Connect with us

ক্যাম্পাস

ইবিতে ছাত্রশক্তির আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারীর নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রিমেম্বারিং জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারীর নেতারা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার এবং যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ড. মাহমুদা আলম মিতু এমপিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান।

শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান বলেন, জুলাই আন্দোলন কারো একার ছিল না। ছাত্র, জনতা, কৃষক, শ্রমিক সবাই মিলে আন্দোলন করেছিল। তাই জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে সকল রাজনৈতিক দল মিলে ভূমিকা রাখতে হবে।”

জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান বলেন, “নতুন ছাত্র রাজনীতি তৈরির জন্যই আমরা জাতীয় ছাত্রশক্তি নিয়ে এগোচ্ছি। তবে পুরো রাজনৈতিক কালচারের অনেক কিছুই ছাত্রশক্তিতে রয়েছে। আমরা এক রাতে সেটা চেঞ্জ করতে পারছি না। তবে ধীরে ধীরে চেঞ্জ করছি।”

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, “আমাদের সমাজে এখনো ভয়ের রাজনীতি বিদ্যমান। আখতার, নাহিদসহ জুলাইয়ের পরিচিত মুখগুলোকে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের লোকেরাও ইতিবাচকভাবে দেখেন। কিন্তু আমরা যারা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত, তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীরা কথা বললেই রাজনৈতিক ট্যাগ পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। আমরা এই ভয়ের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ে গুম, খুন এবং লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার মতো নৃশংস ঘটনা আমরা সবাই দেখেছি। এসব ঘটনার পর রাজনীতি করার ইচ্ছা ছিল না। তবে নিজের ক্যারিয়ার ঠিক রেখেই রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি। তাই আমি শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে ছাত্রীদের বলব—গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে শুধু চাকরির কথা নয়, চেয়ারম্যান, মেম্বার কিংবা এমপি হওয়ার লক্ষ্যও রাখুন। এখানে উপস্থিত অনেকেরই সেই যোগ্যতা রয়েছে।”

এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি বলেন, “আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম, তখন দেশে ভয়ের রাজনীতি ও ফ্যাসিবাদী পরিবেশ ছিল। অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ছিল জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার শামিল। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আর কখনো হল দখল, নির্যাতন, বাক্‌স্বাধীনতা হরণ বা ভয়ের সংস্কৃতি ফিরে না আসুক।”

তিনি বলেন, “যে-ই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, কোনো ছাত্রসংগঠনই যেন ছাত্রলীগের মতো ক্যাম্পাস দখলের সংস্কৃতি তৈরি না করে। জাতীয় ছাত্রশক্তিসহ সব ছাত্রসংগঠনকে এ বিষয়ে ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’-এর মধ্যে থেকে শিক্ষার্থীদের অধিকার ও ক্যাম্পাসের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পড়াশোনার জায়গা নয়; এখান থেকেই সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক চর্চা ও নেতৃত্বের শিক্ষা নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের দেশের অসংগতি, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করতে হবে।”

সাজিদ আব্দুল্লাহর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা।”

বক্তব্যের শেষদিকে তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণের বাইরে থেকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা গবেষণা, সংস্কৃতি ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবে।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

বসুন্ধরা শুভসংঘ রাবি শাখার নতুন কমিটি, সভাপতি আলফাজ, সম্পাদক ফারাবী

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ’-এর নতুন শাখা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মো. আলফাজ উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. আল ফারাবী দায়িত্ব পেয়েছেন।

গত ১০ সেপ্টেম্বর সংগঠনটির পরিচালক ও কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক জাকারিয়া জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত এই কমিটির ৫ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন- ড. এ এইচ এম খুরশিদ আলম, ড. আমিরুল ইসলাম কনক, ড. মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, ড. মুর্শিদা ফেরদৌস বিনতে হাবীব এবং তাফহিমুল ইসলাম।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান ও মাহবুবা ইসলাম মেরিনা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রান্ত কুমার দাশ ও মিরা আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক হিমেল আহমেদ হিমু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা. সুমাইয়া খাতুন, দপ্তর সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. ইমজিয়াউল হক কামালি এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাফি উজ জামান।

