Connect with us

ボンズカジノ参加への道:アカウント開設から勝利を掴むためのスターター戦略

オンラインカジノのエキサイティングな世界に足を踏み入れるための最初のステップは、ボンズカジノ 登録 を完了させることです。このプロセスは非常にシンプルで、初心者でも数分あれば完了できるよう設計されています。公式サイトの登録フォームに、メールアドレスやパスワード、電話番号などの基本情報を入力するだけで、膨大なゲームラインナップへのアクセス権を手に入れることができます。モバイル端末からでもスムーズに手続きが行えるため、外出先でも思い立った瞬間に自分だけのアカウントを作成することが可能です。

ボンズカジノの登録手順と限定オファー

日本国内で圧倒的な人気を誇る ボンズカジノ は、その豪華なウェルカムパッケージでも知られています。新規ユーザーとしてアカウントを作成する際、正確な個人情報を入力することは、将来的な勝利金の引き出し(本人確認プロセス)をスムーズに進めるために非常に重要です。信頼できるライセンスを保持しているプラットフォームであるため、提出したデータは高度な暗号化技術によって厳重に保護されます。安心して最高のゲーミング体験に没頭できる環境が整っているのが最大の魅力です。

登録時に大きなアドバンテージを得るための秘策は、有効な ボーナスコード ボンズカジノ を活用することです。このコードを登録フォームの専用欄に入力することで、通常の登録プロセスだけでは得られない特別なフリースピンや、入金不要で試せるボーナスチップを手にすることができます。競争の激しいカジノ業界において、このような初期インセンティブを賢く活用することは、少ないリスクで大きな勝利を狙うためのプロフェッショナルな戦略と言えます。最新のコードを忘れずに入力し、最高のスタートダッシュを切りましょう。

アカウント認証とセキュリティの重要性

アカウント作成後、スムーズなカジノライフを送るために欠かせないのが本人確認(KYC)です。ボンズカジノでは、プレイヤーの安全を守り、不正な取引を防ぐために、身分証明書や住所確認書類の提出を求めています。この手続きを登録直後に済ませておくことで、ジャックポットを当てた際の高額な勝利金も、遅延なく迅速にキャッシュアウトできるようになります。セキュリティは世界基準のプロトコルで守られており、プレイヤーは安心して資金を預け、スリル満点のゲームを楽しむことができます。

仮想通貨と多彩な決済オプション

ボンズカジノは、決済手段の多様性においても業界をリードしています。クレジットカードや銀行振込はもちろんのこと、ビットコインやイーサリアムといった仮想通貨での入出金も完全にサポートされています。特に仮想通貨を利用した取引は、匿名性が高く、処理スピードも驚異的に速いため、現代のオンラインプレイヤーにとって非常に魅力的な選択肢となっています。自分のライフスタイルに合わせた最適な入出金方法を選べる柔軟性が、多くのリピーターを惹きつけている理由の一つです。

充実の日本語サポート体制

登録方法やゲームのルール、ボーナスの反映について疑問が生じた場合でも、24時間年中無休の日本語カスタマーサポートがプレイヤーをバックアップします。ライブチャット機能を利用すれば、熟練の日本人スタッフとリアルタイムで対話ができ、即座に問題を解決することが可能です。初めてオンラインカジノに挑戦する方にとっても、これほど手厚いサポート体制があることは大きな安心感に繋がります。充実したFAQセクションも併設されており、基本的な質問への回答も即座に見つけることができます。

結論として、比類なきオンラインゲーミング体験を追求するなら、今すぐ bons カジノ のコミュニティに参加し、その圧倒的なクオリティを体感してください。洗練されたグラフィック、膨大なゲームボリューム、そしてプレイヤー第一のサービスが、あなたのカジノライフを劇的に進化させることでしょう。一度 ボンズカジノ 登録 を完了すれば、そこには日常を忘れさせるほどの刺激的なエンターテインメントが広がっています。正しい知識と ボーナスコード ボンズカジノ を武器に、輝かしい勝利への扉を叩いてください。

হরমুজ প্রণালীতে দুই সুপার ট্যাংকারে হামলার দাবি আইআরজিসির

ডিজিটাল ডেস্ক

হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী দুটি সুপার ট্যাংকারে হামলা চালিয়ে সেগুলো অচল করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বাহিনীটির দাবি, ইরানি কর্তৃপক্ষের সতর্কবার্তা অমান্য করে নির্ধারিত নৌপথের বাইরে চলাচলের চেষ্টা করায় ট্যাংকার দুটিকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।

সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তারা দুটি ‘বিদ্রোহী সুপার ট্যাংকারে’ আঘাত হেনে সেগুলোকে অচল করে দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ট্যাংকার দুটি হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের নেভিগেশন সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছিল এবং ইরানি কর্তৃপক্ষের সতর্কতা উপেক্ষা করে একটি ‘মাইন পাতা পথ’ দিয়ে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেছিল।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) জানায়, আল-বাহিয়া ও মোম্বাসা নামের দুটি ট্যাংকার ওমানের জলসীমায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। ওই হামলায় মোম্বাসা ট্যাংকারের একজন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করে দেশটি।

ইউএইর এ দাবির পরই হামলার দায় স্বীকার করে আইআরজিসি বিবৃতি দেয়। তবে তাদের বিবৃতিতে আক্রান্ত ট্যাংকারগুলোর নাম, সেগুলো কোন দেশের পতাকাবাহী ছিল কিংবা ঠিক কখন হামলা চালানো হয়েছে—এসব বিষয়ে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

সূত্র: সিএনএন

Click to comment

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের পক্ষেই ট্রাম্প প্রশাসনl

ডিজিটাল ডেস্ক

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মহারণ শুরুর আগেই ইংলিশদের প্রতি সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেও দেশটির বিশ্বকাপ প্রতিনিধি অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি জানিয়েছেন, এবার ইংল্যান্ডের হাতেই বিশ্বকাপের শিরোপা দেখতে চান তারা।

রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকে বিদায় নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন কোন দলের দিকে—এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জুলিয়ানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতার ২৫০তম বর্ষপূর্তিতে শিরোপা জিততে না পারলেও, সেই উদযাপনের বছরে ইংল্যান্ডের যুক্তরাষ্ট্রে এসে বিশ্বকাপ জেতা একটি দারুণ গল্প হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ৬০ বছরের শিরোপা-অপেক্ষায় থাকা ইংল্যান্ড বর্তমানে টুর্নামেন্টে টিকে থাকা অন্যতম শক্তিশালী দল এবং তাদের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার যথেষ্ট সামর্থ্য রয়েছে।

সাক্ষাৎকারে জুলিয়ানি আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও নিয়মিত ইংল্যান্ড দলের খোঁজখবর রাখছেন। সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে ‘দুর্দান্ত খেলোয়াড়’ ও ‘চমৎকার মানুষ’ বলে উল্লেখ করেছেন।

জুলিয়ানির মতে, ট্রাম্পের ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছেন তার ছোট ছেলে ব্যারন ট্রাম্প। কয়েক বছর আগে সাবেক ইংলিশ তারকা ওয়েইন রুনির সঙ্গে গলফ খেলার সময়ও ট্রাম্পের ফুটবল-জ্ঞান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গিয়েছিল বলে জানান তিনি।

ইংল্যান্ড দল নিয়ে নিজের মূল্যায়নে জুলিয়ানি বলেন, হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামের মতো খেলোয়াড়দের কারণে দলটি বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। তারা শিরোপা জয়ের সক্ষমতা রাখে। খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই বিশ্বাস তৈরি করতে পারলেই ইংল্যান্ড বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারে।

উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। অন্য সেমিফাইনালে লড়বে স্পেন ও ফ্রান্স।

Click to comment

ইরানি বিমান রুখতে সানা বিমানবন্দরের রানওয়ে উড়িয়ে দিল ইয়েমেন সরকার

ডিজিটাল ডেস্ক

ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমান হামলা চালিয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার। সরকারের দাবি, একটি ইরানি উড়োজাহাজকে বিমানবন্দরে অবতরণ করতে বাধা দিতেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে ইয়েমেন সরকার জানায়, ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের নিজস্ব একটি বিমানকে সানা বিমানবন্দরে অবতরণ করতে বাধা দেয়। একই সময়ে একটি ইরানি উড়োজাহাজকে সেখানে নামানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল। এ পরিস্থিতিতে রানওয়েকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

বর্তমানে রাজধানী সানাসহ উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা হুথি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর এডেন থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

