Connect with us

রাজনীতি

‘একটি বিশেষ ছাত্রসংগঠনকে সুবিধা দিচ্ছে ইসি’: ছাত্রদল সভাপতি

Published

on

নির্বাচন কমিশন (ইসি) একটি নির্দিষ্ট ছাত্রসংগঠনকে বিশেষ সুবিধা দান করছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। রোববার (১৮ জানুয়ারি) পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল থেকে ইসি ভবনের সামনে জড়ো হন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ব্যালট পেপার নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টি এবং কমিশনে একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর ‘অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের’ প্রতিবাদে সকালেই ইসি সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে ছাত্রদল।

সমাবেশে রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, “জবরদস্তিমূলকভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বিশেষ সেটআপের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ছাত্রসংগঠনকে সুবিধা দিচ্ছে কমিশন। এভাবে জাতীয় নির্বাচনে বড় ধরনের কারচুপির নীলনকশা করা হচ্ছে।”

তিনি অভিযোগ করেন—বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর ‘আজ্ঞাবহ’ হয়ে কাজ করছে। বিশেষ করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বারবার তারিখ পরিবর্তন ও স্থগিত করা হয়েছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তিনি।

ছাত্রদল সভাপতি আরও বলেন, “আমরা দেখছি, একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী নিয়মিত নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছে। সচিবালয়ে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক কাজ না থাকলেও তারা সেখানে অবাধে বিচরণ করছে এবং প্রভাব বিস্তার করছে।”

তিনি অভিযোগ করেন—দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজেদের ‘সেটআপ’ ছাড়া তারা নির্বাচন করতে ভয় পায়। “জামায়াতপন্থী ভিসি, প্রক্টর এবং নিজস্ব ওএমআর মেশিন ছাড়া তারা কোথাও নির্বাচন করতে পারে না। শাবিপ্রবিতে পাঁচ দিন নির্বাচন বন্ধ রেখে পুনরায় চালু করা—তার বড় প্রমাণ।”

রাকিব দাবি করেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন হল সংসদ নির্বাচনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থনে ছাত্রদল ভালো ফল করছে। এই অগ্রযাত্রা থামাতে এবং জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতেই নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তাদের সন্দেহ।

top1

খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার নয়, ‘জুলাই সনদ’ ও সংস্কারের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চায় জামায়াত 

Published

on

By

বিএনপির প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদ জামায়াতে ইসলামী গ্রহণ করবে কি না, সেই বিষয়টি এখনো স্পষ্ট করেনি দলটি। জামায়াতের আমির ও বর্তমান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, তাঁরা কোনো খণ্ডিত প্রাপ্তি নয়, বরং ‘জুলাই সনদ’ ও সংস্কার প্রস্তাবের পূর্ণাঙ্গ ও প্যাকেজ বাস্তবায়ন চান।

বুধবার (১১ মার্চ) রাতে রাজধানীর সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার সভাকক্ষে বিরোধী দলগুলোর সংসদ সদস্যদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

প্যাকেজ বাস্তবায়নের দাবি

জামায়াত আমির বলেন, ‘জুলাই সনদেই উল্লেখ আছে যে বিরোধী দল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। আমরা খণ্ডিতভাবে কিছু চাচ্ছি না; আমরা চাই পুরো প্যাকেজের বাস্তবায়ন। পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই আমরা আমাদের ন্যায্য দায়িত্ব পালন করতে পারি।’ তিনি আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও জামায়াত কেবল জুলাই সনদের আলোকেই বিরোধী দলের পাওনা দাবি করছে।

সরকারি দলের প্রতি অভিযোগ

বিরোধী দলের সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও সংসদ সদস্য—উভয় পদের শপথ নিলেও সরকারি দল এখনো সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি বলে অভিযোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘চব্বিশের (২০২৪) চেতনাকে অমান্য বা অগ্রাহ্য করে ছাব্বিশে (২০২৬) জাতির জন্য কোনো সুখবর আসবে না। আশা করি, সরকারি দল দ্রুত এই শপথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।’

গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা

সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে আমির বলেন, ‘সব ব্যাপারে কেবল বিরোধিতা নয়, আবার না বুঝেও কোনো অন্ধ সহযোগিতা নয়। দেশ ও জাতির কল্যাণে সরকারের সব ইতিবাচক পদক্ষেপে আমাদের সমর্থন থাকবে। তবে জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত নিলে প্রথমে পরামর্শ দেব, তাতে কাজ না হলে প্রতিবাদ এবং সবশেষে জনগণের অধিকারের পক্ষে শক্ত অবস্থান নেব।’

২০২৪-এর গুরুত্ব ও গণভোট

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন ২০২৯ সালে হওয়ার কথা থাকলেও চব্বিশের ছাত্র-জনতার সীমাহীন ত্যাগের কারণে তা দ্রুত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৭১ ও ১৯৯০-এর মতো ২০২৪-কেও সমগুরুত্বে ধারণ করি।’ সাম্প্রতিক গণভোটে ৬৯ শতাংশ মানুষের ‘হ্যাঁ’ জয়কে অগ্রাহ্য করার কোনো সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম, মুজিবুর রহমান ও রফিকুল ইসলাম খানসহ বিরোধী দলের শীর্ষস্থানীয় সংসদ সদস্যরা।

Continue Reading

রাজনীতি

স্বৈরাচারের দোসর রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই : আবদুল্লাহ তাহের

Published

on

By

জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন, স্বৈরাচারের দোসর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই।

বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে সংসদের বিরোধী দলের এমপিদের নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি কেন তাকে দিয়ে সংসদে ভাষণ দেওয়াচ্ছেন সেটা আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। এ বিষয়ে আমরা কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি; আগামীকাল আপনারা জানতে পারবেন।

সংসদে ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে তিনি বলেন, অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে বিরোধী দলের একটি আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাব আসার পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এর আগে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে দলটির সংসদ সদস্যদের বৈঠক করে ১১-দলীয় জোটের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। আসন্ন সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের নোটিশ, মুলতবি প্রস্তাব ও সাধারণ আলোচনার বিষয়বস্তু কী হবে, তা নিয়েও বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Continue Reading

top2

ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের প্রস্তাব আপাতত নাকচ: গোলাম পরওয়ার

Published

on

By

জাতীয় সংসদে জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার পর ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে জামায়াত নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বুধবার (১১ মার্চ) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সংসদে জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার পর ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে নিজেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আপাতত সরকারের প্রস্তাব নাকচ।

এর আগে গত ২ মার্চ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে যেটা আমরা সমঝোতায় এসেছি, রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে সেটার বাস্তবায়ন এখন থেকেই শুরু করতে চাই। আমাদের দলের পক্ষ থেকে প্রধান বিরোধী দলকে মৌখিকভাবে ও সাক্ষাতে অফার করেছি, তারা যেন ডেপুটি স্পিকার ঠিক করেন। সেটা জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচনের দিন একইসঙ্গে নির্বাচিত হতে পারে।

তবে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জুলাই সনদ এবং গণভোট অনুযায়ী সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবি জানান জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি লেখেন, জুলাই সনদ এবং গণভোট অনুযায়ী সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়িত না হলে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী কেবল অলংকার হিসেবে ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণ করবে না।

একই দিন সকালে আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, ১৮ কোটি মানুষ, বড় অর্থনীতি। ক্রাইসিস ছিল, আছে এবং থাকবে। ক্রাইসিস মোকাবিলায় দরকার সৎ-দক্ষ জনশক্তি এবং জাতীয় ঐক্য। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ না মানায় অনৈক্য বেড়েই চলছে। সাবধান হোন

Continue Reading

Trending