Connect with us

top1

গাজীপুর-৬ আসনে কে এই হাফিজুর রহমান

Published

on

গাজীপুর, অক্টোবর ২০২৫: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৬ (টঙ্গী, গাছা ও পূবাইল) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বনামধন্য একাডেমিশিয়ান ও লেখক ড. হাফিজুর রহমান। প্রবাসফেরত এই তরুণ শিক্ষাবিদের প্রার্থিতা স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ড. হাফিজুর রহমান তুরস্কের তোকাত গাজি ওসমান পাশা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন এবং সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে ভিজিটিং স্কলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন এবং পরে তুরস্ক সরকারের স্কলারশিপে পিএইচডি অর্জন করেন।
ছাত্রজীবনে তিনি টঙ্গীর তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার ছাত্র সংসদের ভিপি এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর উত্তর-এর সেক্রেটারি ছিলেন। তুরস্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ ফোরাম অব তুর্কি’র সভাপতি এবং জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিভাগের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার রচিত বই ‘এরদোয়ান: দ্য চেঞ্জ মেকার’, ‘আমার দেখা তুরস্ক’, এবং ‘ইসলামী রাজনীতি তত্ত্বে রাষ্ট্র ধারণা’ পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। লেখক, শিক্ষক ও খতিব হিসেবে তার পরিচিতি তাকে গাজীপুরের শিক্ষিত তরুণ সমাজে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
ড. হাফিজুর রহমান বলেন, “তুরস্কে সম্মানজনক ক্যারিয়ার ছেড়ে আমি দেশে এসেছি গাজীপুরকে গড়তে। আমীরে জামায়াতের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমি দায়িত্ববোধ থেকে দেশে ফিরে এসেছি। গাজীপুর-৬ পরিবর্তনের প্রতীক হবে ইনশাআল্লাহ।” তিনি আরও বলেন, “আমার লক্ষ্য হলো ছিনতাই, ডাকাতি, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শ্রমিকদের জন্য ফ্রি ওষুধ সেন্টার চালু করা”।
সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ


ড. হাফিজুর রহমানের প্রার্থিতা গাজীপুরের শিক্ষিত তরুণ সমাজে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রার্থিতাকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই তাকে জামায়াতের ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী হিসেবে অভিহিত করছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তার মতো একাডেমিক ও নৈতিক নেতৃত্ব গাজীপুর-৬ আসনে নতুন ভোটধারার সূচনা করতে পারে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, “ড. হাফিজুর রহমান একজন সৎ, মেধাবী ও নীতিনিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রতীক। তার প্রার্থিতা নতুন প্রজন্মের কাছে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।”
গাজীপুর-৬ আসনটি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের একটি নতুন সংসদীয় আসন, যা ২০২৫ সালে নির্বাচন কমিশনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। এটি গাজীপুর জেলার অন্তর্গত এবং জাতীয় সংসদের ১৯৮ নম্বর আসন হিসেবে চিহ্নিত।

🗺️ সীমানা ও গঠন
গাজীপুর-৬ আসনটি গঠিত হয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩২ থেকে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং ৪৩ থেকে ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
গাজীপুর-৬ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা হলো ৫,৪০,২৫৪ জন।
টঙ্গী পূর্ব থানা, টঙ্গী পশ্চিম থানা, গাছা থানা, পূবাইল থানা

এই আসনটি মূলত গাজীপুর-২ ও গাজীপুর-৫ আসনের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছে। আগে গাছা থানা ছিল গাজীপুর-২-এ এবং পূবাইল ছিল গাজীপুর-৫-এ। নতুন সীমানা অনুযায়ী এই দুটি থানা ও টঙ্গীকে একত্র করে গাজীপুর-৬ আসন তৈরি করা হয়েছে।

