Connect with us

top1

কোন বিভাগে ধানের শীষ, কোনটিতে দাঁড়িপাল্লা—গুগল ট্রেন্ডসে কোন প্রতীক এগিয়ে?

Published

on

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বাংলাদেশ দাঁড়িপাল্লা অংশ নেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি শাপলা কলি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামছে। এছাড়া জাতীয় পার্টি লাঙ্গল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ গরুর গাড়ি এবং গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। একই সঙ্গে কয়েকজন প্রার্থী নিজ নিজ দলের প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্রভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, অনলাইনে রাজনৈতিক প্রতীক ঘিরে আগ্রহের চিত্র ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। গুগল ট্রেন্ডসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাত বিভাগের (ঢাকা-ময়মনসিংহ) প্রতিটিতেই প্রতীকের জনপ্রিয়তায় রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ধারা। ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগে গুগল সার্চে শীর্ষে রয়েছে ধানের শীষ, অন্যদিকে চট্টগ্রাম, খুলনা ও রংপুর বিভাগে এগিয়ে দাঁড়িপাল্লা। বরিশালে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ্য করা গেলেও অন্যান্য বিভাগের তুলনায় সেখানে হাতপাখার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি। পাশাপাশি রংপুর বিভাগে এনসিপির প্রতীক শাপলা কলিও অন্য বিভাগের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে।

গত ২২ জানুয়ারি প্রচারণা শুরুর পর থেকে আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতীক নিয়ে গুগল ট্রেন্ডসের তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানতে পেরেছে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস।

ঢাকা: গুগল ট্রেন্ডসে ঢাকা বিভাগের আওতাভুক্ত আগের জেলাগুলো ধরে সাত বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ঢাকা বিভাগে (ঢাকা–ময়মনসিংহ) গুগল সার্চের হিসাবে ধানের শীষে ৪৪ শতাংশ, দাঁড়িপাল্লায় ৪২ শতাংশ, হাতপাখায় ৯ শতাংশ এবং শাপলা কলিতে ৫ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে।

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বিভাগে গুগল সার্চে ৪৬ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে দাঁড়িপাল্লা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ধানের শীষে ৪১ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে। এ ছাড়া হাতপাখায় ৯ শতাংশ এবং শাপলা কলিতে ৪ শতাংশ ব্যবহারকারী সার্চ করেছে।

বরিশাল: বরিশাল বিভাগে গুগল সার্চে তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে হাতপাখা। এ বিভাগের অন্য প্রতীকগুলোর তুলনায় হাতপাখা ভালো অবস্থানে থাকলেও এর সার্চ হার ২১ শতাংশ। ধানের শীষ ৩৮ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। খুব কাছাকাছি অবস্থানে দাঁড়িপাল্লায় ৩৭ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে। পাশাপাশি শাপলা কলিতে ৪ শতাংশ সার্চ লক্ষ্য করা গেছে।

রাজশাহী: রাজশাহী বিভাগে গুগল সার্চে ৪৭ শতাংশ নিয়ে ধানের শীষ শীর্ষে রয়েছে। খুব কাছাকাছি অবস্থানে দাঁড়িপাল্লায় ৪৫ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে। এ ছাড়া হাতপাখায় ৬ শতাংশ এবং শাপলা কলিতে ২ শতাংশ সার্চ লক্ষ্য করা গেছে।

খুলনা: খুলনা বিভাগে অন্যান্য বিভাগের তুলনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক দাঁড়িপাল্লার অবস্থান বেশি শক্ত। এখানে ৫১ শতাংশ ব্যবহারকারী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক সার্চ করেছেন। ধানের শীষে ৩৯ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে। পাশাপাশি হাতপাখায় ৮ শতাংশ এবং শাপলা কলিতে ২ শতাংশ সার্চ হয়েছে।

রংপুর: রংপুর বিভাগে গুগল সার্চে দাঁড়িপাল্লার অবস্থান তুলনামূলকভাবে ভালো। এ বিভাগে ৪৪ শতাংশ ব্যবহারকারী দাঁড়িপাল্লা লিখে অনুসন্ধান করেছেন। খুব কাছাকাছি অবস্থানে ধানের শীষে ৪২ শতাংশ আগ্রহ দেখা গেছে। এ ছাড়া শাপলা কলি ও ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা—উভয় প্রতীকেই ৭ শতাংশ করে সার্চ হয়েছে।

