Connect with us

আন্তর্জাতিক

জম্মু-কাশ্মীর-আকসাই চীনকে মানচিত্রে ভারতের অংশ হিসেবে দেখালো যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

১৯৪৭ সালে বিভক্তির সময় থেকেই জম্মু ও কাশ্মীরকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তানের রেষারেষি চলে আসছে। বেশ কয়েকবার যু্দ্ধেও জড়িয়েছে দেশ ‍দুটি। অন্যদিকে আকসাই চীনকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে আসছে চীন।

এবার দীর্ঘদিনের দাবি ও অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে জম্মু-কাশ্মীর ও আকসাই চীনকে ভারতের ভূখণ্ড হিসেবে মানচিত্রে উপস্থাপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশিত এক মানচিত্রে। এতে কূটনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছে পাকিস্তান ও চীন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির একটি কাঠামো ঘোষণার সময় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভারতের এ মানচিত্র প্রকাশ করা হয়।

মানচিত্রে জম্মু ও কাশ্মীরকে সম্পূর্ণভাবে ভারতের ভূখণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মানচিত্রে পাকিস্তানের দখলে থাকা অংশ-যা পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীর (পিওকে) নামে পরিচিত- তাও ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি আকসাই চীন এলাকাকেও ভারতের ভূখণ্ড হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে অনেকদিন ধরেই দাবি করে আসছে নয়াদিল্লি। অন্যদিকে পাকিস্তান ওই অঞ্চলের একটি অংশের ওপর দাবি জানিয়ে আসছে এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বিষয়টি তুলে ধরেছে।

এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত মানচিত্রকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। কারণ, অতীতে ওয়াশিংটন এ বিষয়ে তুলনামূলকভাবে সতর্ক ও নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখত। নতুন মানচিত্রে পুরো জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অংশ হিসেবে দেখানোকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে এক ধরনের পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে এখনো পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে কূটনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

মার্কিন তেলের মজুত বাড়ায় বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। সৌদি আরবের ইয়ানবু টার্মিনালে তেল পরিবহন বন্ধ থাকায় সরবরাহ নিয়ে তৈরি হওয়া উদ্বেগের পাশাপাশি মার্কিন মজুত বৃদ্ধির বিষয়টিও এখন বাজারে প্রভাব ফেলছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৩ সেন্ট বা ০.৮৬ শতাংশ কমে ১০৭ দশমিক ৮২ ডলারে নেমেছে। একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ফিউচারসের দাম ৯৭ সেন্ট বা ০.৯২ শতাংশ কমে ১০৪ দশমিক ৮৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার উভয় আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্কের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ ডলারের বেশি বেড়েছিল। সৌদি আরবের ইয়ানবু টার্মিনালে তেল খালাস বন্ধ থাকা এবং ইউরোপে দেশটির অপরিশোধিত তেল সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম গত ১৯ মে-এর পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে তেলের মজুত বৃদ্ধির তথ্য প্রকাশের পর সরবরাহ নিয়ে বাজারের উদ্বেগ কিছুটা কমে আসে। এর প্রভাবেই বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়।

সূত্র: আল জাজিরা

Continue Reading

top1

অর্থায়ন সংকটে গাজার ২০টির বেশি হাসপাতালে ডিজেল সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

অর্থায়নের ঘাটতির কারণে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে গাজার ২০টিরও বেশি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডিজেল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। মঙ্গলবার গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ডক্টর মুনির আল-বুরশ এ তথ্য জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় মুনির আল-বুরশ বলেন, এতদিন সীমিত পরিমাণ ডিজেল দিয়ে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম কোনোভাবে চালু রাখা হয়েছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্তের কারণে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও গভীর সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

তিনি জানান, জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হলে হাসপাতালের জেনারেটর চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। এর প্রভাব পড়তে পারে অস্ত্রোপচার, নিবিড় পরিচর্যা, অক্সিজেন ও ভেন্টিলেটর ব্যবস্থায়। পাশাপাশি নবজাতক, ডায়ালিসিস রোগী, আহত ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মুনির আল-বুরশ আরও বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং ওষুধ ও টিকার সংরক্ষণব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তিনি ডাব্লিউএইচও, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

তবে গাজার হাসপাতালগুলোতে ডিজেল সরবরাহ বন্ধের বিষয়ে ডাব্লিউএইচওর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: আল জাজিরা

Continue Reading

top1

ভারত-চীন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে একমত মোদি-শি

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে দুই দিনব্যাপী ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন শেষ হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিনভর বহুপক্ষীয় আলোচনা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর সর্বসম্মতিক্রমে ‘দিল্লি ঘোষণা’ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হয়।

ভারতের সভাপতিত্বে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোসহ সদস্য ও সহযোগী দেশগুলোর শীর্ষনেতারা অংশ নেন।

এবারের সম্মেলনে টেকসই ক্ষমতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও স্থায়িত্ব—এই চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সরবরাহব্যবস্থার সংকট ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারসাম্য এবং বহুপক্ষীয় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা করেন নেতারা।

সম্মেলনের ফাঁকে সবচেয়ে আলোচিত বৈঠকগুলোর একটি ছিল মোদি ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক। দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতীয় ভূখণ্ডে এসে মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বসেন শি।

বৈঠকে হিমালয় সীমান্ত ও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন মোদি। দুই দেশের মতপার্থক্য যেন বিরোধে রূপ না নেয়, সে বিষয়েও জোর দেন তিনি।

বিদ্যমান সীমান্ত চুক্তি ও সমঝোতা মেনে চলার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্মান, সংবেদনশীলতা ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দুই নেতা একমত হয়েছেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও বৈঠক করেন মোদি। সেখানে মধ্যপ্রাচ্য ও কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাত নিয়ে আলোচনা হয়। এসব সংকট সমাধানে সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে আলোচনা ও কূটনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

সম্মেলনের শেষ দিনে সর্বসম্মতিক্রমে ৪৫ পৃষ্ঠার ‘দিল্লি ঘোষণা’ অনুমোদিত হয়। এতে সন্ত্রাসবাদ, সন্ত্রাসী অর্থায়ন এবং একতরফা সামরিক সংঘাতের নিন্দা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্বের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া প্রযুক্তিতে একচ্ছত্র আধিপত্য এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদকে রাজনৈতিক চাপ তৈরির উপকরণ হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধেও সতর্ক করেন মোদি। তাঁর মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বৈশ্বিক অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে।

সম্মেলন শেষে ব্রিকস নেতাদের সঙ্গে দিল্লির ‘ভারত ইনোভেটস’ প্রযুক্তি প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন মোদি এবং তরুণ উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করেন।

২০২৭ সালে ব্রিকসের ১৯তম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক ও পরবর্তী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাওয়া চীন ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন নরেন্দ্র মোদি।

Continue Reading

Trending