🗳️ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
গাজীপুর-৬ আসনের সৃষ্টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। যেহেতু এটি একটি নতুন আসন, তাই এখানে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালে। ফলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নতুন প্রার্থী বাছাইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বিএনপি: এই আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাসান উদ্দিন সরকারসহ একাধিক প্রবীণ ও নবীন নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
জামায়াতে ইসলামী: এই আসনে দলটি ড. হাফিজুর রহমানকে মনোনয়ন দিয়েছে, যিনি একজন প্রবাসফেরত একাডেমিশিয়ান ও লেখক হিসেবে পরিচিত।
এনসিপি ও অন্যান্য দল: নতুন আসন হওয়ায় উন্নয়ন ও জনসেবার সুযোগকে সামনে রেখে বিভিন্ন দল এই আসনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

📈 গুরুত্ব ও সম্ভাবনা
গাজীপুর-৬ আসনটি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলসমূহ নিয়ে গঠিত হওয়ায় এটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জনসংখ্যা ও ভোটার সংখ্যার দিক থেকে এই আসনটি একটি হেভিওয়েট কনস্টিটুয়েন্সি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নতুন আসন হওয়ায় এখানে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

🗳️ ড. হাফিজুর রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি (গাজীপুর-৬)
🎯 মূল স্লোগান:
“গাজীপুর-৬ পরিবর্তনই আমাদের অঙ্গীকার”
📌 প্রধান অঙ্গীকার ও লক্ষ্যসমূহ:

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন:

আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ
মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়
গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও সহায়তা

স্বাস্থ্যসেবা:
শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকায় ফ্রি ওষুধ সেন্টার চালু
সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর সেবার মানোন্নয়ন
মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ

আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা:
ছিনতাই, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর ব্যবস্থা
কমিউনিটি পুলিশিং ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি

অবকাঠামো উন্নয়ন:
রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ও পানির সমস্যা সমাধান
টঙ্গী, গাছা ও পূবাইল এলাকায় আধুনিক নগরায়ণ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন

শ্রমিক কল্যাণ:
গার্মেন্টস ও শিল্প শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা
ন্যায্য মজুরি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ
শ্রমিকদের জন্য আবাসন ও চিকিৎসা সুবিধা

যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান:
কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন
উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও স্টার্টআপে সহায়তা
খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতা

ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা:
মসজিদভিত্তিক সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম
ইমাম ও আলেমদের মর্যাদা ও প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি
ধর্মীয় সহনশীলতা ও সম্প্রীতি রক্ষা

পরিবেশ ও নগর ব্যবস্থাপনা:
বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন
সবুজায়ন ও খেলার মাঠ সংরক্ষণ
পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন পরিকল্পনা

🧭 ব্যক্তিগত অঙ্গীকার:
ড. হাফিজুর রহমান বলেন, “তুরস্কে সম্মানজনক ক্যারিয়ার ছেড়ে আমি এসেছি গাজীপুরকে গড়তে। আমার একাডেমিক অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক জ্ঞান ও নৈতিক মূল্যবোধ দিয়ে আমি গাজীপুর-৬ কে একটি মডেল আসনে রূপান্তর করতে চাই।

জামাত ইসলামি বাংলাদেশ দেশের যে সমস্ত আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে তার মধ্যে সর্বশেষ ছিল এইবার নির্বাচনে নতুন ঘোষণাকৃত আসন গাজীপুর-৬ এ ডঃ হাফিজুর রহমান। ইতি মধ্যে দলটির যে সকল আসনে প্রার্থীরা বিশেষ সাড়া জাগিয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম জামাতের আমিরের ফোনে দেশে ছুটে আশা এই প্রার্থী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছে এটি ছিল জামাতের মনোনয়নের অন্যতম ট্রামকার্ড। তারা আরো ধারণা করছে নির্বাচনে আগ দেয়া আরো কিছু বিশেষ আকর্ষণ আনবে এই দলটি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যুদ্ধে ইরান বিজয়ী, ব্রিটিশ সাংবাদিক হার্স্টের বিশ্লেষণ

