Connect with us

top2

এপস্টিন কেলেঙ্কারি: ট্রাম্পের আইন স্বাক্ষরের পর কী হবে?

Published

on

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাপের মুখে স্বাক্ষর করেছে জেফ্রি এপস্টিন মামলার তদন্ত-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের আইন । নতুন আইনের অধীনে মার্কিন বিচার বিভাগকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এপস্টিন-সংক্রান্ত সব নথি প্রকাশ করতে হবে। প্রশ্ন উঠছে এই প্রকাশে কী কী তথ্য সামনে আসতে পারে?

আইন বলা হয়েছে, বিচার বিভাগকে এপস্টিন মামলার তদন্তে সংগৃহীত প্রায় সব তথ্য প্রকাশ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে:
এপস্টিনের বিরুদ্ধে তদন্তের নথি, তার কারাবাসের তথ্য।
ঘনিষ্ঠ সহযোগী গিসলেইন ম্যাক্সওয়েলের সম্পর্কিত নথি, যিনি বর্তমানে ২০ বছরের সাজা ভোগ করছেন।
এপস্টিনের ব্যক্তিগত বিমানের ফ্লাইট লগ ও যাত্রী তালিকা।
এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোম্পানি, এনজিও ও সরকারি সংস্থার তথ্য।
এপস্টিনের মৃত্যু (২০১৯) নিয়ে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ।

একজন ফেডারেল বিচারকের মতে, প্রকাশযোগ্য নথির পরিমাণ প্রায় ১ লাখ পৃষ্ঠার সমান।
কী আশা করা হচ্ছে?
ভুক্তভোগী ও রাজনীতিকরা আশা করছেন, এই প্রকাশে দীর্ঘদিনের অজানা তথ্য সামনে আসবে। অনেকেই চান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম প্রকাশিত হোক। রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান থমাস ম্যাসি বলেছেন:
“আমরা নাম চাই। প্রতিটি নাম প্রকাশিত হওয়া উচিত, যাতে ভুক্তভোগীরা আর ভয় না পান।”

সবকিছু কি প্রকাশ হবে?
সমালোচকরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। আইন অনুযায়ী, কিছু তথ্য গোপন রাখা যাবে—যেমন:
ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত তথ্য।
চলমান তদন্তে ক্ষতি হতে পারে এমন তথ্য।
জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত গোপন নথি।

তবে আইন স্পষ্ট করেছে, কোনো ব্যক্তিকে বিব্রত করা বা রাজনৈতিক কারণে তথ্য গোপন করা যাবে না।
কোন নামগুলো আসতে পারে?
এপস্টিন দীর্ঘদিন মার্কিন উচ্চবিত্ত সমাজে সক্রিয় ছিলেন। তার সঙ্গে রাজনীতিক, বিজ্ঞানী, ব্যবসায়ী এমনকি সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সম্পর্কের অভিযোগ রয়েছে। ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাবেক সদস্য অ্যান্ড্রুর নামও আগে এসেছে।
ট্রাম্পের জন্য ঝুঁকি কী?
ট্রাম্পের সঙ্গে এপস্টিনের অতীত সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা বহুদিনের। ছবি ও ভিডিওতে তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ইমেইলে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প এপস্টিনের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন। যদিও ট্রাম্প সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বিষয়টিকে “ডেমোক্র্যাটদের ষড়যন্ত্র” বলে অভিহিত করেছেন।
এপস্টিন কেলেঙ্কারি কী?
জেফ্রি এপস্টিন ছিলেন একজন মার্কিন অর্থলগ্নিকারী ও সমাজের উচ্চস্তরের প্রভাবশালী ব্যক্তি। তিনি বহু বছর ধরে একটি যৌন নিপীড়ন ও মানব পাচার চক্র পরিচালনা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই চক্রে অসংখ্য তরুণী, এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরা শিকার হয়েছিল। এপস্টিন নিজেও তাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালাতেন।

মূল ঘটনাএপস্টিনের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ ওঠে ২০০০-এর দশকের শুরুতে।
২০০৮ সালে তিনি যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন, কিন্তু হালকা সাজা পান, যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
২০১৯ সালে নতুন করে মানব পাচার ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন।
একই বছর জেলে থাকাকালীন তিনি মারা যান। সরকারি রিপোর্টে মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলা হলেও, অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

কেন এটি বড় কেলেঙ্কারি?
এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিলেন বহু প্রভাবশালী ব্যক্তি—রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, বিজ্ঞানী, এমনকি রাজপরিবারের সদস্য। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তার ব্যক্তিগত দ্বীপ, বিলাসবহুল বাড়ি ও প্রাইভেট জেটে এসব ব্যক্তিদের নিয়ে যেতেন, যেখানে যৌন নিপীড়ন হতো।
এই কারণে মামলাটি শুধু অপরাধ নয়, বরং ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের জড়িত থাকার কারণে বিশ্বজুড়ে আলোচিত।