হামলার আগে ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সাধারণ নাগরিক, বিমানবন্দর কর্মী, কূটনীতিক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তাদের বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছিল।

এদিকে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, এ হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে এবং এটি কোনোভাবেই শাস্তিহীন থাকবে না। তবে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন না করেই হামলার জন্য সরাসরি সৌদি আরবকে দায়ী করেছে হুথিরা।

সূত্র: আল জাজিরা

Click to comment

১৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধের ভাবনায় ইইউ: প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশেও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) জুড়ে ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কঠোর সীমাবদ্ধতা বা কার্যত নিষেধাজ্ঞা আনার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ফন ডার লেয়েন জানিয়েছেন, শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন আইন আনার বিষয়ে কমিশন কাজ করছে।

এদিকে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরোপের এই আইনি পদক্ষেপের প্রভাব সরাসরি না হলেও পরোক্ষভাবে এবং দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের ওপর পড়ার বড় সম্ভাবনা রয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের পরিকল্পনা ও সুপারিশ

ইউরোপীয় কমিশনের নিযুক্ত একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল সম্প্রতি সুপারিশ করেছে যে, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার শুধুমাত্র অভিভাবক, শিক্ষক বা দায়িত্বশীল প্রাপ্তবয়স্কদের তত্ত্বাবধানে সীমিত আকারে অনুমোদিত হওয়া উচিত। এছাড়া বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে অধিক স্বাধীনতা দেওয়ার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে TikTok, Instagram, Facebook, Snapchat এবং অনুরূপ প্ল্যাটফর্মগুলোতে শিশুদের অতিরিক্ত সময় ব্যয়, আসক্তি, সাইবার বুলিং, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং ক্ষতিকর কনটেন্টের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

এই বিষয়ে উরসুলা ফন ডার লেয়েন বলেন, “প্রশ্নটি আর এই নয় যে শিশুদের অনলাইনে ঝুঁকি আছে কি না। বরং প্রশ্ন হলো, আমরা কীভাবে শিশুদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারি। এটি শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রবেশাধিকার নিয়ে নয়; বরং সোশ্যাল মিডিয়া কখন এবং কীভাবে আমাদের শিশুদের কাছে পৌঁছাবে, সেটিই মূল বিষয়।”

বর্তমানে স্পেন, ফ্রান্স, গ্রিস, জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার মতো কয়েকটি EU সদস্য দেশ অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সীমাবদ্ধ করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সুপারিশ অনুযায়ী— ০–৩ বছর বয়সী শিশুদের স্ক্রিন থেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখা, ৩–১২ বছর বয়সীদের শুধুমাত্র তত্ত্বাবধানে বয়স-উপযোগী প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার এবং ১৩–১৮ বছর বয়সীদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে ধাপে ধাপে স্বাধীন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালের শেষ দিকে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা চালু করে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ইউরোপীয় কমিশনও এখন সেই অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করছে এবং ২০২৬ সালের পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক আইন প্রস্তাব উপস্থাপন করতে পারে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য প্রভাব: ভালো ও মন্দ দিক

প্রযুক্তি ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, প্রযুক্তির দুনিয়ায় ইউরোপ বা আমেরিকার যেকোনো বড় আইনি পরিবর্তন বৈশ্বিক টেক কোম্পানিগুলোকে তাদের বৈশ্বিক পলিসি ও অ্যালগরিদম বদলাতে বাধ্য করে। ফলে এই আইনের ঢেউ বাংলাদেশেও এসে পৌঁছাবে। এর ফলে কিছু ইতিবাচক এবং নেতিবাচক প্রভাব দেখা যেতে পারে:

ইতিবাচক প্রভাব

কঠোর বয়স যাচাইকরণ ব্যবস্থা: বর্তমানে বাংলাদেশেও ১৩ বছরের কম বয়সী অনেক শিশু ভুয়া জন্মসাল দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খোলে। মেটা বা টিকটক যদি আন্তর্জাতিক চাপের কারণে কঠোর বায়োমেট্রিক বা এআই-ভিত্তিক বয়স যাচাইকরণ প্রযুক্তি চালু করে, তবে বাংলাদেশি শিশুরাও সহজে আর ফাঁকি দিতে পারবে না।