Published

on

By

ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড হার্স্ট লিখেছেন, ইরান বিশ্বক্ষমতার ভারসাম্যও বদলে দিয়েছে। বশ্যতার বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিরোধ আরব বিশ্বের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা। ট্রাম্প বা নেতানিয়াহু কেউই ইসলামি প্রজাতন্ত্রের কাছে পরাজিত হওয়া ছাড়া তাদের চোখে চোখ রেখে অন্য কিছু দাবি করতে পারবেন না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে চলা যন্ত্রণাদায়ক আলোচনায় প্রতিটি দিনই নতুন মোড় নিচ্ছে।

যখনই কোনো একটি বিষয়ে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে আসে, তখনই ট্রাম্প তার অপরাধের সহযোগী ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করেন এবং তারপর সেই আলোচনা থেকে সরে আসেন।

এমনটাই ঘটেছে দুটি বিষয়ের ক্ষেত্রে, যেগুলোতে ইরানি আলোচকেরা একটি চুক্তিতে পৌঁছেছেন বলে মনে করেছিলেন। ইরানবিষয়ক বিশ্লেষক হাসান আহমাদিয়ানের মতে, প্রস্তাবিত ৩০-৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির দুটি মূল শর্ত ছিল যে, এই যুদ্ধবিরতি লেবানন পর্যন্ত বিস্তৃত হবে এবং ইরানের কিছু সম্পদ অবমুক্ত করা হবে।

কিন্তু পথটা যতই আঁকাবাঁকা হোক না কেন এবং এই চুক্তি ব্যর্থ হলেও ট্রাম্প যদি তৃতীয়বারের মতো ইরানের ওপর আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেন, তবু এটা নির্মমভাবে স্পষ্ট যে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি যুদ্ধে হেরে গেছে। এটা গত ২৫ বছরে তাদের ষষ্ঠ পরাজয়।

ইরানের হাতেই সব তাস রয়েছে, প্রধানত হরমুজ প্রণালি। কিন্তু সেই সঙ্গে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে অর্জিত প্রতিরোধব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। আরও কিছু তাস ইরান এখনো খেলেনি, যেমন—লোহিতসাগরের মোহনায় বাব এল-মানদেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া। ট্রাম্পের হাতে এর কোনোটিই নেই।

বর্তমান শতাব্দীর প্রথম চতুর্থাংশে যুক্তরাষ্ট্রের এই ধারাবাহিক ব্যর্থতা দৃশ্যমান যখন তার সামরিক শক্তি অবিসংবাদিত এবং এর ব্যবহারে তার একচেটিয়া অধিকার রয়েছে।

ইরানকে আক্রমণ করার ক্ষেত্রে ট্রাম্প শুধু আফগানিস্তান, ইরাক, ইয়েমেন, লিবিয়া ও সিরিয়ায় তার পূর্বসূরিদের ভুলেরই পুনরাবৃত্তি করেননি; এর সঙ্গে তিনি নিজেরও কয়েকটি ভুল যোগ করেছেন।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ যেমন সাদ্দাম হোসেনের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার মিথ্যা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরাক আক্রমণ করেছিলেন, তেমনি ট্রাম্পও মিথ্যা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইরান আক্রমণ করেছেন।

কিন্তু অন্তত বুশের সন্দেহজনক ডসিয়ারটি তার নিজের গোয়েন্দা সংস্থাই সরবরাহ করেছিল। বিপরীতে ট্রাম্পের মিথ্যা গোয়েন্দা তথ্য মোসাদ তৈরি করেছে এবং মার্কিন কমান্ডার-ইন-চিফ তার নিজের গোয়েন্দা সংস্থার সেরা পরামর্শের বিরুদ্ধে গিয়ে তা পুরোপুরি বিশ্বাস করেছিলেন।

নেতানিয়াহু ও মোসাদের পরিচালক ডেভিড বারনিয়া ট্রাম্পকে বোঝান যে, জানুয়ারির অভ্যুত্থানের পর তেহরানের শাসনব্যবস্থা এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে, সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার পর তা বড়জোর কয়েক দিন টিকবে।

