Connect with us

top1

ইমাম-মোয়াজ্জিন নিয়োগেও ঘুষ দিতে হয়: যুক্তরাষ্ট্রে জামায়াত আমীর

Published

on

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘অবস্থা এমন পর্যায়ে গেছে যে, মসজিদে ইমাম-মুয়াজ্জিন নিয়োগেও ঘুষ দিতে হয়। সব জায়গা পচে গলে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী দেশ ও জাতির সেবা করার সুযোগ পেলে এসব দুর্নীতির ক্যানসার সমূলে উপড়ে ফেলবো। দুর্নীতির জট কেটে দেব। আমরা জানি এ কাজটি খুব সহজ হবে না। কিন্তু বাধা যতই হিমালয়সম হোক—আমরা তা করবোই ইনশাল্লাহ।’ স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের মিশগানে হ্যামট্রামিক শহরের গেইটস অব কলম্বাস হলে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনে দল জয়ী হলে পরিকল্পনা প্রসঙ্গে জামায়াত আমীর বলেন, ‘আমরা প্রথমেই ভঙ্গুর শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাবো। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিজ্ঞান ও টেকনোলজি নির্ভর আধুনিক যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। কেননা শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। আপনারা আর বেকারদের মিছিল দেখবেন না। তবে এজন্য সময় লাগবে। তবে ৫ বছর সময় পেলে এসব ঠিক করে গাড়ি উল্টো দিকে ছোটানো যাবে।’

ডা. শফিক বলেন, ‘আমাদের দেশে বর্ণ বৈষম্য নেই। এই অভিশাপ থেকে জাতি মুক্ত। আমরা হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মিলেমিশে বহুকাল ধরে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে আসছি। আমাদের দেশ একটি অহিংস দেশ, তবে পৃথিবীর সব জায়গার মতো মাঝেমধ্যে সামান্য ব্যতিক্রম যে হয় না—তা নয়। আমরা সেই ব্যতিক্রমটাও দেখতে চাই না। আমাদের দেশে শ্রেণিবৈষম্য আছে।’

তিনি বলেন, ‘বিগত দিনে আমাদের দেশে অভিনব মাছ ব্যবসার প্রচলন শুরু হয়েছে। এই ব্যবসায় রাতারাতি ভাগ্য খুলে যায় অনেকের। দেখা গেল নির্বাচনী হলফনামায় এই ব্যবসা দেখিয়েছেন। আবার ৫ বছর পরে একই ব্যবসায় ১শ ২২ গুণ পর্যন্ত লাভ করেছেন, বলেছেন-সবই মাছের ব্যবসার উন্নতির ফল!’

জামায়াত আমীর বলেন, ‘বিগত সাড়ে পনেরো বছর আমাদের ওপর অভিনবভাবে জুলুম নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হয়েছে। বিচারের নামে চরম অবিচার করে জামায়াতে ইসলামীর ১১ জন শীর্ষ নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের ১ হাজার সহকর্মীকে খুন করা হয়েছে। অসংখ্য ভাই-বোনকে গুম করা হয়েছে।

 আমাদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। চাকরি থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুণ্ঠন করেছে অথবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘শুধু আমরা না, আমাদের মতো আরো অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বহু মূল্যবান জীবন চলে গেছে। ৫ আগস্টের পর আমরাই প্রথম আওয়াজ তুললাম—ধৈর্য ধরুন, সকলে শান্ত থাকুন। প্রিয় দেশকে শান্তি ও শৃঙ্খলার দিকে নিয়ে আসুন। প্রথমে আমরা আমাদের কর্মীদের বললাম—কোনো প্রকার প্রতিশোধ নেয়া যাবে না। জুলুম আমাদের ওপর যাই হোক—আমরা বিচার চাইতে পারি, কিন্তু হিংসাত্মক কোনো কিছু করা যাবে না। 

দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানালাম। আমাদের এই উদ্যোগের ফলে শুধু আমাদের কর্মীরাই শান্ত হননি, দেশবাসীও শান্ত হতে বাধ্য হয়েছিল। অনেকে বহুকিছু আশঙ্কা করেছিলেন, অনেক কথা বলেছিলেন, দেশে ক্ষমতার পট পরিবর্তন হলে ২ দিনে ৫ লাখ মানুষকে হত্যা করা হতে পারে! দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু কিছুই হয়নি। আল্লাহর রহমতে দুই দিনে ৫ জন মানুষেরও জীবনহানি ঘটেনি।’

