Connect with us

রাজনীতি

জামায়াতের ১২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

Published

on

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার মগবাজারের আল ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

ঘোষণা অনুযায়ী, ১ অক্টোবর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে গণসংযোগ চালানো হবে। এ সময় মতবিনিময় সভা, গোলটেবিল বৈঠক ও সেমিনারের মাধ্যমে ৫ দফা দাবির পক্ষে জনমত গঠনের চেষ্টা করবে দলটি। ১০ অক্টোবর রাজধানী ঢাকা ও সব বিভাগীয় শহরে গণমিছিল এবং ১২ অক্টোবর জেলা প্রশাসকদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে।

জামায়াতের ঘোষিত পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন, নির্বাচনে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতি চালু করা, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, সরকারের জুলুম-নির্যাতন ও গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান করা এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

লিখিত বক্তব্যে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে জামায়াত দীর্ঘদিন ধরে জোরালো ভূমিকা পালন করে আসছে। এর বাস্তবায়নের জন্য তারা সরকারের কাছে দুটি প্রস্তাব দিয়েছে—প্রথমত, জুলাই জাতীয় সনদের জন্য একটি ‘সংবিধান আদেশ’ জারি করা এবং দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের আগে গণভোটের মাধ্যমে সনদ বাস্তবায়ন করা।

তিনি আরও বলেন, “জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো কার্যকর করতে সরকার কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। তাই জনগণের দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া ছাড়া আমাদের বিকল্প নেই।” জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তাদের পূর্বঘোষিত পাঁচ দফা জনগণের কাছে যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তারা দ্বিতীয় ধাপের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

দলের নেতারা মনে করেন, জনগণের অভ্যুত্থানের রক্তঝরা অর্জন রক্ষা করতে হলে জুলাই সনদের ভিত্তিতেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম ও হামিদুর রহমান আযাদ, নির্বাহী সদস্য সাইফুল আলম খান, মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইসলামী ব্যাংকে সরকারের ‘অযাচিত হস্তক্ষেপের’ প্রতিবাদ জানাল জামায়াত

Published

on

By

দেশের বৃহত্তম ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ওপর সরকারের ‘অযাচিত হস্তক্ষেপের’ অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারের ধারাবাহিক হঠকারী সিদ্ধান্ত দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও আর্থিক খাতকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে।

সোমবার (২৫ মে) দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, গতকাল রোববার (২৪ মে) ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে এবং জনগণের আস্থায় ফাটল ধরানোর উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যানকেও পদচ্যুত করা হয়েছে। এর ফলে ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ইসলামী ব্যাংকে যাকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তিনি ‘পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের চিহ্নিত দোসর’। তার ভাষায়, ‘তার মতো একজন ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া খাল কেটে কুমির আনারই শামিল।’

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকিং খাতের ‘আড়াই লাখ কোটি টাকা লুটপাটকারীদের’ বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাদের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রেখে লুণ্ঠনের পথ প্রশস্ত করতেই ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের পরে পদচ্যুত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সাবেক ডেপুটি গভর্নরকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তার অপসারণ দাবি করেন তিনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘অযোগ্য ও দলদাস গভর্নরকে’ অপসারণ, লুণ্ঠিত অর্থ ফেরত আনা এবং যোগ্য, সৎ ও ইসলামী ব্যাংকিংয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করতে হবে। অন্যথায় উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় সরকারকেই বহন করতে হবে বলেও সতর্ক করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।

Continue Reading

top1

ছাত্রদল নেতাসহ ১১৫ জন‌কে আসামি ক‌রে এন‌সি‌পির মামলা

Published

on

By

ঝিনাইদহে এন‌সি‌পি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় অব‌শে‌ষে মামলা নি‌য়ে‌ছে পু‌লিশ। ঘটনার পর ৭ঘণ্টা মামলা ন‌থিভূক্ত করার দা‌বি‌তে ঝিনাইদহ সদর থানায় নেতাকর্মী‌দের নি‌য়ে অবস্থান নেন এন‌সি‌পির কেন্দ্রীয় মূখ্য সংগঠক না‌সীরুদ্দীন পা‌টওয়ারী।

শুক্রবার রাত সা‌ড়ে নয়টার দি‌কে ‌ঝিনাইদ‌হের স্থানীয় এনসিপি নেতা তারেক রেজা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ইসলামী বিশ্ব‌বিদ্যালয় ছাত্রদলের আহবায়ক শাহেদ আহম্মেদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন, সাবেক সভাপতি এসএম সোমেনুজ্জামান সোমেন, সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাসেলসহ ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১১৫ জনের নামে মামলা‌ করা হয়।

এদিকে মামলা রেকর্ডের পর ঝিনাইদহ থানা ঘেরাও করে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসময় থানার প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়ায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন তারা। এক পর্যা‌য়ে বিক্ষুব্ধ জেলা ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে থানার সাম‌নে জড়ো হয়ে নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর দ্বিতীয় দফায় হামলার চেষ্টা করেন।

এসময় দলীয় নেতাকর্মীসহ নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারী থানার ভিতরে অবস্থান করাছিলেন। পুলিশ থানার প্রধান ফটকে গাড়ি দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সরে গেলে পুলিশ পাহারায় তিনি ঝিনাইদহ ত্যাগ করেন। রাত সা‌ড়ে ১০টার দি‌কে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মী শহরের পায়রা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