নেতানিয়াহুর চেয়ে জোরালোভাবে আর কেউ বলেনি যে, এর জন্য শুধু একটি শেষ ধাক্কার প্রয়োজন। এটা ঘটলে তার জীবনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ হতে চলেছিল। যুদ্ধ যেহেতু প্রায় শেষ, তাই এখন তার চেয়ে বড় পরাজিত আর কেউ নেই। এ কারণেই তিনি ট্রাম্পকে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করা থেকে বিরত রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।

কিন্তু এই যুদ্ধ যখন অবশেষে থামবে, তখন এ দজনের জন্যই চূড়ান্ত হিসাবনিকাশ নিশ্চিতভাবেই আসবে।

ক্ষমতার ভারসাম্য

তারা শুধু খারাপভাবে পরাজিত হচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আঞ্চলিক পরিকল্পনার প্রতি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের হুমকি যথেষ্ট গুরুতর।

তিনটি মার্কিন প্রশাসনের নীতিই ছিল—ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ, জো বাইডেন এবং এখন ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ—সুন্নি আরব দেশগুলোকে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে উৎসাহিত করা।

প্রস্তাবিত এই নতুন ব্যবস্থাকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়েছে—সুন্নি-ইসরাইল জোট, আরব ন্যাটো, আব্রাহাম চুক্তি—কিন্তু এর রূপরেখা স্পষ্ট। এটি কোনোভাবেই সমতার অংশীদারিত্ব হবে না। ইসরাইলকে নতুন আঞ্চলিক আধিপত্যকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে। এটি হবে এমন একটি কেন্দ্র যার মাধ্যমে অস্ত্র, উচ্চ প্রযুক্তি, তথ্য এবং বাণিজ্য পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত হবে।

এই জোটের একমাত্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ অংশীদার ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ। একমাত্র তিনিই দুটি ‘ছোট স্পার্টা’র একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর এবং লোহিতসাগরের চারপাশে কৌশলগতভাবে ছড়িয়ে থাকা বিমানক্ষেত্র ও বন্দরের একটি পারস্পরিক লাভজনক সাম্রাজ্য গঠনের সুবিধা দেখেছিলেন।

ইরানের সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণের ফলে হয় শাহের পুত্র রেজা পাহলভীর মতো একজন দুর্বল লোককে ক্ষমতায় বসানো হতো অথবা গৃহযুদ্ধ শুরু হতো কিংবা ইরান খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যেত। ইসরাইল এসবের তোয়াক্কা করেনি। ইরাক এবং এখন সিরিয়ার খণ্ড-বিখণ্ড হওয়া ও স্থায়ীভাবে দুর্বল হয়ে পড়াটাই ইসরাইলের প্রতিষ্ঠিত নীতি।

সৌভাগ্যবশত, এটি এমন একটি কল্পনা, যা এখন কেবল ট্রাম্পের মাথাতেই বিদ্যমান। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের টিকে থাকা এই অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্যকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন করে দিয়েছে।

প্রান্ত থেকে কেন্দ্রে

শুধু দেখুন কারা আলোচনার নেতৃত্ব দিচ্ছে: পাকিস্তান ও কাতার। ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে পাকিস্তান বরাবরই এই অঞ্চলের প্রান্তে ছিল। ইন্দোনেশিয়া বা মালয়েশিয়ার মতো অন্যান্য মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মতোই তারাও সহানুভূতি দেখিয়েছিল, শুধু এটুকুই।

মূল পরিবর্তনটি আসে ইরান যুদ্ধের চরম মুহূর্তে, যখন প্রধান আরব শক্তিগুলো—সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত—দেখল যে মার্কিন সামরিক ছাতার জন্য তারা এত চড়া মূল্য দিলেও তা তাদের রক্ষা করতে পারছে না। ফলে তারা বিশাল সেনাবাহিনী এবং প্রতিষ্ঠিত বিমান শক্তি সম্পন্ন বাইরের শক্তিগুলোর দিকে তাকায়। তা হলো তুরস্ক ও পাকিস্তান।