সিলেট: সিলেট বিভাগে অন্যান্য বিভাগের তুলনায় ধানের শীষের প্রতি আগ্রহ বেশি। এখানে গুগল সার্চে ৪৯ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে এই প্রতীক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লায় ৪৫ শতাংশ সার্চ লক্ষ্য করা গেছে। পাশাপাশি শাপলা কলিতে ২ শতাংশ এবং ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখায় ৪ শতাংশ সার্চ হয়েছে।

সব বিভাগ একত্রে বিবেচনায় নিলে, নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে গুগল ট্রেন্ডসে প্রতীকভিত্তিক সার্চে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে বিএনপির ধানের শীষ। এর খুব কাছাকাছি অবস্থানে আছে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রতি সার্চ আগ্রহ জাতীয় নাগরিক পার্টির শাপলা কলির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। গুগল ট্রেন্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকের গড় সার্চ আগ্রহ ৭০ শতাংশ, দাঁড়িপাল্লার ৬৮ শতাংশ। পাশাপাশি হাতপাখার গড় আগ্রহ ১৬ শতাংশ এবং শাপলা কলির ৭ শতাংশ।

অন্যদিকে দল হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পরবর্তী এক সপ্তাহের তুলনায় গত ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আগের সাত দিনে গুগল ট্রেন্ডসে বাংলাদেশ থেকে সার্চ করা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও এনসিপির ইন্টারেস্ট রেট কমেছে। ইসলামী আন্দোলনের ইন্টারেস্ট রেট ৫ শতাংশ থেকে কমে বর্তমানে ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে এনসিপির ইন্টারেস্ট রেট ১৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ১৩ শতাংশ।

বিএনপি ও জামায়াতের ক্ষেত্রে সার্চ ইন্টারেস্ট বেড়েছে। জামায়াতের ইন্টারেস্ট রেট ৫৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৮ শতাংশে পৌঁছেছে। আর বিএনপির ইন্টারেস্ট রেট ৮৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৮৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

সুত্র: দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, সড়ক অবরোধ পরীক্ষার্থীদের

Published

on

By

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত হওয়ার পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পরীক্ষার্থীরা।

শনিবার (১০ অক্টোবর) পরীক্ষা শুরুর নির্ধারিত সময়ের আগে এ সিদ্ধান্ত জানানো হলে ক্ষোভে সড়কে নামেন চাকরিপ্রার্থীরা। এতে কয়েকটি এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

সকাল ১১টায় অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (১১তম গ্রেড) পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসায় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত করে।

এরপর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, সাতমসজিদ রোড, বাংলা কলেজ ও খিলগাঁওসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু করেন পরীক্ষার্থীরা। তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার ব্যাখ্যা ও দায়ীদের জবাবদিহি দাবি করেন।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অবরোধের বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরেবাংলা নগর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. লোকমান হোসেন বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আন্দোলনকারীরা আড়ং সিগনালে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন।

তিনি জানান, আসাদগেট থেকে ধানমন্ডিগামী সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে ধানমন্ডি থেকে আসাদগেটমুখী সড়কে অবস্থান নিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভের সময় চাকরিপ্রার্থীদের ‘প্রশ্ন ফাঁস হলো কেন, প্রশাসন জবাব চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

May be an image of one or more people, crowd and text

কেন্দ্রে পৌঁছেও পরীক্ষা দিতে পারেননি প্রার্থীরা
পরীক্ষায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় এসেছিলেন হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী। নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিতের খবর পেয়ে তারা বিপাকে পড়েন। অনেকের অভিযোগ, আগে থেকে কোনো ঘোষণা না দিয়েই পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

রাজধানীর মাদারটেকের এ আজিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসা ঈমান জানান, তারা কেন্দ্রে প্রবেশ করে নির্ধারিত আসনে বসার পর পরিদর্শক এসে জানান, পরীক্ষা হবে না। কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত করেছে।

কেন পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না, তা জানতে চাইলে ঈমান মোল্লা বলেন, কেন্দ্র থেকে কোনো কারণ জানানো হয়নি। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে তারা শুনেছেন। তিনি ফরিদপুর থেকে পরীক্ষা দিতে ঢাকায় এসেছিলেন।

একই কেন্দ্রের আরেক পরীক্ষার্থী মো. তামিম জানান, তাদের কেন্দ্রেও একইভাবে পরীক্ষা স্থগিতের কথা জানানো হয়।

পরীক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ৩০০টি পদের কথা উল্লেখ ছিল। এসব পদের বিপরীতে সারা দেশ থেকে লক্ষাধিক প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন তারা।

জানা গেছে, রাজধানীর কয়েকটি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র বিতরণের পর পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ দিকে মানিক মিয়া এভিনিউতে রাস্তা অবরোধকারীদের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়েছে।

