Connect with us

top1

গত ১৫ বছর সাংবাদিকতার নামে আমরা সার্কাসের পোষ মানা সিংহদের দেখেছি -মাহমুদুর রহমান

Published

on

ডেস্ক নিউজ 

আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, আমরা গত ১৫ বছর সাংবাদিকতার নামে সার্কাসের পোষ মানা সিংহদের দেখতে পেয়েছি। যারা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার চেয়ারের নিচে বসে পোষা সিংহের মতো লেজ নাড়িয়েছে না বলে আমি বলব—পোষা কুকুরের মতো লেজ নাড়িয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের নামে গিয়ে তথাকথিত সাংবাদিকরা তেলের বন্যা বইয়ে দিয়েছে।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ববিসাস) সপ্তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সাংবাদিকতা: ইতিহাসের নয়া সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা হলরুমে সকাল ১১ টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সাংবাদিকতা আমার কাছে সিংহের সাংবাদিকতা—যে সিংহের গর্জনে ক্ষমতার মসনদ কেঁপে উঠবে। এই সাংবাদিকতা আমি তরুণদের কাছে প্রত্যাশা করি, সেই তরুণদের কাছে যারা অকাতরে প্রাণ দিয়ে চব্বিশের বিপ্লব সংগঠিত করেছে।

আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মুহসীন উদ্দিন, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম খান স্বপন, বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আযাদ আলাউদ্দীন এবং ববিসাসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিকুল ইসলাম। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন ববিসাসের সভাপতি মো. জাহিদ হোসেন ও সঞ্চালনা করেন ববিসাসের সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম। 

প্রসঙ্গত, ববিসাসের সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়। ২০১৯ সালের ৩ অক্টোবর ‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ, তারুণ্যের মূলপ্রবাদ’ স্লোগানকে ধারণ করে যাত্রা শুরু করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ববিসাস)।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

দিল্লিতে বিক্ষোভে যোগ দেয়ার আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক

Published

on

By

দিল্লিতে পরিকল্পিত বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার আগে ভারতের গুরুগ্রাম থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের নির্দেশনা মানতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভে যোগ দেয়ার প্রস্তুতির মধ্যে ধ্রুব রাঠিকে আটক করা হয়। বিক্ষোভটি আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এ কর্মসূচি ডেকেছে।

পুলিশের দল দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর কেন্দ্রীয় বিহার আবাসিক এলাকায় ধ্রুব রাঠির বাসভবনে যায়। এসময় তাকে বিক্ষোভে যোগ দিতে দিল্লি না যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হচ্ছিল বলে এর আগে গুরুগ্রাম পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন।

পুলিশের নির্দেশনা মানতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

এর আগে, ধ্রুব রাঠি দিল্লিতে বিক্ষোভের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাজধানীতে মেট্রো স্টেশন বন্ধ, ট্রেন চলাচলে বিধিনিষেধসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি পরিস্থিতিকে প্রায় ‘লকডাউন’-এর সঙ্গে তুলনা করেন।

নির্বাচনী তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে এ বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে।

তবে ধ্রুব রাঠিকে আটকের বিষয়ে পুলিশের বিস্তারিত বক্তব্য এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