হঠাৎ করেই পাকিস্তানি সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির একজন প্রধান খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হন।

পাকিস্তান এমন আরেকটি দেশ, যাকে একজন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তালেবানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের যুদ্ধে সহযোগিতা না করলে বোমা মেরে ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।

এটি একটি পারমাণবিক শক্তি এবং এর একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি রয়েছে। চীনের সঙ্গে এর একটি শক্তিশালী বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক আছে। ফলে দেশটির কাছে চীনের তৈরি পিএল-১৫ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা ভারতের অত্যাধুনিক ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করতে সক্ষম।

গুরুত্বপূর্ণভাবে, উপসাগরীয় যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের অপ্রত্যাশিত আবির্ভাবে মোহাম্মদ বিন জায়েদের প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল তাদের দেওয়া অর্থ ফেরত চাওয়া।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০১৮ সালে পাকিস্তানকে ২ বিলিয়ন ডলার দিয়েছিল। সৌদি আরব আবুধাবিকে অর্থ পরিশোধের জন্য পাকিস্তানকে তহবিল সরবরাহ করে।

প্রধান আলোচক হিসেবে কাতারের অন্তর্ভুক্তিতে তেমন কোনো বিস্ময় ছিল না। ইরানের সঙ্গে আসন্ন চুক্তির ঘোষণা দেওয়া একটি পোস্টে ট্রাম্প অন্তত তিনজন কাতারি নাগরিকের নাম উল্লেখ করেছিলেন।

উদীয়মান জোট

কিন্তু এখন দুটি স্বতন্ত্র জোটের উদ্ভব ঘটেছে। যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যে গঠিত একটি জোটে রয়েছে সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, কাতার এবং ওমান। ধারণা করা হচ্ছে, কুয়েত পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকছে, অন্যদিকে গাজায় ইসরাইলের পরিকল্পনা নিয়ে মিশরের যথেষ্ট ভয় রয়েছে।

এই রাষ্ট্রগুলোর অধিকাংশই ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর সদস্য, কিন্তু ইরানের বিজয়ের পর এর কোনো অর্থই থাকে না। তারা সবাই গাজার অর্ধেক, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল এবং পশ্চিম তীরের দুই-তৃতীয়াংশ স্থায়ীভাবে দখল করার ইসরাইলি প্রচেষ্টার বিরোধী।

এই উদীয়মান জোটের আরেকটি লক্ষণ ছিল তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি বিবৃতি, যেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী সোমালিল্যান্ড অঞ্চলে ইসরাইলে দূতাবাস খোলার নিন্দা জানানো হয়। এতে অনুপস্থিত ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত।

সুন্নি মুসলিম দেশগুলোর একটি শক্তিশালী সামরিক ও কূটনৈতিক জোটের উত্থান ঠিক সেটাই, যা ইসরাইল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত চায়নি। এই জোট এখন শক্তিশালী এবং ক্রমশ প্রকাশ্য হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপিত হলে আবুধাবি নিজেকে তার সবচেয়ে শক্তিশালী দুটি দেশের বন্দুকের নলের সামনে দেখতে পাবে, অন্তত রূপক অর্থে। এগুলো হলো প্রতিবেশী ইরান এবং সৌদি আরব।

ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে সৌদি আরবকে টেনে আনার আমিরাতের কৌশল ব্যর্থ হয়েছে। রিয়াদ কমবেশি তার অবস্থানেই অটল থেকেছে এবং ইরানের সাথে তার সম্পর্ক ও ইয়েমেনের হুথিদের সাথে যুদ্ধবিরতি অক্ষুণ্ণ রেখেছে।

একটি বিষয় নিশ্চিত। যদিও সুন্নি দেশগুলোর এই উদীয়মান জোট নিজেদের ইসরেইলবিরোধী হিসেবে পরিচয় দেবে না, তবে এর অস্তিত্ব নিশ্চিতভাবেই ইহুদিবাদী জন্য সুবিধাজনক নয়।