দাবিগুলো হলো:

১. প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

২. দূর থেকে পরীক্ষা দিতে আসা পরীক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে

৩. আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নিতে হবে

দাবি বাস্তবায়নের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, আমরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা কিছু দাবি জানিয়েছে। আন্দোলনকারীদের বাইরে কেউ যেনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয় খেয়াল রাখা হচ্ছে।

Continue Reading

top1

দিল্লিতে বিক্ষোভের আগেই আটক ককরোচদের শীর্ষ নেতারা

Published

on

By

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পূর্ব ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে ধরপাকড় শুরু করেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির পুলিশ।

ইতোমধ্যে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, ইউটিউবার ও ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠিসহ আরও কয়েক নেতাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। এ ছাড়া বিক্ষোভে যোগ দিতে আসা প্রায় হাজার মানুষকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

এক প্রতিবেদনে রয়টার্স বলছে শনিবার সকালে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়। এ ছাড়া দলের দুই সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকা এবং আইন সহায়তা বিভাগের প্রধান রত্না সিংকেও আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

অপরদিকে সিজেপির সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়া ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে শনিবার ভোরে রাজধানী সংলগ্ন শহর গুরুগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ।

একইভাবে বিক্ষোভে যোগ দিতে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রায় ১ হাজার জনকে আটক করার কথা জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআইয়ের বরাতে জানা গেছে, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ঠেকানোর কথা বলে এই পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ।

ভারত, দিল্লি, বিক্ষোভ, ককরোচ জনতা পর্টি, সিজেপিমুম্বাই থেকে শনিবার সকালে দিল্লিতে পৌঁছান ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরই পুলিশ তাকে আটক করে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আটকের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।

আটকের আগে দীপকে জানিয়েছিলেন, কারাগারে যেতে হলেও কিংবা জাতীয় নিরাপত্তা আইনে অভিযুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তাদের আন্দোলন থামবে না। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তিনি।

বিক্ষোভ ঠেকাতে দিল্লিতে ব্যাপক নিরাপত্তা

এদিকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান জন্তর মন্তরসহ দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগে বিধিনিষেধ, একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ এবং ট্রেন চলাচলে বিঘ্নের খবরও পাওয়া গেছে। ফলে বিক্ষোভে অংশ নিতে আসা ব্যক্তিদের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ

ককরোচ জনতা পার্টির এবারের আন্দোলনের মূল দাবি প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। সংগঠনটির অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে ক্ষমতাসীন বিজেপির পক্ষে প্রভাবিত করা হচ্ছে। তবে ভারতের নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি- দুই পক্ষই এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ হিসেবে যাত্রা শুরু করা সংগঠনটি বেকারত্ব, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সরকারের জবাবদিহির মতো ইস্যুতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এবার নির্বাচনি স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে তারা।

এদিকে বিজেপির জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন ককরোচ জনতা পার্টি ও বিরোধী দলগুলোর আন্দোলনকে ‘নৈরাজ্যবাদী’ কর্মকাণ্ড আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেছেন, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চলছে।

বিক্ষোভের আগেই আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের আটক এবং শত শত মানুষকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার ঘটনায় দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

Continue Reading

top1

দিল্লিতে বিক্ষোভে যোগ দেয়ার আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক

Published

on

By

দিল্লিতে পরিকল্পিত বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার আগে ভারতের গুরুগ্রাম থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের নির্দেশনা মানতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভে যোগ দেয়ার প্রস্তুতির মধ্যে ধ্রুব রাঠিকে আটক করা হয়। বিক্ষোভটি আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এ কর্মসূচি ডেকেছে।

পুলিশের দল দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর কেন্দ্রীয় বিহার আবাসিক এলাকায় ধ্রুব রাঠির বাসভবনে যায়। এসময় তাকে বিক্ষোভে যোগ দিতে দিল্লি না যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হচ্ছিল বলে এর আগে গুরুগ্রাম পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন।

পুলিশের নির্দেশনা মানতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

এর আগে, ধ্রুব রাঠি দিল্লিতে বিক্ষোভের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাজধানীতে মেট্রো স্টেশন বন্ধ, ট্রেন চলাচলে বিধিনিষেধসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি পরিস্থিতিকে প্রায় ‘লকডাউন’-এর সঙ্গে তুলনা করেন।

নির্বাচনী তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে এ বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে।

তবে ধ্রুব রাঠিকে আটকের বিষয়ে পুলিশের বিস্তারিত বক্তব্য এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

Continue Reading

Trending