জামায়াত আমীর আওয়ামী লীগের নাম না নিয়ে বলেন, ‘তারা দায়িত্বজ্ঞানহীন হতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রমাণ করেছেন জনগণ দায়িত্বজ্ঞানহীন নয়।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী জুলাই শহীদ পরিবারগুলোর দিকে দৃষ্টি দেয়। এই শহীদ পরিবারগুলো আমাদের কাছে আমানত। আমরা প্রত্যেকটি পরিবারে গিয়েছি, চেষ্টা করেছি তাদের সান্ত্বনা দিতে, দুঃখের সামান্য অংশীদার হতে। আমরা বহু পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছি। জামায়াতে ইসলামীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সমাজের বহু হৃদয়বান ব্যক্তি এগিয়ে এসেছেন। আমাদের বোঝাকে হালকা করে দিয়েছেন।’

ডা. শফিক প্রবাসী মিশিগানবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আমি আপনাদের কাছে ভোট চাইবো না। আপনারা যাকে খুশি ভোট দেবেন।’ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৫ দফা অঙ্গীকার তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমাদের ৪১টি এমন অঙ্গীকার রয়েছে। এই পরিসরে সবগুলো তুলে ধরা সম্ভব না। তবে আপনাদের সেবা করার সুযোগ পেলে আমরা দুর্নীতির মূল উৎপাটন করে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবো ইনশাল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় যাক বা না যাক—আমাদের অঙ্গীকারের কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না।’

যুক্তরাষ্ট্র সফররত জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এক সংক্ষিপ্ত সফরে মিশিগানে এলে বাংলাদেশ-আমেরিকান কমিউনিটি অব মিশিগানের পক্ষ থেকে গেইটস অব কলম্বাস হলে গণসংর্ধনা দেয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ডা. মোতাহের আহমদ। অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ডা. নকিবুর রহমান, ডা. খালেদুজ্জামান, আল ফালাহ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুল লতিফ আজম, অ্যাটর্নি রুহুল মোমেন শাকির, বাংলাদেশি আমেরিকান ফোরামের শাহেদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাওলানা সুহেল আহমদ। ডা. শফিকুর রহমানকে মিশিগান প্রবাসী কুলাউড়াবাসীর পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

আদ-দ্বীনে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি গঠন : স্বাস্থ্য বিভাগ

Published

on

By

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনায় এবার মুখ খুলেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেছেন, আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে ছয় শিশুর ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

মৃত্যুর কারণ ও অব্যবস্থাপনার তদন্তে উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দেবে কমিটি আর অনুযায়ী কঠোর কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন, ছয় শিশু মারা যাওয়ার খবর পাওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ আমরা হাসপাতালে এসেছি। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। দ্রুতই বিস্তারিত তথ্য আপনাদের জানাতে পারব। এতটুকু জেনেছি, আজ সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে বাচ্চাগুলো মারা গেছে।

এর আগে ঘটনার বিষয়ে জানাতে আদ্–দ্বীন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক নাহিদা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের বলেন, হাসপাতালের যে ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটেছে, সেই ওয়ার্ডে ১১ জন মা ছিলেন। আর নবজাতক ছিল ছয়।

হাসপাতালে থাকা ভুক্তভোগীদের অভিযোগ এসি বন্ধ ছিল এবং নবজাতক ওয়ার্ডে উৎকট দুর্গন্ধ পান তারা। পরে নার্সকে জানালে তারা অনেককে এনআইসিইউতে পাঠান।

এসির গ্যাস লিকেজ থেকে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন অভিভাবকরা। তবে তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিষয়টি নিয়ে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, ছয় নবজাতক শিশুসহ ১১ জন মা পোস্ট অপারেটিভ রুমে অবস্থান করছিলেন। ঠান্ডা অনুভূত হওয়ায় এসি বন্ধ রাখতে অনুরোধ করেন এক নবজাতকের মা।

পরবর্তীকালে নার্স এসি এক ঘণ্টার মতো বন্ধ রাখেন। এরপর গরম অনুভূত হওয়ায় এসি চালু করতে বললে দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পর বাকি চার শিশুও অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় শিশুর মৃত্যু হয়। এখানে সিআইডির ক্রাইম টিম কাজ করছে। আলামত সংগ্রহ করছে।

বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম ছয় শিশুর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন।

ঘটনাস্থলে থানা পুলিশসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন বলেও জানান ডিসি।

তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে শিশুদের মৃত্যুর আসলে কী কারণ, তা আমরা এখনো জানি না। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে, আমি নিজেও ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। তদন্তের পর আসল তথ্য বলা যাবে।