এ ছাড়া অন্যান্য সম্পাদকীয় পদে দায়িত্ব পেয়েছেন- সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক শোভা আক্তার, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক নাহিদা আক্তার রুম্পা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক কৌশিক ফেরদৌস দীপ্ত, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. সোলাইমান, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক লক্ষী রানী রায়, ক্রীড়া সম্পাদক শামিম হোসেন, ছাত্র কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আরিফ মিয়া, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক তুহিন আলী, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক অংক্যজাই মারমা, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মো. রাসেল শেখ এবং কর্ম ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক মুক্তা আক্তার।

কমিটির ৯ জন কার্যকরী সদস্যরা হলেন- শাকিলা আক্তার, ফাহমিদা আক্তার, রিফাত জাহান রিশা, তাসনিন তুশি, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সুমাইয়া আক্তার রিতু, মো. কাইয়ুম আলী, মো. রেজাউল হোসেন এবং আব্দুর রহমান।

‘শুভ কাজে সবার পাশে’ স্লোগানকে সামনে রেখে বসুন্ধরা শুভসংঘ দেশব্যাপী বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন এই কমিটি তাদের মানবিক কার্যক্রম আরও বেগবান করবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বাসা থেকে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

Published

on

By

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় একটি বাসা থেকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ফাইনাল বর্ষের শিক্ষার্থী কবীর হোসেন (২৬)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজের পেছনে ‘ইউসুফের বাসা’ হিসেবে পরিচিত ওই বাড়ি থেকে দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওমানপ্রবাসী উজ্জল হোসেন ওই বাসাটি ভাড়া নিয়ে স্ত্রী ও সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে নিয়ে বসবাস করতেন। উজ্জল হোসেন প্রায় চার বছর ধরে ওমানে অবস্থান করছেন। নিহত কবীর হোসেন ওই পরিবারের গৃহশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং প্রায় দুই বছর ধরে সেখানে পড়াতেন।

নিহতের মা জোসনা বেগমের দাবি, তার ছেলে বাড়িতে গেলে উজ্জল হোসেনের স্ত্রী শিরিনা আকতার ফোন করে তাকে বাসায় ডেকে নিতেন। তার অভিযোগ, শিরিনা আকতারের কারণেই তার ছেলে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। তবে এ অভিযোগের কোনো সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফুলবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হাসান বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে আছি। ঘটনাস্থলেই প্রবাসীর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

‘ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সমন্বয় হলে গবেষণায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে’: বেরোবি রেজিস্ট্রার

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সঙ্গে শিল্পখাতের (ইন্ডাস্ট্রি) সমন্বয় হলে বাংলাদেশের গবেষণা ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ বেরোবির উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ মেলা ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলায় বেরোবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের নির্বাচিত চারটি উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শন করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলো হলো—Silicon-based Perovskite Solar Cells, AgriTrace BD, Carbon Setu এবং DeshGuard AI।

অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির কোনো সমন্বয় নেই। বর্তমান সরকার এ বিষয়টি সমন্বয়ের চেষ্টা করছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে সমন্বয় হলে বাংলাদেশে গবেষণার ক্ষেত্রে বিশাল পরিবর্তন আসবে।”

তিনি আরও বলেন, “এই সমন্বয়হীনতার কারণে বাংলাদেশের সমসাময়িক অনেক দেশ আমাদের থেকে এগিয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে শিল্পখাতের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে গবেষণার ফলাফল বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।”

মেলায় অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে বেরোবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় বদ্ধপরিকর। ল্যাবরেটরির নতুন নতুন আবিষ্কার যখন বাণিজ্যিক বাজারে জায়গা পাবে, তখনই দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এই ইনোভেশন ফেয়ার আমাদের তরুণ গবেষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা ও নেটওয়ার্ক তৈরির অনন্য সুযোগ।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান।

Continue Reading

Trending