Connect with us

top1

কোন বিভাগে ধানের শীষ, কোনটিতে দাঁড়িপাল্লা—গুগল ট্রেন্ডসে কোন প্রতীক এগিয়ে?

Published

on

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বাংলাদেশ দাঁড়িপাল্লা অংশ নেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি শাপলা কলি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামছে। এছাড়া জাতীয় পার্টি লাঙ্গল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ গরুর গাড়ি এবং গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। একই সঙ্গে কয়েকজন প্রার্থী নিজ নিজ দলের প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, অনলাইনে রাজনৈতিক প্রতীক ঘিরে আগ্রহের চিত্র ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। গুগল ট্রেন্ডসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাত বিভাগের (ঢাকা-ময়মনসিংহ) প্রতিটিতেই প্রতীকের জনপ্রিয়তায় রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ধারা। ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগে গুগল সার্চে শীর্ষে রয়েছে ধানের শীষ, অন্যদিকে চট্টগ্রাম, খুলনা ও রংপুর বিভাগে এগিয়ে দাঁড়িপাল্লা। বরিশালে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ্য করা গেলেও অন্যান্য বিভাগের তুলনায় সেখানে হাতপাখার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি। পাশাপাশি রংপুর বিভাগে এনসিপির প্রতীক শাপলা কলিও অন্য বিভাগের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে।

গত ২২ জানুয়ারি প্রচারণা শুরুর পর থেকে আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতীক নিয়ে গুগল ট্রেন্ডসের তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানতে পেরেছে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস।

ঢাকা: গুগল ট্রেন্ডসে ঢাকা বিভাগের আওতাভুক্ত আগের জেলাগুলো ধরে সাত বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ঢাকা বিভাগে (ঢাকা–ময়মনসিংহ) গুগল সার্চের হিসাবে ধানের শীষে ৪৪ শতাংশ, দাঁড়িপাল্লায় ৪২ শতাংশ, হাতপাখায় ৯ শতাংশ এবং শাপলা কলিতে ৫ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে।

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বিভাগে গুগল সার্চে ৪৬ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে দাঁড়িপাল্লা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ধানের শীষে ৪১ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে। এ ছাড়া হাতপাখায় ৯ শতাংশ এবং শাপলা কলিতে ৪ শতাংশ ব্যবহারকারী সার্চ করেছে।

বরিশাল: বরিশাল বিভাগে গুগল সার্চে তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে হাতপাখা। এ বিভাগের অন্য প্রতীকগুলোর তুলনায় হাতপাখা ভালো অবস্থানে থাকলেও এর সার্চ হার ২১ শতাংশ। ধানের শীষ ৩৮ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। খুব কাছাকাছি অবস্থানে দাঁড়িপাল্লায় ৩৭ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে। পাশাপাশি শাপলা কলিতে ৪ শতাংশ সার্চ লক্ষ্য করা গেছে।

রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগে গুগল সার্চে ৪৭ শতাংশ নিয়ে ধানের শীষ শীর্ষে রয়েছে। খুব কাছাকাছি অবস্থানে দাঁড়িপাল্লায় ৪৫ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে। এ ছাড়া হাতপাখায় ৬ শতাংশ এবং শাপলা কলিতে ২ শতাংশ সার্চ লক্ষ্য করা গেছে।

খুলনা: খুলনা বিভাগে অন্যান্য বিভাগের তুলনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক দাঁড়িপাল্লার অবস্থান বেশি শক্ত। এখানে ৫১ শতাংশ ব্যবহারকারী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক সার্চ করেছেন। ধানের শীষে ৩৯ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে। পাশাপাশি হাতপাখায় ৮ শতাংশ এবং শাপলা কলিতে ২ শতাংশ সার্চ হয়েছে।

রংপুর: রংপুর বিভাগে গুগল সার্চে দাঁড়িপাল্লার অবস্থান তুলনামূলকভাবে ভালো। এ বিভাগে ৪৪ শতাংশ ব্যবহারকারী দাঁড়িপাল্লা লিখে অনুসন্ধান করেছেন। খুব কাছাকাছি অবস্থানে ধানের শীষে ৪২ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে। এ ছাড়া শাপলা কলি ও ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা—উভয় প্রতীকেই ৭ শতাংশ করে সার্চ হয়েছে।

সিলেট: সিলেট বিভাগে অন্যান্য বিভাগের তুলনায় ধানের শীষের প্রতি আগ্রহ বেশি। এখানে গুগল সার্চে ৪৯ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে এই প্রতীক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লায় ৪৫ শতাংশ সার্চ লক্ষ্য করা গেছে। পাশাপাশি শাপলা কলিতে ২ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখায় ৪ শতাংশ সার্চ হয়েছে।