Continue Reading

top1

আল-ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগে দুই সেমিস্টারের ফল প্রকাশে ২০০ দিন, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের তৃতীয় বর্ষের দুই সেমিস্টারের ফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ উঠেছে। দুই সেমিস্টারের ফল প্রকাশে প্রায় ২০০ দিন সময় লাগায় পরবর্তী একাডেমিক কার্যক্রম নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আইন অনুষদের অর্ডিন্যান্সের ৯(ডি) ধারা অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বিধান রয়েছে। তবে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের তৃতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ফল প্রকাশে সময় লাগে প্রায় ১১০ দিন। দ্বিতীয় সেমিস্টারের প্রথম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ৪ জুলাই। এর মধ্যে প্রায় ১০০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো ফল প্রকাশ হয়নি।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দ্বিতীয় সেমিস্টারের ৩১০১, ৩১০৩ ও ৩১০৪ নম্বর কোর্সের মিডটার্ম পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ফল প্রকাশে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই সেমিস্টার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ৩২০১, ৩২০৩ ও ৩২০৪ নম্বর কোর্সের মিডটার্ম/টিউটোরিয়াল পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী এসব পরীক্ষা সেমিস্টার পরীক্ষার পূর্বে অনুষ্ঠিত হয়। ৩২০১ ও ৩২০৩ নম্বর কোর্সের মিডটার্ম পরীক্ষা গত ১৩ সেপ্টেম্বর নেন কোর্স দুটির শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ওহাব শাহীন। ওই পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের ১৬ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার ডেট দিলেও পরীক্ষা নেননি তিনি। পরে ২১ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ দিয়ে সেদিনও পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। সর্বশেষ গত ২৬ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া ৩২০৪ নম্বর কোর্সের শিক্ষক অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম সম্প্রতি ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, ওই কোর্সের ক্লাস/ টিউটোরিয়াল শেষ না করেই তিনি বিভাগ থেকে চলে যান। পরবর্তীতে সেমিস্টার পরীক্ষার উত্তরপত্র তিনি পাবেন কিনা এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এদিকে এই কোর্সের ইন্টারনাল মার্কের জটিলতা দূর করতে বিভাগীয় কমিটির সিদ্ধান্তে অধ্যাপক ড. নাজিমুদ্দিনকে মিডটার্ম/টিউটোরিয়াল পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এদিকে বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা ও ফলাফল কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় পরবর্তী ব্যাচেরও একাডেমিক কার্যক্রম পিছিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। এ অবস্থায় সেশনজট দূর করা, দ্রুত পরীক্ষা গ্রহণ এবং পরীক্ষার সময়সূচি ও ফল প্রকাশের বিষয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা চেয়ে বিভাগীয় সভাপতির কাছে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থীর স্বাক্ষরসংবলিত স্মারকলিপি দিয়েছেন উভয় শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, চতুর্থ বর্ষের প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা যথাসময়ে সম্পন্ন করা তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু পরীক্ষা সংক্রান্ত নির্দিষ্ট সময়সূচি, সম্ভাব্য তারিখ, ফরম পূরণ, পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের কোনো সুস্পষ্ট রোডম্যাপ না থাকায় তারা দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। দীর্ঘসূত্রতার কারণে হতাশা, মানসিক চাপ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, যথাসময়ে স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম শেষ না হলে বিসিএস, বিজেএস, বার কাউন্সিলসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক ও পেশাগত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সময়গত ও যোগ্যতাগত জটিলতার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা, চাকরি ও পেশাগত জীবনে প্রবেশের পরিকল্পনাও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে। এ কারণে চতুর্থ বর্ষের প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষার জন্য সুস্পষ্ট, বাস্তবসম্মত ও সময়বদ্ধ রোডম্যাপ প্রণয়ন ও প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, “দিনে পাঁচটা করে ক্লাস নিয়ে শারীরিক-মানসিক টর্চার করা হয়, এদিকে পরীক্ষার নাম নেই। পরীক্ষা হলে রেজাল্ট নেই। এর আগে বিভিন্ন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার দেওয়া হলেও সেগুলোর কোনো বাস্তবায়ন নেই। বলতে কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আমাদের স্যাররা মিথ্যাবাদী। পরীক্ষা নিয়ে স্যাররা মজা নেন। শিক্ষার্থীদের হক নষ্ট করেন। এখন আবার চতুর্থ বর্ষে উঠে তৃতীয় বর্ষের কোর্সের মিডটার্ম পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। দ্বিতীয় সেমিস্টারের ৩১০১, ৩১০৩ ও ৩১০৪ কোর্সের মিডটার্ম পরীক্ষার জন্য ফল আটকে আছে। ৪ জুলাই প্রথম পরীক্ষা হয়েছে, আজ প্রায় ১০০ দিন। তৃতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ফলও ১১০ দিনে দেওয়া হয়েছিল।”

তিনি বলেন, “অন্যান্য বিভাগ তাদের শিক্ষকদের সহযোগিতায় এগিয়ে যাচ্ছে, আর আমাদের বিভাগে আমাদের শিক্ষকরাই আমাদের পিছনে টেনে ধরেন। অন্যান্য বিভাগ ৪.২ পরীক্ষা দেবে, সেখানে আমরা তৃতীয় বর্ষেরই ফল পাইনি। এই বিভাগে পরীক্ষা-রেজাল্টের দাবি নিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে জুতা ক্ষয় হয়ে যায়। আগামী ফেব্রুয়ারিতেও সম্ভবত বিজিএসের সার্কুলার দেবে। শুধুমাত্র স্যারদের কারণে আমরা এগুলো হারাব।”

