Connect with us

ক্যাম্পাস

জকসু: প্রধান ফটকে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের নেতৃত্বে নেতাকর্মীদের অবস্থান

Published

on

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল ঘোষণা চলছে। এ উপলক্ষে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে সহস্রাধিক নেতাকর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের বিপরীত পাশে অবস্থান নিয়েছেন।

বুধবার সকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে নেতাকর্মীদের নিয়ে এই অবস্থান নিতে দেখা যায়।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রথমবারের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে। ফলাফল ঘোষণা উপলক্ষে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই বিএনপি ও ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে ছাত্রদল সভাপতি রাকিব বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতাকর্মী বলেন, “আমরা জকসু নির্বাচনের ফলাফল জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। ফলাফল ঘোষিত হওয়ার পর আমরা বিজয় মিছিল নিয়ে ফিরে যাব।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ইবির আজিজুর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটির প্রীতি বিতর্ক, নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায়

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শাহ আজিজুর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটি’র আন্তঃব্লক প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় শাহ আজিজুর রহমান হলের টিভি রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নবীন বিতার্কিকদের বরণ ও প্রবীণদের বিদায় দেয়া হয়।

এসময় হল ডিবেটিং সোসাইটি’র সভাপতি সদ্য সাবেক সোলাইমান তালুকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হলের হাউস টিউটর অধ্যাপক আনোয়ারুল ওয়াহাব।

এছাড়া অন্তবল প্রীতি বিতর্ক অনুষ্ঠানে বিতর্কের বিষয় ছিল “এই সংসদ মনে করে, অতিরিক্ত ইন্টারনেট, টেকনোলজি ও এআই নির্ভরশীলতার কারণে মানুষের কর্মক্ষমতা ও সৃজনশীলতা লোপ পাচ্ছে।”

এ বিতর্ক প্রতিযোগিতার স্পিকার হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি সোয়াইব বিন আছাদ ও টাইমকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আসমাউল হক রুনা। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবি ডিবেটিং সোসাইটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতিবৃন্দ।

সরকারি দলের পক্ষে অংশগ্রহণ করেন আশরাফুল ইসলাম, মোসাব্বের ও সাইফুল্লাহ । অপরদিকে বিরোধী দলের পক্ষে অংশগ্রহণ করেন রাশিদুল ইসলাম রাকিব, আহনাফ ও শরিফুল।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ডিবেটিং সোসাইটির প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী এবং দর্শক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন হল থেকে আগত নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

সদ্য সাবেক সভাপতি সোলাইমান তালুকদার বলেন, “আমি দায়িত্বকে একটা বড় ধরনের আমানত মনে করেছিলাম। সেই জায়গা থেকে দায়িত্ব গ্রহনের শুরুর দিন থেকে থেকে আজ দায়িত্বের শেষদিন পর্যন্ত চেস্টা করেছি নিজের আমানত রক্ষা করার।”

তিনি আরও বলেন, “প্রোগ্রামকে সাফল্য মন্ডিত করার পিছনে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, মেহমানবৃন্দ ও বিচারক মন্ডলী সহ সকলের কাছে এবং হলের প্রভোস্ট থেকে শুরু করে হাউজ টিউটর সহ হলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দের প্রতিও অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

কুবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১২ দিনব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু

Published

on

By


কুবি প্রতিনিধি

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মদক্ষতা উন্নয়নে ১২ দিনব্যাপী ‘মাইক্রোসফট অফিস স্কিল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি এসসোরেন্স সেল (আইকিওএসি)। উক্ত প্রশিক্ষণে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, গ্রাফিক ডিজাইন ও পাওয়ারপয়েন্টের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

‎রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আইকিওএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। এছাড়াও বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন।

‎কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘কর্মক্ষেত্রে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে নিয়মিতভাবে নিজের দক্ষতা উন্নয়ন করতে হবে। কম্পিউটারের মৌলিক জ্ঞান থাকলেও অফিসিয়াল কাজের গতি ও দক্ষতা বাড়াতে ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ও গ্রাফিক ডিজাইনের মতো বিষয়ে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন জরুরি। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক কর্মদক্ষতাও বৃদ্ধি পাবে।”

‎উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, “আধুনিক কর্মপরিবেশে প্রযুক্তিগত দক্ষতা দৈনন্দিন কাজের অপরিহার্য অংশ। ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ও গ্রাফিক ডিজাইনে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।”