Continue Reading

top1

কমিটি নিয়ে শিবিরের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

Published

on

By


সাতক্ষীরার দেবহাটায় ছাত্রশিবিরের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৭ মে) দুপুরে উপজেলা সখিপুর ফাজিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ শাখার সভাপতিকে মুলতবি করাকে কেন্দ্র করে উত্তর ও দক্ষিণ শাখার কয়েকজন নেতাকর্মী পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সখিপুর ফাজিল মাদ্রাসায় নতুন কমিটি গঠনের জন্য জেলা শিবিরের সেক্রেটারি, জেলা অর্থ সম্পাদক ও মাদ্রাসাবিষয়ক সম্পাদক সেখানে যান। এ সময় বঞ্চিত নেতাকর্মীদের সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা না দেওয়ায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কয়েক দফায় সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে যান মাহাবুবুল আলম ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এমাদুল হক। তবে প্রথমদিকে তারা পরিস্থিতি শান্ত করতে ব্যর্থ হন।

খবর পেয়ে দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) রেজাউল করিম ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে পুলিশ ও জামায়াত নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং অবরুদ্ধ জেলা নেতারা সেখান থেকে বের হয়ে যান।

উত্তর (দেবহাটা) শাখার সভাপতি সাফায়েত হোসেন বলেন, আমাদের শাখার ১০ জন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলাম। জেলা কমিটি আমাদের সঙ্গে কথা না বলেই তা গ্রহণ করেছে। পরে বুধবার নতুন কমিটি গঠনের জন্য আসে। জেলা সভাপতি নিজের খেয়ালমতো কাজ করছেন। আমরা জেলা সভাপতির পদত্যাগ চাই।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি জোবায়ের হোসেন বলেন, ‘দেবহাটা শাখার সভাপতি সাফায়েত হোসেন স্বেচ্ছায় অভ্যন্তরীণভাবে কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আবেদনটি গ্রহণ করা হয়। পরে নতুন করে দায়িত্ব বণ্টনের জন্য জেলা সেক্রেটারির নেতৃত্বে নেতারা সেখানে গেলে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পুলিশ ও উপজেলা জামায়াত নেতাদের উপস্থিতিতে জেলা নেতারা সেখান থেকে বের হয়ে আসেন।’

দেবহাটা থানার ওসি (তদন্ত) রেজাউল করিম বলেন, বাৎসরিক সেটিং ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে আলোচনা চলছিল। বর্তমান দায়িত্বশীলদের অনেকেই বাদ পড়তে পারেন, এমন আশঙ্কা থেকে তারা বাধা দিয়ে নেতাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ ও উপজেলা জামায়াত নেতাদের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয়, ঈদের পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করা হবে। এরপর অবরুদ্ধরা ফিরে গেছেন।

উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এমাদুল হক বলেন, জেলা ও উপজেলা শিবিরের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। এ নিয়ে সাময়িক সমস্যার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। ঈদের পর বাকি বিষয়গুলোরও সমাধান হয়ে যাবে

Continue Reading

top1

মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করছে ভারতীয় গরু

Published

on

By

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে সূর্য ডুবলেই প্রবেশ করছে ভারতীয় গরু। এ উপজেলার বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে দেশে আসছে এসব গরু।

জানা গেছে, বিএসএফের কিছু অসাধু সদস্যের সহযোগিতায় সীমান্তের নির্দিষ্ট পয়েন্ট দিয়ে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। ভারতের নদীয়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু এনে মহেশপুর সীমান্তের লড়াইঘাট ও হাড়িঘাটা সংলগ্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে বাংলাদেশে ঢোকানো হয়। পরে এসব গরু কুমিল্লা, চুয়াডাঙ্গার শিয়ালমারি হাটসহ দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, সীমান্তের আটটি ঘাটকে (চোরাচালান প্রবেশের স্থান) কেন্দ্র করে কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য গড়ে উঠেছে। এছাড়া গরু, মাদক ও অস্ত্রের নিরাপদ পারাপারে ভারত সিমান্তের অভ্যন্তরে ওমরপুর এলাকার বিএসএফ সদস্য সেলিম ও মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের ইদু শেখের ছেলে মোমিনুরের বিশেষ সহযোগিতা রয়েছে বলে অভিযোগ আছে।

স্থানীয়দের আরও দাবি, মাসোহারাভিত্তিক নিয়ন্ত্রণে এসব রুট ব্যবহার করে গরু, মাদক ও অন্যান্য চোরাই মালামাল পারাপার হচ্ছে। চোরাচালানকে কেন্দ্র করে অতীতে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।

মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদক ও গরুসহ যেকোনো চোরাচালান বন্ধ, জাল নোট পাচার রোধ এবং পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। সীমান্তে টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি পূর্বের তুলনায় অনেক বাড়ানো হয়েছে। ফলে সব ধরনের চোরাচালান বা পাচার বহুলাংশে বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। এছাড়া বিজিবি কর্তৃক নিয়মিত জনসচেতনতামূলক মতবিনিময়ের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে

Continue Reading

Trending