সব বিভাগ একত্রে বিবেচনায় নিলে, নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে গুগল ট্রেন্ডসে প্রতীকভিত্তিক সার্চে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বিএনপির ধানের শীষ। এর খুব কাছাকাছি অবস্থানে আছে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রতি সার্চ আগ্রহ জাতীয় নাগরিক পার্টির শাপলা কলির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। গুগল ট্রেন্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকের গড় সার্চ আগ্রহ ৭০ শতাংশ, দাঁড়িপাল্লার ৬৮ শতাংশ। পাশাপাশি হাতপাখার গড় আগ্রহ ১৬ শতাংশ এবং শাপলা কলির ৭ শতাংশ।

অন্যদিকে দল হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পরবর্তী এক সপ্তাহের তুলনায় গত ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আগের সাত দিনে গুগল ট্রেন্ডসে বাংলাদেশ থেকে সার্চ করা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এনসিপির ইন্টারেস্ট রেট কমেছে। ইসলামী আন্দোলনের ইন্টারেস্ট রেট ৫ শতাংশ থেকে কমে বর্তমানে ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে এনসিপির ইন্টারেস্ট রেট ১৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ১৩ শতাংশ।

বিএনপি ও জামায়াতের ক্ষেত্রে সার্চ ইন্টারেস্ট বেড়েছে। জামায়াতের ইন্টারেস্ট রেট ৫৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৮ শতাংশে পৌঁছেছে। আর বিএনপির ইন্টারেস্ট রেট ৮৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৮৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

সুত্র: দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

১৮ বছর পর স্বাধীনতা দিবসের কুজকাওয়াজ

Published

on

By

বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে দীর্ঘ ১৮ বছর পর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে আয়োজিত হচ্ছে সশস্ত্র বাহিনীর বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে ঢাকার তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান শুরু হয়।

২০০৮ সালের পর এই প্রথম ২৬ মার্চের রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় কুচকাওয়াজ বা প্যারেড প্রদর্শনী যুক্ত হলো। বিগত বছরগুলোতে বিজয় দিবসে (১৬ ডিসেম্বর) এই আয়োজন নিয়মিত থাকলেও স্বাধীনতা দিবসে তা বন্ধ ছিল। ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলন পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালেও এই আয়োজন দেখা যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এবারের স্বাধীনতা দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং সালাম গ্রহণ করেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে তিন বাহিনীর প্রধানগণ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ উপস্থিত থেকে সশস্ত্র বাহিনীর এই প্রদর্শনী উপভোগ করেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তত্ত্বাবধানে এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশন। রমজানের শুরু থেকেই প্যারেড স্কয়ারে এর ব্যাপক প্রস্তুতি চলে এবং গত মঙ্গলবার চূড়ান্ত মহড়া (রিহার্সাল) সম্পন্ন করা হয়।

এদিকে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট দেখতে এসেছেন হাজারো দর্শনার্থী। বৃহস্পতিবার সকালে এমন দৃশ্য দেখা যায়। দর্শনার্থীদের বসার জন্য প্লাস্টিকের চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের অনেকের হাতে ও মাথায় জাতীয় পতাকা।

Continue Reading

top1

ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ গ্রেফতার

Published

on

By

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার খালেদকে আদালতে পাঠানো হবে বলে ডিবি জানিয়েছে। 

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, আমরা তাকে নিয়ে এসেছি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

তার বিরুদ্ধে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সকে (ডিজিএফআই) রাজনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত করা, জঙ্গি নাটকের প্রবক্তা, দুর্নীতি মাধ্যমে জলসিড়ি আবাসনের শতকোটি টাকা আত্মসাৎ, আয়না ঘরের রূপকার এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ক্ষমতা অপব্যবহার করে হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে।

গত বছরের মে মাসে শেখ মামুন খালেদ, তার স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়। তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আবেদনে বলা হয়, শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে।

নিষেধাজ্ঞার আবেদনে বলা হয়েছে, ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসা করাসহ ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎপূর্বক নিজ নামে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান চলমান। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদ্বয় দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন মর্মে অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন।

Continue Reading

top1

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায়, নিখোঁজ ৪৫

Published

on

By

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে তলিয়ে গেছে। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আহত অবস্থায় সাতজনকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে ৪৫ জন।

দৌলতদিয়া ঘাট সূত্র জানায়, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ৩নং ফেরিঘাটের পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। বাসটি যেখানে পড়েছে সেখানে গভীরতা বেশ। দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের কাছে থাকা উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ডুবন্ত বাস বা কোনো যাত্রীকে উদ্ধার করা যায়নি।

জানা গেছে, দুপুর ২টা ১০ মিনিটে কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে ৫৬ জন যাত্রী ছিল। যাদের বেশির ভাগই ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছিলেন।

এ ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজীব নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত চারজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় সাতজনকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। বাকিরা নিখোঁজ।

উদ্ধারকাজে ব্যস্ত থাকায় বিআইডব্লিউটিসি, গোয়ালন্দ ঘাট থানা, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Continue Reading

Trending