‎উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “বর্তমান সময়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার জন্য কম্পিউটারের মৌলিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা জরুরি। প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে কম সময়ে বেশি কাজ করা সম্ভব। প্রশিক্ষণ শেষে মূল্যায়নের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা যাচাই করে নির্ধারিত মান অর্জনকারীদের সনদ দেওয়া হবে।”


‎আইকিওএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এ ধরনের একটানা ১২ দিনব্যাপী প্রাতিষ্ঠানিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ এই প্রথম। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং, অফিসিয়াল কাজ এবং কম্পিউটারের সাধারণ কারিগরি সমস্যা সমাধানে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা বাড়বে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবি সায়েন্স ক্লাবের উদ্যোগে ল্যাবরেটরি ও অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক কর্মশালা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের উদ্যোগে ‘ল্যাবরেটরি ও অগ্নিনিরাপত্তা: প্রতিরোধ, প্রস্তুতি এবং জরুরি করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনে প্রথম পর্ব ও বটতলায় দ্বিতীয় পর্ব আয়োজনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এ কর্মশালা পরিচালিত হয়। এতে টেকনিক্যাল সহযোগী হিসেবে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের একটি দল অংশ নিয়ে ল্যাবরেটরি নিরাপত্তা, অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি পরিস্থিতিতে প্রস্তুতি ও তাৎক্ষণিক করণীয় সম্পর্কে শতাধিক শিক্ষার্থীকে হাতেকলমে বাস্তব জ্ঞান প্রদান করে।

সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি মো. জুনাইদুল মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সায়েন্স ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান আলী ও কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. ওয়াদুদ হুসাইন। এতে রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. মো. আহসানুল হক। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও সায়েন্স ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালার প্রথম পর্ব পরিচালনা করেন রিসোর্স পার্সন অধ্যাপক ড. মো. আহসানুল হক। এতে তিনি ‘ল্যাবরেটরির নিরাপত্তা পদ্ধতি’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। দ্বিতীয় পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের প্রতিনিধিদলের পরিচালনায় ‘অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি করণীয় ও বাস্তব প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শনীতে ভবনে আগুন লাগলে তা নেভানো, আহত ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া ও অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ব্যবহার, সিলিন্ডারে আগুন লাগলে নেভানোর নিয়ম, ড্রামসদৃশ বস্তুর ভেতরের আগুন নেভানো এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে ভেজা চটের ব্যবহার ইত্যাদি কৌশল শেখানো হয়।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আজ আমরা অনেক কিছু জানতে পেরেছি। অগ্নিকাণ্ডের দুর্ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে; এসব থেকে নিজেরা নিরাপদ থাকার পাশাপাশি চারপাশের মানুষকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করব। এছাড়া ল্যাবরেটরি নিরাপত্তার বিষয়ে যা শেখানো হয়েছে, তা আমরা বাস্তব জীবনে মেনে চলার চেষ্টা করব।’

কর্মশালা শেষে সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি মো. জুনাইদুল মোস্তফা কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘অগ্নিনিরাপত্তা ও ল্যাবরেটরি নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আদ্যোপান্ত ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করি এটি শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনে অনেক কাজে আসবে।’

রিসোর্স পার্সন অধ্যাপক ড. মো. আহসানুল হক বলেন, ‘আমাদের দেশে বরাবরই নিরাপত্তা বিষয়টি উপেক্ষিত, যা একটি জাতীয় সমস্যা। সাম্প্রতিক সময়ের চিত্র দেখলে বোঝা যায়, ল্যাবরেটরি বা বাইরে প্রতিনিয়ত যেসব দুর্ঘটনা ঘটছে, তার পেছনে সচেতনতার অভাবই বড় কারণ। এই সংকটকালে আমাদের কী করা উচিত আর কী উচিত নয়, তা এ ধরনের একটি আয়োজনের মাধ্যমে হাতেকলমে শেখানো হয়েছে। এটি একটি দারুণ উদ্যোগ।’

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজে প্রথম সারিতে থাকে, কারণ তারা এ বিষয়ে মানসম্মত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। বাংলাদেশে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসে, কিন্তু প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ না থাকায় আন্তরিকতা সত্ত্বেও উদ্ধারকাজে প্রত্যাশিত সাফল্য আসে না। দুর্ঘটনা ঘটার পর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে মাঝে মাঝে কিছু বিলম্ব বা বিড়ম্বনা তৈরি হয়। তাই দেশসেবার এই পেশায় যারা যুক্ত আছেন, তাদের পাশাপাশি আমরা যদি প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় সহায়তা করতে পারি, তবে যেকোনো বিপর্যয় থেকে দেশের মানুষ ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হবে।’

Continue Reading

Trending