নিরাপদ ‘কিডস সংস্করণ’ তৈরি: বড় কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়ে ৩-১২ বছর বয়সীদের জন্য আলাদা, নিরাপদ এবং বিজ্ঞাপনহীন সীমিত সংস্করণের প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে মনোযোগ দেবে (যেমনটা ইউটিউব কিডস)। এর ফলে বাংলাদেশি অভিভাবকেরাও সন্তানদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ পাবেন।

সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি: বিশ্বের একটি বড় অংশে এমন আইন হলে বাংলাদেশের অভিভাবক, শিক্ষক এবং সরকারের মধ্যেও সচেতনতা বাড়বে। বাংলাদেশেও শিশুদের স্ক্রিন টাইম কমানো এবং সাইবার বুলিং থেকে তাদের রক্ষা করার জন্য আইনি উদ্যোগ জোরদার হতে পারে।

নেতিবাচক প্রভাব 

অনিরাপদ বিকল্পের ঝুঁকি: মূলধারার সোশ্যাল মিডিয়া (Facebook, TikTok) কঠোর করা হলে, শিশুরা এমন সব থার্ড-পার্টি বা ডার্ক ওয়েব অ্যাপের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে যেখানে কোনো ফিল্টারিং বা নিরাপত্তা নেই। এটি শিশুদের আরও বেশি ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

ভিপিএন ও প্রযুক্তির অপব্যবহার: বাংলাদেশে প্রযুক্তিগত নজরদারি ও পারিবারিক সচেতনতা ইউরোপের মতো কঠোর নয়। ফলে শিশুরা ভিপিএন ব্যবহার করে বা অভিভাবকদের অজান্তেই লুকিয়ে এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার চেষ্টা করতে পারে, যা তাদের মধ্যে এক ধরণের নিয়ম ভাঙার প্রবণতা তৈরি করবে।

ডিজিটাল শিক্ষায় সাময়িক বাধা: বর্তমানে অনেক শিশু ইউটিউব বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সৃজনশীল কাজ, কোডিং বা ভাষা শেখে। বয়স নির্ধারণের কঠোর নিয়মের কারণে প্রকৃত শিক্ষণীয় কনটেন্ট বা প্ল্যাটফর্মেও শিশুদের প্রবেশাধিকার সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

ইউরোপীয় কমিশন এখনো এই আইন চূড়ান্ত করেনি, তবে এর প্রস্তুতি ও আলোচনা এখন তুঙ্গে। যদি এই আইন পাস হয়, তবে টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও ইউটিউবের মতো বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে ইউরোপের পাশাপাশি বিশ্বজুড়েই তাদের নিরাপত্তা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক এই পরিবর্তনের সুফল বাংলাদেশ কতটুকু পাবে, তা নির্ভর করবে দেশের নিজস্ব সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি এবং সর্বোপরি অভিভাবকদের সঠিক তত্ত্বাবধান ও সচেতনতার ওপর।

সম্ভাব্য প্রভাব

Click to comment

বিদেশে বসে বক্তব্য দিয়ে নেতাকর্মীদের উত্তেজিত করার চেষ্টা করছেন শেখ হাসিনা: শামা ওবায়েদ

ডিজিটাল রিপোর্ট

ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে রাজনৈতিকভাবে আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উত্তেজিত করার প্রচেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

শামা ওবায়েদ বলেন, শেখ হাসিনা একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করলে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে তাকে কারাগারে যেতে হবে এবং পরবর্তী সব কার্যক্রম আইনি প্রক্রিয়া অনুসারেই সম্পন্ন হবে।

তিনি বলেন, বিদেশে অবস্থান করে কোনো আসামির দেওয়া বক্তব্যকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না। তার ধারণা, এসব বক্তব্যের উদ্দেশ্য আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় বা উৎসাহিত করা।

প্রতিমন্ত্রী জানান, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা বা তার আত্মসমর্পণ-সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিদ্যমান আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক কাঠামোর মধ্য দিয়েই এ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।

শেখ হাসিনা কোথায় আত্মসমর্পণ করবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, এটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি বাংলাদেশে এসে কিংবা বিদেশে বাংলাদেশের কোনো মিশনে আত্মসমর্পণ করলেও আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পার্থক্য হবে না। আত্মসমর্পণের পর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে তাকে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একজন আসামির বক্তব্যকে সরকার আমলে নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া আগেই শুরু হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে নতুন করে কোনো প্রক্রিয়া শুরু করার প্রয়োজন নেই।

ভারতে অবস্থানকালে শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী এসব আলোচনায় বিষয়টি উঠে আসে। তবে দেশের বাইরে অবস্থান করলেও একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামির বিচার ও আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন হবে না।

Click to comment

ছাত্রশিবিরকে বিদায় জানালেন সাদিক কায়েম?