প্রতিরোধকে শক্তিশালী করা

পৃথিবীতে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে আরেকটি প্রধান শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে। এটি এই অঞ্চলের অন্য সকল তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী দেশের উপর তার প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও একবার প্রতিষ্ঠা করেছে, এবং ওমানের সাথে মিলে হরমুজের উপর তার কার্যত নিয়ন্ত্রণ আর কখনও ছেড়ে দেবে না।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে, পাকিস্তান ও চীনের উদ্দেশে হরমুজ দিয়ে ট্যাংকারগুলোর যাতায়াত কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। ইরান প্রমাণ করেছে যে তারা কলের মতো হরমুজকে যখন-তখন চালু বা বন্ধ করতে পারে।

ইরানের এই বিজয় অঞ্চলজুড়ে প্রতিরোধ আন্দোলনকেও শক্তিশালী করেছে। ফাঁদ পাতা পেজার এবং ধারাবাহিক হামলায় হিজবুল্লাহর নেতৃত্ব একাধিকবার নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার পর তাদের একটি যুদ্ধশক্তি হিসেবে বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রতি-গোয়েন্দা কার্যক্রমের প্রাথমিক পাঠ শেখা এক নতুন প্রজন্মের যোদ্ধাদের (হিজবুল্লাহ যখন বুঝতে পারে যে তাদের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তখন থেকে কেউ ফোন ধরে না) এবং এফপিভি ড্রোন নামক একটি নতুন অস্ত্রের সাহায্যে তারা লেবাননকে লেবানন সরকারের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরভাবে রক্ষা করছে। অথচ লেবানন সরকার বর্তমানে ইসরাইলের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে!

ইরান বিশ্বক্ষমতার ভারসাম্যও বদলে দিয়েছে। অত্যন্ত স্বচ্ছন্দ প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সামনে ট্রাম্পকে নতজানু হতে দেখাটা ছিল বেদনাদায়ক, যেখানে চীনা নেতা এতটাই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে, ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েই তিনি তাইওয়ানকে স্পর্শ না করার সুস্পষ্ট হুমকি দেন।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ফুকুয়ামা যথার্থই পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রকে এখন একটি দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করার পালা, যেখানে চীন স্থিতিশীলতার কণ্ঠস্বর এবং ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে, এমনকি মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। গত ২৫ বছরে চীনই একমাত্র বৃহৎ শক্তি যা কোনো যুদ্ধে লিপ্ত হয়নি।

বশ্যতার বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিরোধ আরব বিশ্বের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা। বার্তাটি হলো- যথেষ্ট দৃঢ়সংকল্প এবং যথেষ্ট উচ্চ সহনশীলতা থাকলে মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যম শক্তিগুলো মার্কিন ও ইসরাইলি ঔপনিবেশিক আধিপত্যকে প্রতিহত করতে এবং জয়ী হতে পারে।

ঐতিহাসিক পরাজয়

একটি কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর কী ঘটবে?

আমি মনে করি, ইসরাইল নতুন করে লেবানন ও গাজায় বোমাবর্ষণ পুনরায় শুরু করবে। নেতানিয়াহু লিটানি নদীর দক্ষিণে প্রতিটি বাড়ি, গ্রাম ও শহর ধ্বংস করতে চাইবেন, যাতে ইরানে তার বিপর্যয়কে যথাসম্ভব দীর্ঘ সময় ধরে আড়াল করা যায়। তিনি হামাসের নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে পুরো গাজা দখল করার কথাও বিবেচনা করতে পারেন।

কিন্তু তিনি নিজের রাজনৈতিক কবর নিজেই খুঁড়বেন, কারণ ইসরেইলের পক্ষে তার কোনো উদ্দেশ্য অর্জন করে এই ধারাবাহিক যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো সম্ভাবনাই নেই।

