Connect with us

top1

কেন ঢাকাকে জেএফ-১৭ দিতে এতো আগ্রহী ইসলামাবাদ?

Published

on

অলটাইম নিউজ ডেস্ক: 

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঢাকার আকাশে কি এবার পাকিস্তানের তৈরি যুদ্ধবিমান দেখা যাবে? সম্প্রতি পাকিস্তান বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধানের বৈঠকের পর এই আলোচনা এখন তুঙ্গে। মূলত সাশ্রয়ী মূল্য এবং দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত সম্পর্কের সমীকরণ মিলিয়েই ঢাকাকে এই ‘থান্ডার’ যুদ্ধবিমান দিতে মরিয়া পাকিস্তান।

কেন জেএফ-১৭ নিয়ে এতো আলোচনা?

পাকিস্তান ও চীনের যৌথ প্রযোজনায় তৈরি জেএফ-১৭ থান্ডার বর্তমানে একটি ‘বাজেট-ফ্রেন্ডলি’ কিন্তু শক্তিশালী যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত। কেন পাকিস্তান এটি বাংলাদেশের কাছে বিক্রি করতে চায়, তার পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ দেখছেন বিশ্লেষকরা:

সাশ্রয়ী দাম: একটি জেএফ-১৭ বিমানের দাম ২৫ থেকে ৩০ মিলিয়ন ডলার, যা পশ্চিমা বা রুশ যুদ্ধবিমানের তুলনায় অনেক কম। বাংলাদেশের সীমিত বাজেটে বিমান বহর আধুনিকায়নে এটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

কৌশলগত অংশীদারত্ব: বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪-এর পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। এই যুদ্ধবিমান বিক্রির মাধ্যমে দুই দেশের সামরিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে চায় পাকিস্তান।

আধুনিক প্রযুক্তি: এর ‘ব্লক-৩’ ভার্সনটি ৪.৫ প্রজন্মের, যাতে রয়েছে উন্নত এইএসএ (AESA) রাডার। এটি স্টিলথ না হলেও আকাশ ও ভূমি—উভয় লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম।

যুদ্ধক্ষেত্রে সাফল্যের প্রচার: ২০২৫ সালে ভারতের সঙ্গে আকাশযুদ্ধে জেএফ-১৭ এর কার্যকারিতা নিয়ে পাকিস্তান যে দাবি করেছে, তা আন্তর্জাতিক বাজারে এর কাটতি বাড়িয়ে দিয়েছে। নাইজেরিয়া, মিয়ানমার ও আজারবাইজানের পর তারা এখন বাংলাদেশকে এই তালিকায় যুক্ত করতে চায়।

বাংলাদেশের অবস্থান কী?

বিমান বাহিনী প্রধান মার্শাল হাসান মাহমুদ খান পাকিস্তানের বিমান নজরদারি এবং প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার প্রশংসা করেছেন। এরই মধ্যে ‘সুপার মুশশাক’ প্রশিক্ষণ বিমান দ্রুত সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পাকিস্তান। তবে জেএফ-১৭ ক্রয়ের বিষয়ে বাংলাদেশ এখনো চূড়ান্ত চুক্তি সই করেনি, কেবল প্রাথমিক ‘আগ্রহ’ দেখিয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব

সাবেক বিমান কর্মকর্তাদের মতে, এটি কেবল একটি অস্ত্র কেনাবেচা নয়; বরং বাংলাদেশের সামরিক সরঞ্জাম নির্ভরতা চীন-পাকিস্তান বলয়ের দিকে যাওয়ার একটি ইঙ্গিত। এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ এবং বিক্রয়োত্তর সেবার অজুহাতে দীর্ঘমেয়াদী সামরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে চায় ইসলামাবাদ।

সুত্র: প্রতিদিনের বাংলাদেশ 

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ আহত ৩

Published

on

By

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা পরবর্তী সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন আহতের তথ্য পাওয়া গেছে।

সোমবার (০৬ জুলাই) রাত নয়টা ৪৩ মিনিটের দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে এ বিস্ফোরণ ঘটে।

আহতরা হলেন- মো শাহীন খান্দকার(৩০), মো জসিম (২৬), মো শাহাদাত হোসেন (৪০)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য দেওয়ার সময় এ বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় মঞ্চে এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সংগঠক (উত্তরান্চল) সারজিস আলমসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় নেতাকর্মীরা তাদের বাঁচাতে মানবঢাল তৈরি করেন।

বিস্ফোরণের পর সমাবেশস্থল ধুলোয় ঢেকে যায়। অনেকেই দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।

ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিস্ফোরণের ঘটনায় কাউকে আটক বা শনাক্ত করা যায়নি।

একইসঙ্গে হামলার বিষয়ে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

এনসিপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৩

Continue Reading

top1

এনসিপির সমাবেশস্থলে বোমা বিস্ফোরণ

Published

on

By

এনসিপির সমাবেশস্থলে বোমা বিস্ফোরণএনসিপির সাভার পদযাত্রাপরবর্তী সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত পৌনে ১০টায় সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে এ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইন্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য প্রদানকালে এ বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় সমাবেশ মঞ্চে এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত অবস্থায় এ হামলা চালানো হয়।

গণভোট বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে জুলাই পদযাত্রার প্রথম দিন গাজীপুরের কালীগঞ্জে পদযাত্রায় বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্য সচিব আক্তার হোসাইন এমপি।

Continue Reading

top1

ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, ৪ ভাই গ্রেপ্তার

Published

on

By

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির জেরে মো. রুবেল (৩২) নামে এক ভাড়াটিয়াকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাড়িওয়ালার চার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত চার ভাই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— রহমত (৩০), জনি (২৮), রকি (২৬) ও ইমরাজ (১৮)। তারা নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকার বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, নিহত রুবেল এলাকায় মাদকসেবী ও মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায় পারুল বেগম নামে এক নারীর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ওই বাসায় নিয়মিত মাদকের আসর বসায় বাড়িওয়ালা পারুল তাকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, “রবিবার সকালে রুবেল বাসা ছাড়বেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এ নিয়ে পারুল বেগমের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রুবেল ওই নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করেন। পারুলের ছেলে জনি বিষয়টি দেখে বাকি তিন ভাইকে খবর দেন।”

পিবিআই জানায়, মায়ের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে চার ভাই মিলে রুবেলের ঘরে ঢোকেন। প্রথমে তাকে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে তারা পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় রুবেলকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে রুবেলের হামলায় আহত বাড়িওয়ালা পারুল বেগম বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Continue Reading

Trending