Connect with us

জাতীয়

ঐকমত্যের সংলাপে জামায়াত, প্রাধান্য পাচ্ছে এনসিসি ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

Published

on

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় পর্যায়ের তৃতীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ বুধবার (১৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা শুরু হয়। এর আগে ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় আলোচনায় যোগ দেয়নি জামায়াতে ইসলামী।

জামায়াতের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আজাদ।রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আজকের আলোচ্য সূচির মধ্যে রয়েছে অসমাপ্ত আলোচনা শেষ করা, জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।

আলোচনায় সব রাজনৈতিক দল অংশ নেওয়ায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এ আলোচনায় তাড়াহুড়োর চেয়ে ঐকমত্যকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ার কথা জানান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, ‘কিছু আলোচনা সমাপ্ত হয়নি, সেটা আগামী সপ্তাহের আলোচনায় পুনরায় তোলা হবে। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে, আলোচনার কোনো অংশকে পুনরুক্তি না করে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করার জন্য।’আজকের আলোচনা থেকে বড় অগ্রগতি অর্জনের আশা প্রকাশ করে অধ্যাপক আলী রীয়াজ আরও বলেন, ‘আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই আমাদের জাতীয় সনদ তৈরির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। কাজেই আমাদের সময়ের স্বল্পতাও রয়েছে। বিষয়টিও রাজনৈতিক দলগুলোর খেয়াল রাখতে হবে।’

আলোচনায় অংশ নিয়েছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, নাগরিক ঐক্য, সিপিবি, এবি পার্টি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণ অধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলনসহ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা। বৈঠকে উপস্থিত আছেন জাতীয় ঐকমত্য সদস্য আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, সফর রাজ হোসেন, বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখারুজ্জামান প্রমুখ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

অপরিবর্তিত থাকছে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার 

Published

on

By

মধ্যবিত্ত পরিবারের কথা ভেবে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ছয় মাসের জন্য অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সরকারি ঋণ ও আর্থিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

বর্তমানে মেয়াদ ও বিনিয়োগের পরিমাণ বিবেচনায় সঞ্চয়পত্র থেকে একজন বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ সুদ পেয়ে থাকেন ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত। পরে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সঞ্চয় অধিদপ্তর এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে বলেছেন চিঠিতে সই করা অভ্যন্তরীণ ঋণ ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তা ফারহানা জাহান উপমা।

এর আগে সঞ্চয় অধিদপ্তর ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর সুদহার কমানোর প্রজ্ঞাপন জারি করে। বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর হয়। এতে সঞ্চয়পত্রের বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে সুদহার কমানো হয়।

তবে মধ্যবিত্ত সঞ্চয়পত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে, এমন শঙ্কায় চার দিন পর চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি প্রজ্ঞাপনটি স্থগিত করা হয়। ফলে জানুয়ারি-জুন সময়ের জন্যও আগের হারে সুদ অপরিবর্তিত রয়ে যায়। বর্তমানে ছয়মাস পরপর সঞ্চয়পত্রের সুদহার নির্ধারণ করে আসছে আইআরডির সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর।

স্থগিত হওয়া প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থবছরের শেষ ছয় মাস, অর্থাৎ জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে সাড়ে সাত লাখ টাকা বা এর চেয়ে কম বিনিয়োগে সর্বোচ্চ মুনাফা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ; সর্বনিম্ন ধরা হয়েছিল ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

তার আগে গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের জন্য এ ধরনের সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার ছিল ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার সরকারের সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজন বিনিয়োগকারী সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে একই হারে তথা আগের মতই সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ সুদ পাবেন। তবে বিনিয়োগের মেয়াদ অনুযায়ী সুদের হারে ভিন্নতা রয়েছে।

পরিবার সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফা নির্ধারণ করা আছে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি হলে এমন বিনিয়োগে সুদের হার আগের মতোই ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ থাকছে।

বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে পাঁচ বছর মেয়াদি বিনিয়োগের সুদের হার সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে আগের মতই ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ থাকছে। সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি হলে তা ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এছাড়া তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে সাড়ে সাত লাখ টাকার কম বিনিয়োগ হলে সুদের হার ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ। বিনিয়োগ সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি হলে তা ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

ডাকঘর সঞ্চয়পত্রে তিন বছর মেয়াদে সাড়ে সাত লাখ টাকার বিনিয়োগের সুদহার ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি হলে তা ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। সরকার ছয় মাস পরপর সঞ্চয়পত্রে সুদহার ঘোষণা করে। তবে সুদহার বদলালেও যখন যে স্কিমে বিনিয়োগ করা হয়, সেটির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেনার সময়কার সুদহারই বহাল থাকে।

একক বা যৌথভাবে সঞ্চয়পত্রে সাড়ে সাত লাখ টাকা বিনিয়োগে এক ধরনের সুদহার পাওয়া যায়। এর চেয়ে বেশি বিনিয়োগে অপেক্ষাকৃত কম সুদহার দেয় সরকার। বিনিয়োগের মেয়াদ অনুযায়ী সুদের হারেও ভিন্নতা রয়েছে। এক স্কিমে এক থেকে পাঁচ বছরের জন্য বিভিন্ন মেয়াদে বিনিয়োগ করা যায়। সঞ্চয় স্কিমে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় পরিবার সঞ্চয়পত্র।

Continue Reading

top1

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে চীন : রাষ্ট্রদূত

Published

on

By

বাংলাদেশের তিস্তা নদী প্রকল্পে চীন সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে ঢাকায় চীনা দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, তিস্তা প্রকল্পে চীন কাজ করবে। বাংলাদেশের অনুরোধে তিস্তা প্রকল্পে চীন কাজ করবে।

তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। চীন তাদের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে এই প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে। এর বাইরে অন্য কেনো ইস্যু আমাদের ভাবনার বিষয় নয়।

তিনি বলেন, তিস্তা একটি বাংলাদেশি প্রকল্প।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প (টিআরসিএমআরপি) বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কারণ, এর সঙ্গে লাখ লাখ মানুষের জীবিকা জড়িত।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর অত্যন্ত সফল উল্লেখ করে ইয়াও ওয়েন বলেন, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর সম্পূর্ণভাবেই সফল হয়েছে। এটি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক, যা এক নতুন কৌশলগত উচ্চতায় পৌঁছেছে।

এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আস্থার এক নতুন স্তর তৈরি হয়েছে। এ সফরে দুই দেশের কৌশলগত পর্যায়ে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের নেতাদের অর্জিত ঐকমত্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে।

Continue Reading

top1

আবারও দাম কমলো এলপি গ্যাসের, কবে থেকে কার্যকর

Published

on

By

ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমেছে। এবার প্রতি কেজিতে কমেছে ২৯ টাকা ৭৬ পয়সা। এতে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম কমেছে ৩৫৭ টাকা। এর আগে গত মাসে কমেছিল ৫৫ টাকা। এখন নতুন দাম হয়েছে ১ হাজার ৫২৮ টাকা। এছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে কমিয়ে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নতুন এ দর ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যা আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামার পর থেকেই বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম কমতে শুরু করে।

বিইআরসি বলছে, বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। যা আগে ছিল ১৫৭ টাকা ৬ পয়সা।

জানা যায়, প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে সংস্থাটি। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। পাশাপাশি প্রতি সিলিন্ডারে বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, দাম ছিল ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা।

সবশেষ গত ২ জুন ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। এছাড়া যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমিয়ে ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।

এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

Continue Reading

Trending