Connect with us

top2

জামায়াতের ৪১ দফা ইশতেহারে যা আছে

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। দলটি এই ইশতেহারের নাম দিয়েছে ‘জনতার ইশতেহার’, যা মূলত রাষ্ট্র সংস্কার, সুশাসন এবং আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশের রূপরেখাকে সামনে রেখে উপস্থাপন করা হয়েছে।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে একটি আয়োজনের মাধ্যমে এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানটি শুরু হয় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে। এরপর মঞ্চে প্রদর্শিত হয় জনতার ইশতেহারের ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা, বিদেশি রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। 

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই নির্বাচনী ইশতেহারে মোট ২৬টি অগ্রাধিকারমূলক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। ইশতেহারের প্রথম অংশে দলটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে একটি বৈষম্যহীন, শক্তিশালী এবং মানবিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য। এতে শাসনব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার, রাজনৈতিক ব্যবস্থার গভীর পরিবর্তন, কার্যকর জাতীয় সংসদ গঠন, নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার, জবাবদিহিতামূলক জনপ্রশাসন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ এবং আইন ও বিচারব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এই অংশে মূলত জাতীয় শাসন ও প্রশাসনকে জনগণের জন্য আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং ন্যায়সংগত করার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

ইশতেহারের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অংশে মূলত দেশের আত্মনির্ভর পররাষ্ট্রনীতি, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংস্কার, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ব্যাপকভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্য, শিল্প, শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ খাতের উন্নয়নের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দলটি কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্বে প্রযুক্তি বিপ্লবের রূপরেখাও এই ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ইশতেহারে নারী ও শিশু নিরাপত্তা, সমাজকল্যাণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।

জামায়াত দাবি করেছে, ‘জনতার ইশতেহার’ তৈরিতে অ্যাপভিত্তিক প্রচারণার মাধ্যমে প্রাপ্ত ৩৭ লাখের বেশি জনমতের প্রতিফলন রাখা হয়েছে। এটি একটি প্রক্রিয়াগত প্রচেষ্টা, যাতে সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা এবং দেশের ভবিষ্যতের প্রয়োজনগুলিকে সঠিকভাবে ইশতেহারে প্রতিফলিত করা যায়। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই ইশতেহার কেবল নির্বাচনের জন্য নয়, বরং একটি স্বচ্ছ, সুশাসিত, আত্মনির্ভরশীল এবং উন্নয়নমুখী বাংলাদেশের রূপরেখা হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

জামায়াতের জনতার ইশতেহার https://cholobangladesh.net/agendas/bangladesh-first

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

দুর্যোগ কি সরকারি-বিরোধী দল দেখে আসে, প্রশ্ন আখতারের

Published

on

By

সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্য বিবেচনা করে দেশে দুর্যোগের কোনো আলাদা মানচিত্র তৈরি হয়েছে কি না, জাতীয় সংসদে এমন প্রশ্ন তুলেছেন সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারি দলের এমপিদের টিআর-কাবিখার বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিরোধী দলের এমপিদের তা দেওয়া হয়নি।

এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সংসদকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, যেসব সংসদ সদস্য বরাদ্দের জন্য চাহিদাপত্র দিয়েছেন, তারা আগামী দু দিনের মধ্যেই তা পেয়ে যাবেন।

সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস‌্য আখতার হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ আশ্বাস দেন। বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হয়।

অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্ন করতে গিয়ে ত্রাণ বরাদ্দে বৈষম্যের সমালোচনা করেন সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বাংলাদেশের দুর্যোগের যে ম্যাপ সেটাতে কি কোনো ধরনের পরিবর্তন এসেছে? কারণ আমরা দেখলাম যে, দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে গত ৩০শে এপ্রিলে যে বরাদ্দটা দেওয়া হয়েছে, সেটা শুধুমাত্র সরকারি দলের আসনগুলোতে দেওয়া হয়েছে। বিরোধী দলের কারো ওটাতে বরাদ্দ দেওয়া হয় নাই। যদি এরকমটা হয়ে থাকে, যে বাংলাদেশে দুর্যোগগুলো যখন আসবে তখন শুধু সরকারি দলের আসনগুলোতেই আসবে, বিরোধী দলের আসনগুলোতে আসবে না… তাহলে হয়তো একভাবে হতে পারতো। কিন্তু দুর্যোগ যখন আসে তখন কিন্তু আমরা সবাই সাফারার (ভুক্তভোগী) হই।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ৩০শে এপ্রিলে ৮৫ লাখ টাকা এবং ৯০ টন করে চাল ও গম শুধুমাত্র সরকারি দলের এমপি বা সরকার দলের আসনগুলোতে বরাদ্দ করা হয়েছে। বিরোধী দলের কোনো আসনেই এটি দেওয়া হয়নি। এই অর্থ জনগণের ট্যাক্সের টাকা। জনগণের অর্থ আহরণ করে তারপরে এই বরাদ্দ করা হয়। বিরোধী দলের আসনের সাধারণ নাগরিকদের প্রতি এটি চূড়ান্ত বৈষম্য।’