গিসলেইন ম্যাক্সওয়েলের ভূমিকা
এপস্টিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী গিসলেইন ম্যাক্সওয়েলকে ২০২1 সালে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তিনি এপস্টিনের জন্য তরুণীদের সরবরাহ করতেন। বর্তমানে তিনি ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

কেন আবার আলোচনায়?
২০২৫ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি আইন স্বাক্ষর করেছেন, যার মাধ্যমে এপস্টিন মামলার তদন্ত-সংক্রান্ত নথি প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে প্রায় ১ লাখ পৃষ্ঠার নথি প্রকাশিত হতে পারে, যেখানে নতুন নাম ও তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না দেখালে আটককে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য করা হবে

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

কাউকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার না দেখালে ২৪ ঘণ্টা পরের সময়কে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য করার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, আটকের পর ব্যক্তির আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা এবং তার অবস্থান সম্পর্কে পরিবারকে অবহিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পাস হয়। নতুন আইনকে গুমের অভিযোগের বিচার ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন চিফ প্রসিকিউটর।

আমিনুল ইসলাম বলেন, এর আগে গুম প্রতিরোধে একটি অধ্যাদেশ থাকলেও তার কার্যকর প্রয়োগ দেখা যায়নি। নতুন আইন গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের বিচার এবং প্রতিকার পাওয়ার পথ আরও স্পষ্ট করবে।

তিনি জানান, অতীতে সংঘটিত গুমের অভিযোগও নতুন আইনের আওতায় পর্যালোচনা করা হবে। ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনের কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরি হবে না বলেও জানান তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত ২৫১টি গুমের ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে তদন্ত করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। এসব ঘটনায় একই ধরনের পদ্ধতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ায় ঘটনাগুলোকে ‘ব্যাপক ও পদ্ধতিগত হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের জবানবন্দি নেওয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Continue Reading

top2

যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে পারে ইরান, আশঙ্কা মার্কিন গোয়েন্দাদের

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত করার পরিকল্পনা করছে ইরান এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। দেশটির নেতৃত্ব বড় পরিসরের সংঘাতে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করছে বলে সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়নে উঠে এসেছে।

শুক্রবার দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এর এক প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ছয় মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘাতের পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলা চালানোর সক্ষমতা নিয়ে ইরান আগের তুলনায় বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে মার্কিন চাপের সীমাবদ্ধতা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে কাজে লাগানোর সুযোগ সম্পর্কেও দেশটির নেতৃত্বের ধারণা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলা তুলনামূলকভাবে সীমিত থাকলেও ইরানের কট্টরপন্থী নেতৃত্ব সংঘাত আরও বড় পরিসরে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।

গোয়েন্দা মূল্যায়নে আরও বলা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত বন্ধে দ্রুত কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হতে পারে। এমনকি আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার কৌশল ইরান বিবেচনা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানের হিসাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে জ্বালানির দাম বাড়াতে পারলে তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকান পার্টির জন্য রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

এ ছাড়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জবাবে ইরান আরও উত্তেজনামূলক পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর মধ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর অবকাঠামো লক্ষ্য করে আক্রমণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানি হ্যাকাররা নতুন করে সংগঠিত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা চালাতে পারে বলেও সতর্ক করেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। এসব হামলার অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে যুদ্ধের বিষয়ে মার্কিন জনগণের সমর্থন দুর্বল করা।

সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

Continue Reading

top2

মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধে যুবদল কর্মীসহ একই পরিবারের ৪ জন আহত

Published

on

By

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবদল কর্মী মোহাম্মদ হোসেনসহ একই পরিবারের চারজনকে হামলা করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের পাশাপাশি ফাঁকা গুলি ছোড়ার অভিযোগও করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বস্তল উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত মোহাম্মদ হোসেনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলায় তার স্ত্রী, মা ও বোনও আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বস্তল উত্তরপাড়া জামে মসজিদের বর্তমান সভাপতি পদে রয়েছেন মোহাম্মদ হোসেনের শ্বশুর ও বিএনপি নেতা মো. আমানউল্লাহ মিয়া। কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সভাপতি পরিবর্তন নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় জুমার নামাজের পর রোকন উদ্দিনের সঙ্গে মোহাম্মদ হোসেনের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সন্ধ্যায় একদল লোক মোহাম্মদ হোসেনের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এ সময় তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।

হামলাকারীরা বাড়ির কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালায় এবং মোহাম্মদ হোসেনকে মারধর করে আহত করে বলে অভিযোগ রয়েছে। তার স্ত্রী তুলি আক্তার, মা নূর বানু ও বোন ইয়াসমিনও হামলায় আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামলার সময় বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তালতলা বাজার তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সেলিম মিয়া জানান, হামলা ও গুলিবর্ষণের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত যুবদল কর্মীকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক জসিমউদ্দীন বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে গুলিবর্ষণের বিষয়টি ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

সোনারগাঁও থানার ওসি আব্দুল বারিক জানান, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

Continue Reading

Trending