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি ও সংগঠনটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাদিক কায়েম। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

সাদিক কায়েম জানিয়েছেন, ছাত্রশিবিরের বছরে দুইবার সেটআপ হয়। ২০২৬ সালের ষাণ্মাসিক সেটআপে আমার বিদায় হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাদিক কায়েম ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ঘোষিত হয়েছেন আরও দুই মাস আগে। গত ১ মে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে আয়োজিত থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

এই ঘোষণার পর ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছাত্রশিবিরের পদে থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচন করার সুযোগ নেই।

Click to comment

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার শতভাগ সাফল্য, ইতিহাস কি বদলাতে পারবে ইংল্যান্ড?

স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এখন পর্যন্ত কখনো হারেনি আর্জেন্টিনা। ইতিহাসে পাঁচবার শেষ চারে উঠে প্রতিবারই ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। এবার সেই রেকর্ড ধরে রাখতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

বিশ্বকাপের শেষ চারের লড়াইয়ে এবার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ও স্পেন-ফ্রান্স। শিরোপার দৌড়ে চার দলের লড়াই ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে থাকলেও সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ।

সাম্প্রতিক দুই দেখায় ইংল্যান্ড এগিয়ে থাকলেও বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের লড়াই বরাবরই আলাদা গুরুত্ব বহন করে। বিশেষ করে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল এবং পরে করা অসাধারণ একক গোল আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অধ্যায়।

তবে ইংল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল রেকর্ড। ১৯৩০ বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০১৪ ও ২০২২—বিশ্বকাপে যতবার সেমিফাইনালে উঠেছে, প্রতিবারই জয় নিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা। পাঁচবারের পাঁচবারই শেষ চারের বাধা পেরিয়েছে তারা।

অবশ্য অতীতের পরিসংখ্যান মাঠের ফল নির্ধারণ করে না। তবুও সেমিফাইনালে অপরাজিত থাকার ইতিহাস বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সেই ইতিহাস বদলে ফাইনালে উঠতে মরিয়া ইংল্যান্ড।

এখন দেখার বিষয়, সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার শতভাগ সাফল্যের রেকর্ড অক্ষুণ্ন থাকে, নাকি নতুন ইতিহাস গড়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

Click to comment

সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশে স্বস্তিতে বিজয় সরকার, গরু জবাইয়ে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা আপাতত কার্যকর নয়

ডিজিটাল ডেস্ক

তামিলনাড়ুতে ঈদুল আজহাসহ অন্যান্য সময়ে গরু ও বাছুর জবাইয়ের ওপর মাদ্রাজ হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ আদালত মন্তব্য করেছেন, হাইকোর্টের ওই রায়ে সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। এতে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা তামিলনাড়ু সরকারের জন্য বড় আইনি স্বস্তি তৈরি হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দেওয়া এ আদেশে সুপ্রিম কোর্ট মাদ্রাজ হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেন। অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া বিজয় থালাপাতির নেতৃত্বাধীন তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) সরকারের করা আপিলের শুনানিতে এ আদেশ আসে।

এর আগে গত ২৭ মে মাদ্রাজ হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ ১৯৭৬ সালের একটি সরকারি আদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তামিলনাড়ুজুড়ে গরু জবাই সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল।

হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিদ্যমান আইনে নির্দিষ্ট শর্ত ও নির্দিষ্ট স্থানে কিছু শ্রেণির গবাদিপশু জবাইয়ের অনুমতি রয়েছে। তাই প্রচলিত আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এমন বিচারিক নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা যুক্তিসংগত নয়।

মাদ্রাজ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে বিচারপতি জি. আর. স্বামীনাথন ও বিচারপতি ভি. লক্ষ্মীনারায়ণন রায়টি দিয়েছিলেন। রায়ে ভারতীয় সংবিধানের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে গো-সম্পদ সংরক্ষণ এবং দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভারতীয় ঐতিহ্যে গরুর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কথাও তুলে ধরা হয়েছিল।