ট্রাম্প বা নেতানিয়াহু কেউই ইসলামি প্রজাতন্ত্রের কাছে পরাজিত হওয়া ছাড়া তাদের চোখে চোখ রেখে অন্য কিছু দাবি করতে পারবেন না।

গাজায় ইসরাইল তার গণহত্যায় যেমন আমেরিকান ইহুদিদের একটি পুরো প্রজন্মের সমর্থন হারিয়েছে, তেমনি ইরানের বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধ রিপাবলিকান ট্রাম্প সমর্থকদের বয়স্ক প্রজন্মের ওপর একই রকম প্রভাব ফেলেছে। ইসরাইল যে যুক্তরাষ্ট্রকে “দখল” করে রেখেছে, এই ধারণাটি দ্রুতগতিতে বাড়ছে রিপাবলিকান খ্রিস্টান মহলে।

আর আমি যদি আবুধাবির শাসক হতাম, তবে আমি নিজেকে তেহরানে সরকার পরিবর্তনের কথা জিজ্ঞেস করতাম না। আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করতাম, আমি আর কতদিন ক্ষমতায় থাকতে পারব?

মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড হার্স্টের নিবন্ধ (সংক্ষেপিত)

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

Continue Reading

top1

কঠিন সময়ে মুসলিম উম্মাহকে ধৈর্য ধারণ ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান 

Published

on

By

কঠিন সময়ে মুসলিম উম্মাহকে ধৈর্য ধারণ ও ঐক্যবদ্ধ থাকা আহ্বান জানিয়ে মসজিদে নববীর ইমাম শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি বলেন, আমাদের পারস্পরিক ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখতে হবে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেলে হজের খুতবায় তিনি এ আহ্বান জানান।

খুতবায় হজের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক তাৎপর্য তুলে ধরে শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান বলেন, হজ হলো বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচয়, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার এক অনন্য প্রতিফলন।

জনসমুদ্রের উদ্দেশে ইমাম বলেন, ‘হে মানুষ, আল্লাহকে ভয় করো, কারণ তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমেই বান্দা পরকালে মুক্তি লাভ করতে পারে।’ তিনি আরো বলেন, পরকালের শ্রেষ্ঠ প্রস্তুতি হলো একত্ববাদ (তৌহিদ) এবং শুধু আল্লাহর ইবাদত করা। সেই সঙ্গে তিনি হাজিদের সততা বজায় রাখা এবং মিথ্যাচার ও গিবত থেকে দূরে থাকার নসিহত করেন।

খুতবা শেষে মুসলিম উম্মাহর সার্বিক অবস্থার উন্নতি এবং হাজিদের ইবাদত কবুল করার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। শেখ হুদাইফি দোয়া করেন, ‘হে আল্লাহ, হাজিদের দোয়া ও ইবাদত কবুল করুন, তাদের জন্য সবকিছু সহজ করে দিন এবং তাদের নিরাপদে নিজ নিজ দেশে ফেরার তৌফিক দান করুন।’

খুতবা সমাপ্ত হওয়ার পর হাজিরা মসজিদে নামিরায় একত্রে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন। এরপর হজের পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তারা মিনার উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

উল্লেখ্য, মসজিদে নামিরা ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এখানেই বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।

Continue Reading

top1

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র আর ‘নিরাপদ আশ্রয়’ পাবে না: মোজতবা খামেনি

Published

on

By

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র আর ‘নিরাপদ আশ্রয়’ পাবে না। তিনি বলেন, এসব দেশ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর জন্য আর ‘ঢাল’ হিসেবে আর কাজ করবে না।

মঙ্গলবার টেলিগ্রাম চ্যানেলে এই মন্তব্য করেন খামেনি। তিনি এমন সময়ে এ মন্তব্য করলেন, যখন ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিমান হামলায় তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর গত মার্চ মাসে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোজতবা। এরপর থেকে তিনি এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে আসেননি।

সূত্র: আলজাজিরা

Continue Reading

Trending