তিনি আরও বলেন, “আমার আব্বু-আম্মু দুজনই দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছেন। তারা শুধু জিজ্ঞেস করেন, কবে অনার্স শেষ করে বাসায় যাব। বাসায় কাউকে জানাতেও পারি না যে আমি কোন জাহান্নামের মধ্যে আছি। বাড়িতে জিজ্ঞেস করে কবে পড়াশোনা শেষ হবে, লজ্জায় বলতে পারি না। সামাজিকভাবে অপমান, অপদস্ত ও জীবন নিয়ে অনিশ্চয়তা দিন দিন আমাদের অন্ধকার করে দিচ্ছে।”

এ বিষয়ে ৩২০১ ও ৩২০৩ নম্বর কোর্সের শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ওহাব শাহীন বলেন, আমি যে দুইটা কোর্স নিয়েছিলাম, অনেক আগেই নম্বরপত্র জমা দিয়েছি। বাকিটা খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।

৩২০৪ নম্বর কোর্সের শিক্ষক অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে প্রথমে কোর্সের নাম জানতে চাইলেন। কোর্সের নাম শুনার পর তিনি ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মজুমদার বলেন, গত মাসের ৩০ অক্টোবর বুধবার পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখি অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ওহাব শাহীন ওনার দুইটা কোর্সের নম্বর জমা দেওয়া হয়নি বলে আমি এটা নিয়ে কাজ করতে পারিনি। আর আমি গত সপ্তাহ থেকে বেশ কিছুদিন অসুস্থ থাকায় আর এটা নিয়ে কাজ করা হয়নি। খুব দ্রুত ফলাফল প্রকাশের কাজ করা হচ্ছে।

বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. আলতাফ হোসেন বলেন, “তৃতীয় এবং চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা আমার কাছে রেজাল্ট ও পরীক্ষার বিষয়ে বারবার আসে এবং স্মারকলিপি দিয়েছে। বিভাগীয় মিটিংয়ে আমি সেটা তুলে ধরেছি। আশা করি শিগগিরই রেজাল্ট প্রকাশ হবে।”

তবে সংশ্লিষ্ট কোর্সের শিক্ষকরা নম্বরপত্র জমা হয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করলে মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

এর আগে বিভাগের সার্বিক জটিলতা ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য সরেজমিনে তদন্ত করেছিলেন। তবে ওই তদন্তের পর এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ। এবিষয়ে পূর্বের তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের কাছে জানতে চেয়ে একাধিক বার কল দিলেও পাওয়া যায়নি।

Continue Reading

top1

অটোরিকশার পক্ষে কথা বলা নেতারই ৭০০ অটোরিকশা রয়েছে: ডিএনসিসি প্রশাসক

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলের পক্ষে বক্তব্য দেওয়া একটি বড় রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেলের নিজেরই ৭০০টি অটোরিকশা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় মেট্রোরেলের পিলারে জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি আঁকার কার্যক্রম উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।

শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, সাধারণ মানুষ অটোরিকশা চলাচলের পক্ষে আন্দোলন করবে—এমনটা তিনি মনে করেন না। অথচ একটি বড় রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেল প্রকাশ্যে অটোরিকশা চলাচলের দাবি মেনে নেওয়ার কথা বলছেন। পরে খোঁজ নিয়ে ওই নেতার ৭০০টি অটোরিকশা থাকার তথ্য পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকার প্রতিটি এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে। দোকানের সামনে কিংবা ফুটপাতে যাতে কেউ অবৈধভাবে বসতে না পারে, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। নগরবাসী যা চাইবে না, সিটি করপোরেশন তা করবে না।

ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়নের কাজ চলছে জানিয়ে মিল্টন বলেন, যেসব এলাকার ফুটপাত ভেঙে গেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো সংস্কার করে পথচারীবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন করে তোলা হচ্ছে।

এ সময় একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ফুটপাতের হকারদের উসকানিমূলক পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগও করেন ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, জনস্বার্থের বিরুদ্ধে কেউ নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলে নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে সিটি করপোরেশন।

Continue Reading

Trending