তবে ওই রায়ের বিরোধিতা করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা বলেন, তামিলনাড়ুতে মুসলিম সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় নিয়ম মেনে ঈদুল আজহায় কোরবানি দিয়ে আসছে। একই সঙ্গে অনেক হিন্দু মন্দিরেও ঐতিহ্যগতভাবে পশু বলির প্রচলন রয়েছে। এসব ধর্মীয় আচার শুধু লাইসেন্সপ্রাপ্ত কসাইখানায় সীমাবদ্ধ করা বাস্তবসম্মত নয় বলেও তারা মত দেন।

তামিলনাড়ু সরকারের পক্ষ থেকেও আদালতকে জানানো হয়, রাজ্যে বিদ্যমান পশু সংরক্ষণ আইন ও কসাইখানা-সংক্রান্ত বিধিমালায় পশু জবাইয়ের স্থান ও শর্ত নির্ধারণ করা থাকলেও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার কোনো বিধান নেই।

সূত্র: এনডিটিভি ও ভারতীয় গণমাধ্যম

Click to comment

এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড

বরিশাল প্রতিনিধি

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নতুন বাজেটে এ কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরিবারকে এ সুবিধার আওতায় আনা হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর অশ্বিনী কুমার ইনস্টিটিউট মাঠে ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানান, দেশে প্রায় চার কোটি পরিবার রয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গৌরনদীতে আজ ৬০০ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার বাকি পরিবারগুলোকেও এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর যে বাজেট হাতে পেয়েছে, সেটি আগের সরকারের প্রণীত ছিল। ফলে সেখানে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না। তবে নতুন বাজেটে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তারেক রহমান জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে সারা দেশে ৪১ লাখ পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। সে অনুযায়ী প্রতিটি উপজেলায় গড়ে প্রায় সাত হাজার পরিবার এ সুবিধা পাবে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের সব পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

সভা শেষে সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে বাটাজোর থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

Click to comment

আমার ব্যবহৃত টিস্যু আমার পকেটেই থাকে: প্রধানমন্ত্রী

দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ছোট ছোট ব্যক্তিগত অভ্যাসের পরিবর্তনের মাধ্যমেই একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

এর উদাহরণ দিতে গিয়ে নিজের ব্যবহৃত টিস্যু সবসময় পকেটে জমিয়ে রেখে পরে নির্ধারিত জায়গায় ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলার কথা বলেছেন তিনি।

সোমবার সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল-বাটাজোর খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন সরকারপ্রধান।

নিজের অভ্যাসের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার পকেটে যদি হাত দেন, এই দেখেন টিস্যু বের হবে আমার পকেট থেকে। এই টিস্যু একটু আগে মাটি ধরে হাত ধুয়ে ব্যবহার করেছি, সেটা পকেটে রেখেছি। এখানে টিস্যুটা ফেললে তাহলে তো আমি আপনাদের যা বলছি আমি নিজেই সেটা মানলাম না।

“সেজন্য ছোটবেলা থেকে আমি অভ্যাস করে নিয়েছি, যখন আমি টিস্যু ব্যবহার করি, তা আমি আমার পকেটের মধ্যে রেখে দিই। আমার যে কোনো প্যান্টের পকেটে হাত দিলেই দেখা যাবে টিস্যু বের হয়ে আসবে।”

তিনি বলেন, “সারাদিনে সব টিস্যু প্যান্টের পকেটে জমা হয়। রাতে যখন আমি বাসায় যাই, ডাস্টবিনের মধ্যে বা যেখানে ময়লা ফেলা থাকে, সেখানে আমি টিস্যুগুলা নিয়ে ফেলে দিই, সারাদিনের ব্যবহৃত টিস্যু।”

তারেক রহমান বলেন, এ ধরনের ছোট ছোট অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখা অনেক সহজ হবে।

“আমরা যদি সকলে মিলে চেষ্টা করি, আজকে থেকে এই অভ্যাসটি আমরা সকলে মিলে তৈরি করতে পারব। এই অভ্যাসটা যদি আমরা প্রত্যেকটা মানুষ গড়ে তুলতে পারি, তাহলে আমরা একটা সুন্দর পরিষ্কার একটা দেশ গড়ে তুলতে পারব, এই দেশের পরিবেশ সুন্দর হবে।”