এ সময় তিনি ত্রাণমন্ত্রীর কাছে বৈষম্য দূর করে কবে নাগাদ বিরোধী দলের এমপিদের সমতাভিত্তিক বরাদ্দ দেওয়া হবে তা জানতে চান।

সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এই অভিযোগের পর সংসদে সভাপতিত্ব করা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেন। তিনি ত্রাণমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মাননীয় সদস্য আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী, এটি একটি ভেরি ফান্ডামেন্টাল কোয়েশ্চেন (অত্যন্ত মৌলিক প্রশ্ন)। ইফ ইট ইজ ট্রু, আনফেয়ার (যদি এটি সত্য হয়, তবে তা অনুচিত)। আপনি দয়া করে একটু উত্তর দেন আমরা সকলেই শুনি।’

ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশনার পর জবাব দিতে দাঁড়িয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের নানা প্রস্তুতি সবসময়ই থাকে। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র করি। পাশাপাশি যখন যেখানে দুর্যোগ সংঘটিত হয়, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে জেলা পর্যায়ে প্রত্যেকটা জেলা প্রশাসকের কাছে আমাদের জিআর ক্যাশ (নগদ অর্থ) এবং জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া রয়েছে।’

এমপিদের উন্নয়ন বরাদ্দের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘উনি (আখতার হোসেন) টিআর-কাবিখার কথা বলেছেন। যে সমস্ত এমপি মহোদয়রা আমাদের কাছে চাহিদাপত্র দেন, সেখানে আমরা বরাদ্দ দিয়ে থাকি। আমার মনে হয় যে কাল-পরশুর মধ্যে ওনারা ওনাদের বরাদ্দ পেয়ে যাবেন।’

এ সময় সংসদে উপস্থিত অভিযোগকারী সংসদ সদস্যসহ অন্যদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারাও পেয়ে যাবেন। আপনাদের মধ্যে যারা চাহিদাপত্র দিয়েছেন তাদেরকে আমরা বরাদ্দ দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।

Continue Reading

top2

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

Published

on

By

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৮৭ শিশু।

রোববার (৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ হাজার ২২১ শিশুর। এছাড়া পরীক্ষায় হামে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে আরও ৬৬ শিশু।

মৃত সাত শিশুর মধ্যে চারজন ঢাকার, একজন চট্টগ্রামের, একজন ময়মনসিংহের এবং একজন খুলনা বিভাগের বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে ৫২৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ৯১ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২০ জনে।

এদিকে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ৭৯ হাজার ১২ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। তাদের মধ্যে ৬৪ হাজার ২৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৬০ হাজার ৮৪ শিশু।

হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

Continue Reading

top2

তিন বগি লাইনচ্যুত, খুলনার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেলযোগাযোগ বন্ধ

Published

on

By

ঝিনাইদহের সাবদারপুর স্টেশনে মালবাহী ট্রেনের ৩ টি ট্যাংকার লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে খুলনার সঙ্গে রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। রোববার (৭ জুন) সকাল ৬ টার দিকে কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর রেল স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ট্যংকারের ভিতরের তেলের ক্ষতি হয়নি।

এ বিষয়ে রেলওয়ের মোবারকগঞ্জের উপসহকারি প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী তেলবাহী মালগাড়ী ট্রেনটি সাফদারপুর স্টেশনে পৌঁছালে সকাল ৬ টার পেছনের ৩ টি ট্যাংকারের ৯ টি চাকা লাইনচ্যুত হয়। এতে বন্ধ হয়ে যায় খুলনার সঙ্গে রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল। খুলনা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন রওয়া হয়েছে। পৌঁছানোর পর শুরু হবে উদ্ধার কার্যক্রম।

এর আগে, গত ২১ মে একই এলাকায় আরও একটি মালবাহী ট্রেনের লাইনচ্যুত হয়।

Continue Reading

Trending