ছাত্রদল ও যুবদ‌লের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান করবেন। এ‌সময় নেতাকর্মী‌দের উ‌দ্দে‌শ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, জেলা যুবদলের সাধারণ আশরাফুল ইসলাম পিন্টুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

অপর‌দি‌কে মামলার ঘটনায় জেলা পুলিশের কর্মকর্তা‌দের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা এই ব্যাপা‌রে কোন মন্তব্য কর‌তে রা‌জি হন‌নি।

Continue Reading

রাজনীতি

নেতৃত্ব নিয়ে আশাবাদী, দুর্দিনের সহযোদ্ধাদের মূল্যায়ন চাই: ইবি ছাত্রদল নেতা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

জুলাই বিপ্লবের পর দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠিত হলেও দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই চলছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। মনের আক্ষেপ থেকে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ বলেছেন, “যেহেতু আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে (২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর পরবর্তী সময়, জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থান) ভূমিকা, ডেডিকেশন, শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, ক্লিন ইমেজ, কর্মীবান্ধব ও ছাত্রত্ব—এগুলো মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হবে তাই নেতৃত্ব নিয়ে আমি আশাবাদী। দুর্দিনের সহযোদ্ধাদের মূল্যায়ন চাই।”

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম— নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে একথা লিখেন তিনি। নিচে তার স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলো—

আগেই বলে রাখি গুপ্ত মানে সংখ্যা হ্রাস বৃদ্ধি না। রাজনীতি করা দোষের কিছু না কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বেশ ধরা মানে রাজনীতিকে কলঙ্কিত করা। রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করা কোন কৌশল না বরং কাপুরুষতা। যায় হোক মূল লেখনীতে আসি— যে সংগঠনকে ভালোবেসে, ধারণ করে জীবনের মহামূল্যবান সময় দিয়েছি তার নাম ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল,ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা’। হয়তো হতে পারতাম বাবা-মায়ের সেরা সন্তান, বোনের সেরা ভাই, ভাইয়ের কাছে সেরা ভাই। প্রতিবেশী, আত্মীয়, সমাজের কাছে সফল কেউ। শুভাকাঙ্ক্ষী, প্রিয়দের কাছে আরও প্রিয়। তবুও কোন আপসোস নেই। অনেক গর্বের সাথে পরিচয় দিতে পারি আমি “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল”—এর একজন নগন্য কর্মী। ২০২১ সালের ১৬ জুন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদিত হয়। দুর্দিনে কমিটিভুক্ত ৬-৭ জন সহ মোট ১৪-১৫ জন সহযোদ্ধারা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি; কমিটিভুক্ত ২৪-২৫ জন নিস্ক্রিয় থেকে যায়। ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে কমিটিভুক্ত সহযোদ্ধাদের সংখ্যা বেড়ে ৯-১০ জন হয়েছে।

তিনি আরও লিখেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের কমিটি নতুন করে অনুমোদিত হয়েছে; এমনকি আমাদের বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সমসাময়িক সকল কমিটিই পূর্ণাঙ্গ হয়েছে। অনেক জায়গায় আবারও কমিটি অনুমোদনের গুঞ্জন আছে। দুঃখের বিষয় আমাদের কমিটি পূর্ণাঙ্গ হয় নাই। যদি ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়েও পূর্ণাঙ্গ হতো তাহলে হয়তো নেতা ও কর্মীর মধ্যে প্রতিযোগিতা হতো না [দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ায় যে কর্মী যে নেতার হাত ধরে রাজনীতিতে এসেছে সেই নেতা ও কর্মীর মধ্যে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা] কর্মীরা পরিচয় পেতো, সংগঠনের প্রতি দায়বদ্ধতা বাড়তো, সংগঠন অনেকটা প্রাণ ফিরে পেতো।বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের সময় বঞ্চিত হয়েছি তবে সংগঠন ছেড়ে কখনও নিস্ক্রিয় হয় নাই। একক প্রস্তাবিত সদস্য সচিব প্রার্থী থেকেও কাঙ্ক্ষিত পদবী না পেয়েও নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে সংগঠনের কাজ করে আসছি।আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক জনাব Tarique Rahman ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ সবার সব বিষয়ে অবগত আছেন। যেহেতু আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে (২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর পরবর্তী সময়, জুলাই – আগষ্ট গণঅভ্যুত্থান) ভূমিকা, ডেডিকেশন, শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, ক্লিন ইমেজ, কর্মীবান্ধব ও ছাত্রত্ব এগুলো মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হবে তাই নেতৃত্ব নিয়ে আমি আশাবাদী। দুর্দিনের সহযোদ্ধাদের মূল্যায়ন চাই।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৬ জুন তিন মাসের জন্য ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয় ইবি ছাত্রদলের। তবে চার বছর পার করলেও নতুন কমিটি গঠিত হয়নি, যা সংগঠনের কার্যক্রমে স্থবিরতা ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। সাহেদ আহম্মেদ (আহ্বায়ক) ও মাসুদ রুমী মিথুন (সদস্য সচিব) নেতৃত্বাধীন এ কমিটি ৩ মাস মেয়াদী হলেও বিবাহিত, অছাত্র ও নিষ্ক্রিয় সদস্য এবং নতুন নেতৃত্ব না আসায় বর্তমানে পুনর্গঠনের দাবি উঠেছে।

Continue Reading

Trending