‘অন্য কেউ এসে পরিষ্কার করে দেবে না’

দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সবার।

তিনি বলেন, “আমি সমগ্র দেশের মানুষকে অনুরোধ করব, আসুন আমরা চেষ্টা করি, যেখানে-সেখানে যেন আবর্জনা না ফেলি। আমাদের কোনো একটা ব্যবহারের জিনিস…. পানি খেলাম পানির বোতলটা খালি হয়ে গেল, আমরা যেখানে সেখানে ফেলে না দিই।

“কোনো একটা প্যাকেটে করে আমরা কিছু নিয়ে যাচ্ছি, জিনিসটা যখন বের করলাম, প্যাকেটটার প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেল, আমরা প্যাকেটটা যেখানে-সেখানে ফেলে দিচ্ছি। এতে করে আমাদের পরিবেশটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।”

তিনি বলেন, পরিবেশ দূষিত হলে শেষ পর্যন্ত তার ক্ষতি মানুষেরই হয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এর নেতিবাচক প্রভাব বহন করবে।

তার ভাষায়, “আমরা যদি নিজের ঘর নিজে পরিষ্কার না রাখি, নিজের দেশকে নিজে যদি ঠিক না করি, নিজের দেশটাকে যদি পরিষ্কার না রাখি, বাইরে থেকে কেউ এসে আমাদের দেশকে পরিষ্কার করে দেবে না।

“আমরা যখন ছবিতে টেলিভিশনে অন্যান্য দেশের ছবি দেখি, আমরা মাঝে মাঝে বলি না? ‘আহা ওদের রাস্তাঘাট কি সুন্দর!’ আমাদের দেশটাকে যদি সুন্দর করতে হয় তাহলে আমাদের সবাইকে চেষ্টা করতে হবে।”

‘দেশটাকেও নিজের ঘরের মতো ভাবতে হবে’

সরিকল-বাটাজোর খালে ভাসমান দুটি প্লাস্টিকের বোতলের দিকে উপস্থিত সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়েকজন মানুষ পরিষ্কার রাখলেও অন্যরা যদি নিয়মিত ময়লা ফেলেন, তাহলে কোনো স্থানই পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, “দেশটাও তো ঘরের মতই। কয়েকজন যদি শুধু পরিষ্কার করে, আর সবাই শুধু ময়লা করতে থাকে, তাহলে তো পরিষ্কার রাখা সম্ভব না। আমাদের সকলে মিলে পরিষ্কার করতে হবে। যেখানে ময়লা ফেলার জায়গা, সেই ময়লাটা সেখানেই ফেলতে হবে।”

তারেক রহমান বলেন, বাজার, সড়ক ও জনসমাগমস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আবর্জনা যেমন পরিবেশের ক্ষতি করে, তেমনি দেশের সৌন্দর্যও নষ্ট করে।

“ময়লা দেখতে কারো ভালো লাগে? ময়লা হলে কী হয়? পরিবেশটা ময়লা হয়ে যায়, দেখতেও ভালো লাগে না। তাহলে আসুন আমাদের দেশের যত্ন আমাদেরকে নিতে হবে, আমাদের দেশকে গড়ে তুলতে হবে আমাদেরকেই।”

তিনি বলেন, “আমরা যদি সবাই মিলে চেষ্টা করি, সবাই মিলে আমরা যদি সচেতন হই, তাহলে আমরা আমাদের পরিবেশটা সুন্দর করতে পারব। আমরা যদি আমাদের পরিবেশটা সুন্দর করতে পারি, আমাদের ভবিষ্যৎ বংশধররা একটা সুন্দর জায়গায় থাকতে পারবে।”

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত সবাইকে পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষার অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আসুন আজকে এই বৃক্ষরোপণের দিনে আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি, আমরা আমাদের স্ব স্ব অবস্থান থেকে প্রত্যেকটি মানুষ যতটুকু সম্ভব আমরা চেষ্টা করব, আমাদের আশপাশের পরিবেশের প্রতি আমরা যত্ন নেব। আমরা চেষ্টা করব আমাদের আশপাশের ঘরবাড়ি রাস্তাঘাট যতটুকু সম্ভব পরিবেশটি রক্ষা করার জন্য, পরিবেশটিকে পরিষ্কার রাখার জন্য।”

স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

Click to comment