমনের ক্ষত না শুকাতেই ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান মার্কেটিং বিভাগের আরেক উদীয়মান শিক্ষার্থী রাকিব হাসান রাফি।

২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর রাতে ক্যাম্পাসের সামনের মহাসড়কে দ্রুতগতির বাসের চাপায় পিষ্ট হন পরিসংখ্যান বিভাগের ২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মেধাবী ছাত্রী মাইশা ফাওজিয়া মিম। রক্তে রঞ্জিত হয় ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক।

আর সবশেষ গত ৯ আগস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হলেও সঠিক সময়ে জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা না হওয়ায় প্রাণ হারান তিনি।

এছাড়াও প্রায় প্রতিদিন প্রতিনিয়ত ঘটে চলছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দপদপিয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় আরো ছোটখাট সড়ক দুর্ঘটনা । ফলে বেড়ে যাচ্ছে আহতদের সংখ্যাও । প্রতিটি মৃত্যুর পর শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছেন, দাবি তুলেছেন, মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতির আশ্বাস মিললেও মেলেনি টেকসই নিরাপদ সড়কের সমাধান।

তালিকা আর কতটা দীর্ঘ হলে কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাঙবে? প্রশ্ন তুলেছেন সকল শিক্ষার্থী। অবিলম্বে মহাসড়কে ফুটপাত ও ওভারব্রিজ নির্মাণ, গতি নিয়ন্ত্রক স্থাপন এবং নিরাপদ বাস সার্ভিস নিশ্চিতের দাবি আজ প্রতিটি শিক্ষার্থীর।

Click to comment